Tag Archives: mutual fund

ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ২০ শতাংশ কোটা বরাদ্দ

শেয়ারবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সকল পাবলিক ইস্যুতে ২০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের বিষয়টি অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আজ কমিশনের ৪৫৯তম নিয়মিত কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। এসইসি’র দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সকল পাবলিক ইস্যুতে ২০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের বিষয়টি আনুমোদন করেছে এসইসি। ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের বিষয়টি ১ জুলাই ২০১২ তারিখ হতে ৩০ জুন ২০১৪ তারিখ পর্যন্ত সময়কালে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সকল পাবলিক ইস্যুর জন্য প্রযোজ্য হবে।

এছাড়া যে সকল মিউচ্যুয়াল ফান্ড এখনও কমিশনের নিবন্ধন পায়নি, সেগুলোর পুঁজিবাজারে আসার ক্ষেত্রে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচ্যুয়াল ফান্ড) বিধিমালা, ২০০১ এর বিধি ১৫ ও উপধারা ১ এর শর্তানুযায়ী সম্পদ ব্যবস্থাপকের নাম সহকারে শুরু হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, এএফসি এ্যাগ্রো বায়োটিক লিমিটেডকে ২৯ লাখ ৬৫ হাজারটি সাধারণ শেয়ার (প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যমানের) ইস্যুর মাধ্যমে ২ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূলধন উত্তোলনের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। এর মধ্যে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৩৫ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৮ কোটিতে উন্নীত হবে।

