Tag Archives: SEC

ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ২০ শতাংশ কোটা বরাদ্দ

শেয়ারবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সকল পাবলিক ইস্যুতে ২০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের বিষয়টি অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আজ কমিশনের ৪৫৯তম নিয়মিত কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। এসইসি’র দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সকল পাবলিক ইস্যুতে ২০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের বিষয়টি আনুমোদন করেছে এসইসি। ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের বিষয়টি ১ জুলাই ২০১২ তারিখ হতে ৩০ জুন ২০১৪ তারিখ পর্যন্ত সময়কালে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সকল পাবলিক ইস্যুর জন্য প্রযোজ্য হবে।

এছাড়া যে সকল মিউচ্যুয়াল ফান্ড এখনও কমিশনের নিবন্ধন পায়নি, সেগুলোর পুঁজিবাজারে আসার ক্ষেত্রে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচ্যুয়াল ফান্ড) বিধিমালা, ২০০১ এর বিধি ১৫ ও উপধারা ১ এর শর্তানুযায়ী সম্পদ ব্যবস্থাপকের নাম সহকারে শুরু হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, এএফসি এ্যাগ্রো বায়োটিক লিমিটেডকে ২৯ লাখ ৬৫ হাজারটি সাধারণ শেয়ার (প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যমানের) ইস্যুর মাধ্যমে ২ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূলধন উত্তোলনের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। এর মধ্যে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৩৫ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৮ কোটিতে উন্নীত হবে।

সূত্র: শেয়ারনিউজ২৪.কম, ডিসেম্বর ০৪, ২০১২

SEC, DSE agree to avoid ‘misunderstanding’

The Securities and Exchange Commission (SEC) and the Dhaka Stock Exchange (DSE) Tuesday reached a consensus on resolving their recent ‘misunderstanding’ and working jointly to accelerate their mutual coordination for the sake of the capital market and the investors.
The decision was taken at a bilateral meeting at the SEC office, where, among others, SEC Chairman Professor M Khairul Hossain and DSE President Rakibur Rahman were present.
The row between the regulator and the prime bourse surfaced recently following a DSE investigation, which claimed that the earning per share (EPS) of United Airways will be -Tk 2.19, as the company did not show deferred tax in its revenues.
The SEC also formed a committee to look into the issue of United Airways Monday.
Besides, the DSE expert panel recently made observation on the prospectus of some companies, including Orion Pharma.
The DSE claimed that the SEC approved the IPO proposal of Orion Pharma without giving a chance to the prime bourse to make observation on the company prospectus.
Afterwards, the SEC sought clarification from the DSE to clarify why the board of the bourse discussed the issue of Orion Pharma even after the regulator’s approval. The regulator also made clarification on the approval of its IPO.
The SEC expressed its concern over public disclosure of the issues, which created distance between two organisations.
“The meeting to resolve misunderstandings is held in a cordial mood. Both the sides have reached a unanimous decision to work jointly,” an SEC member told the FE.
He said the SEC and the DSE have agreed to avoid such ‘misunderstanding’ in future for the sake of the capital market and the investors.
“We will try to reduce the gap that originated recently,” he added.
DSE President Rakibur Rahman said, “The SEC is the regulator of the capital market, and we should work under the leadership of the securities regulator.”
“The regulator can seek any clarification from the bourse. In the friendly discussion, we have agreed to work jointly in future,” he told the FE.

Source: The Financial Express, 21 November 2012

আইপিও আবেদনে অতিরঞ্জিত তথ্য: সংশ্লিষ্ট বিধিমালা সংশোধনের প্রস্তাব করবে সিএসই

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে মিথ্যাচার বন্ধে তৎপরতা বাড়িয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। এরই ধারাবাহিকতায় কোনো কোম্পানি যাতে প্রসপেক্টাসে মিথ্যা বা অতিরঞ্জিত তথ্য দিয়ে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন করতে না পারে সে জন্য এ সংক্রান্ত বিধিমালা সংশোধনে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কাছে প্রস্তাব দিবে সিএসই। প্রসপেক্টাসে ভুয়া বা অতিরঞ্জিত তথ্য দিলে আইপিও আবেদন বাতিলের সুযোগ রেখে চলতি সপ্তাহের মধ্যে সিএসইর পক্ষ থেকে এসইসিতে একগুচ্ছ প্রস্তাব জমা দেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, আইপিও আবেদনে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কোম্পানি, পরিচালনা পর্ষদ, ইস্যু ম্যানেজার, আন্ডার রাইটার, হিসাব নিরীক্ষক এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আর্থিক দন্ড ছাড়াও অন্তত এক বছরের জন্য লাইসেন্স স্থগিত বা পুরোপুরি বাতিলের ব্যবস্থা রাখারও সুপারিশ করবে সিএসই। এছাড়া আইপিও আবেদন বাতিলের পরবর্তী এক বছর কোম্পানি কর্তৃক নতুন করে আবেদন করার সুযোগ রহিত করার সুপারিশও করা হবে।

