Tag Archives: apollo ispat ipo

অ্যাপোলোর আইপিও আবেদন শুরু ৬ অক্টোবর

নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পাওয়া অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেডের প্রাথমিক গনপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ করা হবে আগামী ৬ অক্টোবর থেকে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আগামী ৬ অক্টোবর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রবাসীদের জন্য আবেদনের সুযোগ থাকবে আগামী ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত।

ফেস ভ্যালু ১০ টাকার সঙ্গে ১২ টাকা প্রিমিয়ামসহ এ শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ধরা হয়েছে ২২ টাকা। প্রতিষ্ঠানটি ১০ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ২২০ টাকা সংগ্রহ করবে।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট।

শেয়ারনিউজ২৪

BSEC Halts IPO Subscription Of Apollo Ispat Complex Limited

The Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) has suspended IPO subscription of Apollo Ispat Complex Limited responding to finance ministry’s directive.

 

The IPO subscription of Appolo Ispat Complex was scheduled to start on March 3, 2013.

The decision came from a commission meeting held on Tuesday chaired by its chairman M Khairul Hossain.

 

Earlier on February 7, Finance Minister AMA Muhith asked the BSEC to postponed subscription of initial public offerings (IPO) of Apollo Ispat Complex Limited as the ministry found various irregularities against the company.

Finance minister also directed the market regulator to take stern actions against the forgery and illegal activities of the company.

 

The commission in a statement said that the BSEC approved the IPO complying Securities and Exchange Commission (public issue) Rules, 2006.

 

 

The commission also said that according to the Bangladesh Bank CIB reports the commission did not find any loan defaulters or tax defaulter among the company’s directors or shares holders.

 

 

The stock regulator also said a share holder brought allegation against the AICL management but the commission did not respond to his allegation as he holds shares less than 5 percent.

 

The BSEC cancelled the IPO prospectus in 2011 as it found irregularities and fabricated information in the prospectus.

 

Earlier, on December 13, last year the BSEC approved the initial public offering (IPO) of Apollo Ispat Complex to raise Tk 2.20 billion from the public.

 

The company opted to offload 100 million ordinary shares of Tk 10 each at an offer price of Tk 22 including a premium of Tk 12.

The company has reported earning per share (EPS) of Tk 2.36 and net asset value (NAV) of Tk 22.59, according to financial report ended on June 30, 2012.

Source: Sharenews24

এপোলো ইস্পাতের আইপিও স্থগিত

দুর্নীতির অভিযোগ এবং অর্থমন্ত্রীর সুপারিশের প্রেক্ষিতে এপোলো ইস্পাতের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে। ড. খায়রুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের ৪৬৮তম সভায় আজ এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক এবং মূখপাত্র সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সভায় কমিশন কর্তৃক ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ইং তারিখে প্রাপ্ত মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের পত্রের প্রেক্ষিতে এপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড (এআইসিএল) এর প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) এর চাঁদা গ্রহণ আপাতত স্থগিত করে মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের পরামর্শ অনুযায়ী কতিপয় বিষয়ে অধিকতর তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

প্রসঙ্গত, এআইসিএল এর আইপিও সংক্রান্ত বিষয় ও কমিশন কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ নিম্নরূপ-

এআইসিএল গত ২০.১০.২০১১ ইং তারিখে শেয়ারপ্রতি ৭০ টাকা (শেয়ারপ্রতি ৬০ টাকা প্রিমিয়ামসহ) ইস্যু মূল্যে ৫ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার সাধারণ শেয়ার আইপিও প্রস্তাবের মাধ্যমে ইস্যু করার জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করে।

গত ২০.০৩.২০১২ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত ৪২৫তম কমিশন সভার পর্যালোচনায় জমাকৃত প্রতিবেদনে অসঙ্গতি লক্ষ্য করে। এর প্রেক্ষিতে অসত্য তথ্য প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট অডিটর, মূল্য নিরূপক, ইসু্যুয়ার ও ইস্যু ম্যানেজার এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট নথিটি এনফোর্সমেন্ট বিভাগে প্রেরণ করা হয় এবং একই সঙ্গে আইপিও প্রস্তাবটি বাতিল করা হয়।

গত ১৪.০৬.২০১২ ইং তারিখে কমিশনের আদেশ নং-এসইসি/এনফোর্সমেন্ট/১০২৯/২০১২/৩৩৬,৩৩৮, ৩৪০ ও ৩৪২ এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অডিটর (মেসার্স জোহা জামান কবির রশিদ অ্যান্ড কোং), ইস্যুয়ার (এআইসিএল) ও ইস্যু ম্যানেজার (আইসিবি ক্যাপিট্যাল ম্যানেজমেন্ট লি.) এর প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা ধার্য করে। একই সঙ্গে মূল্য নিরূপক (মেসার্স মসি মুহিত হক অ্যান্ড কোং) কে দুুই লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করে।

