Tag Archives: Sunlife Insurance

প্রথম দিনেই সানলাইফের ২৭ কোটি টাকা লেনদেন

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের পরে বীমা খাতের কোম্পানি সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ ২৬ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবারে প্রথম দিনের মতো উভয় বাজারেই এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরু হয়। সকাল সাড়ে দশটায় কোম্পানির প্রতিটি শেয়ার ১০০ টাকায় লেনদেন শুরু হয়। বিকেল আড়াইটায় কোম্পানিটির লেনদেন শেষ হয়েছে ৮২ টাকায়। এই দিনে কোম্পানির সর্বনিম্ন ৮১ দশমিক ৭ টাকা লেনদেন হয়। এর আগে ১২ কোটি টাকা মুলধন সংগ্রহের লক্ষ্যে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিকে অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স ২০১২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর-২০১২) ফান্ডের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। গত বছর একই সময়ে এ কোম্পানির ফান্ডের পরিমাণ ছিল ৯ কোটি ৫৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
অন্যদিকে, গত ৯ মাসে এ ফান্ডের পরিমাণ ছিল ২৮ কোটি ১৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। গত বছর একই সময়ে এ কোম্পানির ফান্ডের পরিমাণ ছিল ৩০ কোটি ৫১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এদিকে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১২ পর্যন্ত লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬৭ কোটি ৪৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। যেখানে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ পর্যন্ত লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফান্ডের পরিমাণ ছিল ২২০ কোটি ১৯ লাখ টাকা। জানা যায়, কোম্পানির শেয়ার ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত হয়ে লেনদেন শুরু হয়েছে।

তালিকাভুক্ত হচ্ছে সামিট পূর্বাঞ্চল ও সানলাইফ

সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি ও সানলাইফ ইনস্যুরেন্স দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত হওয়ার অনুমোদন পেয়েছে।
ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় গতকাল মঙ্গলবার নতুন কোম্পানি দুটির তালিকাভুক্তির আবেদন অনুমোদন করা হয়। সভা শেষে সংস্থাটির সভাপতি রকিবুর রহমান এ তথ্য জানান।
নিয়ম অনুযায়ী, পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনের পর এখন ডিএসইর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ তালিকাভুক্তির দিন ঠিক করবে। কোম্পানি দুটি গত নভেম্বরে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে। এর মধ্যে সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার ১২০ কোটি টাকা ও সানলাইফ ইনস্যুরেন্স ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে।
১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ৩০ টাকা প্রিমিয়াম বা অধিমূল্য যোগ করে আইপিওতে সামিট পূর্বাঞ্চলের প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ৪০ টাকা। আর আইপিওতে সানলাইফের প্রতিটি শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে।

Source: Prothom Alo, 16 January, 2013

খুলনায় সানলাইফের আইপিওর রিফান্ড পেতে ভোগান্তি

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্তির জন্য বীমা খাতের আর্থিক প্রতিষ্ঠান সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারি ৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে। যারা লটারিতে এলোটমেন্ট পাননি তাদের অনেকের টাকা কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ১মাস ৬দিন অতিবাহিত হলেও ফেরত দেয়নি। ফলে বিনিয়োগের অর্থ ফেরত না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন খুলনার ২০টি সিকিউরিটিজ হাউজের কয়েক হাজার বিনিয়োগকারী।

বিনিয়োগকারীরা বাংলানিউজকে জানান, জীবন বীমা কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের চাহিদা ও কোনো প্রিমিয়াম না থাকায় সানলাইফের আইপিওর প্রতি তারা আগ্রহী হয়েছিলেন। ফলে নির্ধারিত একটি লটের বিপরীতে আবেদন পড়েছিল প্রায় ৬৩ গুণ।

লটারি বিজয়ীরা পেলেও অনেক আবেদনকারীই এখনও রিফান্ড পাননি।
বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, মুলধন সংগ্রহের সময় কোম্পানিগুলো বিভিন্ন মুখরোচক কথা বললেও টাকা সংগ্রহ শেষ হলে বিনিয়োগকারীদের দিকে তাকায় না। অনেক কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের টাকা অন্য খাতে খাটায়।

বিনিয়োগকারী শিউলী রহমান বাংলানিউজকে জানান, রিফান্ড জটিলতার কারণে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগেরও কোনো সুযোগ নেই। কারণ আইপিও ফরমে কোম্পানির যেসব ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে সেগুলোতে ফোন করলে কেউ রিসিভ করে না।

বিনিয়োগকারী মোস্তাফিজুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, রিফান্ডের টাকা ফেরত পেতে আমরা কার কাছে যাবো। তা বুঝে উঠতে পারছি না। অনলাইন ব্যাংকে আমাদের টাকা ফেরত পাঠাতে কোনো জটিলতা হওয়ার কথা না।

