Tag Archives: submarine cable

সাবমেরিন ক্যাবল ও সায়হাম কটনের তালিকাভুক্তির অনুমোদন

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাবমেরিন ক্যাবল এবং সায়হাম কটন মিলসকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন করেছে। আজ ডিএসই বোর্ড সভায় প্রতিষ্ঠান দুটিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন করা হয়।

প্রতিষ্ঠান দুটির শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও একাউন্টে জমা হওয়ার পর ডিএসইকে তা অবহিত করতে হবে। ডিএসই এ বিষয় যাচাই-বাচাই করার পর লেনদেনের দিন নির্ধারণ করবে।

সূত্র: শেয়ারনিউজ২৪.কম, ৭ জুন ২০১২

সাবমেরিন কেবল কোম্পানির আইপিওতে আড়াই গুণ আবেদন জমা

সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আড়াই গুণ বেশি আবেদন জমা পরেছে। কোম্পানির শেয়ার বিভাগ থেকে জানানো হয়, কোম্পানির মোট ১০৮ কোটি ৫০ হাজার টাকার শেয়ারের বিপরীতে ২৫২ কোটি টাকার বেশি আবেদন পড়েছে।
আরও জানা যায়, সাবমেরিন কেবল কোম্পানির আইপিওতে মোট ২ লাখ ৪০ হাজার ৯১টি আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানি বাজারে ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১০৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এরমধ্যে কোম্পানির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ১০ লাখ শেয়ার সংরক্ষিত রয়েছে।
আইপিওর মাধ্যমে বাকি ৩ কোটি শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। এজন্য কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ১৮ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়েছে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ৫ এপ্রিল ২০১২

১৮ মার্চ থেকে আইপিও আবেদন জমা নেবে সাবমেরিন কেবল

প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আগামী ১৮ মার্চ থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র গ্রহণ করবে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)। আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা ২২ মার্চ পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে প্রবাসী বাংলাদেশী (এনআরবি) বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আবেদনপত্র পৌঁছানোর সুযোগ থাকবে।
এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি সাবমেরিন কেবল কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন করে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সাব মেরিন কেবল কোম্পানি মোট ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১০৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এরমধ্যে কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১০ লাখ শেয়ার সংরক্ষিত থাকবে। আইপিওর জন্য কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ আইডিবির কাছ থেকে গৃহীত ঋণ পরিশোধ, আইপিও খরচ এবং চলতি মূলধন খাতে ব্যয় করা হবে।
২০১১ সালের ৩১ জানুয়ারি সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ৪৯ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৬৯ পয়সা। বর্তমানে এই কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৮৭ কোটি ৫০ লাখ ৯০ হাজার টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া শেষে এই মূলধন ১১৮ কোটি ৫০ লাখ ৯০ হাজার টাকায় দাঁড়াবে।
বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ এ্যান্ড টেলিফোন বোর্ডের (বিটিটিবি) সাবমেরিন কেবল প্রজেক্টের মাধ্যমে ২০০৮ সালের জুলাই মাসে বিএসসিসিএল পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। কোম্পানিটি ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ১১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করে ১০ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দিয়েছে। বিএসসিসিএল বর্তমান ব্যান্ডউইডথ ক্ষমতা হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে ৪৪.৬০ গিগাবাইট (জিবিপিএস)। বর্তমানে কোম্পানিটি কার্যক্ষমতার মাত্র ২৫ শতাংশ ব্যবহার করতে পারছে। দেশে তথ্য-প্রযুক্তি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানির কার্যক্ষমতার ব্যবহার বাড়বে। এতে কোম্পানির আয়ও বৃদ্ধি পাবে।
বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য দেশের টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রবেশদ্বার হিসেবে বিএসসিসিএল প্রতিনিধিত্ব করছে। এ কোম্পানির মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যবহারযোগ্য ব্যান্ডউইডথ ক্যাপাসিটি ৪৪.৬ জিবিপিএস। এরমধ্যে মাত্র ১১ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সারাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে দেশের চাহিদা পূরণের পরও ৩৬.৬ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ অব্যবহৃত রয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা মাথায় রেখে আগামী ৫ বছর পর্যন্ত সারাদেশের চাহিদা নিরূপন করা হয়েছে ৩৭.০৭৫ জিবিপিএস। তারপরও উদ্বৃত্ত থাকবে ৭.৫২৫ জিবিপিএস। এছাড়া সাবমেরিন কেবল আবার আপগ্রেড করা হচ্ছে যা তৃতীয় আপগ্রেড নামে পরিচিত। এই আপগ্রেডেশনে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে সস্তামূল্যে আরও প্রায় ৭ মিলিয়ন এমআইইউকেএম অতিরিক্ত ব্যান্ডউইডথ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিএসসিসিএল’র ব্যবহারযোগ্য ব্যান্ডউইথ হবে ৮০ জিবিপিএস যা আগামী বছরের মধ্যেই ব্যবহার করা সম্ভব হবে। সামগ্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বর্ধিত ব্যান্ডউইডথ বিদেশে বিক্রি বা লিজ দেয়া সম্ভব হবে। বিদেশে ব্যান্ডউইডথ রফতানির মাধ্যমে কোম্পানি বিপুল পরিমাণের বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবে। পাশাপাশি কোম্পানির ব্যান্ডউইডথ দিয়ে ব্রডব্যান্ড সার্ভিস, ডাটা ট্রান্সমিশন, কল সেন্টার সার্ভিস, সফটওয়্যার রফতানি ইত্যাদি স্বল্প খরচে সম্ভব হবে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৯ জানুয়ারী ২০১২

