Tag Archives: Bangladesh IPO

আজ শাহজিবাজারের লেনদেন শুরু

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানি খাতের কোম্পানি শাহজিবাজার পাওয়ার লিমিটেডের লেনদেন শুরু মঙ্গলবার থেকে। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু হবে শাহজিবাজারের। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানির ট্রেডিং কোড হবে- ‘SPCL’ এবং কোম্পানি কোড ‘১৫৩১৭’। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, শাহজিবাজারের লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে বুধবার।

গত ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের আইপিও অনুমোদন দেয়।

কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। এর বিপরীতে তারা ১ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার ছেড়েছিল। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ছিল ২৫ টাকা। ২০০ শেয়ারে মার্কেট লট। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করবে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩২ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি সম্পদ বা এনএভি ২৪ টাকা ৫৮ পয়সা।

গত ৩১ মার্চ ২০১৪ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ-২০১৪) শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে মোট ১৭ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫০ টাকা।

অন্যদিকে গত বছর একই সময় কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছিল মোট ৯ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০ দশমিক ৭৯ টাকা।

সুতরাং চলতি অর্থবছরের অর্ধবার্ষিকীতে শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ৮ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা গত অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

অন্যদিকে গত ৯ মাসে (জুলাই-২০১৩ থেকে মার্চ-২০১৪) এ কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ দশমিক ৫৪ টাকা।

গত বছর একই সময়ের মধ্যে কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছিল ২২ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছিল ১ দশমিক ৯৫ টাকা। –

আজ শাহজিবাজারের লেনদেন শুরু

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানি খাতের কোম্পানি শাহজিবাজার পাওয়ার লিমিটেডের লেনদেন শুরু মঙ্গলবার থেকে। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু হবে শাহজিবাজারের। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানির ট্রেডিং কোড হবে- ‘SPCL’ এবং কোম্পানি কোড ‘১৫৩১৭’। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, শাহজিবাজারের লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে বুধবার।

গত ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের আইপিও অনুমোদন দেয়।

কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। এর বিপরীতে তারা ১ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার ছেড়েছিল। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ছিল ২৫ টাকা। ২০০ শেয়ারে মার্কেট লট। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করবে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩২ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি সম্পদ বা এনএভি ২৪ টাকা ৫৮ পয়সা।

গত ৩১ মার্চ ২০১৪ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ-২০১৪) শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে মোট ১৭ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫০ টাকা।

অন্যদিকে গত বছর একই সময় কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছিল মোট ৯ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০ দশমিক ৭৯ টাকা।

সুতরাং চলতি অর্থবছরের অর্ধবার্ষিকীতে শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ৮ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা গত অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

অন্যদিকে গত ৯ মাসে (জুলাই-২০১৩ থেকে মার্চ-২০১৪) এ কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ দশমিক ৫৪ টাকা।

গত বছর একই সময়ের মধ্যে কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছিল ২২ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছিল ১ দশমিক ৯৫ টাকা। 

 

আইপিও আবেদন জমার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোতে নানা দুর্ভোগ