সিকিউরিটিজ হাউজ কর্মকর্তারা বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, এ জটিলতা নিরসনে তাদের কোনো হাত নেই। এক্ষেত্রে তারা কোম্পানির অফিসে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

ন্যাশনাল ব্যাংকের খুলনা শাখার ১০৮১ ও ১০৮২, ইউসিবিএল ব্যাংকের খুলনা শাখার ২৬ ও ১১৪, সিটি ব্যাংকের ১৮২৬ নাম্বারের আইপিও আবেদনকারীরা বাংলানিউজকে জানান, লাভের আশায় এই আইপিও আবেদন করে কিছুটা ভুলই করেছেন তারা।

খুলনা ইনভেস্টরস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদু ডাকুয়া বাংলানিউজকে বলেন, রিফান্ড জটিলতা নিরসনে আমরা একটি যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানাই। কেননা প্রায় অনেক কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের আইপিওর টাকা মাসের পর মাস আটকে রাখে। ফলে দিন দিন প্রাথমিক মার্কেটের প্রতিও বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। তিনি বিনিয়োগকারীদের এ সমস্যা সমাধনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য, ১২ কোটি টাকা মুলধন সংগ্রহের লক্ষে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিকে অনুমোদন দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়ার জন্য গত বছরের ৪ নভেম্বর থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের থেকে আবেদন গ্রহণ করে কোম্পানিটি। সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের মোট ১২ কোটি টাকার আইপিও অফারের বিপরীতে ৬৩ গুণ প্রাথমিক গণপ্রস্তারের (আইপিও) আবেদন জমা পড়ে।

সূত্র: বাংলানিউজ২৪.কম, জানুয়ারি ১৩, ২০১৩

একমাস ধরে বিনিয়োগকারীদের টাকা আটকে রেখেছে সানলাইফ

এক সপ্তাহের পরিবর্তে দীর্ঘ একমাস ধরে বিনিয়োগকারীদের টাকা আটকে রেখেছে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স। আইপিও লটারিতে যারা শেয়ার বরাদ্দ পাননি তাদের অনেকের টাকা এখনো ফেরৎ দেয়া হয়নি। যদিও মতিঝিলের এজিবি কলোনিতে রিফান্ডের টাকা বিতরণ করা হচ্ছে; কিন্তু নিজের টাকা নিজের পকেটে নিতে বিনিয়োগকারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অপরদিকে কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে আবেদনকারীদের ভুলের কারণে রিফান্ড পেতে বিলম্ব হচ্ছে।

সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিও লটারি ড্র অনুষ্ঠিত হবার পর ইতিমধ্যে ২৮ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এখনো শতভাগ বিনিয়োগকারী রিফান্ডের টাকা পাননি। প্রতিদিন একাধিক বিনিয়োগকারী শেয়ারনিউজ২৪ডটকমে ফোন করে রিফান্ড পাননি বলে অভিযোগ করছেন। অনেকে এ কোম্পানির কর্মকা- নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

বিনিয়োগকারীরা বলছেন, যারা ঢাকার বাইরে থাকেন তাদের পক্ষে মতিঝিলে গিয়ে রিফান্ড সংগ্রহ করা ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ। বিশেষ করে যারা অন্য পেশায় কর্মরত তাদের জন্য এটা রীতিমতো ভোগান্তি।

বিনিয়োগকারীদের মতে, রিফান্ডের টাকা ফেরৎ পেতে যদি এমন ভোগান্তিতে পড়তে হয় তবে অন্য কোম্পানির আইপিওতে আবেদনের ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহ কমে যাবে। আর টাকা আটকে থাকায় অনেকে অন্য কোম্পানির আইপিওতে আবেদন করতে পারেননি। এছাড়া আটকে থাকা টাকা সেকেন্ডারি মার্কেটে ফেরৎ আসেনি। ফলে উভয় দিক থেকে বিনিয়োগকারী এবং পুঁজিবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অথচ কোম্পানি মূলধন ঘাটতি মেটাতে পুঁজিবাজার থেকেই টাকা সংগ্রহ করেছে। বিনিয়োগকারীরা এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে কোম্পানির পক্ষ থেকে বিনিয়োগকারীদের এ অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করা হয়েছে। সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের কোম্পানি সচিব রবিউল আলম বলেন, আবেদনকারীরা অনেক সময় আবেদন করতে গিয়ে ভুল করে ফেলেন। যার কারণে রিফান্ড পেতে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এছাড়া বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থেই মতিঝিলে রিফান্ড বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, সানলাইফের আইপিও আবেদন শুরু হয় ৪ নভেম্বর এবং ৮ নভেম্বর শেষ হয়। আইপিও লটারির ড্র সম্পন্ন হয় গত ৬ ডিসেম্বর। কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