জানা যায়, সম্প্রতি পাশ্ববর্তী দেশ ভারতেও আইপিও আবেদনে মিথ্যা বা ভুল বা অতিরঞ্জিত তথ্য দেয়ার বিষয়টি রোধ করতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়া (এসইবিআই)। অতিরঞ্জিত তথ্য দিয়ে আইপিও আবেদন করার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে ভারতের শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা গত অক্টোবরে আইপিও আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ঘোষণা করে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রেও একই সমস্যার কারণে আইপিও আবেদন বাতিলের প্রস্তাব করবে সিএসই।

এদিকে এসইসির বিদ্যমান আইনে আইপিও আবেদন বাতিলের সুযোগ নেই। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য প্রদানে ব্যর্থ হলে আইপিও প্রস্তাব ফেরত প্রদানের সুযোগ আছে। এরপরও প্রসপেক্টাসে (কোম্পানি সংশ্লিষ্ট তথ্যবিবরণী) অসত্য তথ্য প্রদান করে অনেক কোম্পানি। এ অভিযোগে গত ২৯ মে অ্যাপোলো ইস্পাত কোম্পানির আবেদন বাতিল করেছিল এসইসি। এমনকি কোম্পানি, ইস্যু ম্যানেজার ও নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা করে এবং সম্পদ পুনর্মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখসহ মোট ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অনুমোদন পাওয়া আইপিও নিয়ে অনেক অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। সত্য বা মিথ্যা যাই হোক না কেন, এসব অভিযোগ প্রমাণ করে যে, মানুষের মধ্যে আইপিও অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ও অবিশ্বাস রয়েছে। তাই পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। যতটা সম্ভব জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ করতে হবে। আইপিও মূল্য নির্ধারণ নিয়ে সিএসই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লক্ষ্য করেছে। বিশেষ করে আইপিও অনুমোদনের আগের সর্বশেষ ৩ বা ৪ বছরে কোম্পানির মুনাফা হঠাৎ বেড়ে যায়। অধিক প্রিমিয়াম পেতে ও আইপিও আকর্ষণীয় করতে কোম্পানিগুলো আর্থিক হিসাবে গরমিল করে। এটা বড় ধরনের অপরাধ। এজন্য কেবল আর্থিক দন্ড নয়, প্রয়োজনে জেল ও কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল করার মতো বিধান চালু করা উচিত ।

এদিকে অভিযোগ রয়েছে, সরকারের প্রভাবশালী মহলের তদবিরে একের পর এক আইপিও’র অনুমোদন দিচ্ছে এসইসি। এমনকি অত্যধিক প্রিমিয়ামে আইপিও অনুমোদন দেয়ারও অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া কোম্পানির সম্পদ ও শেয়ার ধারণ সর্ম্পকিত অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য প্রদান করতে না পারার পরও বেশ কয়েকটি কোম্পানির আইপিও আবেদন অগ্রাহ্য না করারও ঘটনা ঘটেছে। কোম্পানিগুলোকে আর্থিক হিসাব ঠিক করে আনার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এছাড়া দুই স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃক আবেদনকারী কোম্পানির বিষয়ে তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন প্রদান করা হলেও তা আমলে নিচ্ছে না এসইসি। তাই আইপিও’র আবেদন বাতিল করার সুযোগ রাখতে সংশ্লিষ্ট বিধিমালা সংশোধনের জন্য যে প্রস্তাব রাখা হবে তা আদৌ আমলে নেয়া হবে কিনা তা ভাববার বিষয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র: শেয়ারনিউজ২৪, নভেম্বর ১১, ২০১২