শেয়ারবাজারে বিভিন্ন কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন জমা দিতে নানা দুর্ভোগের শিকার হন বিনিয়োগকারীরা। এ আবেদন জমার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের ন্যূনতম সেবা দিতে যেন ব্যাংকগুলোর আপত্তি। অনেক ক্ষেত্রেই তারা এটাকে উটকো ঝামেলা মনে করে। আইপিও আবেদন জমা গ্রহণকারী ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগই করেন ভুক্তভোগী বিনিয়োগকারীরা। তাই এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পদক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।বিনিয়োগকারীরা বলেন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের শেয়ারবাজারের প্রাণ বলা হলেও ব্যাংক সেবার ক্ষেত্রে তারা নানাভাবে অবহেলিত। এর প্রমাণ মিলে যখন তারা কোনো কোম্পানির আইপিও আবেদন জমা দিতে যান। এ সময় লক্ষ করা যায়, ব্যাংকের বাইরে বিশাল লাইন। বাইরে থেকে দেখে মনে হবে ব্যাংকের ভেতর স্থান সংকুলান না হওয়ায় এ লাইন বাহির পর্যন্ত এসে দীর্ঘ হয়েছে। ব্যাপারটি তা নয়, আসল ঘটনা হচ্ছে, এসব বিনিয়োগকারীর স্বাভাবিকভাবে ভেতরে দাঁড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। ব্যাংকের নিয়ম মেনে ৩ থেকে ৫ জন ভেতরে যাবে, তারা না আসা পর্যন্ত বাকিরা ঠাঁয় বাইরে দাঁড়িয়ে থাকবে। এ বিষয়ে ব্যাংকের কাছে জানতে চাইলে বলা হয়, আইপিও আবেদন জমাকারীরা ভেতরে লাইন দিলে নাকি ব্যাংকের সমস্যা হয়। ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের প্রতি তারা শোভনীয় আচরণ করলেও আইপিও আবেদন জমাকারীদের তারা উটকো ঝামেলার চোখেই দেখে। এসব ব্যাংকের কর্মকর্তারা কি জানে না যে, এসব আইপিও আবেদনকারীদের অনেকেই কোনো না কোনো ব্যাংকের ভ্যালুয়েবল অ্যাকাউন্ট হোল্ডার। এরা ভিন্ন কোনো গ্রহের লোকজন নয়।এ প্রসঙ্গে কথা হলো মতিঝিল আইএফআইসি ব্যাংকে আইপিও আবেদন জমা দিতে আসা ভুক্তভোগী মাসুদের সাথে। দীর্ঘ এক ঘণ্টা ধরে রোদে দাঁড়িয়ে থেকে ঘেমে গেছে। মাসুদ জানায়, আমরা মাত্র ২০-৩০ জন লোক তেজি রোদে দাঁড়িয়ে আছি। ১৫-২০ মিনিট পর পর ৫ জন করে লোক ভেতরে যাওয়ার সুযোগ দেয়। অথচ ভেতরে প্রচুর ফাঁকা জায়গা থাকলেও আমাদের শরীর ঝলসানো রোদে দাঁড়িয়ে থেকে আইপিও আবেদন জমা দিতে হবে। দেখছেন তো ব্যাংকের কর্তাব্যক্তিরা কী অমানবিক, তারা এয়ারকুলারে শরীর হেলিয়ে দিলেও আমাদের কড়া রোদে দাঁড় করিয়ে রেখেছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। বাইরে থাকা মাত্র কয়েকজন লোক ভেতরে দাঁড়ালেও কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয় বলে আমরা মনে করি।

এদিকে আইপিও আবেদন জমা দিতে আসা একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নোমানের সাথে কথা হলো। তিনি অভিযোগ করেন, আইপিও আবেদন জমার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো নানা শর্ত জুড়ে দেয় যেমন- একসাথে ৫ বা ১০টির বেশি আবেদনপত্র জমা দেয়া যাবে না। আবার অনেক ব্যাংকে ১০০ টাকার নোট জমা নেয়া হয় না। আইপিওতে উল্লিখিত অর্থ ভাংতি করে নিয়ে আসতে হবে।

আইসিবির বিপরীতে টাকা জমা দিতে আসা নাদিয়া আক্ষেপের সুরে বলেন, আমরা আধুনিক যুগে বাস করছি। যখন পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের কথা শুনছি ও ছবি দেখছি, সে সময় কিনা আমরা আইপিও আবেদনের টাকা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে জমা দিচ্ছি। যে যুগে আমরা পানি, বিদ্যুৎ বিল দেয়া ছাড়াও কেনাকাটা করতে পারছি ইন্টারনেটের মাধ্যমে আর সে সময় আইপিও জমা দিচ্ছি তীব্র রোদে লাইনে দাঁড়িয়ে। বিএসইসির উচিত এ ব্যবস্থার দ্রুত আধুনিকায়ন করা।

বিনিয়োগকারীদের দাবি, আইপিও আবেদন জমার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর হয়রানি দূরীকরণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

শেয়ারনিউজ২৪

Summit Shipping set for IPO roadshow

Sarwar A Chowdhury

Summit Shipping Ltd plans to go public in an attempt to raise funds for business expansion and repayment of bank loans.