সাবমেরিন কেবল তুলবে ১০৮ কোটি টাকা

আইপিও অনুমোদন করল এসইসি
শেয়ারবাজারে আসছে সরকারি মালিকানাধীন আরও একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানি লিমিটেড। সরকারি কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার অংশ হিসেবে শিগগিরই এটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে।
গত মঙ্গলবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নিয়মিত সভায় কোম্পানিটিকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মাধ্যমে শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সভায় একটি মিউচুয়াল ফান্ডেরও আইপিও প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এসইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এসইসি জানিয়েছে, সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানিটি তিন কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১০৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এর মধ্যে ১০ লাখ শেয়ার কোম্পানিটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম যোগ করে প্রতিটি শেয়ারের বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা। প্রিমিয়াম বাবদ কোম্পানিটির কোষাগারে জমা হবে ৭৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানিটি ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক বা আইডিবির ঋণ পরিশোধসহ চলতি মূলধন হিসেবে ব্যবহার করবে। আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) জমা দেওয়া কোম্পানিটির প্রসপেক্টাস বা বিবরণী থেকে জানা যায়, এটির বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৮৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের পর যা বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ১১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০০৮ সালের ২৪ জুন সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানিটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে।
এ ছাড়া এসইসির মঙ্গলবারের সভায় এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড মিউচুয়াল ফান্ড-১ নামে ১০০ কোটি টাকার একটি ফান্ডের আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে আইপিওর মাধ্যমে তহবিলটির পাঁচ কোটি ইউনিট বাজারে ছেড়ে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। বাকি ৫০ কোটি টাকা এরই মধ্যে তহবিলের উদ্যোক্তা ও প্রাক-আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে।
ফান্ডটির প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা। আর এটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি।

সূত্র: প্রথম আলো, ১৯-০১-২০১২

Green light for BSCCL IPO, NCC Bank mutual fund

The Securities and Exchange Commission (SEC) yesterday approved the initial public offering (IPO) prospectus of Bangladesh Submarine Cable Company Ltd (BSCCL) to go public to raise a fund of Tk 1.08 billion.

The decision came at a meeting of SEC with its chairman M Khairul Hossain in the chair.

The company will float 31 million ordinary shares of Tk 10 each at an offer price of Tk 35 including a premium of Tk 25.

Of the total shares, one million shares will be kept for the officials of the company as reserve.

The IPO proceeds will be utilised to pay loans taken from Islamic Development Bank (IDB), to bear IPO expense and rest for working capital. ICB capital management will act as the issue manager of the IPO.

The SEC meeting also approved the prospectus of ‘NCC Bank Mutual Fund One’ to offload units worth Tk 500 million.

The size of the fund is Tk 1 billion, of which Tk 500 million will be raised through IPO and rest will be collected through sponsor directors.

Face value of each unit is Tk 10 while the market lot will be of 500 units.

LR Global is the issue manager for the fund.

Source: Daily Sun, 19 January 2012

Submarine Cable listing in Jan

State-owned Submarine Cable Company Limited (SCCL) will be listed in the share market in January next year, a top government official has said.

“The prospectus of the company has already been submitted to the Securities and Exchange Commission. Trading in its shares will start in January after getting clearance next month,” telecommunications secretary Sunil Kanti Bose told reporters on Tuesday.

According to the prospectus, Submarine Cable will offload 31 million shares worth Tk 1.085 billion.

The price of every issue has been fixed at Tk 35, including Tk 10 face value and Tk 25 as premium. The Investment Corporation of Bangladesh (ICB) is the issue manager.

Starting off in June 2008, the firm has an authorised capital of Tk 1 trillion while the value of properties against every share is Tk 17.57.

The prospectus said the company’s earning per share for every Tk 10 share was Tk 3.49 in the last financial year.

