Tag Archives: Mjl

দুই কোম্পানির তালিকাভুক্তির অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করা দুই কোম্পানি—এমআই সিমেন্ট ও এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডের তালিকাভুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।
বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দেশে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) শর্ত সাপেক্ষে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি দিলেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কোম্পানিটির তালিকাভুক্তি দেয়নি।
আর এমজেএল বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তালিকাভুক্তির বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। এ অবস্থায় কোম্পানি দুটির প্রাথমিক শেয়ারে বিনিয়োগ করে বিপাকে পড়েছেন লাখ লাখ বিনিয়োগকারী।
এ অবস্থায় এসইসি গত রোববার এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করতে আবারও নির্দেশ দিয়েছে। জানা গেছে, এসইসির নির্দেশের পর ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ আজ রোববার এ ব্যাপারে বৈঠক করবে।
এর আগে ৩ মে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদে এসইসির আগের নির্দেশনা নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ডিএসইর কয়েকজন পরিচালক এসইসির নির্দেশের সমালোচনা করেন। বলেন, প্রয়োজনে বিষয়টি আইনিভাবে সমাধান করা হবে।
কিন্তু সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯-এর ২০(এ) ধারা অনুযায়ী, বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজারের স্বার্থে স্টক এক্সচেঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে তারা লিখিত নির্দেশনা দিতে পারে। এসইসির এ নির্দেশনা পরিপালন করা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক। এমনকি এ নির্দেশনা পরিপালনের জন্য ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকও জরুরি নয়, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সক্ষম। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেটি করতে দেওয়া হয়নি।
শেয়ারবাজারে ধসের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ জানুয়ারি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে এমআই সিমেন্ট ও এমজেএল লিমিটেডের শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয়েছে উল্লেখ করে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া স্থগিত করে সরকার। পরে সরকারের নির্দেশে শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেয় এসইসি। এর ধারাবাহিকতায় কোম্পানি দুটিকে কয়েক দফায় শর্ত দেয় সংস্থাটি। প্রথম দফায় বলা হয়, তালিকাভুক্তির এক মাসের মধ্যে প্রস্তাবিত মূল্যের চেয়ে শেয়ারের দর কমে গেলে প্রাথমিক শেয়ারধারীদের জন্য বরাদ্দকৃত শেয়ার কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের কিনতে হবে। পরে এর মেয়াদ ছয় মাস করা হয়। কোম্পানি দুটি উভয় প্রস্তাবেই তালিকাভুক্তির জন্য সম্মতি দেয়। কিন্তু এ প্রস্তাব বাস্তবায়নে জটিলতার আশঙ্কায় কোম্পানি দুটির প্রিমিয়ামের টাকায় কেবল প্রাথমিক বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলা হয়। তবে প্রস্তাবটি কোম্পানি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে ডিএসই বিরোধিতা করে। এ সময় ডিএসইর পক্ষ থেকে কোম্পানি দুটিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতিপূরণের শর্ত হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ উভয় ধরনের বিনিয়োগকারীর জন্য ৩০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু এতে কোম্পানির উদ্যোক্তা শেয়ারধারীদের নিয়ন্ত্রণমূলক শেয়ারের অনুপাত কমে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। সে কারণে পরবর্তী সময়ে এসইসি তালিকাভুক্তির ছয় মাসের মধ্যে শেয়ারের দাম কমে গেলে উদ্যোক্তারা ক্ষতিপূরণ দেবেন, এ শর্তে এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্তির নির্দেশ দেয়। এসইসির নির্দেশ মেনে কোম্পানিটি ক্ষতিপূরণের বিপরীতে নিরাপত্তা জামানত হিসেবে ৫০ লাখ শেয়ার ডিএসইতে ও ২৫ লাখ শেয়ার সিএসইতে গচ্ছিত বা লিয়েন দিয়েছে। একই সঙ্গে কোম্পানির এস্ক্রো হিসাবে পাঁচ কোটি টাকা জমা রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড প্রাথমিক শেয়ারধারীদের জন্য ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। এ ছাড়া কোম্পানিটি প্রস্তাব করেছে নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার পরও লেনদেন শুরুর ছয় মাস পর্যন্ত শেয়ারের দাম বরাদ্দ মূল্যের চেয়ে নিচে নামলে সর্বোচ্চ ১০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এর অংশ হিসেবে কোম্পাটি ৮০ কোটি টাকা নগদ লভ্যাংশ বাবদ এবং দর কমে গেলে আরও ৪০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছে বলে এসইসিকে জানিয়েছে। এসইসিতে কোম্পানিটির এ প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে।
ডিএসইর অভিযোগ, ক্ষতিপূরণের শর্তে তালিকাভুক্তির বিধান বিশ্বের কোথাও নেই। তাই এ প্রক্রিয়ায় তালিকাভুক্তি দেওয়া হলে ভবিষ্যতেও অতিমূল্যায়িত কোম্পানিগুলো এ ধরনের সুযোগ চাইবে। তবে এসইসি সূত্র বলছে, একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে কোম্পানি দুটিকে শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্তি দিতে হচ্ছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতি থাকলে হয়তো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রসঙ্গটি উঠত না।
তা ছাড়া অতিমূল্যায়নের দায় ডিএসই এড়াতে পারে না। কারণ দরপত্রের মাধ্যমে শেয়ার দুটির মূল্য নির্ধারিত হয়েছে। সেই সময় তাদের সদস্য ডিলারই সর্বোচ্চ দাম প্রস্তাব করে শেয়ার দুটির দর বাড়াতে প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছে। অথচ যে পর্যায়ে শেয়ার দুটির দাম উঠেছে, তার চেয়ে ৪০ শতাংশ কম দাম হওয়ার সুযোগ ছিল।

