Tag Archives: MI cement

MI Cement makes debut on DSE Sunday

The board of directors of Dhaka Stock Exchange (DSE) has finally approved the listing proposal of MI Cement. The company will make its debut in DSE Sunday (May 22). 

The DSE board Wednesday approved the listing proposal following a meeting with the newly appointed chairman of the Securities and Exchange Commission (SEC).

Sources said Chairman of the SEC Dr M Khairul Hossain also directed the DSE authorities to approve MI Cement listing proposal by supporting the views of his predecessor.

Under the chairmanship of Ziaul Huq Khondoker, the SEC directed the DSE twice to approve MI Cement listing in line with a provision of Securities and Exchange Commission Ordinance, 1969.

Finally, the DSE board decided to give the final approval after holding discussion with the newly appointed SEC chair.

However, the company made debut in the Chittagong Stock Exchange (CSE) on May 8.

Meanwhile, the securities regulator Wednesday further allowed MJL Bangladesh two weeks more time to be listed with the bourses.

An official of the SEC said the regulator granted the extension as the company authorities earlier applied to the regulator seeking four weeks more for the purpose.

On April 21 the regulator allowed two weeks to the MJL authorities for the purpose.

But the MJL authorities failed to meet the deadline, as the bourses refused to accept their listing proposal due to overpriced.

Under the book building system, MJL Bangladesh offloaded 40 million shares with an offer price of Tk 152.40, including a premium of Tk 142.40 each, against Tk 10.

Source: the financial express, 19 may, 2011

অবশেষে এমআই সিমেন্ট ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হচ্ছে

অবশেষে এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করতে যাচ্ছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।

বুধবার দুপুরে ডিএসইর পরিচালনা পষর্দের সঙ্গে এসইসি চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেনের আলোচনা শেষে ডিএসই সভাপতি মো. শাকিল রিজভী সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

দুপুর একটায় সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সভা কক্ষে এ আলোচনা হয়।

শাকিল রিজভী বলেন, ‘এসইসির নির্দেশক্রমে ও ডিএসইর আইনানুযায়ী এমআই সিমেন্টেকে তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে।‘

তবে কবে নাগাদ লেনদেন শুরু হবে এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি।

আলোচনায় এসইসির সদস্য হেলাল উদ্দিন নিজামী উপস্থিত ছিলেন।

ডিএসইর পক্ষ থেকে শাকিল রিজভী ছাড়াও ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. শাহজাহান ও পরিচালক আহমদ রশীদ (লালী) উপস্থিত ছিলেন ।

