Tag Archives: apply for IPO

ফ্যামিলি টেক্সের আইপিও লটারি বৃহস্পতিবার

আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দিতে আগামী ৯ মে, বৃহস্পতিবার ফ্যামিলি টেক্স (বিডি) লিমিটেডের আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনষ্টিটিউটে সকাল সাড়ে ১০ টায় ড্র অনুষ্ঠিত হবে বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে নির্ধারিত সীমার চেয়ে সাড়ে ১৭ গুণেরও বেশি আবেদন জমা পড়ে।

কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ৩৪ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। যার বিপরীতে ৩৪ লাখ শেয়ার ছাড়া হয়। নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ ১১ এপ্রিলের মধ্যে স্থানীয় অধিবাসীরা ৫৮০ কোটি ৪৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকার আবেদন করেন। এর বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ৯ লাখ ১২ হাজার ৯৭২টি।

গত ২১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৫৫ হাজার আবেদনের বিপরীতে জমা দিয়েছেন ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে এ কোম্পানির আইপিওতে টাকা জমা পড়েছে ৬০৭ কোটি ৯৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি জমা পড়েছে ১৭.৮৮ গুণ বেশি আবেদন।

এ কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়া শুরু হয় গত ৭ এপ্রিল এবং শেষ হয় ২০ এপ্রিল। এ শেয়ারের বিপরীতে কোনো প্রিমিয়াম নেয়া হয়নি। মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০টি শেয়ারে।

এ কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের কাজ করছে বেনকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

ফ্যামিলি টেক্স জমা পড়েছে সাড়ে ১৭ গুণ আবেদন

ফ্যামিলি টেক্সের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) নির্ধারিত সীমার চেয়ে সাড়ে ১৭ গুণেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ৩৪ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। যার বিপরীতে ৩৪ লাখ শেয়ার ছাড়া হয়। নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ ১১ এপ্রিলের মধ্যে স্থানীয় অধিবাসীরা ৫৮০ কোটি ৪৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকার আবেদন করেন। এর বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ৯ লাখ ১২ হাজার ৯৭২টি।

গত ২১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৫৫ হাজার আবেদনের বিপরীতে জমা দিয়েছেন ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে এ কোম্পানির আইপিওতে টাকা জমা পড়েছে ৬০৭ কোটি ৯৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি জমা পড়েছে ১৭.৮৮ গুণ বেশি আবেদন।

এ কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়া শুরু হয় গত ৭ এপ্রিল এবং শেষ হয় ২০ এপ্রিল। এ শেয়ারের বিপরীতে কোনো প্রিমিয়াম নেয়া হয়নি। মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০টি শেয়ারে।

এ কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের কাজ করছে বেনকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

আবার চাঙ্গা হচ্ছে আইপিও বাজার, নির্ধারিত মূল্যে বাজারে আসতে ইতোমধ্যেই অনেক কোম্পানি নিয়ন্ত্রক সংস্থায় আবেদন জমা দিয়েছে

