Tag Archives: Facebook

আজ শাহজিবাজারের লেনদেন শুরু

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানি খাতের কোম্পানি শাহজিবাজার পাওয়ার লিমিটেডের লেনদেন শুরু মঙ্গলবার থেকে। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু হবে শাহজিবাজারের। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানির ট্রেডিং কোড হবে- ‘SPCL’ এবং কোম্পানি কোড ‘১৫৩১৭’। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, শাহজিবাজারের লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে বুধবার।

গত ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের আইপিও অনুমোদন দেয়।

কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। এর বিপরীতে তারা ১ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার ছেড়েছিল। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ছিল ২৫ টাকা। ২০০ শেয়ারে মার্কেট লট। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করবে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩২ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি সম্পদ বা এনএভি ২৪ টাকা ৫৮ পয়সা।

গত ৩১ মার্চ ২০১৪ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ-২০১৪) শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে মোট ১৭ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫০ টাকা।

অন্যদিকে গত বছর একই সময় কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছিল মোট ৯ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০ দশমিক ৭৯ টাকা।

সুতরাং চলতি অর্থবছরের অর্ধবার্ষিকীতে শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ৮ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা গত অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

অন্যদিকে গত ৯ মাসে (জুলাই-২০১৩ থেকে মার্চ-২০১৪) এ কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ দশমিক ৫৪ টাকা।

গত বছর একই সময়ের মধ্যে কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছিল ২২ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছিল ১ দশমিক ৯৫ টাকা। –

আজ শাহজিবাজারের লেনদেন শুরু

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানি খাতের কোম্পানি শাহজিবাজার পাওয়ার লিমিটেডের লেনদেন শুরু মঙ্গলবার থেকে। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু হবে শাহজিবাজারের। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানির ট্রেডিং কোড হবে- ‘SPCL’ এবং কোম্পানি কোড ‘১৫৩১৭’। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, শাহজিবাজারের লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে বুধবার।

গত ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের আইপিও অনুমোদন দেয়।

কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। এর বিপরীতে তারা ১ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার ছেড়েছিল। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ছিল ২৫ টাকা। ২০০ শেয়ারে মার্কেট লট। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করবে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩২ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি সম্পদ বা এনএভি ২৪ টাকা ৫৮ পয়সা।

গত ৩১ মার্চ ২০১৪ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ-২০১৪) শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে মোট ১৭ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫০ টাকা।

অন্যদিকে গত বছর একই সময় কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছিল মোট ৯ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০ দশমিক ৭৯ টাকা।

সুতরাং চলতি অর্থবছরের অর্ধবার্ষিকীতে শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ৮ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা গত অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

অন্যদিকে গত ৯ মাসে (জুলাই-২০১৩ থেকে মার্চ-২০১৪) এ কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ দশমিক ৫৪ টাকা।

গত বছর একই সময়ের মধ্যে কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছিল ২২ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছিল ১ দশমিক ৯৫ টাকা। 

 

আগামীকাল তুং হাই নিটিংয়ের লটারির ড্র

আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার জন্য আগামীকাল ১৯ জুন, বৃহস্পতিবার তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, কোম্পানিটির আইপিও লটারির ড্র আগামীকাল সকাল সাড়ে ১০টায়, রাজধানীর রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে কোম্পানিটির আইপিওতে ১৮ থেকে ২২ মে পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। আর প্রবাসিদের জন্য এ সুযোগ ছিলো ৩১ মে পর্যন্ত। কোম্পানিটির আইপিওতে মোট ৮৭০ কোটি ১ লাখ ২৪ হাজার ৯৭৫ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৫৪৩ কোটি ৯৩ লাখ ৭৪ হাজার ৯৭৫ টাকার, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৬২ কোটি ০৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার, প্রবাসি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৩৬ কোটি ৪১ লাখ ৭০ হাজার টাকার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২২৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটির আইপিওতে জমাকৃত টাকা উত্তোলিত টাকার চেয়ে ২৩.৮৬ গুণ বেশি।

তু হাই নিটিং শেয়ারবাজার থেকে ৩৫ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য ৩ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়েছে। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা, ৫০০টি শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি চলতি মূলধন, মেশিনারিজ ক্রয়, ব্যাংকের টার্ম ঋণ এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

৩১ ডিসেম্বর ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক হিসাব অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৫.১১ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং সহ-ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড।

এর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫১০ তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন করা হয়। 

 

শেয়ারনিউজ২৪

মাসের ব্যবধানে বিও বেড়েছে ৪৫ হাজার

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবকে (আইপিও) কেন্দ্র করে অক্টোবর মাসে প্রায় ৪৫ হাজার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট (বিও) বেড়েছে। আইপিওর পাশাপাশি বর্তমানে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় বাজারে শেয়ার দর তলানিতে চলে আসার এ সুযোগ কাজে লাগাতে অনেকে বিও অ্যাকাউন্ট খুলছেন বলে জানা গেছে।