Source: banglanews24.com, 18 May, 2011

দুই কোম্পানির তালিকাভুক্তির অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করা দুই কোম্পানি—এমআই সিমেন্ট ও এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডের তালিকাভুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।
বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দেশে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) শর্ত সাপেক্ষে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি দিলেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কোম্পানিটির তালিকাভুক্তি দেয়নি।
আর এমজেএল বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তালিকাভুক্তির বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। এ অবস্থায় কোম্পানি দুটির প্রাথমিক শেয়ারে বিনিয়োগ করে বিপাকে পড়েছেন লাখ লাখ বিনিয়োগকারী।
এ অবস্থায় এসইসি গত রোববার এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করতে আবারও নির্দেশ দিয়েছে। জানা গেছে, এসইসির নির্দেশের পর ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ আজ রোববার এ ব্যাপারে বৈঠক করবে।
এর আগে ৩ মে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদে এসইসির আগের নির্দেশনা নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ডিএসইর কয়েকজন পরিচালক এসইসির নির্দেশের সমালোচনা করেন। বলেন, প্রয়োজনে বিষয়টি আইনিভাবে সমাধান করা হবে।
কিন্তু সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯-এর ২০(এ) ধারা অনুযায়ী, বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজারের স্বার্থে স্টক এক্সচেঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে তারা লিখিত নির্দেশনা দিতে পারে। এসইসির এ নির্দেশনা পরিপালন করা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক। এমনকি এ নির্দেশনা পরিপালনের জন্য ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকও জরুরি নয়, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সক্ষম। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেটি করতে দেওয়া হয়নি।
শেয়ারবাজারে ধসের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ জানুয়ারি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে এমআই সিমেন্ট ও এমজেএল লিমিটেডের শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয়েছে উল্লেখ করে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া স্থগিত করে সরকার। পরে সরকারের নির্দেশে শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেয় এসইসি। এর ধারাবাহিকতায় কোম্পানি দুটিকে কয়েক দফায় শর্ত দেয় সংস্থাটি। প্রথম দফায় বলা হয়, তালিকাভুক্তির এক মাসের মধ্যে প্রস্তাবিত মূল্যের চেয়ে শেয়ারের দর কমে গেলে প্রাথমিক শেয়ারধারীদের জন্য বরাদ্দকৃত শেয়ার কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের কিনতে হবে। পরে এর মেয়াদ ছয় মাস করা হয়। কোম্পানি দুটি উভয় প্রস্তাবেই তালিকাভুক্তির জন্য সম্মতি দেয়। কিন্তু এ প্রস্তাব বাস্তবায়নে জটিলতার আশঙ্কায় কোম্পানি দুটির প্রিমিয়ামের টাকায় কেবল প্রাথমিক বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলা হয়। তবে প্রস্তাবটি কোম্পানি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে ডিএসই বিরোধিতা করে। এ সময় ডিএসইর পক্ষ থেকে কোম্পানি দুটিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতিপূরণের শর্ত হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ উভয় ধরনের বিনিয়োগকারীর জন্য ৩০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু এতে কোম্পানির উদ্যোক্তা শেয়ারধারীদের নিয়ন্ত্রণমূলক শেয়ারের অনুপাত কমে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। সে কারণে পরবর্তী সময়ে এসইসি তালিকাভুক্তির ছয় মাসের মধ্যে শেয়ারের দাম কমে গেলে উদ্যোক্তারা ক্ষতিপূরণ দেবেন, এ শর্তে এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্তির নির্দেশ দেয়। এসইসির নির্দেশ মেনে কোম্পানিটি ক্ষতিপূরণের বিপরীতে নিরাপত্তা জামানত হিসেবে ৫০ লাখ শেয়ার ডিএসইতে ও ২৫ লাখ শেয়ার সিএসইতে গচ্ছিত বা লিয়েন দিয়েছে। একই সঙ্গে কোম্পানির এস্ক্রো হিসাবে পাঁচ কোটি টাকা জমা রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড প্রাথমিক শেয়ারধারীদের জন্য ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। এ ছাড়া কোম্পানিটি প্রস্তাব করেছে নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার পরও লেনদেন শুরুর ছয় মাস পর্যন্ত শেয়ারের দাম বরাদ্দ মূল্যের চেয়ে নিচে নামলে সর্বোচ্চ ১০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এর অংশ হিসেবে কোম্পাটি ৮০ কোটি টাকা নগদ লভ্যাংশ বাবদ এবং দর কমে গেলে আরও ৪০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছে বলে এসইসিকে জানিয়েছে। এসইসিতে কোম্পানিটির এ প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে।
ডিএসইর অভিযোগ, ক্ষতিপূরণের শর্তে তালিকাভুক্তির বিধান বিশ্বের কোথাও নেই। তাই এ প্রক্রিয়ায় তালিকাভুক্তি দেওয়া হলে ভবিষ্যতেও অতিমূল্যায়িত কোম্পানিগুলো এ ধরনের সুযোগ চাইবে। তবে এসইসি সূত্র বলছে, একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে কোম্পানি দুটিকে শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্তি দিতে হচ্ছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতি থাকলে হয়তো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রসঙ্গটি উঠত না।
তা ছাড়া অতিমূল্যায়নের দায় ডিএসই এড়াতে পারে না। কারণ দরপত্রের মাধ্যমে শেয়ার দুটির মূল্য নির্ধারিত হয়েছে। সেই সময় তাদের সদস্য ডিলারই সর্বোচ্চ দাম প্রস্তাব করে শেয়ার দুটির দর বাড়াতে প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছে। অথচ যে পর্যায়ে শেয়ার দুটির দাম উঠেছে, তার চেয়ে ৪০ শতাংশ কম দাম হওয়ার সুযোগ ছিল।

