Tag Archives: IPO News

আগামীকাল তুং হাই নিটিংয়ের লটারির ড্র

আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার জন্য আগামীকাল ১৯ জুন, বৃহস্পতিবার তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, কোম্পানিটির আইপিও লটারির ড্র আগামীকাল সকাল সাড়ে ১০টায়, রাজধানীর রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে কোম্পানিটির আইপিওতে ১৮ থেকে ২২ মে পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। আর প্রবাসিদের জন্য এ সুযোগ ছিলো ৩১ মে পর্যন্ত। কোম্পানিটির আইপিওতে মোট ৮৭০ কোটি ১ লাখ ২৪ হাজার ৯৭৫ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৫৪৩ কোটি ৯৩ লাখ ৭৪ হাজার ৯৭৫ টাকার, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৬২ কোটি ০৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার, প্রবাসি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৩৬ কোটি ৪১ লাখ ৭০ হাজার টাকার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২২৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটির আইপিওতে জমাকৃত টাকা উত্তোলিত টাকার চেয়ে ২৩.৮৬ গুণ বেশি।

তু হাই নিটিং শেয়ারবাজার থেকে ৩৫ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য ৩ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়েছে। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা, ৫০০টি শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি চলতি মূলধন, মেশিনারিজ ক্রয়, ব্যাংকের টার্ম ঋণ এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

৩১ ডিসেম্বর ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক হিসাব অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৫.১১ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং সহ-ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড।

এর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫১০ তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন করা হয়। 

 

শেয়ারনিউজ২৪

হা-ওয়েলের রিফান্ড বিতরণ শুরু আজ

হা-ওয়েল টেক্সটাইলস (বিডি) লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারিতে বিজয়ীদের বরাদ্দপত্র এবং রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ শুরু হবে আজ, ২৭ মার্চ, বৃহস্পতিবার। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, কোম্পানিটির বরাদ্দপত্র এবং রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ আগামীকাল শুরু হয়ে শেষ হবে ৩১ মার্চ। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংক রশিদের বিনিময়ে পল্টন কমিউনিটি সেন্টার ৪২, নয়াপল্টন এবং কেন্দ্রীয় কচি কাঁচার মেলা ৩৭/এ সেগুন বাগিচায় বরাদ্দপত্র এবং রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ করা হবে।

পল্টন কমিউনিটি সেন্টারে ২৭ মার্চ ওয়ান ব্যাংক, ২৮ মার্চ শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ২৯ মার্চ সিটি ব্যাংক, ৩০ মার্চ সাউথইস্ট ব্যাংক ও ৩১ মার্চ ন্যাশনাল ব্যাংকের সকল শাখার রিফান্ড এবং বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হবে। এছাড়া ২৯ মার্চ ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের, ৩০ মার্চ এনআরবি এবং ৩১ মার্চ ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও আইএ এর রিফান্ড সমূহ বিতরণ করা হবে কেন্দ্রীয় কচি কাঁচার মেলায়। যেসব বিনিয়োগকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অনলাইন সুবিধা চালু নেই তাদের উপোরক্ত ঠিকানা থেকে রিফান্ড সংগ্রহ করতে হবে।

যেসব বিনিয়োগকারীর এবি ব্যাংক লিমিটেড, আল-আরফা ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, আল ফালাহ ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড, ব্রাক ব্যাংক লিমিটেড, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন পিএলসি, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ণ ব্যাংক লিমিটেড,এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড, যমুনা ব্যাংক লিমিটেড, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, মিউচুয়্যাল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, শাহাজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, দি সিটি ব্যাংক ট্রাস্ট ব্যাংক এবং উরি ব্যাংকে যাদের অ্যাকাউন্ট আছে তাদের নিজ নিজ অ্যাকাউন্টে রিফান্ড জমা হয়ে যাবে। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা এ সুযোগ পাবে না।

এছাড়া যারা নির্ধারিত তারিখের মধ্যে যাদের বরাদ্দপত্র ও রিফান্ড ওয়ারেন্ট ব্যাংকে জমা হবে না, তাদেরকে ১৫ই এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে কেন্দ্রীয় কঁচিকাচার মেলায় সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত যোগাযোগ করতে হবে।