Source: Prothom-alo, 15 May, 2011

MJL sweetens offers for listing

The Securities and Exchange Commission could not decide on the listing of MJL Bangladesh Ltd yesterday, as the listing conditions are yet to be settled.

The SEC, Dhaka Stock Exchange, Chittagong Stock Exchange and MJL discussed the listing issue yesterday in a meeting, chaired by SEC Chairman Ziaul Haque Khondker. MJL put forward two offers in an effort to list on the bourses.

The offers are cash dividends to primary shareholders and compensation to investors if the share prices go below the offer price within the first six months of trading, an SEC official said.

In its next move, the company might offer more than 100 percent cash dividends and 15 percent to 20 percent compensation to the shareholders, the SEC official added.

“After approval from the board meeting we will submit a letter to the SEC,” said Azam J Chowdhury, managing director of MJL. “We are very optimistic about the listing,” he added.

Meanwhile, stocks returned to the red yesterday as the investors became nervous on the current market situation.

The benchmark general index of Dhaka Stock Exchange lost 32 points, or 0.53 percent, to close at 6,050 points, while the selective categories index of Chittagong Stock Exchange slumped 28 points, or 0.25 percent, to 10,913.

“Dhaka stocks started on a positive note adding more than 100 points but turned bearish as the session progressed. Investors are yet to be confident as many recommendations of probe report are still pending,” said Lankabangla Securities in its daily market analysis.

Of the total 252 issues traded on the DSE floor, 181 declined, 68 advanced and three remained unchanged. Turnover on the DSE stood at Tk 666 crore, up Tk 159.31 crore from the previous day.

Source: The daily star, 30 April, 2011

 

আবারো এমজেএল’র তালিকাভুক্তির সময় বাড়ল

ঢাকা, ১৩ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): আবারো মোবিল যমুনা লুব্রিকেন্টস (এমজেএল) বাংলাদেশ লিমিটেডের তালিকাভুক্তির সময় বাড়াল সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।এসইসি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে এসইসি সূত্রে জানা যায়।
এ নিয়ে এমজেএল’র তালিকাভুক্তির মেয়াদ দ্বিতীয় বারের মত বাড়ানো হলো। এবার সময় বাড়ানো হয়েছে এক সপ্তাহ। এসইসি’র এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২১ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির তালিকাভুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।
এর আগে গত ২৭ মার্চ এমজেএল’র তালিকাভুক্তির মেয়াদ দু’সপ্তাহ বাড়ায় এসইসি। সে মোতাবেক আগামীকাল শেষ হচ্ছে তালিকাভুক্তির সময়।
নিয়মানুসারে ৭৫ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক। সে অনুসারে ৩১ মার্চ এমজেএল’র তালিকাভুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকা সত্ত্বেও দু’দফা সময় বাড়াল এসইসি।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের রোববার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) বোর্ড সভায় এমজেএলকে তালিকাভুক্ত না করা সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে একই দিন চিটাগাং স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) লিস্টিং কমিটির বৈঠকে এমজেএলকে তালিকাভুক্ত করার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। লিস্টিং কমিটির বৈঠক থেকে তা বোর্ডে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