If approved by the regulator, it will be the first shipping firm from the private sector entering the country’s stockmarket. Presently, state-run Bangladesh Shipping Corporation is the only player of its genre there.

Two off-dock service providers from the private sector, however, are listed on the stockmarket: Summit Alliance Port Ltd and Ocean Container Ltd.

Summit Shipping, an associate of Summit Group, will float three crore ordinary shares of Tk 10 each using the book building method, a modern pricing mechanism for initial public offering (IPO).

The company, one of the leading market participants in the fuel carrier industry, will hold a roadshow on Thursday for institutional investors for indicative price setting of its shares.

A roadshow is required by the book building regulations and the eligible institutional investors will not be allowed to participate in the bidding unless they participate and quote prices at the roadshow for setting the indicative price.

The company with an existing paid-up capital of Tk 50 crore has proposed an indicative price for each share at Tk 80, including Tk 70 in premium.

With the IPO proceeds, Summit Shipping will repay entire loans which it took from banks and financial institutions so far aggregating around Tk 25 crore, the company said.

“This will improve Summit Shipping’s profitability by around Tk 3 crore, making it debt-free,” it said.

A portion of the IPO proceeds — Tk 180 crore — will be utilised to meet costs of acquisition (including duties, taxes and other pre-operation costs) of two vessels.

Summit Shipping has signed a memorandum of understanding with KAIYO Corporation, Japan, for acquisition of two oceangoing Double Hull Tankers at $1.2 crore each.

“This will increase the company’s hauling capacity by 40,000 tonnes and improve its profitability by approximately Tk 20 crore,” it said.

Summit Shipping operates a fleet of six coastal oil-tankers having carrying capacity ranging from 1,200 tonnes to 2,500 tonnes.

Summit Shipping will use another part of the IPO proceeds of Tk 20 crore against cost of construction of a tank terminal in Narayanganj. “This will improve its profitability by around Tk 4.5 crore,” it said.

The rest of the IPO proceeds will be used for meeting the costs of IPO, 3 percent income tax payments on share premium against the IPO and Summit Shipping’s day-to-day operations as working capital.

Summit Shipping, whose earnings per share (diluted and re-stated) were Tk 2.14 as of September 2010, was set up by Summit Group to transport heavy fuel oil by tanker to the power plant site of Khulna Power Co Ltd from its intermediary store in Chittagong.

Banco Finance and Investment Ltd is the issue manager for the IPO.

Source: The daily star, 16 Jan, 2011

ওয়েবসাইট থেকে আইপিও ফরম পূরণ

Prothom Alo published the following article on bdipo on Jan 15, 2011. Industry cannot grow in vacuum. A ecosystem is required for it to grow. Media is an essential part of that. Thanks to Prothom Alo and Mr. Mehedi Akram.

