Tag Archives: আইপিও

পদ্মা লাইফের আইপিও অনুমোদন

শেয়ারবাজারে আসছে জীবন বিমা খাতের কোম্পানি পদ্মা লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) গতকাল মঙ্গলবারের নিয়মিত সভায় কোম্পানিটির শেয়ারের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন অনুমোদন করা হয়।
এ নিয়ে পুনর্গঠিত এসইসি মোট ছয়টি কোম্পানির আইপিও অনুমোদন করল। অন্য পাঁচটি কোম্পানি হলো: বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি), জিএসপি ফাইন্যান্স, রংপুর ডেইরি, জাহিনটেক্স এবং জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড।
সভাশেষে এসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
এসইসি জানিয়েছে, পদ্মা লাইফ ইনস্যুরেন্স ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এক কোটি ২০ লাখ শেয়ার বাজারে ছাড়বে। এর মাধ্যমে এটি বাজার থেকে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে, যা দিয়ে কোম্পানিটির ঋণ পরিশোধ করা হবে। কোম্পানিটির শেয়ারের ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল। কোম্পানিটির প্রতিটি মার্কেট লট বা বাজারগুচ্ছে থাকবে ৫০০ শেয়ার। ২০১০ সাল শেষে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) দেখানো হয়েছে ১৪ টাকা ৩৭ পয়সা। পদ্মা লাইফ ইনস্যুরেন্স বাজারে এলে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৪৫টিতে।

সূত্র: প্রথম আলো, ২৩ নভেম্বর, ২০১১

আইপিও অনুমোদন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি

পুঁজিবাজারের বর্তমান নেতিবাচক পরিস্থিতির কারণে আপাতত নতুন কোম্পানির আইপিও অনুমোদন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।সূত্র জানায়, পুঁজিবাজারের সংকট কাটাতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এসইসির কাছে কয়েকটি বিষয়ে মতামত জানতে চেয়ে চিঠি পাঠায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এরমধ্যে তারল্য সংকট, অতি মূল্যায়ন রোধ, কারসাজিকারকদের শনাক্তকরণসহ বিভিন্ন বিষয় জানতে চাওয়া হয়। এসইসি তাদের সুপারিশমালায় জানিয়েছে যে, পুঁজিবাজারে বর্তমানে তারল্য সংকট চলছে। এ অবস্থায় নতুন আইপিও’র অনুমোদন দেয়া হলে তা তারল্য সংকট আরো প্রকট করে তুলবে। এ অবস্থায় আপাতত নতুন আইপিও’র অনুমোদন দেয়া বন্ধ রেখেছে এসইসি। ইতিমধ্যেই বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে তালিকাভুক্তি স্থগিত করা হয়েছে। তবে ফিঙ্ড প্রাইস পদ্ধতি চালু থাকলেও এ মুহূর্তে আইপিও’র আবেদনও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এরই ধারবাহিকতায় গত সপ্তাহে রংপুর ডেইরি এন্ড ফুড প্রডাক্টসের আইপিও ফেরত দেয়া হয়েছে। বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসলে আইপিও অনুমোদন দেয়া শুরু হবে বলে এসইসি সুপারিশে জানিয়েছে। এছাড়া পুজিবাজারের বর্তমান অবস্থায় সরকারি শেয়ার ছাড়ার বিষয়টি নতুন করে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে সরকারি শেয়ার বাজারে ছাড়ার বিষয়টি বিলম্বিত হতে পারে। কারণ, এখন বাজারে সরকারি শেয়ার ছাড়া হলে প্রকৃত মূল্য পাওয়ার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ইতিমধ্যেই দর পড়ে যাওয়ায় রূপালী ব্যাংকের শেয়ার অফলোড প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

পুঁজিবাজারে তারল্য হ্রাস বৃদ্ধির বিষয়ে এসইসি কোনো হস্তক্ষেপ করবে না বলে তাদের সুপারিশে বলা হয়। মার্জিন ঋণ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করার জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে পৃথকভাবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তবে মার্জিন ঋণ ও আর্থিক সমন্বয় সুবিধা বন্ধের বিষয়ে এসইসি কোনো মতামত দেয়নি বলে জানা গেছে।
সুপারিশমালায় তালিকাভুক্ত কোম্পানির অতি মূল্যায়ন রোধ বিষয়ে এসইসি জানিয়েছে, কোম্পানির শেয়ারের দর ও মৌলভিত্তিতে সমন্বয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জকে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। চিঠিতে পুঁজিবাজারে কারসাজির সাথে জড়িতদের শনাক্তকরণে এসইসির ভূমিকা বিষয়ে জানতে চাইলে এসইসি জানিয়েছে যে, কারসাজির সাথে জড়িতদের শনাক্তকরণে ইউনিফর্ম সফটওয়্যার করবে। একই সাথে পুঁজিবাজারের সার্ভিলেন্স কার্যক্রমকে আরো জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এছাড়া পুঁজিবাজারে শেয়ার লেনদেনে বিনিয়োগকারীদের অধিক সতর্ক করার জন্য নিয়মিতভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে এসইসি তাদের সুপারিশে জানিয়েছে।