Source: sheershanews.com, 13 April, 2011

MJL, MI Cement seek jt meet with SEC, DSE

The authorities of Mobil Jamuna Lubricants (MJL) and MI Cement have demanded immediate joint meeting with the regulatory body and authorities of stock exchanges to resolve listing issues of the two companies.

Azam Z Chowdhury, chairman of MJL, told the FE that although they had accepted all the proposals of regulatory body, they were yet to be listed with the bourses due to opposition from different quarters.

“It is high time to hold a meeting with the authorities concerned to sort out ways of listing of the two companies complying with the existing laws for the greater interest of the general investors,” said Mr Chowdhury.

According to DSE sources, high officials of MJL recently visited the DSE office and proposed to offer bonus shares to its primary shareholders with a view to compensating them.

Following the proposals, the DSE authorities made some observations, the sources added.

Chief Finance Officer of the MI Cement Muktar Hossain Talukder told the FE that they did not think so that their shares were overpriced.

But if the regulatory body suggests to make any compensation to the investors we are ready to do it, he added.

He said that they discussed the listing issue with DSE authorities several times without any substantial results.

Meanwhile, some capital market experts have opposed the proposal to issue bonus shares by means of compensation to the primary shareholders of MJL, saying that it would convey wrong message in the market and would also set up a bad instance.

Source: The financial express, 5 April, 2011

Analysts oppose MJL listing

Gazi Towhid Ahmed

Stockmarket experts say a cancellation of the initial public offering (IPO) by MJL Bangladesh Ltd is better than a conditional listing of the fuel company on the bourses.

They argue that if MJL is listed on conditions, set by the exchange authorities or the market regulator, the debate on the legality of the company’s listing will continue.

The experts made the observations after the Dhaka Stock Exchange indicated that it may give approval to MJL for a listing if it agrees to issue 30 percent bonus shares, referring to the Companies Act.

It is not a good practice, said the market analysts. They opposed the recommendation that the company should issue 30 percent bonus shares for shareholders as a listing requirement.

“The listing should be cancelled as it has been creating huge complexities in the capital market,” says Mirza Azizul Islam, former adviser of caretaker government.

Islam, also former chairman of the Securities and Exchange Commission, says: “There are two major problems: one is overpricing and the other is listing complexities. The authorities should advise the company to go for a new IPO subscription.”

“It is simply an unusual practice for a company to give bonus shares before getting listed in the bourses,” he says.

“Around Tk 609 crore has been stuck in the MJL IPO as the authorities failed to list the company,” he added “It is also a matter of concern as to why the SEC approved the overpriced IPOs.”

Fakhor Uddin Ali Ahmed, president of Chittagong Stock Exchange, says: “It will be better if the MJL IPO is cancelled by the regulator. We are confused, and we have to think about the investors’ interest.”

If the company offers 30 percent bonus shares, the price per share will be Tk 116.92 and the price-earnings ratio will still be higher, he says.

Ahmed says, “Ultimately shareholders will not be benefited if the company offers bonus shares.” However, if the company performs better in the future, the shareholders would be benefited, he adds.

Prof Salahuddin Ahmed Khan, who teaches finance at Dhaka University, said it is not a good process that the bourses suggested MJL Bangladesh issue bonus shares in order to be listed on the bourses.

It will raise problems when the company will declare dividends for the shareholders, says Khan. It would be the best for MJL Bangladesh if the under writer of the company buys shares at offer price within six months of trading, he says.

The under writer should place a buy-order at the offer price, as offer price cannot drop within six months, he adds.

A stalemate was created over the listing of MJL that used the book building method for its IPO after the stockmarket regulator suspended the method in January following a government instruction.

