Tag Archives: DSE

ঋণগ্রস্ত কোম্পানি শেয়ারবাজারের জন্য বোঝা

আইপিওর মাধ্যমে ঋণগ্রস্ত কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া বাড়তি বোঝা বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বাজারে শেয়ার জোগানের সাথে চাহিদার সামঞ্জস্যতা থাকা প্রয়োজন; কিন্তু মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানিকে আইপিওর মাধ্যমে বাজারে আনা না গেলে ওইসব ঋণগ্রস্ত কোম্পানি বাজার এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। এ অবস্থায় সাম্প্রতিক সময়ে যেসব কোম্পানিকে আইপিওর মাধ্যমে ঋণ পরিশোধ এবং কোনো কোনো কোম্পানিকে অযৌক্তিক প্রিমিয়াম দেয়া হচ্ছে, তা ভবিষ্যতে বাজারকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে পারে। তাই আর কোনো ঋণগ্রস্ত কোম্পানি নয়, মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানি বাজারে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর উদ্যোগ নেয়া উচিত বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, ইনিশিয়াল পাবলিক অফারে (আইপিও) আসা কোম্পানি ঋণগ্রস্ত হয়ে তালিকাভুক্ত হতে আসে। আর এসব ঋণগ্রস্ত কোম্পানিকে ইস্যুয়ার, অডিটর ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস ফার্মের সংশ্লিষ্টরা আর্থিক প্রতিবেদন মোটাতাজা করে ভালো ইপিএস প্রসপেক্টাসে প্রদর্শন করে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে পেশ করে। এরপর তৈরি করা ওই ভালো ইপিএসের দোহাই দিয়ে ভালো প্রিমিয়াম আদায় করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সাথে দরকষাকষি হয়। একপর্যায়ে উভয়ের সম্মতিতে প্রিমিয়াম নির্ধারণ করে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি। এ অবস্থায় ফেস ভ্যালুর সাথে প্রিমিয়াম নেয়ার ক্ষেত্রে ওই কোম্পানি পাঁচ বছরের মধ্যে তাদের পূর্বে প্রেরিত পারফরমেন্স এবং আর্থিক প্রতিবেদন দিনে দিনে রুগ্ণ হয়ে না যায়, সেজন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কোম্পানি ইস্যুয়ার, অডিটর ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস ফার্মের নিশ্চয়তা অপরিহার্য হওয়া উচিত।

বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, শেয়ারবাজারে যেসব কোম্পানি ঋনগ্রস্ত হয়ে বাজারে আসে। সেসব কোম্পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিনিয়োগকারীরা সন্দিহান হয়ে পড়েন। কারণ কোম্পানির সংশ্লিষ্ট অসৎ কর্মকর্তারা এ টাকা নিজেদের মধ্যে আয়েশী জীবন ধারণে ব্যয় বা এফডিআরের মাধ্যমে ব্যবসা করে থাকে। এছাড়া প্রিমিয়াম নেয়া কোম্পানিগুলো তাদের মোট সম্পদকে অনেক বেশি বাড়িয়ে বাজারে আসার পর দুয়েক বছর আর্থিক প্রতিবেদন ভালো দেখানোর পর ধীরে ধীরে রুগ্ণতার দিকে অগ্রসর হয়। কিন্তু কেন কোম্পানি এ ধরনের রুগ্ণতার মুখে পড়ে সে খবর কেউ রাখে না।

কয়েকজন বড় ব্যক্তি বিনিয়োগকারী জানান, গত এক বছরে যেসব কোম্পানি প্রিমিয়ামসহ বাজারে এসেছে সেসব কোম্পানির অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় পর্যায়ে রয়েছে। মূলত এসব (বেঙ্গল উইন্ডসোর থার্মাপ্লাস্টিক লি., জিপিএইচ ইস্পাত, গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্র্রিজ লি., জিবিবি পাওয়ার, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল লি., ওরিয়ন ফার্মা, আরগন ডেনিমস, জেনারেশন নেক্সট, ফ্যামিলি টেক্স, অ্যাপোলো ইস্পাত, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলস, সেন্ট্রাল ফার্মা) কোম্পানি বাজার আসার এক মাসের মধ্যে শেয়ারের দর অনেক উঁচুতে তুলে ধীরে ধীরে তলানিতে নেমে আসছে। এতে বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ছে। এ অবস্থায় কোম্পানির প্রিমিয়াম দেয়ার ক্ষেত্রে শতভাগ লোন পরিশোধ নয়, ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে এবং লোন সঠিকভাবে সংশ্লিষ্টরা ব্যবহার করছে কি না সেটা বিএসইসিকে নিশ্চিত করতে হবে।