কিছুদিন ঝিমিয়ে থাকার পর আবারও চাঙ্গা হচ্ছে প্রাইমারী শেয়ারের বাজার। সেকেন্ডারি মার্কেটে মন্দা অব্যাহত থাকলেও শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহে তৎপর হচ্ছেন উদ্যোক্তারা। শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা শেষ হওয়ায় শীঘ্রই নতুন নতুন কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসতে শুরু করবে। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি কার্যকর হলে নতুন অনেক কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসার প্রক্রিয়া শুরু করবে বলে মার্চেন্ট ব্যাংকের কর্মকর্তারা আশা করছেন। আর নির্ধারিত মূল্যে বাজারে আসার জন্য ইতোমধ্যেই অনেক কোম্পানি নিয়ন্ত্রক সংস্থায় আবেদন জমা দিয়ে রেখেছে।
দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের ৰেত্রে ২০১০ সালের মার্চে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি কার্যকর করা হয়। কিন্তু ওই সময়ের বিধিমালার দুর্বলতার সুযোগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে বলে অভিযোগ ওঠে। এর প্রেৰিতে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছরের ২০ জানুয়ারি এই পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত করে এসইসি। পরে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও বাজার সংশ্লিষ্টদের মতামত নিয়ে এই পদ্ধতির সংশোধনী অনুমোদন করেছে এসইসি।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত থাকার কারণে স্থবির হয়ে পড়েছিল আইপিও বাজার। এ সঙ্কট কাটাতে আইপিও বাজার (প্রাইমারী মার্কেট) চাঙ্গা করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। বাজারে শেয়ারের চাহিদা ও যোগানের (ডিমান্ড এ্যান্ড সাপস্নাই) সামঞ্জস্য বিধানের জন্য নতুন নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির ধারাবাহিকতা রক্ষার পরিকল্পনা করছে এসইসি। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার সরবরাহের ৰেত্রে যাতে দীর্ঘ বিরতি না পড়ে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। আবার একসঙ্গে অনেক কোম্পানি আসার ফলে বাজারে যাতে অর্থ সঙ্কট তৈরি না হয়_ সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। তবে এসইসিতে আবেদন করার পর উদ্যোক্তারা যাতে অযথা সময়ক্ষেপণ বা হয়রানির শিকার না হন_ সেদিকেও গুরম্নত্ব দেয়া হচ্ছে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা চালুর পর এই পদ্ধতির আওতায় জমা থাকা আবেদনগুলো পর্যালোচনা করা হবে। স্থগিতাদেশের আগে এসইসিতে এ ধরনের ৪টি আবেদন জমা ছিল। এরমধ্যে ২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর চূড়ানত্ম অনুমোদন পেলেও আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় সেই সময় বাজারে আসতে পারেনি এলায়েন্স হোল্ডিংস লিমিটেড। আর ব্রোকারেজ হাউসের তালিকাভুক্তির ৰেত্রে ডিএসইর নেতিবাচক অবস্থানের কারণে লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজকে অনুমোদন দেয়নি এসইসি।
অন্যদিকে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য গত ১৩ জানুয়ারি ইউনিক হোটেল এ্যান্ড রিসোর্টসের আইপিও অনুমোদন করে এসইসি। তবে এর পরপরই বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত হয়ে যাওয়ায় আইপিও প্রক্রিয়া শেষ করতে পারেনি কোম্পানিটি। এই কোম্পানির শেয়ারের নির্ধারিত মূল্য নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন রয়েছে। এর প্রেৰিতে সম্প্রতি কোম্পানিটি বুকবিল্ডিংয়ের পরিবর্তে নির্ধারিত মূল্যে আইপিও অনুমোদনের জন্য এসইসিতে আবেদন করেছে।
এছাড়া বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে নাভানা রিয়েল এস্টেট এবং কেয়া কটন মিলস লিমিটেডের আইপিও আবেদন এসইসিতে জমা আছে। এরমধ্যে নাভানা রিয়েল এস্টেট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৩৭২ কোটি টাকা এবং কেয়া কটন ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২৪৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চেয়েছিল। তবে আগে নির্ধারিত দরে এই দুই কোম্পানির আইপিও অনুমোদন করবে না এসইসি। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আসতে হলে কোম্পানিগুলোকে নতুন বিধি অনুযায়ী রোড শো আয়োজন করে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের নির্দেশনা দেয়া হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
গত জানুয়ারি পর্যনত্ম বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের মূল্য র্নিধারণের প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ করেছিল বেশ কিছু কোম্পানি। এরমধ্যে জিএমজি এয়ারলাইন্স এ বছরের ১২ জানুয়ারি রোড শো আয়োজন করে। কোম্পানিটি মোট ৬ কোটি শেয়ার ছাড়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে আর্থিক পরিস্থিতি ভাল না থাকায় কোম্পানিটি আপাতত পুঁজিবাজারে আসবে না বলে গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে।
এর আগে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল গোল্ডেন হারভেস্ট, বাংলাদেশ সাব মেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, ফার ইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, আনন্দ শিপইয়ার্ড এ্যান্ড সিস্নপওয়েজ লিমিটেড, অরিয়ন ফার্মা লিমিটেড, পিএইচপি ফ্লোট গস্নাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং সামিট শিপিং লিমিটেড। এরমধ্যে সরকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাব মেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড ইতোমধ্যেই নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে বাজারে আসার প্রক্রিয়া শুরম্ন করেছে। কোম্পানিটি ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছাড়বে। এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপক হিসেবে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। গোল্ডেন হারভেস্ট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য ব্যানকো ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব দিয়েছিল। ফার ইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার জন্য ১৬ জানুয়ারি রোড শো আয়োজন করে। এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। জাহাজ নির্মাণ শিল্পের প্রথম কোম্পানি হিসেবে পুঁজিবাজারে আসার সিদ্ধানত্ম নেয় আনন্দ শিপইয়ার্ড এ্যান্ড সিস্নপওয়েজ লিমিটেড। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর কোম্পানিটি মোট ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার কথা ছিল। আনন্দ শিপইয়ার্ডের ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। অরিয়ন ফার্মা লিমিটেড ৪ কোটি এবং পিএইচপি ফ্লোট গস্নাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধানত্ম নিয়েছিল। এরমধ্যে অরিয়ন ফার্মা আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপক নিযুক্ত করে। আর পিএইচপি ফ্লোট গস্নাসের ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।
সামিট গ্রম্নপের প্রতিষ্ঠান সামিট শিপিং লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার জন্য ব্যানকো ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপক নিয়োগ করে। এছাড়া বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড (বিবিএস) নামে একটি কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসার জন্য জনতা ক্যাপিটাল এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দিয়েছিল।
অন্যদিকে নির্ধারিত মূল্যে শেয়ার ছাড়ার জন্য ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি কোম্পানি এসইসিতে আবেদন করেছে। এরমধ্যে রয়েছে পদ্মা লাইফ ইন্সু্যরেন্স, এনার্জি প্রিমা, আমরা টেকনোলজি, জিএসপি ফাইন্যান্স, এলএসআই ইন্ডাস্ট্রিজ, ঢাকা রিজেন্সি হোটেল এ্যান্ড রিসোর্ট, শাহীবাজার পাওয়ার, ডেল্টা স্পিনার্স (আরপিও), সায়হাম কটন মিলস, জিবিবি পাওয়ার, গেস্নাবাল হেভী কেমিক্যাল, জিপিএইস ইস্পাত এবং ফার ইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজ।
Source: Daily Janakantha, October 16, 2011

