Tag Archives: IPO subscription

প্রথমদিনে ওরিয়ন ফার্মার আইপিওতে ব্যাপক সাড়া

প্রথমদিনেই ওরিয়ন ফার্মার আইপিওতে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। হরতালের মধ্যে অনেকে ব্যাংকে যেতে না পারলেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কমতি নেই। বিনিয়োগকারীরা অধিক আগ্রহ নিয়ে লাইন ধরে আবেদন ফরম জমা দিচ্ছেন।
কয়েকজন বিনিয়োগকারীর সঙ্গে কথা বলে তাদের আগ্রহের কারণ সম্পর্কে জানা যায়, এ কোম্পানিতে তারা বেশি মুনাফার আশা করছেন। যে কারণে হরতালের মধ্যে তারা আবেদন জমা দিচ্ছেন।

স্থানীয় অধিবাসীদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ করা হবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য আবেদনের সুযোগ থাকছে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত।

প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২৪০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ টাকা এবং ১০০টি শেয়ারে মার্কেট লট।

৩১ ডিসেম্বর ২০১১ সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ি প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় ৫.৫৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) ৭৬.৮৭ টাকা (সম্পদ পুর্ণ:মূল্যায়নসহ)। আর সম্পদ পুর্ণ:মূল্যায়ন ব্যতীত শেয়ারপ্রতি সম্পদ ৬১.৪৩ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

Source: sharenews24.com

গোল্ডেন হারভেস্টের আইপিওর চাঁদা গ্রহণ আজ শুরু

খাদ্য খাতের কোম্পানি গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর চাঁদা গ্রহণ আজ রোববার থেকে শুরু হচ্ছে। চাঁদা গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষে শেয়ারবাজারে কোম্পানিটির লেনদেন শুরু হবে। কোম্পানিটি আইপিওতে তিন কোটি শেয়ার ছেড়ে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।
১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা অধিমূল্য বা প্রিমিয়াম যোগ করে প্রতিটি শেয়ারের বিক্রয়মূল্য ঠিক করা হয়েছে ২৫ টাকা। এটির প্রতিটি মার্কেট লট বা বাজারগুচ্ছে রয়েছে ৩০০ শেয়ার। সেই হিসেবে প্রতি লট শেয়ারের জন্য আবেদনকারীদের জমা দিতে হবে সাড়ে সাত হাজার টাকা। আবেদনের শেষ সময় ৩০ ডিসেম্বর।
কোম্পানিটির শেয়ারের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে যথাক্রমে বেনকো ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং রয়েল গ্রিন ক্যাপিটাল মার্কেট।
আইপিওতে শেয়ার ছাড়ার আবেদনের সঙ্গে কোম্পানিটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) যে হিসাব জমা দিয়েছে, তাতে ২০১১ সালের জুন মাসের হিসাববছর শেষে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দেখানো হয়েছে চার টাকা ৭২ পয়সা। ২০১২ সালের জুন মাসে কোম্পানিটির আরও একটি হিসাব বছর শেষ হয়েছে। তবে ওই হিসাব বছর শেষে কোম্পানিটি এখনো তাদের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।
এদিকে সিমেন্ট খাতের অপর কোম্পানি প্রিমিয়ার সিমেন্টের আইপিও আবেদনের সময় আজ শেষ হয়ে যাচ্ছে। গত ১৭ ডিসেম্বর থেকে কোম্পানিটির আইপিওর চাঁদা গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়।

Source: Prothom Alo

রোববার থেকে শুরু হচ্ছে গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালসের আইপিও