এ বিষয়ে কয়েকটি মিউচুয়্যল ফান্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, শেয়ারবাজারে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হতে এলে অবশ্যই ভালো প্রিমিয়াম বিবেচিত হবে। আবার অখ্যাত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন মোটাতাজা করে ভালো ইপিএস দেখিয়ে প্রিমিয়াম নেয়ার ক্ষেত্রে কঠোর পন্থা অবলম্বন করতে হবে। এছাড়া যারা লোন পরিশোধের জন্য প্রিমিয়াম দাবি করে, তাদের প্রিমিয়াম দেয়া উচিত নয়।

এ বিষয়ে কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে কোনোভাবে প্রিমিয়াম দেয়া উচিত নয়। এছাড়া একসঙ্গে একাধিক কোম্পানির আইপিও অনুমোদন ও চাঁদা সংগ্রহ বর্তমান বাজারকে দুর্বল করতে পারে। কারণ এ টাকা বাজার থেকে বের হয়ে যায়। এতে বাজারে পূর্বের ন্যায় তারল্য সংকট দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে বাজারের শেয়ারের চাহিদার সাথে সরবরাহের মিল রেখে বহুজাতিক কোম্পানি বা দেশীয় ভালো মুনাফায় থাকা কোম্পানিগুলো আনা উচিত। এতে ভালো কোম্পানিগুলোর মধ্যে শেয়ারবাজারে আসার আগ্রহ সৃষ্টি হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের এক নেতা জানান, আইপিওতে আসা কোনো কোম্পানিকে প্রিমিয়াম দেয়া হলে ওই কোম্পানির সংশ্লিষ্টদের ব্যাপারে খোঁজ খবর নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে। এ নেতা আরো জানান, লোন পরিশোধের জন্য যেসব কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসে, সে কোম্পানি কখনো ভালো পারফরমেন্স দেখাতে পারে না। একপর্যায়ে এ কোম্পানি লোকসান দেখাতে দেখাতে জেড ক্যাটাগরিতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 

 

শেয়ারনিউজ২৪

SEC, DSE agree to avoid ‘misunderstanding’

The Securities and Exchange Commission (SEC) and the Dhaka Stock Exchange (DSE) Tuesday reached a consensus on resolving their recent ‘misunderstanding’ and working jointly to accelerate their mutual coordination for the sake of the capital market and the investors.
The decision was taken at a bilateral meeting at the SEC office, where, among others, SEC Chairman Professor M Khairul Hossain and DSE President Rakibur Rahman were present.
The row between the regulator and the prime bourse surfaced recently following a DSE investigation, which claimed that the earning per share (EPS) of United Airways will be -Tk 2.19, as the company did not show deferred tax in its revenues.
The SEC also formed a committee to look into the issue of United Airways Monday.
Besides, the DSE expert panel recently made observation on the prospectus of some companies, including Orion Pharma.
The DSE claimed that the SEC approved the IPO proposal of Orion Pharma without giving a chance to the prime bourse to make observation on the company prospectus.
Afterwards, the SEC sought clarification from the DSE to clarify why the board of the bourse discussed the issue of Orion Pharma even after the regulator’s approval. The regulator also made clarification on the approval of its IPO.
The SEC expressed its concern over public disclosure of the issues, which created distance between two organisations.
“The meeting to resolve misunderstandings is held in a cordial mood. Both the sides have reached a unanimous decision to work jointly,” an SEC member told the FE.
He said the SEC and the DSE have agreed to avoid such ‘misunderstanding’ in future for the sake of the capital market and the investors.
“We will try to reduce the gap that originated recently,” he added.
DSE President Rakibur Rahman said, “The SEC is the regulator of the capital market, and we should work under the leadership of the securities regulator.”
“The regulator can seek any clarification from the bourse. In the friendly discussion, we have agreed to work jointly in future,” he told the FE.