Source: Prothom-alo, 15 May, 2011

সিএসইতে শুরু এমআই সিমেন্টের লেনদেন

এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডকে অবিলম্বে তালিকাভুক্ত করতে আবারও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
অন্যদিকে এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডের তালিকাভুক্তির মেয়াদ আরও ১৪ দিন বাড়ানো হয়েছে। সংস্থাটির এক জরুরি সভায় গতকাল রোববার এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত হয়।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এসইসি এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্তির জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতি নির্দেশনা জারি করে। কিন্তু ৩ মে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ এসইসির ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে অনুরোধ করে। এসইসি ডিএসইর অনুরোধ নাকচ করে আবারও তালিকাভুক্তির নির্দেশনা জারি করেছে।
তবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এসইসির নির্দেশনা মেনে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জটিতে এমআই সিমেন্টের শেয়ারের লেনদেন শুরু হয়েছে। প্রথম দিনই শেয়ারটির সর্বোচ্চ দাম ওঠে ১৫২ টাকা। সিএসইতে এদিন মোট ছয় লাখ ৪৭ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য আট কোটি ৪৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা।
সকালে সিএসই ঢাকা কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ফখরউদ্দিন আলী আমহদ এমআই সিমেন্টের শেয়ারের লেনদেন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এমআই সিমেন্টের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্লা, পরিচালক মোহাম্মদ আলমগীর কবির, মোল্লা মোহাম্মদ মজনু, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মোল্লা, মোহাম্মদ আলমাস শিমুল। সিএসইর পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ মামুন, উপপ্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদ সাজিদ হোসেইন ও পরিচালক মোহাম্মদ মফিজউদ্দিন।
ফখরউদ্দিন আলী আহমদ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেই সঙ্গে পুঁজিবাজারও। পুঁজিবাজারের সাময়িক প্রতিবন্ধকতা কেটে যাবে—এ আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন শুরু হওয়ায় বাজারে নতুন বিনেয়োগ আসবে।
প্রসঙ্গত, গত ২০ জানুয়ারি এমজেএল ও এমআই সিমেন্টের শেয়ার অতিমূল্যায়িত উল্লেখ করে সরকার তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া স্থগিত করে। পরে সরকারের নির্দেশে শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেয় এসইসি।

Source: prothom-alo, 9 May, 2011

এমআই সিমেন্ট সিএসইতে তালিকাভুক্ত

ঢাকা, ৫ মে (শীর্ষ নিউজ ডটকম): বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আশা এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডকে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। আজ সিএসই’র বোডসভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় হয় বলে জানিয়েছে এসইসি কর্তৃপক্ষ।
এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার মুক্তার এইচ. তালুকদার বলেন, তালিকাভুক্তির অনুমোদনপত্র হাতে পেয়েছি। আশা করা যাচ্ছে রোববার অথবা সোমবার সিএসইতে এমআই সিমেন্টের শেয়ারের লেনদেন শুরু হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা (সিএসই) এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরিকে তালিকাভুক্ত করার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে নির্দেশনা জারি করে। এসইসি’র নির্দেশ অনুসারে সিএসই প্রতিষ্ঠানটিকে তালিকাভুক্তি দিলেও মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। উপরন্তু, এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির আবেদনটি পুনর্বিবেচনার জন্য এসইসিতে প্রেরণ করে ডিএসই। এদিকে এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরির তালিকাভুক্তির বর্ধিত সময় আজই শেষ হচ্ছে।

Source: Sheershwanews.com, 5 May, 2011

এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করছে না ডিএসই

এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। বরং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে যেসব বিনিয়োগকারীর শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়ার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। যদিও ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভীর উপস্থিতিতে এক বৈঠকে কোম্পানিটিকে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার শর্তে তালিকাভুক্তির নির্দেশ দিয়েছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি।
জানা গেছে, ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ গতকাল এসইসির সেই নির্দেশকে উপেক্ষা করে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তি না দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়।
এ ব্যাপারে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভীর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে ডিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আহসানুল ইসলাম বলেন, বাজারের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে তাঁদের টাকা দ্রুত ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে এসইসির কাছে আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, কোম্পানিটিকে যে শর্তে তালিকাভুক্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তার নজির বিশ্বের কোথাও আছে কি না জানা নেই। এ ছাড়া বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ বাবদ যে শেয়ার ডিএসইর কাছে জামানত রাখার কথা বলা হয়েছে, প্রয়োজনের সময় তা বিক্রি করতে সমস্যায় পড়তে হবে। এসব সমস্যার কথা বিবেচনা করে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই।
এদিকে বাজারসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এমআই সিমেন্টের কোনো প্লেসমেন্টের শেয়ার ছিল না। তাই ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের কেউ কেউ এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির ব্যাপারে শুরু থেকেই নাখোশ ছিলেন। তাঁদের মতে, প্লেসমেন্ট না পেয়েই তাঁরা এখন কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তি দিচ্ছেন না।
গত ২০ জানুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ারঅতি মূল্যায়িত উল্লেখ করে সরকার তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া স্থগিত করে। পরে সরকারের নির্দেশে শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেয় এসইসি।
এদিকে, সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের কোম্পানির শেয়ারের দাম কোনোভাবেই অতি মূল্যায়িত নয়। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, কোম্পানির শেয়ারের মূল্য-আয় অনুপাত ১৬-এর নিচে, যা সিমেন্ট খাতের তালিকাভুক্ত যেকোনো কোম্পানির চেয়ে কম।