অপসোনিন গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের বা আইপিওর চাঁদা গ্রহণ আগামী রোববার শুরু হচ্ছে, যা চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
কোম্পানিটি দেশের পুঁজিবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এক কোটি ২০ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যু করে শেয়ারপ্রতি ১০ টাকার প্রিমিয়ামসহ মোট ২৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ ক্ষেত্রে ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করছে বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড।
কোম্পানির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে জানানো হয়, ঢাকার দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী কেরানীগঞ্জ উপজেলার হাসনাবাদ এলাকায় সাড়ে ১০ একর জমির ওপর স্থাপিত গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস প্রধানত কস্টিক সোডা উৎপাদন করে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ক্লোরিন গ্যাস, হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড, সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট, ব্লিচিং পাউডার, ক্লোরিনেটেড প্যারাফিন ওয়াক্সসহ (সিপিডব্লিউ) অন্যান্য রাসায়নিক পণ্যও উৎপাদন করে থাকে।
২০১১ সালের হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩.৭১ টাকা ও শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) ৫৪.৪৩ টাকা ছিল।

Source: The prothom-alo

এনসিসিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আইপিও আবেদন শুরু ২৫ মার্চ

আজ রবিবার থেকে এনসিসিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ শুরু হচ্ছে। আগামী ১ এপ্রিল পর্যন্ত এ আবেদন চলবে। প্রবাসীরা ১০ এপ্রিল পর্যন্ত এ আবেদনের সুযোগ পাবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১০ বছর মেয়াদি এনসিসিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আকার ১০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ফান্ডটির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান এনসিসি ব্যাংক ১৫ কোটি টাকা জোগান দিয়েছে। প্রি-আইপিও প্লেসমেন্টের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা। বাকি ৫০ কোটি টাকা আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। ফান্ডের প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা এবং ৫০০টি ইউনিটে একটি লট ধরা হয়েছে। ফান্ডটির ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে এল আর গ্লোবাল।

সূত্র: কালের কণ্ঠ, ২৫ মার্চ, ২০১২

জিবিবি পাওয়ারের আইপিওতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ শতাংশ কম আবেদন

বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জিবিবি পাওয়ারের প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে (আইপিও) লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ শতাংশ কম আবেদন (আন্ডার সাবস্ক্রাইব) জমা পড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার অভাবের কারণেই লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও কম আবেদন জমা পড়েছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

প্রতিষ্ঠানটির ৮২ কোটি টাকার শেয়ারের বিপরীতে ৭২ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ শতাংশ কম। ইস্যু ব্যবস্থাপকের পরিসংখ্যানে অনুযায়ী এ তথ্য জানা গেছে।

পুঁজিবাজারে ২ কোটি ৫ লাখ শেয়ার ছেড়ে বা ১ লাখ ২ হাজার ৫০০ লট ছেড়ে ৮২ কোটি টাকা সংগ্রহের কথা ছিলো। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৪০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

জানা যায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছে থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয় এবং শেষ হয় ১ মার্চ। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের এ আবেদন ১০ মার্চ পর্যন্ত জমার সুযোগ ছিলো।

সূত্র: শেয়ার নিউজ ২৪, ১৬ মার্চ, ২০১২

১ এপ্রিল থেকে আমরা টেকনোলজিসের আইপিও আবেদন

প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আগামী ১ এপ্রিল থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র গ্রহণ করবে আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড। আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা ৫ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে প্রবাসী বাংলাদেশী (এনআরবি) বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আবেদনপত্র পৌঁছানোর সুযোগ থাকবে।
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য তথ্য-প্রযুক্তি খাতের কোম্পানি আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড গত ২০ ফেব্রুয়ারি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন লাভ করে। কোম্পানি ২ কোটি ১৫ লাখ ৭২ হাজার শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫১ কোটি ৭৭ লাখ ২৮ হাজার টাকা সংগ্রহ করবে। আইপিওর জন্য কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ১৪ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৪ টাকা ইস্যু মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।
আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ ব্যাংক থেকে গৃহীত ঋণ পরিশোধ, সম্ভাব্য ক্রেতাকে সরবরাহের জন্য এটিএম ও পিওএস মেশিন স্থাপন এবং আইপিওর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় সংস্থান করা হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইপিওর জন্য প্রকাশিত বিবরণী (প্রসপেক্টাস) অনুযায়ী ২০১১ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরে কোম্পাানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ৬৩ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৮১ পয়সা।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ৭ মার্চ, ২০১২

ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও আবেদন গ্রহণের প্রস্তাব

প্রাথমিক শেয়ারের আবেদন ও রিফান্ড পেতে ভোগান্তি নিরসন জরুরী

পুঁজিবাজারে নতুন আসা কোম্পানি বা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রাথমিক গণ-প্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়ায় ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আইপিও’র সামগ্রিক প্রক্রিয়া ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হলে একদিকে আবেদনপত্র জমার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমবে, অন্যদিকে অতি সহজ ও নিরাপদে প্রাথমিক শেয়ার পেতে ব্যর্থ আবেদনকারীদের জমাকৃত টাকা ফেরত দেয়া (রিফান্ড) সম্ভব হবে। ইতোমধ্যেই স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বর্তমান ব্যবস্থায় কোন কোম্পানির প্রাথমিক শেয়ার পাওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন মাধ্যম থেকে আইপিও ফরম ক্রয় বা সংগ্রহ করতে হয়। ফরম পূরণ করে আইপিওর জন্য নির্ধারিত অর্থসহ নির্ধারিত ব্যাংক শাখায় জমা দিতে হয়। প্রতিটি কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়ায় ব্যাংকার টু দ্য ইস্যুর নির্ধারিত শাখার সংখ্যা কম থাকায় আবেদন জমা দিতে গিয়ে আবেদনকারীদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়।
এরপর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো আবেদনকারীদের সামগ্রিক তথ্য ইস্যু পরবর্তী ব্যবস্থাপনা (পোস্ট ইস্যু ম্যানেজার) প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠিয়ে দেয়। ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান সকল আবেদন যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত শেয়ারের তুলনায় আবেদনের পরিমাণ বেশি হলে লটারির ব্যবস্থা করে। বুয়েটের তত্ত্বাবধায়নে লটারির ফলাফল প্রকাশ করা হয়। লটারির মাধ্যমে যেসব আবেদনকারী শেয়ার বরাদ্দ পান তাদের কোম্পানি ঘোষিত সময়ের মধ্যে নির্ধারিত স্থান থেকে বরাদ্দপত্র (এলটমেন্ট লেটার) গ্রহণ করতে হয়। বরাদ্দপত্রটি ব্রোকারেজ হাউসে জমা দেয়ার পর সফল আবেদনকারীর বিও এ্যাকাউন্টে শেয়ার জমা করা হয়।
অন্যদিকে লটারিতে শেয়ার পেতে ব্যর্থ আবেদনকারীকে কোম্পানি ঘোষিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট স্থান থেকে জমাকৃত অর্থের ফেরতপত্র (রিফান্ড ওয়ারেন্ট) সংগ্রহ করতে হয়। পরে ফেরতপত্রটি ব্যাংকে জমা দিলে ব্যাংকিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওই টাকা তার হিসাবে জমা করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ ফেরতপত্র সংগ্রহে ব্যর্থ হলে বা ফেরত প্রদানের ক্ষেত্রে কোন জটিলতা হলে আবেদনকারীদের বড় রকমের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানো হলেও অনেক বিনিয়োগকারীর কাছে তা পৌঁছে না। অনেক সময় আইপিওতে জমাকৃত টাকা ফেরত পেতে আবেদনকারীকে ২-৩ মাস পর্যন্ত অপেক্ষারও নজির রয়েছে। ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হলে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের এ ধরনের দুর্ভোগ থেকে রেহাই দেয়া সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলে জানা গেছে, ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে একদিকে যেমন অতি সহজে আইপিও আবেদন গ্রহণ যায়, তেমনি কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই ব্যর্থ আবেদনকারীদের অর্থ ফেরত দেয়া সম্ভব।
জানা গেছে, আইপিও আবেদন জমা ও রিফান্ডের টাকা ফেরত প্রক্রিয়া কিভাবে আরও সহজ ও নিরাপদ করা যায় সে বিষয়ে এসইসি ও স্টক এক্সচেঞ্জসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে চিন্তা-ভাবনা চলছে। আবার ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে জমা নেয়া হলে বিনিয়োগকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে কিনা সে বিষয়েও কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন।
তবে স্টক এক্সচেঞ্জ ও ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের আওতাধীন ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে সব সময়ই গ্রাহকদের বিপুল পরিমান টাকা বা শেয়ার জমা থাকে। আজ পর্যন্ত কোনো ব্রোকারেজ হাউস গ্রাহকের টাকা নিয়ে বড় ধরনের সমস্যা করেছে বলে অভিযোগ আসেনি। ফলে এসব হাউসের মাধ্যমে আইপিওর টাকা জমা নেয়া হলে নিরাপত্তা থাকবে কিনা এ ধরনের সন্দেহ সম্পূর্ণ অমূলক। বরং ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও আবেদন জমা নেয়া হলে সব দিক থেকেই প্রক্রিয়াটি সহজ হয়ে যাবে। এতে রিফান্ডের টাকা ফেরত পেতে অযথা সময় নষ্ট হবে না।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ৬ মার্চ, ২০১২

