Tag Archives: GSP Finance

জিএসপি ফিন্যান্সের আইপিও ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে

বিডিআইপিও-তে জিএসপি ফিন্যান্সের আইপিও ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
সহজে ও স্বল্প সময়ে ফলাফল জানবার জন্য  ক্লিক করুন  http://www.bdipo.com/companies/36/results/search.

সূত্র: নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিআইপিও.কম

জিএসপি ফাইন্যান্সের আইপিও লটারি আজ

আবেদনকারীদের মধ্যে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আজ (বৃহস্পতিবার) জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারি অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মিলনায়তনে লটারির আয়োজন করা হয়েছে। কোম্পানির আইপিওতে নির্ধারিত শেয়ারের তুলনায় ৯.৭৭ গুণের বেশি আবেদন জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।
জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে মোট ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। এর বিপরীতে কোম্পানির আইপিওতে মোট ৪৮৮ কোটি ৬১ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। আবেদনকারীদের মধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা ৩৫৩ কোটি ৩২ লাখ ২৫ হাজার টাকা, প্রবাসী বাংলাদেশীরা ১৫ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো ১২০ কোটি ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার আবেদন জমা দিয়েছে।
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ১ নবেম্বর জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন লাভ করে। জিএসপি ফাইন্যান্সের আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ৮ থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এই কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।
জিএসপি ফাইন্যান্সের বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ২১ কোটি ৫৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী এই কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৭৫ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ২৫ টাকা ৬১ পয়সা।
আইপিওর জন্য কোম্পানির আন্ডাররাইটার হিসেবে কাজ করছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, এমটিবি ক্যাপিটাল, দি সিটি ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১২

পদ্মা লাইফের আইপিওতে ৪৮ গুণ আবেদন, জিএসপি ফাইন্যান্সে ৯.৭৭ গুণ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির শেয়ার বরাদ্দ পাওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীরা মোট ৮লাখ ৯৭ হাজার ৭৪৮টি আবেদন করেছেন। এসব আবেদনের সঙ্গে ৫৭৮ কোটি ৪৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকা জমা পড়েছেÑ যা কোম্পানির আইপিও মূল্যের চেয়ে প্রায় ৪৮ গুণ বেশি। কোম্পানির পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে এই পরিসংখ্যান দেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডের আইপিও আবেদনের চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানির আইপিওতে নির্ধারিত শেয়ারের তুলনায় ৯.৭৭ গুণ আবেদন জমা পড়েছে।
পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি পুঁজিবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে কোম্পানি মোট ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। এরমধ্যে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ লাখ এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য ১২ লাখ শেয়ার বরাদ্দ করা হবে। বাকি ৯৬ লাখ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দ দেয়া হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারী ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোটায় শেয়ারের জন্য সর্বমোট ৮ লাখ ৬১ হাজার ২০৮টি আবেদন জমা পড়েছে। এই দুই ক্যাটাগরিতে জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ ৫৫৯ কোটি ৬৮ লাখ ৪৫ হাজার। আর প্রবাসী বাংলাদেশীরা মোট ৩৬ হাজার ৫৪০টি আবেদনের সঙ্গে ১৮ কোটি ৭৭ লাখ টাকা জমা দিয়েছেন। তিন ক্যাটাগরি মিলিয়ে আবেদনকারীদের মধ্যে মাত্র ২৪ হাজার ব্যক্তি এই কোম্পানির শেয়ার বরাদ্দ পাবেন।
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স গত ২২ নবেম্বর সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন লাভ করে। কোম্পানির বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১৮ কোটি টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া শেষে পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। বীমা আইন ২০১০ অনুযায়ী পরিশোধিত মূলধনের শর্ত পূরণের লক্ষ্যে কোম্পানি শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড এই কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।
জিএসপি ফাইন্যান্স চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডের শেয়ার বরাদ্দ পাওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীরা মোট ৪৮৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা জমা দিয়েছেন। কোম্পানি ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। সেই হিসাবে নির্ধারিত শেয়ারের তুলনায় ৯.৭৭ গুণ আবেদন জমা পড়েছে।
আবেদনকারীদের মধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা ৩৫৩ কোটি ৩২ লাখ ২৫ হাজার টাকা, প্রবাসী বাংলাদেশীরা ১৫ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো ১২০ কোটি ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার আবেদন জমা দিয়েছে।
জিএসপি ফাইন্যান্সের আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ৮ থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়।
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ১ নবেম্বর জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন লাভ করে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এই কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে। জিএসপি ফাইন্যান্সের বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ২১ কোটি ৫৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী এই কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৭৫ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ২৫ টাকা ৬১ পয়সা।
আইপিওর জন্য কোম্পানির আন্ডাররাইটার হিসেবে কাজ করছেÑ আইডিএলসি ফাইন্যান্স, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, এমটিবি ক্যাপিটাল, দি সিটি ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০১২