সূত্র: শেয়ারনিউজ২৪.কম, ডিসেম্বর ০৪, ২০১২

অনুমোদনের অপেক্ষায় ৬১ মিউচ্যুয়াল ফান্ড

সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার এসব ফান্ড পর্যায়ক্রমে অনুমোদন দেবে এসইসি
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরম্নর জন্য সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এলেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) ৬১টি মিউচু্যয়াল ফান্ডের আবেদন জমা রয়েছে। অনুমোদনের অপেৰায় থাকা এসব মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মোট মূলধনের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা। বিপুল পরিমাণ এই তহবিল গঠিত হলে বিনিয়োগকারীদের পুঁজির নিরাপত্তা ব্যাপক মাত্রায় বাড়াবে। পুঁজিবাজারের গভীরতা বাড়াতে এখন থেকে নিয়মিতভাবে নতুন মিউচ্যুয়াল ফান্ড বাজারে আনার অনুমোদন দেয়া হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
কমিশনের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, শেয়ারবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের পরিমাণ যত বাড়বে বাজার তত বেশি স্থিতিশীল ও ঝুঁকিমুক্ত হবে। কারণ মিউচু্যয়াল ফান্ডের ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে মূলধন নিয়ে তহবিল গঠন করে তা আবার শেয়ারবাজারেই বিনিয়োগ করে। এ ৰেত্রে নিয়মিত পর্যবেৰণের মাধ্যমে কোম্পানির মৌলভিত্তি এবং বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে মিউচু্যয়াল ফান্ডগুলো কোন শেয়ারে বিনিয়োগ করে। শেয়ারের অতিমূল্যায়ন বা অবমূল্যায়ন রোধে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো প্রধান হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে ফান্ডগুলো যে মুনাফা অর্জন করে তার পুরোটাই আনুপাতিক হারে বিনিয়োগকারীদের মাঝে বিতরণ করা হয়। ফলে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের পুরো অর্থ ঘুরেফিরে শেয়ারবাজারেই বিনিয়োগ হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এসইসিতে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার মোট ৬১টি মিউচ্যুয়াল ফান্ড গঠনের আবেদন জমা রয়েছে। এরমধ্যে ১৪টি ফান্ডকে ইতোমধ্যেই নিবন্ধন দিয়েছে এসইসি। নিবন্ধন অনুমোদিত ফান্ডগুলোর মধ্যে এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ডের আইপিওর মাধ্যমে ইউনিট বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। শীঘ্রই দুই শেয়ারবাজারে এই ফান্ডের ইউনিট লেনদেন শুরু হবে। ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিঙ্ড ইনকাম ফান্ডের আবেদনপত্র জমা নেয়ার পর বরাদ্দ প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া এনএলআই ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ডের আইপিও আবেদন আগামী ১১ ডিসেম্বর শুরম্ন হবে। নিবন্ধন পাওয়ার পর এসইসিতে প্রসপেক্টাস জমা দিয়েছে সোনালী ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংক মিউচু্যয়াল ফান্ড। আর নিবন্ধনের অনুমোদন পেলেও প্রসপেক্টাস জমা দেয়নি এনসিসিবি-১, রূপালী ইন্স্যুরেন্স, প্রাইম ফাইন্যান্স সেকেন্ড, এঙ্মি ব্যাংক ফার্স্ট, পদ্মা ইসলামী লাইফ ফার্স্ট, সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ড, এমটিবি ফার্স্ট, কন্টিনেন্টাল ইন্সু্যরেন্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং এমটিবি ইউনিট ফান্ড।
এসইসির কাছ থেকে ট্রাস্ট চুক্তির খসড়া অনুমোদনের পর নিবন্ধনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে সাতটি মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এগুলো হলো ভিআইপিবি এনআরবি গ্রোথ ফান্ড, এনসিসিবি এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, উত্তরা ফাইন্যান্স ফার্স্ট, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সু্যরেন্স ফার্স্ট, বিজিআইসি, এমটিবি ইউনিট ফান্ড এবং ইউসিবি ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ড। সন্ধানী লাইফ, আইডি্লসি-৫০ ইনডেক্স ফান্ড এবং এমটিবি ইনডেঙ্ ফান্ডের উদ্যোক্তাদের ঋণ সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন (সিআইবি রিপোর্ট) সংগ্রহ করেছে এসইসি। আর এসজেআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচু্যয়াল ফান্ড, এসজেআইবিএল ফার্স্ট এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং আইএফআইসি ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ডের সিআইবি প্রতিবেদন সংগ্রহ প্রক্রিয়া চলছে। আর ৪টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সিআইবি প্রতিবেদনে সমস্যা থাকায় তা দূর করার জন্য আবেদনকারীদের বলা হয়েছে।
বাকি ৩০টি মিউচু্যয়াল ফান্ডের আবেদন এসইসিতে প্রাথমিক পর্যায়ে পরীৰাধীন রয়েছে। এগুলো হলো আইসিবি এমএমসিএল সোস্যালি রিসপনসেবল, আইসিবি এএমসিএল গ্রোথ, ইউসিএল, এসআইবিএল ফার্স্ট, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ফার্স্ট, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট ক্লায়েন্ট, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট এনআরবি, প্রিমিয়ার ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক সেকেন্ড, প্রাইম ব্যাংক ফাউন্ডেশন, ফিনিঙ্ ফাইন্যান্স সেকেন্ড, জিএসপি ক্যাপিটাল গ্রোথ, মেঘনা লাইফ স্কিম-১, যমুনা ব্যাংক ফার্স্ট আইসিবি এএমসিএল, ফিনিঙ্ ইন্সু্যরেন্স, আইসিবি এমসিএল এনআরবি ইউনিট ফান্ড, ইউসিবি এমপস্নয়িজ প্রভিডেন্ট, ভিআইপিবি ফিঙ্ড ইনকাম, প্রাইম ব্যাংক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, আইসিবি এমপস্নয়িজ সুপার এনুয়েশন স্কিম-১, এনবিএল ইনফ্রাস্ট্রাকচার, এনবিএল ফার্স্ট, অগ্রণী ইউএসএ-কানাডা এনআরবি, অগ্রণী আফ্রিকা-গালফ-মিডল ইস্ট এনআরবি, অগ্রণী এশিয়া-ইউরোপ এনআরবি, এবি ব্যাংক টপ-১০০ ইনডেঙ্, জনতা এমপস্নয়িজ, আইসিবি এনআরবি এনার্জি, আইসিবি মাল্টি সেক্টরাল, প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট এনআরবি এবং ইউসিএল ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ড।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ২ ডিসেম্বর, ২০১১