Source: The prothom-alo, 4 May, 2011

Regulator directs bourses to list MI Cement

The stockmarket regulator yesterday directed twin bourses to list MI Cement Factory Ltd on their trading boards, a move that ends a stalemate over the listing of the cement maker.

The Securities and Exchange Commission issued a circular after a meeting on the MI Cement issue, said an SEC official.

“The bourses will have to list MI Cement immediately after fulfilment of the conditions that the company proposed, and agreed by the regulator as well as the bourses,” the official said.

Earlier, MI Cement proposed that sponsor directors will compensate the investors if share prices go below the offer price within the first six months of trade. The company will deposit Tk 5 crore in security funds to fulfil the compensation package before receiving the listing approval from the bourses.

Also, the company will set aside a fourth of total shares from the directors’ portion for the bourses. If the compensation amount crosses Tk 5 crore, the exchanges could go for selling those shares.

MI Cement has already raised Tk 335.05 crore from the public using the book-building method by floating 3 crore ordinary shares of Tk 10 each with issue price of Tk 111.60 per share.

Data submitted by the company to the DSE shows earnings per share of MI are Tk 93.87 and net asset value is Tk 37.01 per share as of June 2009.

Earlier, the SEC asked the company to buy back shares, if its share prices slip below the offer price within the first six months of trading, and asked the bourses to take proper actions as per the listing rules.

But the listing committee of bourses opposed the move on a condition of buy-back, saying huge complexities would arise if the company is listed.

The stalemate was created over MI Cement after the stockmarket regulator suspended the book building method in January following a government instruction.

A volley of criticisms came from economists, market experts, analysts and stakeholders over the misuse of the mechanism.

At yesterday’s meeting, the SEC however rejected rights offering proposal of Saiham Textiles, a listed company.

“The rejection came after the commission found inconsistency between the company’s net asset value and the offering price for rights shares,” the SEC executive director said.

Earlier, Saiham Textiles recommended one and a half rights shares for each existing share at an issue price of Tk 40, including Tk 30 in premium.

Meanwhile, stocks continued to decline for a third day with investors gradually losing their confidence in the market.

The benchmark index of the Dhaka Stock Exchange, DSE General Index, fell 57 points, or 0.9 percent, to 5,806 at the end of a four-hour trading session.

Of the issues traded on the DSE floor, 154 declined, 88 advanced and 11 remained unchanged.

The low confidence also left its impact on the day’s turnover, which came down to Tk 446 crore, down by Tk 167 crore from that of the previous day.