অক্টোবরের শুরুতে বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ২৬ লাখ ৭৪ হাজার ৮২৯টি, যা নভেম্বর মাসের ৩ তারিখে এসে ৪৪ হাজার ৭৭৩টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখ ১৯ হাজার ৬০২টি।

মোট ২৭ লাখ ১৯ হাজার ৬০২টি বিও অ্যাকাউন্টের মধ্যে ২০ লাখ ১৬ হাজার ১০২টি পুরুষ, ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৮৬৭টি নারী এবং ৯ হাজার ৬৩৩টি কোম্পানি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। বর্তমানে দেশে থাকা নাগরিকদের বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ২৫ লাখ ৬৯ হাজার ৮৫৯টি এবং প্রবাসীদের (এনআরবি) ১ লাখ ৪০ হাজার ১১০টি।

জুলাই মাসে নবায়নকে কেন্দ্র করে একসাথে অনেক বিও ঝরে পড়লেও এখন পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়া বর্তমানে যে হারে বিনিয়োগকারীরা বিও অ্যাকাউন্ট খুলছেন, তাতে করে ঝরেপড়ার চেয়ে নতুন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা অনেকাংশে বেশি হবে জানা গেছে।

বাজারের নেতিবাচকতা ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় বর্তমানে অনেক কোম্পানির শেয়ার দর তুলনামূলক তলানিতে। তাছাড়া সামনে যদি রাজনৈতিক পরিবেশ আরো খারাপ হয়, তাহলে শেয়ার দরে আরো পতন হবে বলে অনেকে বিশ্বাস করেন। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মুনাফা উত্তোলনের আশায় অনেকে বিও খুলতে শুরু করেছেন।

শেয়ারনিউজ২৪

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের আইপিও আবেদন শুরু ১ সেপ্টেম্বর

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেডের প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে গ্রহণ করা হবে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির আইপিও আবেদন ১ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ৫ সেপ্টেম্বর। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড শেয়ারবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে মোট ৮৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ টাকা। অর্থাৎ প্রতিটি ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর শেয়ারে ১৮ টাকা প্রিমিয়াম নেবে কোম্পানিটি। এছাড়া মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০টি শেয়ারে।

আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির ব্যাংক ঋণ এবং আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় করা হবে।

৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থ বছরের হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৪৭ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৮.৩১ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড

শেয়ারনিউজ২৪

আবেদন জমা ৪৬গুণ বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের আইপিও লটারি আজ

শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার জন্য প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারী বিনিয়োগকারী বাছাই করতে বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড লটারি আজ ২২ আগষ্ট, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। এ দিন সকাল ১০টায়, রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনষ্টিটিউ, রমনা, ঢাকাতে লাটারি অনুষ্ঠিত হবে।

এ কোম্পানিতে টাকার অংকে ৪৫.৯৫ গুন আবেদন জমা পড়েছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ১৪ কোটি টাকা বিপরীতে ৬৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারী কোটায় ৪৩৪ কোটি ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার, ক্ষতিগ্রস্ত কোটায় ৫৩ কোটি ৭৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার এনআরবি কোটায় ২৭ কোটি ২৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোটায় ১২৮ কোটি ২০ লাখর আবেদন জমা পড়েছে। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত ২১ জুলাই থেকে ২৫ জুলাই আইপিও আবেদন জমা নেয়া হয়। প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ৩ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন জমা দেয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

জানা যায়, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড শেয়ারবাজারে ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে মোট ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। অর্থাৎ কোনো প্রিমিয়াম নেয়া হচ্ছে না। এ প্রতিষ্ঠানটির ৫০০টি শেয়ারে একলট নির্ধারণ করা হয়েছে।

৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থ বছরের হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৫৮ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৩.০৭ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

সংগৃহীত অর্থে কোম্পানির ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করা হবে

শেয়ারনিউজ২৪

নতুন কোম্পানি অনুমোদনের ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে লেনদেন সম্ভব

তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাবার পর মাত্র ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কোম্পানির শেয়ার লেনদেনযোগ্য করা সম্ভব বলে মনে করে ইস্যু ম্যানেজার কোম্পানিগুলো। শুধুমাত্র কোম্পানির চাঁদা গ্রহণের প্রক্রিয়া পরিবর্তনের মাধ্যমেই এটি করা যাবে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) পদক্ষেপ নিতে হবে।