জিএসপি ফাইন্যান্সের আইপিওতে ৩ লাখ ২১ হাজার আবেদন

জমা পড়েছে ৪৮৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা
প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডের শেয়ার বরাদ্দ পাওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীরা মোট ৩ লাখ ২১ হাজার ৬৪৫টি আবেদন করেছেন। এসব আবেদনপত্রের সঙ্গে ৪৮৪ কোটি ২৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা জমা পড়েছে_ যা কোম্পানির আইপিও মূল্যের চেয়ে প্রায় ৯ গুণ বেশি। কোম্পানির পৰ থেকে প্রাথমিকভাবে এই পরিসংখ্যান দেয়া হয়েছে।
জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকা নেয়া হচ্ছে। ফলে ৫০০ শেয়ারের প্রতি লটের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে ১২ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিতে হয়েছে। আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ৮ থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যনত্ম স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ২১ জানুয়ারি পর্যনত্ম প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়েছে।
৫০০ শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারিত হওয়ায় সর্বমোট ৪০ হাজার আবেদনকারী জিএসপি ফাইন্যান্সের শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এরমধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ বা ৩২ হাজার লট শেয়ার। মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য সংরৰিত রয়েছে ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার। এই দুই ক্যাটাগরির জন্য নির্ধারিত ৩৬ হাজার লট শেয়ারের বিপরীতে ৩ লাখ ১২ হাজার ৮৮৭টি আবেদন জমা পড়েছে। এরসঙ্গে অর্থ জমা হয়েছে ৪৭৩ কোটি ৩৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা_ যা নির্ধারিত লৰ্যমাত্রার ৯.৮৬ গুণ।
অন্যদিকে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য জিএসপি ফাইন্যান্সের আইপিওতে ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার সংরৰিত রয়েছে। এর বিপরীতে প্রবাসীরা গত ১৮ জানুয়ারি পর্যনত্ম মোট ৮ হাজার ৭৬৭টি আবেদন জমা দিয়েছেন। এই ক্যাটাগরিতে জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ ১০ কোটি ৯৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা_ যা নির্ধারিত লৰ্যমাত্রার ১০.৯৫ গুণ।
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ১ নবেম্বর জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন লাভ করে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।
জিএসপি ফাইন্যান্সের বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ২১ কোটি ৫৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী এই কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৭৫ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যনত্ম কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ২৫ টাকা ৬১ পয়সা।
আইপিওর জন্য কোম্পানির আন্ডাররাইটার হিসেবে কাজ করছে_ আইডিএলসি ফাইন্যান্স, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, এমটিবি ক্যাপিটাল, দি সিটি ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক।