আইসিবি’র ১০০০ কোটি টাকার মিউচ্যুয়াল ফান্ড শিগগিরই

এমএম মাসুদ: ৫০০ কোটি টাকার দুইটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আইপিও ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। গতকাল আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) চূড়ান্ত অনুমোদন ও তালিকাভুক্তির কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরই খুব শিগগিরই আইপিও ছাড়ার কাজ শুরু হবে। বৈঠকে উপস্থিত একজন শীর্ষ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। বৈঠক সূত্রে জানা যায়, সর্বমোট এক হাজার কোটি টাকার দু’টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আইপিও ছাড়ার সিদ্ধান্ত আইসিবি’র আগের বোর্ড সভায় অনুমোদিত হয়েছিল। যার নাম দেয়া হয়েছে, আইসিবি এনআরবি এনার্জি মিউচ্যুয়াল ফান্ড স্কিম ওয়ান এবং আইসিবি এনার্জি মিউচ্যুয়াল ফান্ড। ফান্ড দু’টির ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে ২৫০ কোটি টাকা আইপিও’র মাধ্যমে এবং ২০০ কোটি টাকা প্রি-আইপিও’র মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। আর বাকি অবশিষ্ট ৫০ কোটি টাকা স্পন্সর হিসেবে থাকবে আইসিবি নিজে। এর প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। এ দু’টি ফান্ডের অ্যাসেট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করবে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। তবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের অন্য একটি সূত্র জানায়, আইপিও ছাড়ার সময় এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে যাতে ছাড়া যায় সেজন্য এসইসি’র সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, চেষ্টা করে যাচ্ছি; যতদ্রুত সম্ভব শিল্পখাতের সমস্যা দূরীকরণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সঙ্কটের সমাধান দিতে আইপিও ছাড়ার সময় নির্ধারণ করা হবে। আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলাউদ্দিন খান বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সঙ্কটের উন্নয়নের লক্ষ্যে এসব মিউচ্যুয়াল ফান্ড গঠন করা হচ্ছে। পাওয়ার সেক্টরে গড়ে ওঠা নতুন নতুন প্রাইভেট কোম্পানিকে প্রাইভেট ইক্যুইটি বা তারল্য জোগান দিতেই এসব ফান্ড তৈরি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমানে বিদ্যুৎ, গ্যাস, কয়লাসহ এ সংক্রান্ত যে কোন উদ্যোগে এ টাকা বিনিয়োগ করবে আইসিবি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এসব মিউচ্যুয়াল ফান্ড থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হবে বলে জানান তিনি।

Source: The Daily Manabzamin, October 27, 2011

Mutual fund IPOs face under-subscriptions

The IPO (initial public offering) subscription of mutual funds (MFs) are facing under-subscription due to investors’ poor response, market sources said.

The situation deteriorated after the recent stock market crash that also made investors’ confidence very shaky.

Some fund managers termed the present crisis of MFs as “unfortunate”.

However, they also expressed their hope that investors’ confidence to MFs would be restored when the market would bounce back to a normal situation.

Recently two MFs faced under-subscriptions as their fund managers have failed to complete the subscriptions within the timeframe, set by the Securities and Exchange Commission (SEC).

“This is the first time that two MF IPO seekers got under subscription due to poor response of primary unit-holders,” an SEC official told the FE.

He said, the other fund managers presently are in uncertainty regarding the full subscriptions of the MFs, which are already approved by the SEC to go public.

“This crisis is very unfortunate for our MF industry,” Reaz Islam, a fund manager, told the FE.

“Our previous practice of gaining over-night profit through the units of MFs is an obstacle in establishing this industry,” he said.

He said both the fund managers and investors will have to follow the worldwide practice for the sake of MF industry.

The MFs, which went public during the bullish period of the stock marketexperienced better subscriptions.

For example, EBL First Mutual Fund had been over-subscribed by 17.19 times, ICB AMCL 2nd Mutual Fund by 8.29 times, ICB Employees Provident Mutual Fund One : Scheme One by 7.91 times, Trust Bank 1st Mutual Fund by 10.28 times, DBH 1st Mutual Fund 10.77 times, Prime Bank 1st ICB AMCL Mutual Fund by 10.77 times, IFIC Bank 1st Mutual Fund 17.59 times and Phoenix Finance 1st Mutual Fund 19.23 times.

Recently, the SEC increased the maximum limit for individuals from Tk 100 million to Tk 250 million in the placement shares of MFs, as the fund managers were facing problems to complete the placement portions.