 
শেয়ারনিউজ২৪

ফারইস্ট নিটিংয়ের আইপিও অনুমোদন

শেয়ারবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি) ৫১৩তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন করেছে।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িং আইপিওর মাধ্যমে ২ কোটি ৫০ লাখ সাধারণ শেয়ার ছেড়ে শেয়ারবাজার থেকে ৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এ জন্য ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৭ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ টাকা।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ব্যাংকের মেয়াদি ঋণ এবং আইপিও খাতে খরচ করবে।

৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.২৮ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৯.০৮ টাকা।

ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িংয়ের ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

 
শেয়ারনিউজ২৪

ফার কেমিক্যালে সাড়ে ৭১ গুণ টাকা জমা

প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে (আইপিও) ফার কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডে সাড়ে ৭১ গুণ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ফার কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজের আইপিওতে ৮৫৯ কোটি ৯৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। যা উত্তোলনকৃত টাকার চেয়ে ৭১.৬৬ গুণ। এর মধ্যে সাধারণ, ক্ষতিগ্রস্ত ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৮৪৪ কোটি ৭৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকার আবেদন এবং ২৪ মার্চ পর্যন্ত প্রবাসি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে।

গত ১০ মার্চ থেকে কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন শুরু হয়ে শেষ হয় ১৬ মার্চ। প্রবাসি বিনিয়োগকারীরা আজ ২৫ মার্চ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে।

ফার কেমিক্যাল শেয়ারবাজার থেকে ১২ কোটি টাকা উত্তোলন করার জন্য ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়েছে। এ জন্য কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা এবং মার্কেট লট ৫০০ শেয়ারে নির্ধারণ করা হয়েছে।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ক্যাপিটাল মেশিনারি ক্রয় এবং বর্তমান মূলধন বাড়ানো কাজে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.০১ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৫.৫৫ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে ফার্স্ট সিকিউরিটিজ সার্ভিসেস লিমিটেড।

 
শেয়ারনিউজ২৪

ঋণগ্রস্ত কোম্পানি শেয়ারবাজারের জন্য বোঝা

আইপিওর মাধ্যমে ঋণগ্রস্ত কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া বাড়তি বোঝা বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বাজারে শেয়ার জোগানের সাথে চাহিদার সামঞ্জস্যতা থাকা প্রয়োজন; কিন্তু মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানিকে আইপিওর মাধ্যমে বাজারে আনা না গেলে ওইসব ঋণগ্রস্ত কোম্পানি বাজার এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। এ অবস্থায় সাম্প্রতিক সময়ে যেসব কোম্পানিকে আইপিওর মাধ্যমে ঋণ পরিশোধ এবং কোনো কোনো কোম্পানিকে অযৌক্তিক প্রিমিয়াম দেয়া হচ্ছে, তা ভবিষ্যতে বাজারকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে পারে। তাই আর কোনো ঋণগ্রস্ত কোম্পানি নয়, মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানি বাজারে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর উদ্যোগ নেয়া উচিত বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, ইনিশিয়াল পাবলিক অফারে (আইপিও) আসা কোম্পানি ঋণগ্রস্ত হয়ে তালিকাভুক্ত হতে আসে। আর এসব ঋণগ্রস্ত কোম্পানিকে ইস্যুয়ার, অডিটর ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস ফার্মের সংশ্লিষ্টরা আর্থিক প্রতিবেদন মোটাতাজা করে ভালো ইপিএস প্রসপেক্টাসে প্রদর্শন করে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে পেশ করে। এরপর তৈরি করা ওই ভালো ইপিএসের দোহাই দিয়ে ভালো প্রিমিয়াম আদায় করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সাথে দরকষাকষি হয়। একপর্যায়ে উভয়ের সম্মতিতে প্রিমিয়াম নির্ধারণ করে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি। এ অবস্থায় ফেস ভ্যালুর সাথে প্রিমিয়াম নেয়ার ক্ষেত্রে ওই কোম্পানি পাঁচ বছরের মধ্যে তাদের পূর্বে প্রেরিত পারফরমেন্স এবং আর্থিক প্রতিবেদন দিনে দিনে রুগ্ণ হয়ে না যায়, সেজন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কোম্পানি ইস্যুয়ার, অডিটর ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস ফার্মের নিশ্চয়তা অপরিহার্য হওয়া উচিত।

বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, শেয়ারবাজারে যেসব কোম্পানি ঋনগ্রস্ত হয়ে বাজারে আসে। সেসব কোম্পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিনিয়োগকারীরা সন্দিহান হয়ে পড়েন। কারণ কোম্পানির সংশ্লিষ্ট অসৎ কর্মকর্তারা এ টাকা নিজেদের মধ্যে আয়েশী জীবন ধারণে ব্যয় বা এফডিআরের মাধ্যমে ব্যবসা করে থাকে। এছাড়া প্রিমিয়াম নেয়া কোম্পানিগুলো তাদের মোট সম্পদকে অনেক বেশি বাড়িয়ে বাজারে আসার পর দুয়েক বছর আর্থিক প্রতিবেদন ভালো দেখানোর পর ধীরে ধীরে রুগ্ণতার দিকে অগ্রসর হয়। কিন্তু কেন কোম্পানি এ ধরনের রুগ্ণতার মুখে পড়ে সে খবর কেউ রাখে না।

কয়েকজন বড় ব্যক্তি বিনিয়োগকারী জানান, গত এক বছরে যেসব কোম্পানি প্রিমিয়ামসহ বাজারে এসেছে সেসব কোম্পানির অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় পর্যায়ে রয়েছে। মূলত এসব (বেঙ্গল উইন্ডসোর থার্মাপ্লাস্টিক লি., জিপিএইচ ইস্পাত, গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্র্রিজ লি., জিবিবি পাওয়ার, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল লি., ওরিয়ন ফার্মা, আরগন ডেনিমস, জেনারেশন নেক্সট, ফ্যামিলি টেক্স, অ্যাপোলো ইস্পাত, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলস, সেন্ট্রাল ফার্মা) কোম্পানি বাজার আসার এক মাসের মধ্যে শেয়ারের দর অনেক উঁচুতে তুলে ধীরে ধীরে তলানিতে নেমে আসছে। এতে বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ছে। এ অবস্থায় কোম্পানির প্রিমিয়াম দেয়ার ক্ষেত্রে শতভাগ লোন পরিশোধ নয়, ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে এবং লোন সঠিকভাবে সংশ্লিষ্টরা ব্যবহার করছে কি না সেটা বিএসইসিকে নিশ্চিত করতে হবে।

এ বিষয়ে কয়েকটি মিউচুয়্যল ফান্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, শেয়ারবাজারে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হতে এলে অবশ্যই ভালো প্রিমিয়াম বিবেচিত হবে। আবার অখ্যাত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন মোটাতাজা করে ভালো ইপিএস দেখিয়ে প্রিমিয়াম নেয়ার ক্ষেত্রে কঠোর পন্থা অবলম্বন করতে হবে। এছাড়া যারা লোন পরিশোধের জন্য প্রিমিয়াম দাবি করে, তাদের প্রিমিয়াম দেয়া উচিত নয়।

এ বিষয়ে কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে কোনোভাবে প্রিমিয়াম দেয়া উচিত নয়। এছাড়া একসঙ্গে একাধিক কোম্পানির আইপিও অনুমোদন ও চাঁদা সংগ্রহ বর্তমান বাজারকে দুর্বল করতে পারে। কারণ এ টাকা বাজার থেকে বের হয়ে যায়। এতে বাজারে পূর্বের ন্যায় তারল্য সংকট দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে বাজারের শেয়ারের চাহিদার সাথে সরবরাহের মিল রেখে বহুজাতিক কোম্পানি বা দেশীয় ভালো মুনাফায় থাকা কোম্পানিগুলো আনা উচিত। এতে ভালো কোম্পানিগুলোর মধ্যে শেয়ারবাজারে আসার আগ্রহ সৃষ্টি হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের এক নেতা জানান, আইপিওতে আসা কোনো কোম্পানিকে প্রিমিয়াম দেয়া হলে ওই কোম্পানির সংশ্লিষ্টদের ব্যাপারে খোঁজ খবর নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে। এ নেতা আরো জানান, লোন পরিশোধের জন্য যেসব কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসে, সে কোম্পানি কখনো ভালো পারফরমেন্স দেখাতে পারে না। একপর্যায়ে এ কোম্পানি লোকসান দেখাতে দেখাতে জেড ক্যাটাগরিতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 