ওয়েবসাইট থেকে আইপিও ফরম পূরণ

অনেকেই পুজিবাজারে অর্থ খাটাচ্ছেন অর্থাৎ শেয়ারের ব্যবসা করছেন। এর মধ্যে যাঁরা প্রাইমারি শেয়ারের জন্য আবেদন করেন তাঁদেরকে ম্যানুয়ালি (ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং) আইপিও ফরম ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে পূরণ করতে হয় অথবা আইপিও ফরম প্রিন্ট করে হাতে পূরণ করতে হয়। একাধিক আইপিও এবং একাধিক বিও হিসাব থাকলে কাজটা বেশ ঝামেলার এবং সময় সাপেক্ষ। তবে যদি এক ক্লিকে পছন্দের সব কোম্পানির আইপিও এবং ইচ্ছামতো বিও পূরণ করা যায় তাহলে কেমন হয়! এমনই সুবিধা পাওয়া যাবে বিডি আইপিও নামের একটি ওয়েবসাইটে।
এজন্য www.bdipo.com ঠিকানার ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করে এতে ঢুকতে হবে। নিবন্ধন ছাড়াও গুগল, ফেসবুক, ইয়াহু এবং উইন্ডোজ লাইভের অ্যাকাউন্ট থেকে এ সাইটে ঢোকা (লগ-ইন) যাবে। লগইন করার পরে ডানের প্যানেল থেকে Create BO Account-এ ক্লিক করে বিও অ্যাকাউন্টে সব তথ্য দিন। মূলত আইপিও ফরম পূরণ করতে যা যা তথ্য দিতে হয় সেগুলো এখানে লাগবে। ফরম পূরণ শেষে Create বাটনে ক্লিক করুন। এভাবে আরও বিও অ্যাকাউন্ট যুক্ত (তৈরি) করতে পারেন। বিও পূরণ করার সময় কোনো ভুল হলে বা অন্য কোনো কারণে পরিবর্তন বা মুছে ফেলতে চাইলে BO Account List-এ ক্লিক করে করতে পারেন। এ ছাড়া Import BO Account-এ ক্লিক করে নমুনা স্যাম্পল নামিয়ে তা পূরণ করে একসঙ্গে একাধিক বিও অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে পারেন।
আইপিও ফরম পূরণ করার জন্য ডানের প্যানেল থেকে Generate General Form (প্রবাসী বাংলাদেশি হলে Generate NRB Form-এ ক্লিক করতে হবে) ট্যাবে ক্লিক করুন। এখানে চলতি সব কোম্পানির তালিকা এবং নিচে আপনার সব বিওর তালিকা রয়েছে। এখান থেকে প্রসপেকটাস ডাউনলোড করা যাবে। যে যে কোম্পানির আইপিও পূরন করতে চান সেগুলো নির্বাচন করে বিও অ্যাকাউন্টগুলো নির্বাচন করে (চেক জমা দিতে চাইলে Add Check Details-এ ক্লিক করে তথ্য দিতে হবে) Generate Form বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে আইপিও ফরম পূরণ হয়ে তা পিডিএফ ফরম্যাটে ডাউনলোড হবে।
চলতি কোম্পানির আইপিওর তথ্য পেতে Open IPO-এ ক্লিক করে পেতে পারেন। আর Results-এ ক্লিক করে আগের আইপিও এর ফলাফল দেখা যাবে। —মেহেদী আকরাম

Source: The prothom-alo, 15 Jan, 2011

Submarine Cable holds price discovery roadshow

Bangladesh Submarine Cable Company Ltd yesterday declared the issuance of 3.1 crore general shares.

The declaration came from a price discovery roadshow at the Institute of Diploma Engineers Auditorium in Dhaka.

The price of each share is Tk 90: the face value is Tk 10 and Tk 80 is premium.

Source: The daily Star, 14 Jan, 2011

নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে জিএমজি এয়ারলাইন্সের রোড শো অনুষ্ঠিত