পরবর্তীতে এআইসিএল গত ২৩.১০.২০১২ ইং তারিখে নতুন আর্থিক প্রতিবেদনসহ কমিশনের নিকট পুনরায় আবেদন করে। আবেদনপত্রের সঙ্গে এ মতিন অ্যান্ড কোম্পানি কর্তৃক ৩০.০৬.২০১২ ইং তারিখে সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ইস্যু ম্যানেজার আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লি. ও ৭টি অবলেখক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত ডিউডিলিজেন্স সনদ, ক্রেডিট রেটিং এজেন্সী অব বাংলাদেশ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ক্রেডিট রেটিং রিপোর্ট এ ওভাব অ্যান্ড কোং কর্তৃক প্রস্তুতকৃত সম্পদ মূল্যায়ন রিপোর্ট এবং কমিশন আইন অনুযায়ী অন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি দাখিল করে।

অতঃপর কমিশন সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান অনুযায়ী আলোচ্য আবেদনটি পুনরায় পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করে। গত ২৯.১১.২০১২ ইং তারিখে কোম্পানিটির প্রসপেক্টাস, নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী ও অন্যান্য কাগজপত্র পরীক্ষান্তে একটি ডেফিসিয়েন্সী পত্র (বিভিন্ন অসম্পূর্ণ তথ্য ও দলিলাদি জমা দেয়ার নির্দেশ) ইস্যু করা হয়। গত ০২.১২.২০১২ ইং তারিখে কমিশনের ডেফিসিয়েন্সী পত্রে উত্তর সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও তথ্যাদিসহ এআইসিএল কমিশনে প্রেরণ করে।

গত ১১.১২.২০১২ ইং তারিখে এআইসিএল এর সকল পরিচালক ও ৫ শতাংশ ও তার অধিক শেয়ার ধারণকারীদের সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত সিআইবি রিপোর্ট পাওয়া যায়। যাতে দেখা যায়, এআইসিএল এবং তার সংশ্লিষ্ট ৯জন পরিচালকের সকলেই ঋণ খেলাপী থেকে মুক্ত। উল্লেখ্য, কমিশন আইপিও অনুমোদন করার কিছুদিন পরে এআইসিএল এর একজন শেয়ারহোল্ডার উক্ত কোম্পানির ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ দাখিল করেন। পরীক্ষান্তে দেখা যায় যে, অভিযোগকারীর ধারণকৃত শেয়ারের পরিমান ৫ শতাংশের নীচে হওয়ায় বিষয়টি আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে বিবেচনার সুযোগ ছিল না। এখানে আরো উল্লেখ্য যে, বর্তমান আইন অনুযায়ী শুধুমাত্র কোম্পানির পরিচালক এবং ৫ শতাংশ ও তার অধিক শেয়ারধারীদের জন্যই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সিআইবি রিপোর্ট আনার শর্ত রয়েছে।

অতঃপর গত ১৩.১২.২০১২ ইং তারিখে ৪৬০তম কমিশন সভায় কোম্পানি কর্তৃক প্রস্তাবিত ২২ টাকা  (শেয়ারপ্রতি ১২ টাকা প্রিমিয়াসহ) ইস্যু মূল্যে ১০ কোটি সাধারণ শেয়ার আইপিও এর মাধ্যমে ইস্যুর প্রস্তাবে অনুমোদন প্রদান করা হয়।

এখানে উল্লেখ্য যে, কমিশন এআইসিএল এর প্রস্তাব অনুমোদনের ক্ষেত্রে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস, ২০০৬ এবং সংশ্লিষ্ট বিধি বিধান বিবেচনায় এনে অন্যান্য কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) এর অনুমোদন যেভাবে করে একই প্রক্রিয়া এবং মানদন্ড অনুসরণ করে বর্ণিত আবেদনের সম্মতি প্রদান করে।