Source: bdnews24.com, November 29, 2011

জানুয়ারিতে শেয়ার বাজারে আসছে সাবমেরিন কোম্পানি

আগামী জানুয়ারিতে শেয়ার বাজারে আসছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)।

সেই সঙ্গে বাংলাদেশ বাংলাদেশ টেলি-কমিউনিকেশন কোম্পানি লি.(বিটিসিএল), টেলিটকসহ রাষ্ট্রায়ত্ত সব টেলিযোগাযোগ কোম্পানিকে শেয়ার বাজারে আনা হবে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ ভবনে এক অনুষ্ঠানে সাবমেরিন কেবল কোম্পানির চেয়ারম্যান ও টেলিযোগাযোগ সচিব সুনীল কান্তি বোস এ কথা জানান।

তিনি বলেন, শেয়ার বাজারে আসার সব প্রক্রিয়া ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করবে সাবমেরিন কেবল কোম্পানি। এরপর জানুয়ারি মাসে বাজারে আসবে সাবমেরিন কোম্পানি।

৫৪ কোটি টাকা লাভ করেছে সাবমেরিন কোম্পানি

সাবমেরিন কেবল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন জানান, ২০১০-১১ অর্থ বছরে ৫৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা লাভ করেছে। কোম্পানিটি ২০০৯-১০ অর্থ বছরে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ এবং এর আগের বছর ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা আয় করেছে। এ লাভের ওপর প্রথম বছরে ১০ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ৩০ এবং তৃতীয় বছরে ২০ শতাংশ ডিভিড্যান্ড দিয়েছে কোম্পানি।

সূত্র: বাংলানিউজটোযেন্টিফোর.কম, নভেম্বর ২৯, ২০১১

সাবমেরিন ক্যাবল ও অ্যাসেনসিয়াল ড্রাগের আইপিও আসছে ডিসেম্বরে

 বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল ও অ্যাসেনসিয়াল ড্রাগ কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে আগামী ডিসেম্বরে বাজারে আসছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) প্রধান কার্যালয়ে ২৫টি কোম্পানির প্রতিনিধির সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক শেষে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়েকুজ্জামান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এরইমধ্যে এ কোম্পানি দুটির প্রসপেক্টাস নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (সিএসই) জমা দেওয়া হয়েছে।

২৫ কোম্পানির মধ্যে বাকিগুলো অডিট রিপোর্ট, ক্রেডিট রেটিং ও ভ্যালুয়েশনের কাজ দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করার ঘোষণা দিবে বলে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান।

এ বিষয়ে সহযোগিতার জন্য এসইসিতে একটি আলাদা জনবল (সার্ভিস কাউন্টার) নিয়োগের জন্য আইসিবি এসইসিকে প্রস্তাব দিয়েছে। এরমধ্যে ডিরেক্ট লিস্টিং পদ্ধতিতে বাজারে আসবে বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড।

আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, সাপ্লাই বাড়ানোর জন্য নতুন নতুন কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনার চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে কোম্পানিগুলোর বিএমআরই  করে বাজারে নিয়ে আসা হবে। কোম্পানিগুলো পর্যায়ক্রমে বাজারে আসবে।

সরকারের সিদ্ধান্তগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে এ বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

১৪ নভেম্বর বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের আইপিও বাজারে আসবে।

এসব কোম্পানির সম্পদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে আইসিবি।

যেসব কোম্পানির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন সেগুলো হলো- বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল, অ্যাসেনসিয়াল ড্রাগ, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, প্রগতি ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড, বাংলাদেশ টেলি কমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড, লিট্যুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস লিমিটেড, চিটাগং ড্রাই ডক লিমিটেড, বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড, টেলিফোন শিল্প সংস্থা, বাখড়াবাদ গ্যাস সিস্টেম লিমিডেট, রূপান্তরিত গ্যাস কোম্পানি লি., গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লি., জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড, সিলেট গ্যাস ফিল্ড, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড, রুর‌্যাল পাওয়ার কোম্পানি লি., হোটেলস ইন্টারন্যাশনাল লি., বাংলাদেশ ইনস্যুলেটর অ্যান্ড স্যানিটরি ওয়্যার ফ্যাক্টরি লি., ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, কর্ণফুলী পেপার মিলস লি, জিইএমকো লি. বাংলাদেশ  ব্লেড ফ্যাক্টরি লিমিটেড ও  বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প কেম্পানি লি.।

Source: banglanews24.com, 3 Nov, 2011

Submarine Cable holds price discovery roadshow

Bangladesh Submarine Cable Company Ltd yesterday declared the issuance of 3.1 crore general shares.

The declaration came from a price discovery roadshow at the Institute of Diploma Engineers Auditorium in Dhaka.

The price of each share is Tk 90: the face value is Tk 10 and Tk 80 is premium.

Source: The daily Star, 14 Jan, 2011