Source: The Financial Express, 21 November 2012

ওরিয়ন ফার্মা নিয়ে ব্যাখ্যা দেবে ডিএসই

সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পক্ষ থেকে একটি কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদনের পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পর্ষদ সভায় ওই কোম্পানির আইপিওর বিষয়ে আলোচনা করার বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে কমিশন। গত বৃহস্পতিবার এসইসির পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ডিএসইতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে এসইসির চাহিদা অনুযায়ী ডিএসইর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা প্রদান করবে বলে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে।
এসইসির পক্ষ থেকে একটি চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএসইর সভাপতি রকিবুর রহমান। তিনি বলেন, ওরিয়ন ফার্মার বিষয়ে কিছু ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে এসইসির ওই চিঠিতে। এসইসির চাহিদা অনুযায়ী ডিএসইর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা যথাসময়ে প্রদান করা হবে বলেও জানান তিনি।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ এপ্রিল এসইসিতে আইপিওর অনুমোদনের জন্য ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড প্রসপেক্টাস জমা দেয়, যার কপি ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে প্রদান করা হয়। পরে কমিশন প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধানের পরিপালন নিশ্চিত করার জন্য ওই কোম্পানিকে একটি ডেফিসিয়েন্সি পত্র ইস্যু করে। ওরিয়ন ফার্মা আনুষঙ্গিক কাগজপত্র ও ডেফিসিয়েন্সি পত্রের জবাবসহ সংশোধিত প্রসপেক্টাস কমিশনে দাখিল করে।
কমিশন ডেফিসিয়েন্সি পত্রের জবাব ও দাখিলকৃত কাগজপত্র পরীক্ষার পর গত ১৬ অক্টোবর ওরিয়ন ফার্মার আইপিও অনুমোদন করে। এছাড়া ডিএসইর সার্ভিলেন্স কক্ষে বড় এক বিনিয়োগকারী নিয়ে প্রবেশেরও অভিযোগ আনা হয়ে সংস্থার সভাপতির বিরুদ্ধে। ডিএসইর সভাপতি রকিবুর রহমান সার্ভিলেন্স কক্ষে প্রবেশের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, সভাপতি বা কোন পরিচালকেরও এখানে প্রবেশের অনুমতি নেই। শুধু প্রশাসনিক কর্মকর্তারাই এখানে দেখভাল করে থাকেন। বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ কাজ করে যাচ্ছে।
এদিকে এসইসির ডেফিসিয়েন্সি পত্রের জবাবসহ সংশোধিত প্রসপেক্টাস আইপিওর অনুমোদনের মাত্র দুই দিন আগে অর্থাৎ ১৪ অক্টোবর জমা দেয়া হয় বলে ডিএসই সূত্রে জানা যায়। মাত্র দুই দিনে সংশোধিত ওই প্রসপেক্টাস পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই বিষয়টি নিয়ে ডিএসইর পর্ষদ সভায় আলোচনা হয় বলে জানা যায়। আর এ বিষয়েই ব্যাখ্যা চেয়েছে এসইসি। এছাড়া ওরিয়ন ফার্মার আইপিও অনুমোদন নিয়ে গণমাধ্যমে নানা প্রতিবেদন প্রচার ও প্রকাশিত হয়। এসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোঃ সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কোন কোম্পানির প্রসপেক্টাস পর্যালোচনার জন্য পাঁচ মাসের অধিক সময় যথেষ্ট।
এদিকে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ লিমিটেডের প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনের বিষয় নিয়ে ডিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোশাররফ এম হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয়া হয়েছে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে। তবে মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসইসির কোন চিঠি পাননি বলে জানান।
এদিকে এসইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোন কোন পত্রিকায় ওরিয়ন ফার্মার মোট সম্পদমূল্য এবং মোট ঋণ নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা মোটেই সঠিক নয়। কারণ ২০১১ সালের নিরীক্ষা অনুযায়ী কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের সম্পদমূল্য হচ্ছে ৭৬ দশমিক ৮৬ টাকা।
কমিশন আরও জানিয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, কোম্পানি সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে সম্পদের মূল্য বাড়িয়েছে। উল্লেখ্য, নিরীক্ষা মান ও আইপিও অনুমোদন নীতিমালা অনুযায়ী কোন কোম্পানি সম্পদ মূল্যায়ন করতেই পারে।
তবে তা নিরীক্ষক দ্বারা যথাযথভাবে অনুমোদিত হতে হবে। ওরিয়ন ফার্মাও অনুমোদিত নিরীক্ষক দিয়ে এটি করিয়েছে। আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে ডিউ ডিলিজেন্স সনদসহ এসইসিতে জমা দিয়েছে। তাই কমিশন মনে করে এই ব্যাপারে নিরীক্ষা মান, নিরীক্ষক কর্তৃক যথাযথ সনদ প্রদান এবং ইস্যু ম্যানেজার কর্তৃক ডিউ ডিজিলেন্স পরিপালন সাপেক্ষে কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১০০ টাকা হারে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করা হয়েছিল, প্রচলিত আইনের বিধি বিধান অনুযায়ী কমিশন ৬০ টাকা হারে জমা দেয়া প্রস্তাবকে যুক্তিযুক্ত মনে করে অনুমোদন দিয়েছে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৮ নভেম্বর ২০১২