সূত্র:দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৩ জানুয়ারী ২০১২

জিএসপি ফাইন্যান্সের আবেদন ৮ই জানুয়ারি

জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ৮ই জানুয়ারি থেকে। স্থানীয় অধিবাসীদের কাছ থেকে আগামী ৮ই জানুয়ারি থেকে এর আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হবে ১২ই জানুয়ারি এবং প্রবাসীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ওই দিন থেকে আগামী ২১শে জানুয়ারি পর্যন্ত। ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর এ কোম্পানির মার্কেট লট ৫০০টি শেয়ারে। কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা। কোম্পানিটির আইপিও পূর্ববর্তী পরিশোধিত মূলধন ছিল ২৭ কোটি ৬৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং আইপিও পরবর্তী পরিশোধিত মূলধন দাঁড়াবে ৪৭ কোটি ৬৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ ক্ষেত্রে ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের দর ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রতি লটের জন্য বিনিয়োগকারীদের ১২,৫০০ টাকা দিতে হবে। প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপক আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। এছাড়া কোম্পানিটি সর্বশেষ ৩১শে ডিসেম্বর ২০১০ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৭৫ টাকা এবং
শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে (এনএভি) ২৫.৬১ টাকা। কোম্পানিটি বাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে তারল্য বৃদ্ধি, ব্যবসা সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়ানো হবে। জানা যায়, কোম্পানিটির আবেদনের প্রেক্ষিতে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি গত ১লা নভেম্বর এর আইপিও’র অনুমোদন দেয়।

সূত্র: দৈনিক মানবজমিন, ০৪ জানুয়ারী ২০১২

৮ জানুয়ারি থেকে জিএসপি ফাইন্যান্সের আইপিও আবেদন

প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র গ্রহণ করবে জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড। আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা আগামী ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। প্রবাসী বাংলাদেশী (এনআরবি) বিনিয়োগকারীদের ১৯ জানুয়ারির মধ্যে কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আবেদনপত্র পৌঁছাতে হবে।
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ১ নবেম্বর জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন লাভ করে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে জিএসপি ফাইন্যান্স মোট ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। আইপিও মাধ্যমে বিক্রির জন্য কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।
জানা গেছে, জিএসপি ফাইন্যান্সের বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ২১ কোটি ৫৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী এই কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৭৫ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ২৫ টাকা ৬১ পয়সা।
আইপিওর জন্য কোম্পানির আন্ডাররাইটার হিসেবে কাজ করছে_ আইডিএলসি ফাইন্যান্স, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, এমটিবি ক্যাপিটাল, দি সিটি ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক।

সূত্র: দৈনিক জনকন্ঠ, নভেম্বর ৩০, ২০১১

Revised rights issue rule approved, GSP Finance to go public

The securities regulator has approved the revised rights issue rule, incorporating some provisions, including the mandatory condition of having profits in preceding three years for issuing rights with premium, officials said.

The Securities and Exchange Commission (SEC) has also approved the IPO (initial public offering) of GSP Finance Company and the trust deed of Tk 10 billion UCB Infrastructure Fund.

The approvals came Tuesday at a commission meeting, chaired by the SEC Chairman Professor M Khairul Hossain.

As per the regulatory approval, a company must have profits in preceding three years if intends to issue rights with premium.

The due diligence reports by company directors will also have to be submitted to the SEC.

The other mandatory provisions in issuing rights includes the publication of company’s right offer documents on the website of company and the SEC as well.

According to SEC’s approval, the GSP Finance Company will offload 20 million ordinary shares of Tk 25 each, including a premium of Tk 15 for ten taka shares.

The company’s net asset value (NAV) and earning per share (EPS) are Tk 25.61 and Tk 1.75 respectively as of December, 2010.

ICB Capital Management is working as the issue manager of GSP Finance.

The SEC also approved the trust deed of UCB Infrastructure Fund, which will go public with a size of Tk 10 billion.

Among the total size of the fund, Tk 3.50 billion will be collected through private placement, Tk 3.45 billion from non-resident Bangladeshis, Tk 550 million from mutual funds and Tk 1.50 billion from general investors.

Alif Asset Management Company has been appointed the fund manager of this closed-end mutual fund.

Source: The Financial Express, November 2, 2011