Subscription date of Salvo chemical industry has changed

The authority has changed the date for taking IPO application of Salvo Chemical Industry Limited. According to the new date the subscription for residence bangladeshis will be started from 30 January,2011 and will continue till 03 February, 2011. For NRB it will be open till 12 February, 2011.

Source: Own correspondence, bdipo.com

একটি আইপিও, দুটি রাইট শেয়ারের অনুমোদন

ঢাকা, ৩ অক্টোবর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে খুব শীঘ্রই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে মবিল যমুনা লুব্রিকেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড (এমজেএল)। রোববার সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সাপ্তাহিক সভায় এ কোম্পানির আইপিও (প্রাথমিক গণ প্রস্তাব) অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া কমিশনের সভায় এক্সিম ব্যাংক
ও অগ্নি সিস্টেম লিমিটেডের রাইট শেয়ারের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহি পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
মবিল যমুনা লুব্রিকেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড (এমজেএল) পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়ার মাধ্যমে ৫০৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব দিয়েছে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি শেয়ার ছাড়বে কোম্পানিটি। প্রতিটি  শেয়ারের নির্দেশক মূল্যের প্রস্তাব করা হয়েছে ১২৭ টাকা। পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত টাকা দিয়ে গুলশানে এক বিঘা জমি ক্রয়, প্ল্যান্ট নির্মাণ, খুলনার লিক্যুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস ম্যানুফ্যাক্‌চার লিমিটেডের জন্য ট্যাংকার ক্রয় করবে প্রতিষ্ঠানটি। ২০০৯ সালের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী মবিল যমুনার ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার প্রতি আয় হচ্ছে ২.৪৫ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ হচ্ছে ১১.৭৩ টাকা। বর্তমানে এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন হচ্ছে ১৪০ কোটি টাকা। প্রাইম ফাইন্যান্স এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করবে।
রোববার কমিশনের সভায় পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি এক্সিম ব্যাংক ও অগ্নি সিস্টেম লিমিটেডের রাইট শেয়ার প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এদুটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি দুটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার পাওয়া যাবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এক্সিম ব্যাংকের শেয়ারে কোন প্রিমিয়াম হবেনা। তবে অগ্নি সিস্টেমের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি রাইট শেয়ারের দর হবে ২০ টাকা (১০ টাকা প্রিমিয়াম)।
এছাড়া রোববার ব্যাংকগুলো থেকে ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের পৃথকীকরণের সময়সীমা আবারো বাড়িয়েছে এসইসি। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পৃথকীকরণের সময়সীমা ১ অক্টোবরের পরিবর্তে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে এই সময়ের মধ্যে ব্যাংকগুলো তাদের ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংক পৃথক করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লি্ষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এসইসি ব্যবস্থা নেবে বলে আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া জানান। সেক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর অধীনস্ত মার্চেন্ট ব্যাংক অথবা ব্রোকারেজ হাউজগুলো তাদের গ্রাহকদের ঋণ প্রদান বন্ধ করে দেয়া হবে বলে এসইসির মুখপাত্র জানান।

Notification about IPO Forms of RAK Ceramics

Today RAK ceramics notified on major dailies that some of the unauthorized IPO forms those are already available in the market will not be accepted by RAK.

We haven’t published any form yet, we hope we don’t fall in that group. Moreover, we strictly follow the authorized format.

Still we are trying to open a dialog with RAK or their issue manager. We hope to get back to our customers with the update soon.

How to get IPO application form filled up by bdipo

See how to save your time. Focus on something where you are good at. Something more suitable for human.

Dont’ waste valuable time of your life doing the boring repeatative task. Leave it to machine.

Leave it to bdipo.

Here is a demo showing how simple it is:

YouTube Link: How bdipo fills up IPO application forms for you