DSE to oppose approval of Orion Pharma’s IPO

Prospectus information misleading, Tk 60 offer price unreasonable

The Dhaka Stock Exchange has decided to oppose the initial public offering (IPO) of Orion Pharma that the Securities and Exchange Commission approved last month.
The DSE board in a meeting on Thursday made the decision after hearing the observations of an committee of experts.
The DSE panel pointed out a number of questionable features in the IPO prospectus of Orion Pharma including unjustified asset revaluation, slow growth in core business and misleading information in the financial statement.
The DSE panel said that the Tk 60 offer price of the Orion Pharma’s shares, including Tk 50 premium, was unreasonable, and also questioned SEC’s hurried move to approve the revised IPO proposal.
The SEC approved the revised IPO proposal of Orion Pharma on October 16 with offer price of Tk 60 within two days after the company submitted the proposal.
According to the panel’s observation, the company re-evaluated its fixed asset twice, in 2008 and 2011, where the value of Tk 59.09 crore worth assets stood at Tk 117.22 crore.
The panel said such re-evaluation of depreciable fixed assets was unjustified.
It also observed that the re-evaluation of Orion Pharmaceutical’s subsidiary companies, IEL Consortium and Associates and Dutch Bangla Power, was also unjustified.
The IEL Consortium re-evaluation surplus was shown at Tk 28.56 crore on December 2011 whereas the company started its commercial operation in May 2011.
The Dutch Bangla Power’s re-evaluation surplus was shown at Tk 41.54 crore on December 2011 whereas the company started commercial operation in July 2011.
‘The panel strongly believes that the re-evaluation of such a new company prior to commercial operation was unusual and motivated, meant to inflate the net asset value to achieve higher offer price,’ it said.
The panel also observed that among the Tk 702.63 crore consolidated revenue of the company in 2011, Orion Pharma contributed only 25 per cent whereas the subsidiary companies contributed 75 per cent.
The project life of both the subsidiaries is 15 years which will hamper the interest of the long-term investors, it said.
The financial statement of Orion Pharma in 2011 showed that the investment of the company in Orion Holding Ltd was Tk 9.96 crore whereas the financial statement of Orion Holding in the same period showed the same investment to be Tk 9.60 crore.
The panel also found Orion Pharma violating the Companies Act 1994 as the managing director of the company is also the managing director of the two other subsidiaries of the company.
Section 109 of the Companies Act 1994 bars any such practice unless the government’s permission was taken is this regard.
Orion Pharma is yet to receive any permission from the government to let its managing director run other subsidiary companies.
‘The SEC should reconsider the approval of Orion Pharma for the greater interest of the investors,’ the panel concluded.
‘We will submit the panel’s observations and board’s decision about Orion Pharma to the SEC this week,’ a senior DSE official told New Age.