ইস্যু ম্যানেজার কোম্পানিগুলোর মতে, মার্চেন্ট ব্যাংক এবং ব্রোকারেজ হাউজের ডিপি’র মাধ্যমে আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া চালু করা হলে তালিকাভুক্তির সময়কাল কমে আসবে। এতে আবেদনে ইচ্ছুক বিনিয়োগকারীদের অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি আবেদন করবে সংশ্লিষ্ট হাউজগুলো। আর এ প্রক্রিয়ায় মাত্র ৩ কার্যদিবসের মধ্যে সকল আবেদন গ্রহণ করতে সক্ষম হবে।

আবেদন গ্রহণের পর, মাত্র ২ দিনের মধ্যেই কোম্পানির কাছে এ আবেদন হস্তান্তর করা সম্ভব হবে। সকল আবেদন গ্রহণ কোম্পানি ২ কার্যদিবসে সম্পন্ন করতে পারবে। পরবর্তিতে যেভাবে লটারী হয় সেভাবেই লটারির মাধ্যমে আইপিও বিজয়ী বাছাই করা হবে। যারা বিজয়ী হবেন তাদের অ্যাকাউন্টে শেয়ার এবং যারা অ্যালটমেন্ট পাবেন না তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ফেরৎ দেয়া যেতে পারে। আর যারা অ্যালটমেন্ট পাবেন না তাদের টাকা ফেরৎ দেয়ার ঝামেলাও থাকবেনা। কারণ আবেদন গ্রহণের সময় সব বিনিয়োগকারীর বিষয়ে একটি ডাটা তৈরি হয়ে যাচ্ছে। নতুন করে তা করার প্রয়োজন নেই।

এটি বাস্তবায়ন করা গেলে প্রক্রিয়াটি আরো স্বচ্ছ হবে বলে মনে করেন অধিকাংশ ইস্যু ম্যানেজার প্রতিষ্ঠান। আর এ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে ১৫ কার্যদিবসেরও সময় কম লাগবে। অর্থাৎ সাবসক্রিপশন ডেটের পর ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে একটি কোম্পানির লেনদেন শুরু করা সম্ভব হবে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি এবং এএএ মার্চেন্ট ব্যাংকের পরিচালক মোহাম্মাদ এ হাফিজ বলেন, এমনিতেই একটি কোম্পানির তালিকভুক্তির ইস্যু নিয়ে কাজ করতে অনেক সময় লাগে। তবে সেদিকে আমাদের (ইস্যু ম্যানেজারদের) কোনো আপত্তি নেই। কারণ, এটি অত্যন্ত জটিল বিষয়, তাই বিএসইসি সময় নিতেই পারে।

কিন্তু একটি কোম্পানির তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাবার পর লেনদেনে আসতে যদি ৩ মাস সময় লাগে, সেটি দুঃখজনক। তাই ডিপি’র মাধ্যমে আইপিও আবেদন অনুমোদনের মাধ্যমে সময় কমিয়ে আনা সম্ভব হলে কমিশনের তা করা প্রয়োজন। এতে বিনিয়োগকারী এবং ইস্যু ম্যানেজার উভয়ের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ গৃহীত হবে।

আরেক মার্চেন্ট ব্যাংক কর্মকর্তা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, বিএসইসি’র কাছে এ ধরনের আবেদনের পর তারা উল্টো মার্চেন্ট ব্যাংক- ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে দোষারোপ করেছে। বিএসইসি’র একাধিক কর্মকর্তার মতে, মার্চেন্ট ব্যাংক বা ব্রোকারেজ হাউজের মধ্যে আবেদন করা হলে প্রতিষ্ঠানগুলো আবেদনের টাকা নিয়ে ঝামেলা করতে পারে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাজার হাজার কোটি টাকা এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে থাকে। কখনোই গ্রাহকের টাকা নিয়ে দুর্নীতি করেছে এমন অভিযোগ এসব প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে পাওয়া যায়নি। অথচ ব্যাংক গ্রাহকের টাকা নিয়ে অনিয়ম করার খবর মাঝে মধ্যেই শোনা যায়। তারপরও মার্চেন্ট ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউজের তুলনায় কমিশনের ব্যাংকের ওপর আস্থা বেশি। বিষয়টি একইসঙ্গে রহস্য এবং দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে আবেদনের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি চালু হলে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তাদের মতে, বুক বিল্ডিং প্রক্রিয়ার তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে ব্রোকারেজ হাউজগুলো বিনিয়োগকারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। এর ফলে অনেক কোম্পানির শেয়ার দরের সঙ্গে জাস্টিফাইড প্রিমিয়াম আবেদন করা হলেও তা শঙ্কার মুখে পড়তে পারে। তবে বিএসইসি চাইলে এ সমস্যার সমাধানও সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ারনিউজ২৪

সোনালী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড বুধবার থেকে লেনদেন শুরু