A volley of criticisms came from economists, market experts, analysts and stakeholders over the misuse of the mechanism.

Source: The daily star, 5 April, 2011

Regulator hopeful of MJL, MI Cement listings

The stockmarket regulator looks optimistic about finding a way for the listings of MJL Bangladesh Ltd and MI Cement Factory Ltd, though the premier bourse has turned down requests for the twin listings.

The Securities and Exchange Commission will put the issue up for discussion after receiving the Dhaka Stock Exchange’s rejection letter formally.

“There should be a way out. The commission will scrutinise the DSE’s logic behind the listing refusal,” said a senior SEC official.

The regulator will have to weigh and consider the interests of all parties — investors, issuers and the market, the official added.

The two companies, however, left the listing issue to the SEC and DSE.

“Both the SEC and DSE have their own points. So, we left it to the SEC and DSE to resolve the matter. Whatever the decision, we are ready to accept it,” said Azam J Chowdhury, managing director of MJL Bangladesh.

The DSE on Thursday turned down the listing proposals of MJL Bangladesh and MI Cement in response to an instruction from the regulator that asked the exchanges to take necessary steps about the twin companies’ listing in line with the existing rules.

“The DSE board took the decision as the two companies’ proposal of compensation to the investors from their ‘share premium account’ conflicts with rules,” DSE Senior Vice-president Ahsanul Islam Titu had said.

The two companies had earlier said they would compensate the retail investors as per clause 57(2)C of the Companies Act, if their share prices go below the IPO prices within six months of trading.

Secondly, Titu had said, the compensation is not a practical issue in the context of our market, and it will be difficult to maintain a record of which investor has lost how much.

The listing of MJL Bangladesh and MI Cement faced a hurdle when the stockmarket regulator suspended book building system in January this year acting upon a government instruction.

The government later said the two companies can be allowed on condition of buying back by the sponsors if their share prices go below the IPO prices within one month of trading.

The Listing Committee of the DSE also sat on the issue on March 22 and came up with a conclusion that if the two companies cannot be listed in line with their compensation offer, it will be conflicting with the Companies Act.

Moreover, the committee observed, it will give rise to huge complexities also. The companies and the stockbrokers will face problems in managing lakhs of beneficiary owners’ accounts, if their share prices drop below the IPO prices.

If MJL Bangladesh and MI Cement cannot be listed within the stipulated time, the two IPOs will be scrapped as per listing rules.

Source: The daily star, 28 March, 2011

 

এমজেএল ও এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করবে না ডিএসই

ঢাকা, ২৪ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): মবিল যমুনা বাংলাদেশ (এমজেএল) ও এমআই সিমেন্ট কোম্পানির তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেবে না ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ(ডিএসই)। আজ বৃহস্পতিবার ডিএসই’র বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএসই’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আহসানুল ইসলাম টিটো। লেনদেন চালুর ৬ মাস পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারের বরাদ্দ মূল্যের চাইতে বাজার দর কমে গেলে কোম্পানির শেয়ার প্রিমিয়ামের হিসাব থেকে প্রাইমারি শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব আইন সিদ্ধ না হওয়ায় ডিএসই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।
টিটো শীর্ষ নিউজ ডটকমকে জানান, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) যে শর্তে এমজেএল ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির জন্য ডিএসইকে চিঠি দিয়েছে তা আইনসিদ্ধ না হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। রোববার এ দুটি কোম্পানির তালিকাভুক্তি না দেয়ার বিষয়টি এসইসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেয়া হবে বলেও তিনি জানান।
বরাদ্দ মূল্যের তুলনায় বাজার মূল্য কমে গেলে প্রাইমারি শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার শর্তে ২২ মার্চ এমজেএল’র তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয় এসইসি। এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য সেদিনই ডিএসইতে চিঠি পাঠায় এসইসি। একই শর্তে এমআই সিমেন্ট কোম্পানিও ক্ষতিপূরণ দেয়ার অঙ্গীকার করে বুধবার এসইসিতে চিঠি পাঠায়। এমজেএল’র তালিকাভুক্তির বিষয়ে এসইসির চিঠি পাওয়ার পরই ডিএসই’র তালিকাভুক্তি কমিটি কোম্পানি আইন বিষয়ে কয়েকজন আইন বিশেষজ্ঞের মতামত নেয়। আইনজীবীরা জানান, শেয়ার প্রিমিয়াম হিসাব থেকে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি আইনসিদ্ধ নয়। এ অবস্থায় ডিএসই’র তালিকাভুক্তি কমিটি বুধবার ওই শর্তে কোম্পানি দু’টিকে তালিকাভুক্ত না করার বিষয়ে মতামত প্রদান করে। আজ ডিএসই’র বোর্ড সভায় চূড়ান্তভাবে কোম্পানি দুটিকে তালিকাভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। টিটো জানান, ডিএসই এ শর্তে কোম্পানি দুটিকে তালিকাভুক্তি দেবে না। এখন পরবর্তী সিদ্ধান্ত এসইসিকেই নিতে হবে।