 

শেয়ারনিউজ২৪

ডিএসইতে লেনদেনের অনুমোদন পেলো মোজাফফর স্পিনিং

বহুল আলোচিত মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং মিলস দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের অনুমোদন পেয়েছে। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ডিএসইর ৭৫৯তম বোর্ড সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। ডিএসইর জনসংযোগ কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ সোহাগ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর ফলে শেয়ারবাজারে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আসা মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং লিমিটেড খুব শিগগিরই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরু করবে। ডিএসইর আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী সপ্তাহে কোম্পানিটি সেকেন্ডারি মার্কেটে লেনদেন করবে বলে আভাস পাওয়া গেছে।

এর আগে কোম্পানিটি কোনো প্রিমিয়াম ছাড়া ১০ টাকা ফেস ভ্যালুতে ২ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ারের বিপরীতে শেয়ারবাজার থেকে আইপিওর মাধ্যমে ২৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করে। সংগৃহীত টাকা থেকে কোম্পানিটি ২৬ কোটি ১৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ব্যাংকঋণ এবং বাকি ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫ হাজার টাকা আইপিও খাতে ব্যয় করবে বলে জানা গেছে। এ কোম্পানির মার্কেট লট ৫০০ শেয়ারে।

মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা। আইপিও পূর্ব পরিশোধিত মূলধন ৩৪ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আইপিওর পর পরিশোধিত মূলধন দাঁড়াবে ৬২ কোটি ৬৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

 

 
শেয়ারনিউজ২৪

সব বিও হিসাবের তথ্য হালনাগাদ করার সিদ্ধান্ত বিএসইসির

শেয়ারবাজারে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন পদ্ধতি পরিবর্তনের লক্ষ্যে দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে সিডিবিএল (সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড) ডাটাবেজের সব বিও হিসাবের তথ্য হালনাগাদ করার নির্দেশ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার কমিশনের ৫০৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে এ বিও হিসাব হালনাগাদ করার নির্দেশ দেয়া হবে।

শেয়ারবাজারে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন সহজীকরণের বিষয়ে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) একটি প্রস্তাবনা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) জমা দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

গত ১০ ডিসেম্বর বিএমবিএর পক্ষ থেকে বিএসইসিকে আইপিও প্রক্রিয়া সহজীকরণে একটি প্রস্তাব দেয়া হয়। এ প্রস্তাবনায় বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমাতে আইপিও আবেদন ব্রোকারেজ হাউজ বা মার্চেন্ট ব্যাংকের ডিপিতে (ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট) জমা দেয়ার প্রস্তাব করেন তারা। এতে আরো বলা হয়েছিলো, আইপিও আবেদন জমা দেয়ার সময়সীমা ৫ দিন। এ ক্ষেত্রে ডিপির মাধ্যমে আবেদন করলে আইপিও প্রক্রিয়া আরো সহজ হবে। এছাড়া রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণের বিষয়টিও ডিপির মাধ্যমে করার সুপারিশ করা হয়েছে। এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে বিনিয়োগকারীদের লাইনে দাঁড়িয়ে আর আইপিওর জন্য টাকা জমা বা রিফান্ড ওয়ারেন্ট সংগ্রহ করতে হবে না। যার ফলে বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে।