Source: The daily star, 27 April, 2011

শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্ত হবে এমআই সিমেন্ট

শেষ পর্যন্ত শর্ত সাপেক্ষে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার চূড়ান্ত অনুমোদন পেল এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেড। নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) গতকাল মঙ্গলবার কোম্পানিটিকে কিছু শর্ত জুড়ে দিয়ে তালিকাভুক্ত করার ব্যাপারে নির্দেশনা জারি করেছে। দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে গতকালই এ নির্দেশনার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত রোববার সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও এমআই সিমেন্টের প্রতিনিধিদের এক যৌথ সভায় প্রতিষ্ঠানটিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিন কোম্পানির পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়েছিল, তালিকাভুক্তির পরের ছয় মাসের মধ্যে শেয়ারের দাম প্রস্তাবিত মূল্যের চেয়ে কমে গেলে কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকেরা প্রাথমিক শেয়ারধারীদের ক্ষতিপূরণ দেবেন। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শেয়ারধারী যতটুকু আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন, কেবল ততটুকুই দেওয়া হবে।
কোম্পানির এ প্রস্তাবে বৈঠকে উপস্থিত সব পক্ষ রাজি হলে ওই দিনই তালিকাভুক্ত করার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। ওই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই গতকাল এসইসি চূড়ান্ত নির্দেশনা জারি করল।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ছয় মাসের মধ্যে শেয়ারের দাম কমে গেলে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউসগুলো ক্ষতিগ্রস্ত প্রাথমিক শেয়ারধারীদের তালিকা প্রণয়ন করে কোম্পানির কাছে পাঠাবে। এরপর কোম্পানি তাদের কাছে থাকা প্রাথমিক শেয়ারধারীদের তালিকা যাচাই-বাছাই করে ২৫ কার্যদিবসের মধ্যে ক্ষতিপূরণ বাবদ চেক প্রদান করবে। এ জন্য কোম্পানিকে যেকোনো একটি তফসিলি ব্যাংকের এস্ক্রো হিসাবে পাঁচ কোটি টাকা জামানত রাখতে হবে। একই সঙ্গে উদ্যোক্তাদের ৭৫ লাখ শেয়ার (মোট শেয়ারের ২৫ শতাংশ) দুই স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে গচ্ছিত (লিয়েন) রাখা লাগবে। এর মধ্যে ৫৫ লাখ ডিএসইতে এবং ২০ লাখ সিএসইতে রাখতে হবে, যেন প্রয়োজনের সময় উদ্যোক্তারা এসব শেয়ার বিক্রি করে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতে পারেন।
এ জন্য এসব শেয়ারের ওপর থেকে বিক্রয় নিষেধাজ্ঞা বা লকইন তুলে নেওয়া হয়েছে। পুঁজিবাজারের নিয়মানুযায়ী উদ্যোক্তাদের শেয়ার তালিকাভুক্তির পর তিন বছর পর্যন্ত লকইন থাকে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কেবল দুই স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে গচ্ছিত থাকা শেয়ারের ওপর ছয় মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকছে না।
এসব তথ্য শেয়ারধারীদের অবগতির জন্য দুটি বহুল প্রচলিত জাতীয় দৈনিকে পর পর দুই দিন বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশের কথাও নির্দেশনায় বলা হয়েছে।