সূত্র: শেয়ারনিউজ২৪.কম, জানুয়ারি ০৬, ২০১২

সানলাইফের রিফান্ড জটিলতা

জীবন বীমা কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের চাহিদা ও কোন প্রিমিয়াম না থাকায় সানলাইফের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আগ্রহী হয়েছিল। ফলে নির্ধারিত একটি লটের বিপরীতে আবেদন পড়েছিল প্রায় ৬৩ গুণ। লটারিতে বিজয়ীরা শেয়ার বরাদ্দ পেলেও অনেক আবেদনকারীই এখনও রিফান্ড পাননি। তাদের ভোগান্তির এখন শেষ নেই। অনেক বিনিয়োগকারীর মুখেই এখন হতাশার সুর। কোম্পানিতে যোগাযোগ ছাড়া এসব রিফান্ড পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে
বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, মূলধন সংগ্রহের সময় কোম্পানিগুলো বিভিন্ন মুখরোচক কথা বললেও টাকা সংগ্রহ শেষ হলে বিনিয়োগকারীদের দিকে তাকায় না। অনেক কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের টাকা অন্য খাতে খাটায়। একাধিক বিনিয়োগকারী জানান, রিফান্ড জটিলতার কারণে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগেরও কোন সুযোগ নেই। কারণ আইপিও ফরমে কোম্পানির যেসব ফোন নম্বর দেয়া হয়েছে সেগুলো সঠিক নয়। কোম্পানির অফিসে যাওয়া ছাড়া কোন বিকল্প নেই। এতে সময় এবং অর্থ দুয়েরই অপচয় হচ্ছে। তাই অনেক বিনিয়োগকারীই জানিয়েছেন, লাভের আশায় এই আইপিও আবেদন করে কিছুটা ভুলই করেছেন।
এদিকে রিফান্ড জটিলতা নিরসনে বিনিয়োগকারীরা এ ব্যাপারে একটি যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে।
এদিকে এনভয় টেক্সটাইল নামের আরও একটি কোম্পানি আইপিও’র লটারির পরে রিফান্ড জটিলতা দেখা দেয়। বিশেষ করে প্রাইম ব্যাংকে আবেদন করা বিনিয়োগকারীদের রিফান্ডে কিছুটা সমস্যা দেখা দেয়। পরে অবশ্য এটি নিরসন করা হয়।
প্রসঙ্গত, সানলাইফের আইপিও আবেদন শুরু হয় ৪ নবেম্বর এবং ৮ নবেম্বর শেষ হয়। আইপিও লটারির ড্র সম্পন্ন হয় গত ৬ ডিসেম্বর।

Source: The daily Janakantha

সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স আইপিও ড্রয়ের সম্ভাব্য তারিখ ৬ ডিসেম্বর

এসইসির অনুমতির অপেক্ষা

এসইসির অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের ড্রয়ের তারিখ। সম্ভাব্য সময় ৬ ডিসেম্বর সকাল ১০টা, সম্ভাব্য স্হান ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন, রমনা। কোম্পানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) পুঁজিবাজারের ইতিহাসে রেকর্ড পরিমান অর্থাৎ ৬৩ গুণের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটি মোট ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এজন্য সর্বমোট ১০ লাখ ৯৩ হাজার ৪২৯টি আবেদনের বিপরীতে মোট ৭৬০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা জমা পড়েছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে এই পরিসংখ্যান দেয়া হয়েছে।

পুঁজিবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়েছে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি আইপিওর বিপরতীতে কোনো প্রিমিয়াম নিচ্ছে না। প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ লাখ এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য ১২ লাখ শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হবে। এছাড়া পুঁজিবাজার বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত আছে ২৪ লাখ শেয়ার। বাকি ৭২ লাখ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বরাদ্দ দেয়া হবে। কোম্পানির ৫০০টি শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে মাত্র ২৪ হাজার আবেদনকারী এই কোম্পানির শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এর বিপরীতে মোট আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৯৩ হাজার ৪২৯টি। এরমধ্যে স্থানীয়ভাবে সাধারণ, ক্ষতিগ্রস্ত ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ক্যাটাগরি মিলিয়ে ১০ লাখ ৬০ হাজার ৪২৯টি আবেদনের সঙ্গে ৭৪৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা জমা পড়েছে। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা মোট ২৭ হাজার আবেদনের সঙ্গে ১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা জমা দিয়েছেন।