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রস্তাব আহ্বান করেছে জিএমজি এয়ারলাইন্স লিমিটেড। গত বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল শেরাটনে আনুষ্ঠানিক রোড শোর মাধ্যমে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের কার্যক্রম শুরম্ন করেছে কোম্পানিটি। শেয়ারের চূড়ান্ত মূল্য নির্ধারণের পর প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজারে মোট ৬ কোটি শেয়ার ছাড়বে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য জিএমজি এয়ারলাইন্সের ইসু্য ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে জনতা ক্যাপিটাল এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (জেসিআইএল)।
রোড শো অনুষ্ঠানে কোম্পানির পৰ থেকে সম্ভাব্য নির্দেশক মূল্য ১৫০ টাকা প্রস্তাব করা হয়। ২০১০ সালের বার্ষিক হিসাবে কোম্পাানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১০ টাকা ৩১ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৫৩ পয়সা।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এয়ারক্রাফট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের অর্থ পরিশোধ, হ্যাঙ্গার ও সংশিস্নষ্ট যন্ত্রপাতি নির্মাণ, ঋণ পরিশোধ এবং চলতি মূলধন বাড়াতে মূলধন সংগ্রহের জন্য জিএমজি এয়ারলাইন্স পুঁজিবাজারে আসার সিদ্ধানত্ম নিয়েছে। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে তালিকাভুক্ত হবে। বর্তমানে এই কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ২৪৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের পর পরিশোধিত মূলধন ৩০৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকায় দাঁড়াবে।
রোড শোতে আরও জানানো হয়, পুঁজিবাজারে বিক্রির জন্য নির্ধারিত ৬ কোটি শেয়ারের মধ্যে ১ কোটি ২০ লাখ (২০ শতাংশ) শেয়ার দর প্রসত্মাব (বিডিং) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দ দেয়া হবে। এছাড়া আইপিওর মাধ্যমে ৬০ লাখ (১০ শতাংশ) শেয়ার মিউচু্যয়াল ফান্ড, ৬০ লাখ (১০ শতাংশ) শেয়ার প্রবাসী বাংলাদেশী এবং বাকি ৩ কোটি ৬০ লাখ (৬০ শতাংশ) শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের পর এসইসির অনুমোদন পেলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে চূড়ানত্ম দর প্রসত্মাব আহ্বান করা হবে।
রোড শো অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখরউদ্দীন আলী আহমেদ, বেঙ্মিকো গ্রম্নপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, জিএমজি এয়ারলাইন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান আহমেদ শায়ান এফ রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাহাব সাত্তার, জেসিআইএলের প্রধান নির্বাহী জাহাঙ্গীর মিয়া বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ, মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনসহ (বিএমবিএ) বিভিন্ন ব্যাংক, ইন্সু্যরেন্স কোম্পানির প্রতিনিধি, শেয়ার ডিলার, মার্চেন্ট ব্যাংকার এবং নিবন্ধিত আগ্রহী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত সামগ্রিক তথ্যের ভিত্তিতে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে আগ্রহী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা লিখিতভাবে কোম্পানির শেয়ারের মূল্য নির্দেশ করতে পারবেন। এৰেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী এবং অর্থনৈতিক বিশেস্নষকের যৌথ স্বাৰরে কোম্পানির ভবিষ্যত সম্ভাবনা উলেস্নখসহ নির্দেশক মূল্য প্রসত্মাব করতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত প্রসত্মাবের ভিত্তিতে ইসু্য ব্যবস্থাপকের সঙ্গে পরামর্শ করে কোম্পানির প্রসপেক্টাসে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য উলেস্নখ করা হবে। এই নির্দেশক মূল্য কোনভাবেই প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত সকল প্রস্তাবের গড়ের চেয়ে বেশি হতে পারবে না।

Source: The daily janakantha, 14 Jan, 2011

Road show for price discovery of Golden Harvest Agro on 17 January, 2011

Road show for price discovery of indicative price of Golden Harvest Agro Industries Limited will be held in Grand Ballroom of Pan Pacific Sonargaon Hotel, Dhaka on January 17, 2011. Eligible Institutinal Investors can participate in the road show to discover the indicative price of Golden Harvest Agro Industries Limited through IPO under book building method.

Banco Finance & Investment Limited is the issue manager of this IPO.

The details of the road show are as follows:

DETAIL OF ROAD SHOW:

Venue : Grand Ballroom, Pan Pacific Sonargaon Hotel, Dhaka
Date  :  January 17, 2011

Time : 07:30 P.M

Source: Own correspondence, bdipo.com

Subscription date of Salvo chemical industry has changed

The authority has changed the date for taking IPO application of Salvo Chemical Industry Limited. According to the new date the subscription for residence bangladeshis will be started from 30 January,2011 and will continue till 03 February, 2011. For NRB it will be open till 12 February, 2011.

Source: Own correspondence, bdipo.com