Tag Archives: private placement

প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টিতে এসইসিকে প্ররোচিত করা হচ্ছে

প্লেসমেন্ট ব্যবসার নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) প্ররোচিত করা হচ্ছে। প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের জন্য হাতিয়ার হিসেবে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে। এটি অনুমোদনের জন্য এসইসিতে জোর তদবির চালাচ্ছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

সোমবার এসইসির কমিশন সভায় কোম্পানিটির বন্ড ইস্যুর প্রস্তাব প্রাধান্য পাবে বলে এসইসি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

জানা যায়, পুঁজিবাজার তদন্ত রিপোর্টে আইনের মধ্যে থেকে অনৈতিক প্লেসমেন্ট বাণিজ্য এবং এসইসিকে প্ররোচিত করে নতুন নতুন বিধিমালা তৈরির অভিযোগ উঠেছে বেক্সটেক্স কোম্পানির মালিক সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে।

তারই সংশ্লিষ্টতায় একই কায়দায় আবারও অনৈতিকভাবে প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের সুযোগ নিতে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের কনভার্টেবল বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ কোম্পানিতে বেক্সটেক্স লিমিটেডের ৪৯.৯৭ শতাংশ মালিকানা রয়েছে।

গত ৬ এপ্রিল এসইসির কমিশন বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সদস্যের দ্বিমতের কারণে নর্দার্ন পাওয়ার বন্ডের অনুমোদন দেওয়ার কথা থাকলেও এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কমিশন।

কিন্তু কোম্পানি থেকে অনুমোদনের জন্য এসইসির সদস্যদের বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার বিতর্কিত এ কনভার্টেবল বন্ডটি অনুমোদনের জন্য সম্মত রয়েছেন। কিন্তু অন্যান্য সদস্যদের দ্বিমতের কারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।

কোম্পানি কর্তৃপক্ষের তদবিরের প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় দফায় আগামীকাল সোমবার বন্ড ইস্যুর বিষয়ে আলোচনায় বসবে এসইসি।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, প্লেসমেন্ট বাণিজ্যকে প্রশ্রয় দিয়ে এসইসি নিজের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। নতুন করে এ কোম্পানিকে অনুমোদন দেওয়া হলে তা প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের আর একটি নতুন সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হবে।

তবে এক্ষেত্রে এসইসি প্লেসমেন্ট বাণিজ্য বন্ধে কোম্পানিটিকে কিছু শর্ত দিয়ে অনুমোদন দিতে পারে।

প্রথমত: কোম্পানিটি কনভার্টেবল বন্ড ইস্যু করার প্রস্তাব দিয়েছে। এক্ষেত্রে তারা বন্ড ইস্যু করতে চাইলে নন কনভার্টেবল করতে হবে।

দ্বিতীয়ত: কনভার্ট করতে চাইলে ফেসভ্যালুতে না করে মার্কেট প্রাইসে করতে হবে।

তৃতীয়ত: কোম্পানি বন্ড ইস্যু না করে আইপিওর মাধ্যমে আসতে পারে।

জানা যায়, এসইসিতে দেওয়া আবেদন অনুযায়ী, নর্দার্ন পাওয়ারের প্রস্তাবিত ১৭৫ কোটি টাকার বন্ডের পুরোটাই প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।

বার্ষিক সুদের হার রাখা হয়েছে ১৮ শতাংশ। ৬ মাসের অবকাশকালসহ (গ্রেস পিরিয়ড) বন্ডের মেয়াদ ধরা হয়েছে সাড়ে ৪ বছর।

অবকাশকাল শেষে প্রতি তিন মাস পর পর বন্ডধারীদের নির্ধারিত হারে সুদ প্রদান করা হবে। প্রতি এক বছর পর মূল বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ করে পরিশোধ করা হবে।

মূল বিনিয়োগের অর্ধেক নগদ অর্থে এবং বাকি অর্ধেক কোম্পানির শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে বন্ডের বিনিয়োগকারীরা অভিহিত মূল্যে (১০ টাকা) নর্দার্ন পাওয়ারের শেয়ার পাবেন।

নর্দার্ন পাওয়ারের প্রস্তাবিত বন্ডের সুদের হার এবং শেয়ারে রূপান্তরের প্রক্রিয়া নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে ১৩-১৪ শতাংশ হার সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকলেও কী কারণে কোম্পানিটি ১৮ শতাংশ সুদে বন্ড ইস্যু করছে তা অনেকের কাছেই বোধগম্য নয়।

ব্যাংকে আমানত রেখে যে হারে সুদ পাওয়া যায় তার চেয়ে কমপক্ষে ৬ শতাংশ বেশি সুদ দেওয়ার পরও অভিহিত মূল্যে শেয়ারের রূপান্তরের সুযোগ প্রদানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

Source: banglanews24.com, 17 April, 2010

SEC backpedals on pre-IPO rules

Kayes M Sohel

The securities regulator has shelved its plan to tighten private placement regulations after theFinance Ministry poured cold water on it, officials said.

The Securities and Exchange Commission (SEC) had planned a new guideline under which no company would be allowed to sell pre-IPO placement to more than 50 institutions or individuals.

If a firm exceeds the cutoff point, the pre-IPO placement–capital mobilisation before the initial offers–will be treated as public offering.

“The commission has put the plan on ice as the finance minister AMA Muhith has opposed the move,” said a high official of the SEC who asked not to be named.

“The minister verbally voiced his reservation about the move,” the official added.

Experts also flayed the SEC’s plan saying it will create discrepancy in selecting investors for the distribution of pre-IPO placement shares.

Currently, there is no bar on the number of individuals or institutions chosen for private placement.

In early September, the SEC moved ahead with introducing the guideline in an attempt to stem the abuse of private placement.

Pre-IPO placement is a portion of an IPO placed with private investors before the IPO is scheduled to hit the market.

The price paid for shares in a pre-IPO placement is usually less than the prospective IPO price. But there is a lock-in period for one year for those investors.

Mirza Azizul Islam, ex-finance adviser to the caretaker government, said, “I see no strong rationale behind such an SEC move as there is lock-in period for such investors for one year.”

“More participation in private placement means the proper distribution. The commission with the help of CDBL (central depository of Bangladesh Ltd) can rather monitor that the locked shares are not traded before one year,” he said.

In April, the SEC slapped some conditions on private sale of mutual funds under which an individual can buy a maximum of Tk 1.0 million worth of units in the private placement of a mutual fund.

A listed company will be able to buy Tk 10 million worth of units and a non-listed company Tk 5.0 million worth of units.

Source: The financial express, 30 October, 2010

Private Placement

What Does Private Placement Mean?

The sale of securities to a relatively small number of select investors as a way of raising capital. Investors involved in private placements are usually large banks, mutual funds, insurance companies and pension funds. Private placement is the opposite of a public issue or IPO, in which securities are made available for sale on the open market.

Since a private placement is offered to a few, select individuals, the placement does not have to be registered with the Securities and Exchange Commission. In many cases, detailed financial information is not disclosed and a the need for a prospectus is waived. Finally, since the placements are private rather than public, the average investor is only made aware of the placement after it has occurred.