Tag Archives: submarine cable company

সাবমেরিন কেবল কোম্পানির আইপিওর লটারি অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারি ড্র বুধবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১১টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এ লটারি ড্র হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএসসিসিএলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মনোয়ার হোসাইন, পরিচালক কর্নেল শাহরিয়ার আহমেদসহ ডিএসই, সিএসই, এসইসি ও সিডিবিএলের প্রতিনিধিরা।
নির্ধারিত সংখ্যার তুলনায় কম আবেদন জমা পড়ায় লটারি ছাড়াই বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) শেয়ার পেয়েছেন সাধারণ ও বিদেশী বিনিয়োগকারীরা। তবে এ কোম্পানির আইপিওতে সামগ্রিকভাবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৩৪ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়েছে।
আগামী ২৪, ২৫ ও ২৬ এপ্রিল এ শেয়ারের এ্যালটমেন্ট লেটার বরাদ্দ দেয়া হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে ঢাকা জেলা ক্রীড়া সমিতিতে এ এ্যালটমেন্ট দেয়া হবে।
এ কোম্পানিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য মোট ৮৪ কোটি টাকার শেয়ার নির্ধারিত থাকলেও আবেদন জমা পড়েছে ৭৫ কোটি ২৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ারের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৫ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকার। তবে মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোটায় ১০ কোটি ৫০ লাখ শেয়ারের জন্য ১৬৯ কোটি ৮০ লাখ ৮৮ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। সব মিলিয়ে ১০৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ারের বিপরীতে আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা ২৫৩ কোটি ৭৮ লাখ ৪৩ হাজার টাকার আবেদন জমা দিয়েছেন।
১০০ শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারিত হওয়ায় মোট ৩ লাখ আবেদনকারী সাবমেরিন কেবলের শেয়ার বরাদ্দ পাচ্ছেন। এর মধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিত ২ কোটি ৪০ লাখ, মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য সংরক্ষিত ৩০ লাখ এবং প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ লাখ শেয়ার সংরক্ষিত ছিল।
কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১০ লাখ শেয়ার সংরক্ষিত রয়েছে। কোম্পানিটি ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১০৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করছে। ইতোমধ্যে কোম্পানিটিকে সেকেন্ড সাবমেরিন করার জন্য বিটিআরসি থেকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
সাবমেরিন কেবল কোম্পানি প্রতিষ্ঠার প্রথম তিন বছরেই লভ্যাংশ দিয়ে আসছে। ২০০৯ সালে ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড (শেয়ার লভ্যাংশ), ২০১০ সালে ৩০ শতাংশ স্টক, ২০১১ সালে ২০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছে।
কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৯ এপ্রিল, ২০১২

সাবমেরিন ক্যাবলের আইপিও ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে

বিডিআইপিও-তে সাবমেরিন ক্যাবলের আইপিও ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সহজে ও স্বল্প সময়ে ফলাফল জানবার জন্য ক্লিক করুন http://new.bdipo.com/companies/40/results/search

সূত্র: নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিআইপিও.কম

সাবমেরিন কেবল কোম্পানির আইপিও অনুমোদন

৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১০৮.৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিটি
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য সরকারী মালিকানাধীন বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।
বুধবার এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান স্বাৰরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাবমেরিন কেবল কোম্পানি মোট ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১০৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এর মধ্যে কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১০ লাখ শেয়ার সংরক্ষিত থাকবে। আইপিওর জন্য কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।
আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ আইডিবির কাছ থেকে গৃহীত ঋণ পরিশোধ, আইপিও খরচ এবং চলতি মূলধন খাতে ব্যয় করা হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উলেস্নখ করা হয়েছে।
২০১০ সালের বার্ষিক হিসাবে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৬ টাকা ৩৫ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৬০ পয়সা। বর্তমানে এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৮৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া শেষ এ মূলধন ১১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকায় দাঁড়াবে।
বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ এ্যান্ড টেলিফোন বোর্ডের (বিটিটিবি) সাবমেরিন কেবল প্রজেক্টের মাধ্যমে ২০০৮ সালের জুলাই মাসে বিএসসিসিএল পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। কোম্পানিটি ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ১১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করে ১০ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দিয়েছে। বিএসসিসিএল বর্তমান ব্যান্ডউইথ ৰমতা হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে ৪৪.৬০ গিগাবাইট (জিবিপিএস)। বর্তমানে কোম্পানিটি কার্যৰমতার মাত্র ২৫ শতাংশ ব্যবহার করতে পারছে। দেশে তথ্যপ্রযুক্তি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানির কার্যৰমতার ব্যবহার বাড়বে। এতে কোম্পানির আয়ও বৃদ্ধি পাবে।
বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য দেশের টেলিযোগাযোগের ৰেত্রে প্রবেশদ্বার হিসাবে বিএসসিসিএল প্রতিনিধিত্ব করছে। এ কোম্পানির মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যবহারযোগ্য ব্যান্ডউইডথ ক্যাপাসিটি ৪৪.৬ জিবিপিএস। এর মধ্যে মাত্র ১১ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সারাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে দেশের চাহিদা পূরণের পরও ৩৬.৬ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ অব্যবহৃত রয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা মাথায় রেখে আগামী ৫ বছর পর্যনত্ম সারাদেশের চাহিদা নিরূপণ করা হয়েছে ৩৭.০৭৫ জিবিপিএস। তারপরও উদ্বৃত্ত থাকবে ৭.৫২৫ জিবিপিএস। এছাড়া সাবমেরিন কেবল আবার আপগ্রেড করা হচ্ছে_ যা তৃতীয় আপগ্রেড নামে পরিচিত। এ আপগ্রেডেশনে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে সসত্মা মূল্যে আরও প্রায় ৭ মিলিয়ন এমআইইউকেএম অতিরিক্ত ব্যান্ডউইডথ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিএসসিসিএলের ব্যবহারযোগ্য ব্যান্ডউইথ হবে ৮০ জিবিপিএস_ যা আগামী বছরের মধ্যেই ব্যবহার করা সম্ভব হবে। সামগ্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বর্ধিত ব্যান্ডউইডথ বিদেশে বিক্রি বা লিজ দেয়া সম্ভব হবে। বিদেশে ব্যান্ডউইথ রফতানির মাধ্যমে কোম্পানিটি বিপুল পরিমাণের বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবে। পাশাপাশি কোম্পানির ব্যান্ডউইথ দিয়ে ব্রডব্যান্ড সার্ভিস, ডাটা ট্রান্সমিশন, কল সেন্টার সার্ভিস, সফটওয়্যার রফতানি ইত্যাদি স্বল্পখরচে সম্ভব হবে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৯ জানুয়ারী ২০১২