এছাড়া আইপিও অনুমোদনের পর বিএসইসির ওয়েবসাইটে সংক্ষিপ্ত প্রসপেক্টাস প্রকাশের পর ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে আবেদন জমা নেয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করারও প্রস্তাব দেয়া হয়েছিলো। এক্ষেত্রে প্রস্তাব হচ্ছে, এ কার্যক্রম ২৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার সুযোগ দেয়া। পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশীদের (এনআরবি) জন্য স্থানীয় অধিবাসীদের ৫ দিন আগে আবেদন জমা নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। যাতে কাট অব ডেট অভিন্ন থাকে। এতে একই দিনে প্রবাসী ও স্থানীয় অধিবাসীদের আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ হবে। ফলে আইপিও লটারির কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যাবে। এ প্রক্রিয়ায় টাকা বেশি দিন পড়ে থাকবে না। যার কারণে ২৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে সেকেন্ডারি মার্কেটে যে কোনো কোম্পানির লেনদেন চালু করা সম্ভব হবে।

এর আগে গত ২ ডিসেম্বর আইপিও প্রক্রিয়া সহজীকরণে বিএসইসির সঙ্গে বিএমবিএর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এ বিষয়ে কমিশনের কাছে সংশ্লিষ্টদের লিখিত আকারে প্রস্তাব দিতে বলা হলে আজ এ প্রস্তাবটি জমা দেয়া হয়েছে।

শেয়ারনিউজ২৪

মাসের ব্যবধানে বিও বেড়েছে ৪৫ হাজার

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবকে (আইপিও) কেন্দ্র করে অক্টোবর মাসে প্রায় ৪৫ হাজার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট (বিও) বেড়েছে। আইপিওর পাশাপাশি বর্তমানে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় বাজারে শেয়ার দর তলানিতে চলে আসার এ সুযোগ কাজে লাগাতে অনেকে বিও অ্যাকাউন্ট খুলছেন বলে জানা গেছে।

অক্টোবরের শুরুতে বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ২৬ লাখ ৭৪ হাজার ৮২৯টি, যা নভেম্বর মাসের ৩ তারিখে এসে ৪৪ হাজার ৭৭৩টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখ ১৯ হাজার ৬০২টি।

মোট ২৭ লাখ ১৯ হাজার ৬০২টি বিও অ্যাকাউন্টের মধ্যে ২০ লাখ ১৬ হাজার ১০২টি পুরুষ, ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৮৬৭টি নারী এবং ৯ হাজার ৬৩৩টি কোম্পানি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। বর্তমানে দেশে থাকা নাগরিকদের বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ২৫ লাখ ৬৯ হাজার ৮৫৯টি এবং প্রবাসীদের (এনআরবি) ১ লাখ ৪০ হাজার ১১০টি।

জুলাই মাসে নবায়নকে কেন্দ্র করে একসাথে অনেক বিও ঝরে পড়লেও এখন পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়া বর্তমানে যে হারে বিনিয়োগকারীরা বিও অ্যাকাউন্ট খুলছেন, তাতে করে ঝরেপড়ার চেয়ে নতুন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা অনেকাংশে বেশি হবে জানা গেছে।

বাজারের নেতিবাচকতা ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় বর্তমানে অনেক কোম্পানির শেয়ার দর তুলনামূলক তলানিতে। তাছাড়া সামনে যদি রাজনৈতিক পরিবেশ আরো খারাপ হয়, তাহলে শেয়ার দরে আরো পতন হবে বলে অনেকে বিশ্বাস করেন। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মুনাফা উত্তোলনের আশায় অনেকে বিও খুলতে শুরু করেছেন।

শেয়ারনিউজ২৪

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের আইপিও আবেদন শুরু ১ সেপ্টেম্বর

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেডের প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে গ্রহণ করা হবে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির আইপিও আবেদন ১ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ৫ সেপ্টেম্বর। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড শেয়ারবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে মোট ৮৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ টাকা। অর্থাৎ প্রতিটি ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর শেয়ারে ১৮ টাকা প্রিমিয়াম নেবে কোম্পানিটি। এছাড়া মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০টি শেয়ারে।

আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির ব্যাংক ঋণ এবং আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় করা হবে।

৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থ বছরের হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৪৭ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৮.৩১ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড

শেয়ারনিউজ২৪