জিপিএইচ ইস্পাতের আইপিওতে আড়াই গুণ আবেদন

৬০ কোটি টাকার বিপরীতে জমা পড়েছে ১৪৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা

জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৪৯ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানির ৬০ কোটি টাকার শেয়ারের বিপরীতে আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা মোট ১৪৯ কোটি ৩৬ লাখ ২৫ হাজার টাকার আবেদন জমা দিয়েছেন। কোম্পানির পক্ষ থেকে আইপিও আবেদনের এই চূড়ান্ত পরিসংখ্যান দেয়া হয়েছে।
জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৬০ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৩০ টাকা নেয়া হচ্ছে। ফলে ৫০০ শেয়ারের প্রতি লটের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে ১৫ হাজার টাকা জমা দিতে হয়েছে। আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ২ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়েছে।
৫০০ শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারিত হওয়ায় সর্বমোট ৪০ হাজার আবেদনকারী জিপিএইচ ইস্পাতের শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এরমধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ বা ৩২ হাজার লট শেয়ার। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার। এছাড়া প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার সংরক্ষিত রয়েছে।
কোম্পানির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় বিনিয়োগকারী কোটায় ৮২ কোটি ৮০ লাখ ৬০ হাজার টাকা, প্রবাসী কোটায় ৭ কোটি ৬৭ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোটায় ৫৮ কোটি ৮৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে।
জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৭০ কোটি টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া শেষে পরিশোধিত মূলধন ৯০ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের সিংহভাগ কোম্পানির ঋণ পরিশোধে ব্যয় হবে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য ট্রিপল এ কনসালট্যান্ট লিমিটেড এই কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।
সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী গত ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ৬৬ পয়সা। একই সময় পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১২ টাকা ২৩ পয়সা।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ৫ মার্চ ২০১২

সায়হাম কটন মিলের আইপিও আবেদন শুরু আজ

প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আজ (রবিবার) হতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র গ্রহণ করবে সায়হাম কটন মিলস লিমিটেড। আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা আগামী ৮ মার্চ পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে প্রবাসী বাংলাদেশী (এনআরবি) বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৭ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আবেদনপত্র পৌঁছানোর সুযোগ থাকবে।
পুঁজিবাজারে ৪ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ার ছেড়ে সায়হাম কটন মিলস মোট ৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। আইপিওর মাধ্যমে বিক্রির জন্য কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২০ টাকা মূল্য অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। কোম্পানির ২৫০টি শেয়ারে একটি মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে আইপিও আবেদনের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের ৫ হাজার টাকা জমা দিতে হবে।
২০০২ সালে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে সায়হাম কটন মিলস লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়। বাণিজ্যিক কর্মকা- শুরুর জন্য কোম্পানি সোনালী ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করে। ২০০৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে কোম্পানির উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী গত ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১৪ টাকা ৭৩ পয়সা। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির জন্য জমি ক্রয়, ভূমি উন্নয়ন, ভবন নির্মাণ ও যন্ত্রপাতি সংযোজনে ব্যয় করা হবে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য লঙ্কা-বাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড এই কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।

সূত্র:  দৈনিক জনকণ্ঠ, ৪ মার্চ ২০১২