Source: The prothom-alo, 27 April, 2011

শর্তসাপেৰে তালিকাভুক্ত হচ্ছে এমআই সিমেন্ট

অর্থনেতিক রিপোর্টার ॥ লেনদেন শুরুর পর ছয় মাসের মধ্যে শেয়ারের বাজার মূল্য বরাদ্দ মূল্যের নিচে নেমে গেলে পরিচালকদের পৰ থেকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের শর্তে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাচ্ছে এম আই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেড (ক্রাউন সিমেন্ট)। বিনিয়োগকারীদের ৰতিপূরণ দেয়ার জন্য লেনদেন শুরম্নর আগেই কোম্পানির পরিচালকরা স্টক এক্সচেঞ্জের তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে ৫ কোটি টাকা এবং ৭৫ লাখ শেয়ার জমা রাখবেন। গতকাল রবিবার সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি), দুই স্টক এক্সচেঞ্জ এবং এমআই সিমেন্টের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এসইসির কাছ থেকে লিখিত নির্দেশনা পাওয়ার পর ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আইনী জটিলতা থাকলেও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ জন্য কোম্পানির পরিচালকরা কয়েকটি শর্ত মেনে নিয়েছেন। তালিকাভুক্তির ৬ মাসের মধ্যে কোম্পানির শেয়ারের দর বরাদ্দ মূল্যের নিচে নেমে এলে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দপ্রাপ্তদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। কোম্পানির পরিচালকরা নিজস্ব তহবিল থেকে ৰতিপূরণের টাকা যোগান দেবেন। প্রাথমিক শেয়ারধারীরা তাদের শেয়ার বিক্রি করে ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্রোকারেজ হাউসগুলো আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কোম্পানিকে অবহিত করবে। পরে নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাব থেকে বিনিয়োগকারীদের ৰতির সমপরিমাণ টাকা পাঠিয়ে দেয়া হবে। কোম্পানির পরিচালকরা প্রাথমিকভাবে ৫ কোটি টাকা ব্যাংকে জমা রাখার প্রসত্মাব দিয়েছেন। পাশাপাশি উদ্যোক্তা পরিচালকদের মালিকানায় থাকা ৭৫ লাখ শেয়ার ডিএসই ও সিএসইতে জমা রাখা হবে। নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে টাকা না থাকলে এসব শেয়ার বিক্রি করে ৰতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে। এজন্য প্রয়োজনে এসইসি পরিচালকদের নির্দিষ্ট পরিমাণ শেয়ারের ওপর লক-ইন তুলে নেবে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমদ বলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আইনী জটিলতা থাকলেও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনা করেই এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। কোম্পানির তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া না হলে এটি একটি খারাপ দৃষ্টানত্ম হিসাবে পরিগণিত হতো। তবে বিশেষ বিচেনায় এই কোম্পানির তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া হলেও ভবিষ্যতে এটিকে উদাহরণ হিসাবে দেখান যাবে না এবং এ বিষয়ে একটি নির্দেশনাও দেয়া থাকবে।
তিনি আরও বলেন, মবিল যমুনার তালিকাভুক্তি নিয়ে একই ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকেও এমআই সিমেন্টের মতো প্রসত্মাব দেয়া হলে তালিকাভুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী জনকণ্ঠকে বলেন, পরিচালকদের পৰ থেকে ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তসহ এসইসি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিলে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে।
এমআই সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোক্তার এইচ তালুকদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এসইসির সকল শর্ত মেনে নিয়েছি। শর্তানুযায়ী প্রাথমিক শেয়ারধারীদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে ৫ কোটি টাকা ব্যাংকে রাখা হবে। এছাড়া যে পরিমাণ শেয়ার অফলোড করা হয়েছে তার এক-চতুর্থাংশ দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে লিয়েন রাখা হবে। আশা করছি খুব শীঘ্রই এমআই সিমেন্ট বাজারে আসবে।
এর আগে প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডারদের কোম্পানির প্রিমিয়াম হিসাব থেকে ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তে এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করতে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জকে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছিল এসইসি। কিন্তু ৰতিপূরণ প্রদানের ৰেত্রে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ৫৭(২) এর গ ধারাকে ভিত্তি ধরা হলেও ওই ধারায় প্রিমিয়াম আয় থেকে এ ধরনের ব্যয় অনুমোদন না করায় এমআই সিমেন্টের পাশাপাশি মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টকে তালিকাভুক্তিতে অসম্মতি জানায় ডিএসই। এ কারণে গত বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সময় শেষ হলেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারেনি কোম্পানি। তবে ওইদিনই কোম্পানির তালিকাভুক্তির সময় দু’ সপ্তাহ বৃদ্ধি করে এসইসি।

Source: The daily janakantha, 25 April, 2011

Clouds clearing over MI Cement

The Securities and Exchange Commission will ask the two bourses today to end the stalemate over the listing of MI Cement Factory Ltd for “greater interests of investors”.

The SEC discussed the listing plan with both bourses and set the company a condition of compensations from the directors’ accounts, at a meeting presided over by SEC Chairman Ziaul Haque Khondker.

MI Cement will have to deposit Tk 5 crore in security funds to compensate the investors if the share prices go below the offer price within the first six months of trade. Also, the company will have to set aside a fourth of total shares from the directors’ portion for the bourses. If the compensation amount crosses Tk 5 crore, the exchanges could go for selling those shares.

An SEC official said the market would get some liquidity when the company gets listed, he added.

Mukter H Talukder, general manager of MI Cement, told reporters that the company would meet all conditions set by the commission for listing.

MI Cement has already raised Tk 335.05 crore from the capital market under the book-building method by floating 3 crore ordinary shares with Tk 10 in face value per share and at an indicative price of Tk 111.6.

Data submitted by the company to the DSE shows earnings per share of MI are Tk 93.87 and net asset value is Tk 37.01 per share as on June 2009.

Earlier, the SEC asked the company to buy back shares, if its share prices slip below the offer price within the first six months of trading, and asked the bourses to take proper actions as per the listing rules.

But the listing committee of bourses opposed the move on a condition of buy-back, saying huge complexities would arise if the company is listed.

A stalemate was created over the listing of MJL that used the book building method for its IPO after the stockmarket regulator suspended the method in January following a government instruction.

A volley of criticisms came from economists, market experts, analysts and stakeholders over the misuse of the mechanism.

MJL Bangladesh is yet to take any decision of compensation from the directors’ account to be listed in the bourses.

MJL offered 30 percent bonus shares to the shareholders but the listing committee opposed it because before listing in the market a company cannot issue bonus shares.

Source: The daily star, 25 April, 2011