এমএল ডাইংকে পিছনে ফেলে দিল এ তিন কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক গণপ্রস্তাব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু করেছে এমএল ডাইং লিমিটেড। দিন শেষে কোম্পানিটির শেয়ার দর দাড়িঁয়েছে ২৪.২০ টাকায়। প্রথম দিনেই কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ১৪.২০ টাকা বা ১৪২ শতাংশ। কিন্তু এদিন শেয়ার সংখ্যা লেনদেনের দিক দিয়ে কোম্পানিটি চতুর্থ অবস্থানে নেমে এসেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, সাধারণ লেনদেন শুরুর দিন রেকর্ড পরিমান শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে টার্নওভার, গেইনার ও ভলিউমের দিক দিয়ে শীর্ষে উঠে আসে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানি। কারণ, এই দিন আইপিও বিজয়ী বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রয় করে মুনাফা তোলার প্রচেষ্ঠা করে। কিন্তু সোমবার শেয়ার লেনদেন তালিকায় এমএল ডাইং ছিল চতুর্থ অবস্থানে।

এদিন, শেয়ার লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো- ফ্যামিলি টেক্স, একটিভ ফাইন কেমিক্যাল ও খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।

জানা যায়, সোমবার ১ কোটি ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ৩৪২টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে ফ্যামিলি টেক্সের। এসময় কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ০.৫ টাকা। দিনশেষে কোম্পানিটির শেয়ার ৫.৫ টাকা থেকে বেড়ে ৬ টাকায় স্থিতি পেয়েছে।

শেয়ার লেনদেন দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল একটিভ ফাইন কেমিক্যাল। এদিন কোম্পানিটির ৯৬ লাখ ৭১ হাজার ৬৫২টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এসময় কোম্পানিটির শেয়ার দর ১.৩ টাকা বেড়ে সর্বশেষ ৪৫.৮ টাকায় লেনদেন হয়েছে।

এছাড়া ৭৫ লাখ ৯১ হাজার ৩৪৭টি শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। এসময় এমএল ডাইংয়ের ৬১ লাখ ৩৭ হাজার ৪২৫টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

শেয়ারনিউজ; ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বিনিয়োগের স্বর্গ বাংলাদেশেরপুঁজিবাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে বিনিয়োগের স্বর্গ’ হিসেবে অভিহিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি দেশের অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি নিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রতিবেদন তৈরি করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইকোনমিক অ্যাডভাইজর ড. আখতারুজ্জামান।

প্রতিবেদনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেখিয়েছে ডিভিডেন্ড ইয়েল্ড (কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ দেয়ার হার) ও মূল্য আয় অনুপাতে (পিই রেশিও) দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার অনেক দূর এগিয়ে রয়েছে। তাই বর্তমান সময়ে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার অত্যন্ত আকর্ষণীয় অবস্থানে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত দেশের পুঁজিবাজারের ডিভিডেন্ড ইয়েল্ডের পরিমান ৩.৬৯। যা উপমহাদেশের বড় দুই পুঁজিবাজার ভারত ও শ্রীলংকার তুলনায় অনেকটাই বেশি। একই সময়ে ভারত ও শ্রীলংকার ডিভিডেন্ড ইয়েল্ডের পরিমাণ হয়েছে ১.৪১ ও ৩.০৪। পাশাপাশি থাইল্যান্ডের পুঁজিবাজারের ডিভিডেন্ড ইয়েল্ডের পরিমান ৩.১৯। প্রতিবেদনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেখিয়েছে ডিভিডেন্ড ইয়েল্ড (কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ দেয়ার হার) ও মূল্য আয় অনুপাতে (পিই রেশিও) দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার অনেক দূর এগিয়ে রয়েছে। তাই বর্তমান সময়ে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার অত্যন্ত আকর্ষণীয় অবস্থানে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এর আগের তিন মাসে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত দেশের পুঁজিবাজারের ডিভিডেন্ড ইয়েল্ডের পরিমাণ ছিল ৩.৭৪। একই সময়ে ভারত ও শ্রীলংকার ডিভিডেন্ড ইয়েল্ডের পরিমাণ ছিল ১.৪৪ ও ৩.০৪। উল্লেখ্য, কোম্পানির শেয়ারদরের সঙ্গে বাৎসরিক ডিভিডেন্ড দেয়ার অনুপাতকে ডিভিডেন্ড ইয়েল্ড বলে উল্লেখ করা হয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার জন্য এখনই সেরা সময়। তাই অপেক্ষাকৃত কম বিনিয়োগেই অধিক মুনাফা করা সম্ভব। বিশ্লেষকরা বলছেন, যথাযথ প্রচার-প্রচারণা ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচির মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব।