Source: sheershanews.com

MJL agrees to buy back IPO shares, MI Cement yet to decide

The authorities of Mobil Jamuna Lubricants (MJL) have agreed to buy back their shares within six months of trading if the prices fall below offer prices, while the MI Cement Factory authorities are yet to take decision in this connection.

The authorities of MJL gave an undertaking to the capital market regulator in this connection Sunday, MJL official sources told the FE Monday.

The MJL authorities had received a letter from the Securities and Exchange Commission (SEC) to sign a deal in this connection three days back.

It is expected that the company will sign an agreement with the bourses to be listed today (Tuesday) or tomorrow (Wednesday).

When asked, officials at the MI Cement Factory said they will hold a meeting today (Tuesday) to discuss about the SEC letter relating to buy back of shares.

MI Cement officials said they received a letter from the SEC in this connection Monday.

Chief Financial Officer of MI Cement Md Mukter Hossian Talukder told the FE: “We will discuss about it and will try to follow the SEC directives.”

The SEC sent letters to the authorities of the two companies asking them to buy back their IPO shares only once those fall below the offer prices.

According to the SEC Rules, companies’ initial public offering (IPO) will be scrapped once they fail to be listed within 75 days of subscription.

The IPO of MJL will be suspended today (Tuesday) if it fails to be listed with the bourses, while the MI Cement expires on March 29.

Closing date for MJL IPO subscription was January 3, while MI Cement was January 13.

Source: The financial express, 22 March, 2011

মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির সময় বাড়ানোর আবেদন নাকচ এসইসি’র

ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির সময় বাড়ানোর জন্য গত সপ্তাহে করা মবিল যমুনা কোম্পানির আবেদন নাকচ করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ।

শেয়ার বাইব্যাকের শর্ত নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় তালিকাভুক্তির সময় বাড়ানোর জন্য কোম্পানিটি এ আবেদন করে।

রোববার দুপুর ১২টায় এক জরুরি বৈঠক ডেকে আবেদন নাকচ করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

বৈঠক সূত্র জানায়, কোম্পানির আইপিও আবেদন গ্রহণের তারিখ থেকে ৭৫ দিনের মধ্যে এসইসিতে তালিকাভুক্ত হতে হয়।

এ নিয়ম অনুযায়ী আগামি ২২ মার্চ এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির সময়সীমা শেষ হবে। এই সময়ের মধ্যে তালিকাভুক্ত হতে না পারলে কোম্পানিকে আইপির টাকা ফেরত দিতে হবে।

কিন্তু অর্থন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেয়া শর্ত অনুযায়ী তালিকাভুক্তির পর শেয়ারের দর ফেসভ্যালুর নিচে নেমে গেলে ৬ মাস পর্যন্ত শেয়ার কেনার নিশ্চয়তা দিতে হবে। এই শর্ত কোম্পানিটির পক্ষে পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এছাড়া শর্তে প্রাইমারি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বাইব্যাক করার কথা উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি বিনিয়োগকারীদের আলাদা করা সম্ভব নয়।

ফলে ডিএসই ও এসইসি এ  শর্ত মেনে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করতে রাজি হচ্ছে না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটি তালিকাভুক্তির সময় বাড়ানোর আবেদন করে।

Source: banglanews24.com