সূত্রঃ শেয়ারনিউজ২৪

এ্যাপোলো ইস্পাতের আইপিও বাতিলের নির্দেশ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে এ্যাপোলো ইস্পাতের পুঁজিবাজার থেকে মূলধন উত্তোলনের অনুমোদন বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিভিন্ন গুরুতর অনিয়মের অভিযোগে পুঁজি উত্তোলনের প্রক্রিয়াটি বাতিলের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) চিঠিও দিয়েছেন মন্ত্রী। বুধবার সকালে বিএসইসিতে পাঠানো একই চিঠি বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ও আইসিবি’র কাছেও পাঠানো হয়েছে। নির্ভরশীল সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। একই চিঠি কোম্পানির চেয়ারম্যান দীন মোহাম্মদকেও পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন অনিয়ম দ্রুত তদন্তের নির্দেশও দেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। এ্যাপোলো ইস্পাতের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিরাজুল ইসলামের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে কোম্পানির আইপিও অনুমোদনের আগে মূলধন বাড়ানোর প্রক্রিয়া এবং বেশ কিছু অনিয়মের বিষয়ে বিএসইসি, আইসিবি, অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। ধারণা করা হয়েছে, এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর চিঠিতে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, আইপিও’র মাধ্যমে পুঁজি তুলে কোম্পানি সম্পদ নিয়ে সরে যেতে পারে। সিরাজুল ইসলামের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, নব্বইয়ের দশকের শেষে ম্যাক নামে একটি প্রতিষ্ঠান অনেক প্রিমিয়াম নিয়ে আইপিওতে যায়। আমার দুভার্গ্য যে, ওই লটারিতে আমি নিজেও কিছু শেয়ার পেয়েছিলাম। আর এ্যাপোলো ইস্পাত এই ধরনের একটি প্রতিষ্ঠান। তাই তাদের ব্যাপারে তদন্ত করা উচিত। অর্থমন্ত্রীর চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, বিতারিত শেয়ার হোল্ডাদের স্বার্থ, রাজস্ব বোর্ডে দেনা, লোকাল এলসির মাধ্যমে তারা কি রকম চুরি করেছে, সে ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা এবং প্রতিষ্ঠানের বর্তমান ব্যবসা বাণিজ্যের হিসাব নিকাশ তদন্ত করা উচিত।
চিঠিতে আরও বলা হয়, কোম্পানি এনবিআরের করখেলাপী হিসেবে চিহ্নিত। বিষয়টি নিয়ে মামলা চলছে। তিনি বলেন, বিষয়টি তার দৃষ্টিতে এসেছে। কারণ মন্ত্রী নিজেও এ ধরনের একটি জালিয়াতি কোম্পানির শিকার বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
ডিএসইর সভাপতি রকিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি সম্পূর্ণ বিএসইসির এখতিয়ার। কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেবেন আর কোন কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়া স্থগিত করবেন তাদের ওপর নির্ভর করছে। এর আগে গত বছরের ২৯ মার্চ বিএসইসি’র ৪২৫তম কমিশন সভায় এ্যাপোলো ইস্পাতের আইপিও আবেদন নামঞ্জুর করেছে সংস্থাটি।
এ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স আইপিও আবেদনে অসত্য তথ্য প্রদান করায় সংশ্লিষ্ট অডিটর, মূল্য নিরূপক (ভ্যালুয়ার), ইস্যুয়ার ও ইস্যু ম্যানেজারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি নথি এসইসি’র এনফোর্সমেন্ট বিভাগে প্রেরণের লক্ষ্যে ক্যাপিটাল ইস্যু বিভাগকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বিএসইসি’র পরিচালক আবুল কালাম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে আইপিও আবেদন নামঞ্জুর করার কারণ সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে, অন্যের জমি যা প্রসপেক্টাসে এ্যাপোলো ইস্পাতের নামে দেখানো এবং দাখিলকৃত প্রসপেক্টাসে ১৪.৭৩১৫ একর জমিকে পুনর্মূল্যায়ন করে ১৫৭ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা (প্রায়) ৩০ জুন ২০১১ সালের সমাপ্ত আর্থিক প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে।
দেখা গেছে, ওই জমি পুনর্মূল্যায়নের পর ১২৫ কোটি টাকা বেশি দেখানো হয়েছে এবং ৩০ জুন ২০১১ সালের সমাপ্ত আর্থিক প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হয়েছে। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর বিএসইসি’র ৪৬০তম কমিশন সভায় পুনরায় আইপিওর টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেয়।
কোম্পানি অনুমোদিত মূলধনের পরিমাণ ৫শ’ কোটি টাকা আর পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১৫০ কোটি টাকা। কোম্পানি পুঁজিবাজার থেকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১২ টাকা প্রিমিয়াম নিয়ে মোট ২২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। আইপিও’র মাধ্যমে সংগৃহীত টাকা দিয়ে কোম্পানি এনওএফ নামের নতুন একটি প্লান্ট স্থাপন করবে এবং ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করা হবে। ২০১২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের হিসাবে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় দেখানো হয়েছে ২.৩৬ টাকা। এবং নেট এ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) দেখানো হয়েছে ১৪.৯৪ টাকা। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিট্যাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।