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন আগামীকাল ১২ জুন, বুধবার থেকে শুরু হবে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ইতিমধ্যে এ ফান্ডের আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দেশের উভয় শেয়ারবাজারে এর ইউনিট লেনদেন শুরু হবে। লেনদেনের শুরুতে এ ফান্ডের ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছে ‘এ’,। এর ডিএসই ট্রেডিং কোড “ওঈইঝঙঘঅখও১” এবং কোম্পানি কোড হচ্ছে ১২১৯৩। আর সিএসইতে কোম্পানির কোড ২১০৪২।

গত ২১ মে ফান্ডটির আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে গত ২১ এপ্রিল থেকে এ ফান্ডের আইপিও আবেদন জমা নেয়া শুরু হয় এবং স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ শেষ হয় ২৫ এপ্রিল। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা আবেদন জমা দেয়ার সুযোগ পান ৪ মে পর্যন্ত।

আইপিওর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজারে ১০ কোটি ইউনিট ছেড়ে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এজন্য প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি ইউনিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা এবং মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০টি ইউনিটে।

১০ বছর মেয়াদী ফান্ডটির এসেট ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি এসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।

ফান্ডটির উদ্যোক্তা সোনালী ব্যাংক এবং ট্রাস্টি হচ্ছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

শেয়ারনিউজ২৪

অমনিবাস ও আইপিও’র প্রভাব এপ্রিলে বিও বেড়েছে ১৭ হাজার

এপ্রিল মাসজুড়ে পুঁজিবাজার পতনের মধ্যে থাকলেও বেনিফিশিয়ারি ওনার্স একাউন্ট (বিও) বেড়েছে। মার্চ মাসের তুলনায় এপ্রিলে প্রায় ১৭ হাজার বিও বৃদ্ধি পেয়েছে। অমনিবাসের নন-ডিসক্রিশনারী একাউন্টগুলো ধীরে ধীরে পৃথক বিওতে রূপান্তর হওয়ায় বিও সংখ্যা বেড়েছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে বিভিন্ন কোম্পানির প্রাথমিক গণ প্রস্তাবকে (আইপিও) কেন্দ্র করেও বিও বেড়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।

এপ্রিল মাসের ৫ তারিখে বিও একাউন্ট ছিল ২৬ লাখ ৫৪ হাজার ৩৭৫টি। যা ১৯ কার্যদিবস শেষে ১৭ হাজার ১৬টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ লাখ ৭১ হাজার ৩৯১টিতে। সিডিবিএল সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

মার্চের ১৮ কার্যদিবসে গড়ে সাড়ে ৩ হাজার করে প্রায় ৭০ হাজার বিও বেড়েছে। ওই সময় অমনিবাসকে পৃথক বিওতে রূপান্তরের কারণে সংখ্যা বৃদ্ধি পায় বলে জানা যায়। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

মোট ২৬ লাখ ৭১ হাজার ৩৯১টি বিও’র মধ্যে ১৯ লাখ ৯১ হাজার ৭৭৩টি পুরুষ, ৬ লাখ ৭০ হাজার ৭৯টি মহিলা এবং ৯ হাজার ৫৩৯টি কোম্পানি একাউন্ট রয়েছে। বর্তমানে দেশের মধ্যে থাকা নাগরিকের বিও ২৫ লাখ ২২ হাজার ২০৩টি ও প্রবাসীদের ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৪৯টি বিও একাউন্ট রয়েছে।

বর্তমানে অধিকাংশ শেয়ারের দর যে অবস্থায় রয়েছে তাতে কম দরে শেয়ার ক্রয়ের জন্য অনেকে বিও খুলছেন বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তবে বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজমান না থাকলে বিও আরো বাড়তো বলে মনে করেন তারা। এছাড়া প্রাইমারী মার্কেটে মুনাফা নিশ্চিত হওয়ার কারণে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা এদিকে ঝুঁকছেন বলে জানা গেছে।

গত এক বছরের মধ্যে ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে সর্বোচ্চ বিও ছিল। সে সময় বিও সংখ্যা ছিল ২৮ লাখ ১৯ হাজার ৮২২টি। এরপর থেকে বিও ক্রমান্বয়ে কমতে কমতে সর্বনিম্ন হয় সেপ্টম্বর মাসে ২৩ লাখ ৮০ হাজার ৫৩৫টি। এপ্রিল মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত মূলত: কমতে থাকে বিও নবায়ন না করাকে কেন্দ্র করে। সবচেয়ে বেশি প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার বিও কমে জুলাই মাসে। তবে সেপ্টেম্বর মাসের পরে থেকে আবার ক্রমান্বয়ে বিও বাড়তে শুরু করে। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ারনিউজ২৪