আইপিও’র প্রিমিয়াম বাতিলে ফের এসইসিতে স্মারকলিপি

পুঁজিবাজারের বর্তমান সংকটকালীন অবস্থায় বেশ কিছু কোম্পানিকে উচ্চহারে প্রিমিয়ামসহ আইপিও অনুমোদন দিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে এসইসি’র চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি দেন বিনিয়োগকারীরা।

বাজারে ব্যাপক দরপতন হচ্ছে অভিযোগ এনে সম্প্রতি অনুমোদন দেওয়া কোম্পানিগুলোর প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে নির্ধারিত প্রিমিয়াম প্রত্যাহারের দাবিতে এসইসিতে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ।

বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজান উর রশিদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক কাজী আবদুর রাজ্জাক স্বাক্ষরিত ওই স্মারকলিপিতে বলা হয়, ২০১০ সালের ডিসেম্বরে বাজারে মহা ধস শুরু হয়, যার রেশ এখনও কাটেনি। এ অবস্থায় বাজারে তারল্য সংকট ও বিনিয়োগকারীদের আস্থার চরম সংকট বিরাজ করছে।

স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, এমন সংকটময় অবস্থার মধ্যে এসইসি ওরিয়ন ফার্মা, আর্গন ডেনিমস, সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালসহ বেশ কয়েকটি কোম্পানিকে উচ্চহারে অযৌক্তিক প্রিমিয়ামে আইপিও অনুমোদন দিয়েছে। এতে বাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারীরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। পাশাপাশি বাজার ব্যাপক তারল্য সংকটের মুখে পড়বে। তাই বাজারের ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর স্বার্থে অনুমোদন দেওয়া কোম্পানিগুলোর প্রিমিয়াম প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

অন্যথায় কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলাসহ আইনের আশ্রয় নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় স্মারকলিপিতে।

এ বিষয়ে বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবদুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘আমরা এসইসি’র চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করে সম্প্রতি আইপিওর অনুমোদন দেওয়া কোম্পানিগুলোর প্রিমিয়াম প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছি। একই সঙ্গে এ দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছি।’’

এসইসি’র পক্ষ থেকে দাবি মানা না হলে আইনের আশ্রয়ে যাওয়ার বিষয়টিও এসইসি’র চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেনকে জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

এর আগে পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক পতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীরা আবারো বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন ডিএসই’র প্রবেশ মুখে।

সূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, নভেম্বর ০৮, ২০১২

উদ্যোক্তাদের সততা দেখে আইপিও অনুমোদনের দাবি ডিএসইর

পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়ার আগে কম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের সততা ও দক্ষতা বিবেচনায় নেওয়ার জন্য এসইসির কাছে দাবি জানিয়েছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। গতকাল বুধবার দুপুরে এসইসির সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিশনের কাছে এ দাবি করেন ডিএসইর নেতারা। ডিএসইর নতুন এই প্রস্তাবের সঙ্গে আগে থেকে উপস্থাপন করা একগুচ্ছ সংস্কার প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয় ওই বৈঠকে। বৈঠক শেষে বেলা আড়াইটায় ডিএসইর সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএসইর সভাপতি রকিবুর রহমান সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান। বলেন, তালিকাভুক্ত কম্পানিগুলোর প্রতিটি ত্রৈমাসিক প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনের সঙ্গে আগের ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদনের সামঞ্জস্যতা যাচাই করবে এসইসি। এক প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনের সঙ্গে অন্য প্রান্তিকের অমিল পাওয়া গেলে সেসব কম্পানিকে কারণ দর্শানো নোটিশও দেবে এসইসি। এসইসির এই উদ্যোগকে অভিনন্দন জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে রকিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা চাই একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও শক্তিশালী পুঁজিবাজার। এ লক্ষ্যে ডিএসইর পক্ষ থেকে একগুচ্ছ প্রস্তাব এসইসিতে দেওয়া হয়েছে।’