সূত্র: বিডিআইপিও প্রতিবেদক, ডিসেম্বর ৪, ২০১২

খুলনায় সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন হিড়িক

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদনে খুলনার বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। যে কারণে সোমবার স্থানীয় সিকিউরিটিজ হাউজ ও ব্যাংকপাড়াতে বিনিয়োগকারীদের আইপিওর ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার হিড়িক লক্ষ্য করা গেছে।

আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ হাউজের খুলনা শাখা ব্যাবস্থাপক তাপস কুমার সাহা বাংলানিউজকে জানান, রোববার থেকে এ আইপিরও আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আবেদনের সুযোগ থাকছে ৪ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

তিনি আরও জানান, বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক আগ্রহের সঙ্গে এ প্রতিষ্ঠানের আইপিওতে আবেদন করছে।
সরেজমিনে, মহানগরীর এম সিকিউরিটিজ, র‌্যাপিড সিকিউরিটিজ, এনসিসি সিকিউরিটিজ, জয়তুন সিকিউরিটিজ, ফকরুল সিকিউরিটিজ, আল-আরাফা সিকিউরিটিজ, সিনহা সিকিউরিটিজ ও আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ হাউজ ঘুরে বিনিয়োগকারীদের আইপিওর ফরম সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।

সিটি ব্যাংক খুলনা শাখায় ফরম জমা দিতে আসা জয়তুন সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী মোঃ মনির হোসেন বাংলানিউজকে জানান, আগের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে আইপিওর আবেদন ফরম সংগ্রহ করেছি।

বাংলানিউজের কাছে একই অভিমত ব্যক্ত করেন র‌্যাপিড সিকিউরিটিজ হাউজের বিনিয়োগকারী মোঃ শাওন। তারা জানান, বিগত যে কোন সময়ের চেয়ে বিনিয়োগকারীরা এখন আইপিওর দিকে বেশি ঝুঁকছেন।

ইউসিবিএল-এর খুলনা শাখায় ফরম জমা দিতে আসা আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ হাউজের বিনিয়োগকারী শিউলী রহমান বাংলানিউজকে জানান, সেকেন্ডারি মার্কেটে মন্দা বিরাজ করায় স্বল্প পুঁজির বিনিয়োগকারীরা অনেকেই আইপিওর দিকে ঝুঁকছেন। তিনি আরও জানান, ফরম জমা দিতে অনেককে প্রায় ২/৩ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এসইসির ৪৪৪তম কমিশন সভায় প্রতিষ্ঠানটির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজারে ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১২ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। নির্ধারিত মূল্যে (ফিক্সড প্রাইস) প্রিমিয়াম ছাড়া প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা এবং ৫০০টি শেয়ারে মার্কেট লট।

২০১০ সালের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় ২.১৮ টাকা। তবে প্রস্তাবিত বোনাস শেয়ারের হিসাবে শেয়ারপ্রতি আয় হবে ১.৮১ টাকা।

এছাড়া কো¤পানির শেয়ার প্রতি স¤পদ (এনএভি) ১২.৩৯ টাকা (স¤পদ পুর্ণ:মূল্যায়নসহ)। প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে বেনকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

সূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, নভেম্বর ০৫, ২০১২

Sunlife Ins IPO form available in bdipo.com

Sunlife Insurance will offload 12 million ordinary shares at an offer price of Tk 10 each to collect Tk 120 million by using fixed price method.

According to its latest financial statement, the earning per shares of Sunlife Insurance Company is Tk 6.54.

Banco Finance and Investment Ltd will act as issue manager of initial public offering (IPO) process.

The subscribed users of bdipo.com will be able to generate forms form the website.

Source: bdipo.com

Sunlife Ins, Premier Cement get IPO nod

Sunlife Insurance Company Limited and Premier Cement Mills Limited got approval for their initial public offerings from the Securities and Exchange Commission.

The approval came at a commission meeting Wednesday presided over by its chairman Prof M Khairul Hossain.

Sunlife Insurance will offload 12 million ordinary shares at an offer price of Tk 10 each to collect Tk 120 million by using fixed price method.

According to its latest financial statement, the earning per shares of Sunlife Insurance Company is Tk 6.54.

Banco Finance and Investment Ltd will act as issue manager of initial public offering (IPO) process.

Premier Cement Mills will also float 12 million ordinary shares of Tk 10 each at an offer price of Tk 22 including a premium of Tk 12. Premier Cement will raise Tk 264 million from the market through IPO.

According to its 2010-2011 financial statement, the earning per share of Premier Cement is Tk 4.05. Alliance Financial Services will be the issue manager for IPO process.

In going for IPO, Sunlife Insurance will be the 46th company in the insurance sector while Premier Cement Mills will be the seventh company in cement sector.

Source: Daily Sun, 13 September 2012