Source: New Age, November 11, 2012

উদ্যোক্তাদের সততা দেখে আইপিও অনুমোদনের দাবি ডিএসইর

পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়ার আগে কম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের সততা ও দক্ষতা বিবেচনায় নেওয়ার জন্য এসইসির কাছে দাবি জানিয়েছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। গতকাল বুধবার দুপুরে এসইসির সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিশনের কাছে এ দাবি করেন ডিএসইর নেতারা। ডিএসইর নতুন এই প্রস্তাবের সঙ্গে আগে থেকে উপস্থাপন করা একগুচ্ছ সংস্কার প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয় ওই বৈঠকে। বৈঠক শেষে বেলা আড়াইটায় ডিএসইর সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএসইর সভাপতি রকিবুর রহমান সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান। বলেন, তালিকাভুক্ত কম্পানিগুলোর প্রতিটি ত্রৈমাসিক প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনের সঙ্গে আগের ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদনের সামঞ্জস্যতা যাচাই করবে এসইসি। এক প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনের সঙ্গে অন্য প্রান্তিকের অমিল পাওয়া গেলে সেসব কম্পানিকে কারণ দর্শানো নোটিশও দেবে এসইসি। এসইসির এই উদ্যোগকে অভিনন্দন জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে রকিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা চাই একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও শক্তিশালী পুঁজিবাজার। এ লক্ষ্যে ডিএসইর পক্ষ থেকে একগুচ্ছ প্রস্তাব এসইসিতে দেওয়া হয়েছে।’

সূত্র: কালের কণ্ঠ, ৮ নভেম্বর ২০১২

DSE to bring changes in listing regulation

The Securities and Exchange Commission on Wednesday asked Dhaka Stock Exchange to tighten its listing rules for ensuring accountability of the companies willing to come to public market.
‘We discussed a number of reforms with the SEC and the commission stressed on reforming the listing regulation,’ DSE president Rakibur Rahman told at a press briefing after a meeting with the SEC on the day.
The DSE last month placed a number of proposals to the SEC on rights shares issue, setting IPO premium and shares transaction restrictions on company directors.
He said the DSE proposed a thorough background check if necessary of the sponsors and promoters of any company which is willing to come to public market.
‘The man behind the company is very important as we understand from experience,’ he said.
He said the company performance is important for the investors, so the DSE will look into the company owners’ motives and vision more critically to ensure good performance.
‘If any company willing to get listed, the vision and motive of the sponsors are very important for us. So we will check their track records after the listing regulation is amended accordingly,’ he said.
He also said the role of listed company sponsors and directors was not market-friendly.
‘So, we proposed to ban directors’ share transaction in public market,’ he said.
DSE senior vice-president Ahmed Rashid Lali said that the company listing practice around the world focuses on the bourses than regulator.
‘In a developed market, a company needs to get a no objection certificate from the stock exchange by verifying their financial accounts before going to regulators for permission,’ he said.
He said the DSE is also planning to follow the procedure as it already has the expert panel to analyse IPO prospectus.
The other DSE proposal includes that the listed companies cannot announce rights shares before completing all the regulatory formalities as the general investors faced problems in some recent incidents.
It said that the companies would also have to submit a report about use of the rights share proceeds to the regulators.
The DSE also proposed to introduce a premium-based quota system to secure the retail investors from high premium IPOs.
According to the proposal, if the shares premium of any initial public offering is less than or equal to Tk 15, 50 per cent of the IPO shares will be offloaded to general public and institutional investors will get 30 per cent quota.
If the share premium is more than Tk 15, institutional investors will get 55 per cent with 90 day lock-in period and general public will get 25 per cent with 90 days offer-price-guarantee from the company.
Non-resident Bangladeshis and mutual funds would get 10 per cent quota each in both cases.

Source: New Age, November 8, 2012

MJL, MI Cement seek jt meet with SEC, DSE

The authorities of Mobil Jamuna Lubricants (MJL) and MI Cement have demanded immediate joint meeting with the regulatory body and authorities of stock exchanges to resolve listing issues of the two companies.

Azam Z Chowdhury, chairman of MJL, told the FE that although they had accepted all the proposals of regulatory body, they were yet to be listed with the bourses due to opposition from different quarters.

“It is high time to hold a meeting with the authorities concerned to sort out ways of listing of the two companies complying with the existing laws for the greater interest of the general investors,” said Mr Chowdhury.

According to DSE sources, high officials of MJL recently visited the DSE office and proposed to offer bonus shares to its primary shareholders with a view to compensating them.

Following the proposals, the DSE authorities made some observations, the sources added.

Chief Finance Officer of the MI Cement Muktar Hossain Talukder told the FE that they did not think so that their shares were overpriced.

But if the regulatory body suggests to make any compensation to the investors we are ready to do it, he added.

He said that they discussed the listing issue with DSE authorities several times without any substantial results.

Meanwhile, some capital market experts have opposed the proposal to issue bonus shares by means of compensation to the primary shareholders of MJL, saying that it would convey wrong message in the market and would also set up a bad instance.

Source: The financial express, 5 April, 2011