সূত্র: কালের কণ্ঠ, ৮ নভেম্বর ২০১২

DSE to bring changes in listing regulation

The Securities and Exchange Commission on Wednesday asked Dhaka Stock Exchange to tighten its listing rules for ensuring accountability of the companies willing to come to public market.
‘We discussed a number of reforms with the SEC and the commission stressed on reforming the listing regulation,’ DSE president Rakibur Rahman told at a press briefing after a meeting with the SEC on the day.
The DSE last month placed a number of proposals to the SEC on rights shares issue, setting IPO premium and shares transaction restrictions on company directors.
He said the DSE proposed a thorough background check if necessary of the sponsors and promoters of any company which is willing to come to public market.
‘The man behind the company is very important as we understand from experience,’ he said.
He said the company performance is important for the investors, so the DSE will look into the company owners’ motives and vision more critically to ensure good performance.
‘If any company willing to get listed, the vision and motive of the sponsors are very important for us. So we will check their track records after the listing regulation is amended accordingly,’ he said.
He also said the role of listed company sponsors and directors was not market-friendly.
‘So, we proposed to ban directors’ share transaction in public market,’ he said.
DSE senior vice-president Ahmed Rashid Lali said that the company listing practice around the world focuses on the bourses than regulator.
‘In a developed market, a company needs to get a no objection certificate from the stock exchange by verifying their financial accounts before going to regulators for permission,’ he said.
He said the DSE is also planning to follow the procedure as it already has the expert panel to analyse IPO prospectus.
The other DSE proposal includes that the listed companies cannot announce rights shares before completing all the regulatory formalities as the general investors faced problems in some recent incidents.
It said that the companies would also have to submit a report about use of the rights share proceeds to the regulators.
The DSE also proposed to introduce a premium-based quota system to secure the retail investors from high premium IPOs.
According to the proposal, if the shares premium of any initial public offering is less than or equal to Tk 15, 50 per cent of the IPO shares will be offloaded to general public and institutional investors will get 30 per cent quota.
If the share premium is more than Tk 15, institutional investors will get 55 per cent with 90 day lock-in period and general public will get 25 per cent with 90 days offer-price-guarantee from the company.
Non-resident Bangladeshis and mutual funds would get 10 per cent quota each in both cases.

Source: New Age, November 8, 2012

Regulator okays use of IPO proceeds in subsidiaries

Companies that will raise capital through initial public offerings (IPO) will be able to invest the proceeds in their subsidiaries and associated firms, in a move that the stockmarket regulator opposed before.

The Securities and Exchange Commission backtracked on its stance and approved the recommendations by a regulatory panel on the use of IPO proceeds.

IPO is a process to issue shares to the public to raise capital to expand and run business of a company more efficiently.

Earlier last year, the SEC decided not to allow companies to use IPO proceeds in their subsidiaries or sister concerns.

The market watchdog had taken the decision following allegations of misuse of IPO proceeds.

In February, the regulator formed a two-member panel to examine whether the companies should be allowed to use the IPO proceeds.

The committee, after analysing different rules and the practices in India, recommended that companies be allowed to use the IPO proceeds to invest in subsidiaries and associated firms.

The matter of using IPO funds in subsidiaries or associated companies or in other assets is the discretion of the company to maximise value of issuer company’s shares, the committee said.

Source: The Daily Star, May 7, 2012

আইপিওতে আবেদন দুই কোটায় করলে বাতিল

পুঁজিবাজারে অস্থিরতার সময় ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা আইপিওতে কোটা বরাদ্দ পেতে চাইলে কেবল সংশ্লিষ্ট কোটায় আবেদন করতে হবে।

কেউ একই সঙ্গে ‘সাধারণ’ ও ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ কোটায় আবেদন করলে তা বাতিল হয়ে যাবে।

মঙ্গলবার পুঁজিবাজার সংক্রান্ত একটি বিশেষ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান কমিটির প্রধান মো. ফায়েকুজ্জমান।

সকালে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) সম্মেলন কক্ষে বিশেষ স্কিম প্রণয়ন কমিটির এই বৈঠক হয়।

গত ২৩ নভেম্বর এসইসির পুঁজিবাজারের জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজের অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ স্কিম প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।

আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান বলেন, ”গত ১৫ এপ্রিল ক্ষতিগ্রস্তদের তথ্য জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রায় সব মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজ তথ্য সরবরাহ করেছে কমিটিকে।”

তথ্য যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করে এসইসিতে জমা দেওয়ার শেষ দিন ৩০ এপ্রিল বলে জানান তিনি।

“তবে আমরা আগামী সাত দিনের মধ্যেই সমস্ত তথ্য এসইসির কাছে জমা দিয়ে দেব।”