Source: sheershanews.com , 14 Feb, 2011

৬৭৫ কোটি টাকার ২ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন

বুক বিল্ডিং ও ফিক্সস প্রাইস পদ্ধতিতে ৬৭৫ কোটি টাকার দুই কোম্পানির আইপিও অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন(এসইসি)। এ দু’টি কোম্পানি হলো- ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রির্সোস লিমিটেড এবং বরকত উল্লাহ ইলেকট্রোডার্স ডাইনামিক লিমিটেড।

মঙ্গলবার এসইসির ৩৬৮তম  কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।  সভা শেষে কমিশনের নির্বাহী পরিচালকট এটিএম তারিকুজ্জামান আইপিও দু’টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান।

এসময় অপর নির্বাহী পারচালক আনোয়ারুল কবির ভূইয়া উপস্থিত ছিলেন।

এদের মধ্যে হোটেল ইউনিক বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এ কোম্পানির ইন্ডিকেটিভ প্রাইস ধরা হয়েছে ১৮৫ টাকা। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৫৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সংগৃহিত টাকা দিয়ে কোম্পানিটি আরো ৩টি ফাইভ স্টার হোটেল নির্মান করবে।

হোটেল তিনটি হলো হোটেল মেরিডিয়ান, হোটেল লাক্সজারিয়াস কারেকশন ও হোটেল ওয়েস্টিন-১। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার ব্র্যাক ইপিএল।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির ইপিএস ৪ টাকা ৮০ পয়সা।

অন্যদিকে, বরকত উল্লাহ ইলেকট্রোডার্স লিমিটেড ফিক্সস প্রাইস পদ্ধতিতে বাজারে তালিকাভুক্ত হবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৫০ টাকা প্রিমিয়াম নেওয়া হচ্ছে। কোম্পানটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এই টাকা দিয়ে কোম্পানিটি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে ১৫১ মেগাওয়াটের একটি পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করবে। কোম্পানিটির ইস্যূ ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে প্রাইম ফাইন্যান্স।

Source: banglanews24.com, 28 December, 2010

২০১০ সালে ২৩৫৫ কোটি টাকার আইপিও অনুমোদন

ঢাকা: চলতি বছর বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ২ হাজার ৩৫৫ কোটি ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার আইপিও অনুমোদন করেছে। ২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১১টি কোম্পানি মাধ্যমে এই টাকার আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

২০০৯ সালে এসইসি মাত্র ৬০৩ কোটি ৭২ লাখ ৫৮ হাজার টাকার আইপিও অনুমোদন দেয়। ওই সময়ে ৯টি কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার অনুমোদন পায়।

এ হিসেবে ২০০৯ সালের তুলনায় চলতি বছর প্রায় চারগুণ টাকার আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

বাজারে বিনিয়োগকারী সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে বাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানো জন্য এটি করা হয়েছে বলে এসইসি থেকে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে আইপিও অনুমোদন ছাড়া চলতি বছরে রেকর্ড পরিমাণ রাইট শেয়ার অনুমোদন করেছে এসইসি।

২০১০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২টি কোম্পানির রাইট শেয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। যার আর্থিক পরিমাণ ২ হাজার ৪৭২ কোটি ৫ লাখ ২ হাজার ২২০ টাকা। বিপরীতে ২০০৯ সালে এসইসি মাত্র ৬টি কোম্পানির রাইট শেয়ার অনুমোদন করেছে। যার আর্থিক মূল্যে ১৪৪ কোটি ১৪ লাখ ২০ হাজার ৪০০ টাকা। ২০১০ সালে ২০০৯ সালের তুলনায় প্রায় ২০৭৬ কোটি টাকার বেশি রাইট শেয়ার বাজারে আসে।

এ ব্যাপারে এসইসির নির্বাহী পরিচালক এটিএম তারিকুজ্জামান বাংলানিউজকে বলেন, ‘চলতি বছর শুরু থেকে বাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাগানোর জন্য বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে। আর এই কারণে চলতি বছরে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সংখ্যার দিক দিয়ে চলতি বছর আগের বছরের তুলনায় ২টি কোম্পানি বেশি তালিকাভুক্ত হয়। কিন্তু আইপিও’র আকার বড় হওয়ার কারণে গত বছরের তুলনায় ২০৭৬ কোটি বেশি শেয়ার বাজারে আসে।’

তিনি আরো বলেন, আইপিও‘র পাশাপাশি অনেক বেশি রাইট শেয়ারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এ বছর।

Source: banglanews24.com, 28 December, 2010