Tag Archives: IPO Lottery

জিপিএইচ ইস্পাতের দুই কোটি শেয়ার বিতরণ লটারির মাধ্যমে

দেশের অন্যতম বৃহৎ ইস্পাত প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের আইপিও লটারি ড্র অনুষ্ঠান গতকাল চট্টগ্রামের ‘দ্য কিং অব চিটাগাং’-এ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইপিওতে ৬০ কোটি টাকার শেয়ার সাবস্ক্রিপশনের বিপরীতে ১৪৯ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়ে। সাধারণ আবেদনকারীদের মধ্যে মোট শেয়ারের এক কোটি ৬০ লাখ শেয়ার, প্রবাসী আবেদনকারীদের ২০ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে ২০ লাখ শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়।
লটারি অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন। লটারি অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ব্যুরো অব রিসার্চ, টেস্টিং অ্যান্ড কনসালটেশন (বিআরটিসি)।

সূত্র: কালের কণ্ঠ, ৮ মার্চ ২০১২

জিপিএইচ ইস্পাতের আইপিও লটারির ড্র ৭ মার্চ

জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল। চট্টগ্রামের দ্য কিং অব চিটাগাং কমিউনিটি সেন্টারে এ ড্র অনুষ্ঠিত হবে। জিপিএইচ ইস্পাত ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ৬০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।
কোম্পানি ইস্যু ব্যবস্থাপক সূত্রে জানা যায়, জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের আইপিওতে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৪৯ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানির ৬০ কোটি টাকার শেয়ারের বিপরীতে ১৪৯ কোটি ৩৬ লাখ ২৫ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়ে।
১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৩০ টাকা নেয়া হয়েছে। ৫০০ শেয়ারের প্রতি লটের জন্য ১৫ হাজার টাকা জমা দিতে হয়েছে। সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩ টাকা ৬৬ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১২ টাকা ২৩ পয়সা।
জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৭০ কোটি টাকা। আইপিও প্রক্রিয়াশেষে পরিশোধিত মূলধন ৯০ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহিত বেশিরভাগ অর্থ কোম্পানির ঋণ পরিশোধে ব্যয় হবে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য ট্রিপল এ কনসালট্যান্ট লিমিটেড এ কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।
সর্বমোট ৪০ হাজার আবেদনকারী জিপিএইচ ইস্পাতের শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এর মধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ বা ৩২ হাজার লট। মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য সংরক্ষিত ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট। এ ছাড়া প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার সংরক্ষিত রয়েছে।
কোম্পানির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কোটায় ৮২ কোটি ৮০ লাখ ৬০ হাজার টাকা, প্রবাসী কোটায় ৭ কোটি ৬৭ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং মিউচুয়াল ফান্ড কোটায় ৫৮ কোটি ৮৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে।
প্রসঙ্গত, আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ২ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়।

সূত্র: বণিক বার্তা, মার্চ ৬, ২০১২

জিএসপি ফাইন্যান্সের আইপিও লটারি আজ

আবেদনকারীদের মধ্যে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আজ (বৃহস্পতিবার) জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারি অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মিলনায়তনে লটারির আয়োজন করা হয়েছে। কোম্পানির আইপিওতে নির্ধারিত শেয়ারের তুলনায় ৯.৭৭ গুণের বেশি আবেদন জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।
জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে মোট ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। এর বিপরীতে কোম্পানির আইপিওতে মোট ৪৮৮ কোটি ৬১ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। আবেদনকারীদের মধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা ৩৫৩ কোটি ৩২ লাখ ২৫ হাজার টাকা, প্রবাসী বাংলাদেশীরা ১৫ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো ১২০ কোটি ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার আবেদন জমা দিয়েছে।
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ১ নবেম্বর জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন লাভ করে। জিএসপি ফাইন্যান্সের আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ৮ থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এই কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।
জিএসপি ফাইন্যান্সের বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ২১ কোটি ৫৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী এই কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৭৫ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ২৫ টাকা ৬১ পয়সা।
আইপিওর জন্য কোম্পানির আন্ডাররাইটার হিসেবে কাজ করছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, এমটিবি ক্যাপিটাল, দি সিটি ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১২

১৯ অক্টোবর জাহিনটেক্স আইপিও লটারি

আবেদনকারীদের মধ্যে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আগামী ১৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারি অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানির আইপিওতে নির্ধারিত শেয়ারের তুলনায় ১৭ গুণের বেশি আবেদন জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।
জাহিনটেঙ্রে শেয়ার বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, আগামী ১৯ অক্টোবর আইপিও লটারির আয়োজনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানের জন্য বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র বরাদ্দ পাওয়া গেলে ওইদিনই লটারি অনুষ্ঠিত হবে।
জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। ৫০০ শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারিত হওয়ায় সর্বমোট ৪০ হাজার আবেদনকারী জাহিনটেঙ্রে শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এরমধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ বা ৩২ হাজার লট শেয়ার। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার। এই দুই ক্যাটাগরির জন্য নির্ধারিত ৩৬ হাজার লট শেয়ারের বিপরীতে ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৪৯০টি আবেদন জমা পড়েছে। এরসঙ্গে অর্থ জমা হয়েছে ৭৭৪ কোটি ১৩ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা।
অন্যদিকে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জাহিনটেক্সে আইপিওতে ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার সংরৰিত রয়েছে। এর বিপরীতে প্রবাসীরা প্রায় ১৭ হাজার বা ৫ গুণ আবেদন জমা দিয়েছেন। এই ক্যাটাগরিতে জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ প্রায় ২১ কোটি টাকা।
কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকা নেয়া হয়েছে। ফলে ৫০০ শেয়ারের প্রতি লটের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে ১২ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিতে হয়েছে। আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ১৮ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ১ অক্টোবর পর্যনত্ম প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়েছে।
জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজ আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ৩ আগস্ট সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) অনুমোদন লাভ করে। আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।
জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ২৫ কোটি টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর পরিশোধিত মূলধন ৪৫ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ৪০ কোটি টাকা, চলতি মূলধন হিসেবে ৯ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং আইপিও প্রক্রিয়া ও প্রিমিয়ামের ওপর আরোপিত কর বাবদ ৯০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ৪৬ টাকা ১ পয়সা। ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যনত্ম অর্ধ-বার্ষিক হিসেবে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৩ টাকা ৫ পয়সা। এর ভিত্তিতে বার্ষিক হিসেবে ইপিএস ধরা হয়েছে ৬ টাকা ৯ পয়সা।
Source: The Daily Janakantha, October 11, 2011