এর আগে গত ৪ মার্চ ১০ লাখ টাকার নিচে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ সুদ মওকুফের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে সরকার। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের আইপিওতে ২০ শতাংশ কোটা বরাদ্দেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সূত্র: বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর, এপ্রিল ১৭, ২০১২

সরাসরি তালিকাভুক্ত হচ্ছে এসেনসিয়াল ড্রাগস

স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ১ কোটি ২৫ লাখ শেয়ার বিক্রি করা হবে

শেয়ারবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত হবে সরকারী মালিকানাধীন একমাত্র ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড। প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের পর দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের মাধ্যমে এই কোম্পানির ১ কোটি ৪ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার বিক্রি করা হবে। সরাসরি তালিকাভুক্তির জন্য ইতোমধ্যেই এসেনসিয়াল ড্রাগসের পৰ থেকে গত অক্টোবরে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) আবেদন করা হয়। প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের পর তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া অগ্রসর করতে গত মাসে এসইসির পৰ থেকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, কোম্পানি এবং ইসু্য ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এসেনসিয়াল ড্রাগসের মালিকানায় থাকা সম্পদের মূল্য ৩৬৯ কোটি ৩০ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ইকু্যইটির পরিমাণ ১৮১ কোটি ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। বর্তমানে এর সম্পূর্ণ মালিকানা সরকারের হাতে রয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে ১০ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ইকু্যয়িটির সমপরিমাণ ১ কোটি ৪ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এসব শেয়ারের বিক্রয় মূল্য নির্ধারণের পর সরাসরি স্টক এঙ্চেঞ্জের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।
জানা গেছে, ১৯৬২ সালে তৎকালীন পাকিসত্মান কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে গবর্নমেন্ট ফার্মাসিউটিক্যাল ল্যাবরেটরি নামে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরম্ন হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭৯ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ফার্মাসিউটিক্যাল প্রডাকশন ইউনিট রাখা হয়। ১৯৮৩ সালে এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড নামকরণ করে এটিকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। দেশের ওষুধ শিল্প অগ্রসর করে উন্নতমানের জীবন রৰাকারী ওষুধ উৎপাদন এবং দেশে ও বিদেশে বাজারজাত করাই প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্দেশ্য।
বর্তমানে কোম্পানিটি ১৫৫ ধরনের জরম্নরী ওষুধ উৎপাদন করে। কোম্পানির বার্ষিক উৎপাদন ও বাজারজাত ওষুধের মূল্য প্রায় ১২০ কোটি টাকা। ঢাকায় অবস্থিত কোম্পানির প্রথম ইউনিটের কারখানার জনবল সংখ্যা ৬৮২। এছাড়া ১৯৮৫ সালে এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি বগুড়া নামে একটি পৃথক ইউনিট স্থাপন করা হয়। বগুড়া ইউনিটের জনবল সংখ্যা ৩৪৫। এছাড়া এসেনসিয়াল ড্রাগস খুলনা নামে আরেকটি ইউনিটে সরকারীভাবে কনডম উৎপাদন চালু রয়েছে। এই ইউনিট থেকে প্রতিবছর পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরকে প্রায় ১৫ কোটি কনডম সরবরাহ করা হয়।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়ার জন্য ২৫টি সরকারী কোম্পানির তালিকা করা হয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি) আগে থেকেই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত। এসেনসিয়াল ড্রাগস ছাড়াও সাব-মেরিন কেবল কোম্পানি ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১০৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহের জন্য সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন জমা দেয়া হয়েছে। একইভাবে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিও আবেদনও এসইসির বিবেচনাধীন রয়েছে।
বাকি ২২টি কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার প্রস্তুতি কাজ চলছে। কোম্পানিগুলো হলো_ টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল), লিকু্যইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) লিমিটেড, চিটাগাং ড্রাইডক, বাংলাদেশ সার্ভিসেস, টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস), বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস, রূপানত্মরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি, গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড, পঞ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি, সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড, রম্নরাল পাওয়ার কোম্পানি, হোটেলস ইন্টারন্যাশনাল (সোনারগাঁও হোটেল), বাংলাদেশ ইনসু্যলেটর এ্যান্ড স্যানেটারিওয়ার ফ্যাক্টরি লিমিটেড, ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি, কর্ণফুলী পেপার মিলস, জিইএমকো, বাংলাদেশ বেস্নড ফ্যাক্টরি লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৫ ডিসেম্বর ২০১১