The regulator has also lifted the limitations for institutional investors in the placement shares of MFs.

The regulator has also paved the way for MFs to quote prices in the bidding process of the IPO issues that will go public under the book building method.

But presently, the MFs are not able to do so as, the ministry of finance temporarily suspended the book building method.

Source: The financial express, 29 March, 2011

NCC Bank to float its first mutual fund in market

NCC Bank Limited is going to float its first mutual fundworth Tk 1.0 billion (100 crore) in the capital market by the name ‘NCCBL Mutual Fund-1’, said a press release.

In this connection, a trust deed agreement has recently been signed between NCC Bank Limited and Bangladesh General Insurance Company Limited (BGIC).

Source: The financial express, 04 Nov, 2010

Managing Director and Chief Executive Officer (CEO) of NCC Bank Limited Mohammed Nurul Amin and Managing Director of BGIC AK Azizul Haque Chaudhuri signed the agreement on behalf of their respective organisations.

NCC Bank Additional Managing Director Golam Hafiz Ahmed and Deputy Managing Director AK Md Siddique, and LR Global CEO Reaz Islam attended the signing ceremony along with other senior officials of the organisations.

Under the agreement, the insurance company will act as the trustee of the forthcoming issue of ‘NCCBL Mutual fund-1’. LR Global Asset Management Company Bangladesh Limited will act as the asset manager of the fund.

Source: The financial express, 04 Nov, 2010

Investors cold to MFs, managers feel listless – subscriptions kept in abeyance

The investors’ poor response is forcing the fund managers to take time to float new mutual funds for subscription despite the fact that SEC has approved their trust deeds.

The situation has unfolded recently as some of the mutual funds have experienced poor subscriptions compared to other issues, which went public earlier.

“By observing the investors’ lukewarm response to the mutual funds (MFs), the fund managers are not in a hurry to go for subscription,” an SEC official said.

As per securities rules, a mutual fund will be registered after the SEC approves its trust deed. After the registration, the SEC will set the time-line for a mutual fund to go for subscription.

“After the registration, the fund managers are bound to go for subscription according to the time-line, set by the SEC. But they are not getting registration due to the investors’ poor response,” the SEC official said.

When asked, a fund manager asking not to be named, said, “it’s true that we are taking time for subscription because of the present situation.”

The SEC is now approving two mutual funds every month saying that it would help stabilise the market. But the inflow of new issues is not sufficient compared to that of mutual funds.

Professor Abu Ahmed, an economist and teacher at Dhaka University, said the country’s market is not capable of absorbing so many mutual funds.

“In our country, a wrong perception regarding the mutual funds has taken root from the very beginning. We have to remember that the units of mutual funds will be traded around their NAVs,” Professor Ahmed told the FE.

“So the fund managers should not expect high prices and they will have to achieve the investors’ confidence with their performance,” he added.

The mutual funds, which are at the moment awaiting subscription are Southeast Bank First Mutual Fund, National Life Mutual Fund, Rupali Life Insurance First Mutual Fund, LR Global Bangladesh Mutual Fund One, Agrani Bank First Mutual Fund, Mercantile Bank Limited First Mutual Fund, NBL First Mutual Fund, NCC Bank Limited NRB Mutual Fund and Sonali Bank First Mutual Fund.

The initial public offering (IPO) lottery draw of IFIL Islamic Mutual Fund will be held on October 26 and its IPO has been over-subscribed only 3.31 times, whereas the funds — EBL First Mutual Fund, Phoenix Finance First Mutual Fund — were subscribed 18 times.

EBL First Mutual Fund had been subscribed by 17.19 times, ICB AMCL 2nd Mutual Fund by 8.29 times, ICB Employees Provident Mutual Fund One : Scheme One by 7.91 times, Trust Bank 1st Mutual Fund by 10.28 times, DBH 1st Mutual Fund 10.77 times, Prime Bank 1st ICB AMCL Mutual Fund by 10.77 times, IFIC Bank 1st Mutual Fund 17.59 times and Phoenix Finance 1st Mutual Fund 19.23 times.

On the other hand, the mutual funds, which recently went public, were also traded at prices well below the investors’ expectation.

Source: The financial express, 26 October, 2010