এদিকে, শেয়ারপ্রতি মূল্য আয় অনুপাতের (পিই রেশিও) বিচারেও উপমহাদেশের দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী। ভারত, শ্রীলংকা ও থাইল্যান্ডের তুলনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের পিই রেশিও কম অর্থাৎ বাজার পরিস্থিতি অধিক বিনিয়োগ উপযোগী। উল্লেখিত প্রান্তিকে ডিএসই’র সার্বিক পিই রেশিও’র পরিমাণ ছিল ১৫.১৯। যেখানে একই সময় ভারতের ২০.৯২ ও থাইল্যান্ডের পিই রেশিও ২১.৭৬। এর আগের প্রান্তিকে ডিএসই’র সার্বিক পিই রেশিও’র পরিমাণ ছিল ১৪.৬৬। যেখানে একই সময় ভারতের ১৯.১২ ও থাইল্যান্ডের পিই রেশিও ছিল ২০.১১। তবে বর্তমানে অর্থাৎ ৫ জানুয়ারি, ২০১৭ তারিখের লেনদেন শেষে ডিএসই-তে পিই রেশিও হয়েছে ১৪ দশমিক ৭১। এর প্রভাবে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিওতে শেয়ার কেনা হয়েছে ৫ হাজার ৫৭ কোটি টাকার। যা এর আগের বছর ছিল ৩ হাজার ৮২৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সেই হিসাবে শেয়ার কেনার পরিমাণ বেড়েছে ১ হাজার ২৩১ কোটি ৬০ লাখ টাকা বা ৩২.১৯ শতাংশ। পাশাপাশি ২০১৬ সালে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন হয় ৮ হাজার ৭৭৩ কোটি ৩০ টাকা। যা ২০১৫ সালে ছিল ৭ হাজার ৪৬৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সেই হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ৩০৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বা ১৮ শতাংশ। আলোচ্য বছরে শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে ৩ হাজার ৭১৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার। যা গত বছর ছিল ৩ হাজার ৪৩৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

এছাড়া বর্তমান পুঁজিবাজারে অর্থাৎ দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইকোনমিক অ্যাডভাইজর ড.আখতারুজ্জামান বলেন, ডিভিডেন্ড ইয়েল্ড এবং পিই রেশিওতে দেশের পুঁজিবাজার অনেক এগিয়ে রয়েছে। যা দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সহায়ক হবে। কারণ ডিভিডেন্ড ইয়েল্ড এবং পিই রেশিও’র হিসেবে আমাদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে নিশ্চিত মুনাফা পাওয়া যাবে।

শেয়ারনিউজ;১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ইন্দো বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের আইপিও লটারির ফলাফল প্রকাশ

 

পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সকাল সাড়ে ১০টায় এ ড্র’র অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে।

লটারির ড্র শেষে বিনিয়োগকারীদের জন্য ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। যার লিঙ্কনিচে দেয়া হলো।

স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেক হোল্ডার ও মার্চেন্ট ব্যাংকারদের তালিকা

সাধারণ বিনিয়োগকারী

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী

প্রবাসী বিনিয়োগকারী

ইলিজিবল ইনভেষ্টর

প্রসঙ্গত, কোম্পানির আইপিও আবেদন গত ৯ আগষ্ট শুরু হয়, যা শেষ হয় ১৬ আগস্ট। এছাড়া গত ১৬ জুলাই ইন্দোবাংলার আইপিওর সম্মতিপত্র পায় কোম্পানিটি।

এর আগে উচ্চ আদালত কোম্পানিটির আইপিও স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে। ন্যাশনাল ব্যাংকের সঙ্গে কোম্পানির ঋণ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের পর এই সম্মতিপত্র পায় কোম্পানিটি।

কোম্পানিটির ৪ জন পরিচালক ঋণ খেলাপি হওয়ায় ন্যাশনাল ব্যাংকের পক্ষ থেকে বরিশালের অর্থ ঋণ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। এতে কোম্পানির আইপিও আবেদনে ৬ মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছিল।

এর আগে গত বছরের ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৬১৩ তম কমিশন সভায় কোম্পানিটিকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

ইন্দো-বাংলা ফার্মা আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে এ অর্থ উত্তোলন করবে।

উত্তোলিত টাকায় অবকাঠামো নির্মাণ, মেশিনারিজ ক্রয় এবং আইপিও সংক্রান্ত খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৬ হিসাব বছর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.৬২ টাকা। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১.৬৩ টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে এএফসি ক্যাপিট্যাল, ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং সিএপিএম অ্যাডভাইসরি লিমিটেড।

ইন্দো বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের আইপিও লটারির ফলাফল প্রকাশ

পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সকাল সাড়ে ১০টায় এ ড্র’র অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে।

লটারির ড্র শেষে বিনিয়োগকারীদের জন্য ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। যার লিঙ্ক দুপুর ১২টা নাগাদ আমাদের হাতে এসে পৌছবে বলে আশা প্রকাশ করছি।

স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেক হোল্ডার ও মার্চেন্ট ব্যাংকারদের তালিকা

সাধারণ বিনিয়োগকারী

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী

প্রবাসী বিনিয়োগকারী

ইলিজিবল ইনভেষ্টর

প্রসঙ্গত, কোম্পানির আইপিও আবেদন গত ৯ আগষ্ট শুরু হয়, যা শেষ হয় ১৬ আগস্ট। এছাড়া গত ১৬ জুলাই ইন্দোবাংলার আইপিওর সম্মতিপত্র পায় কোম্পানিটি।

এর আগে উচ্চ আদালত কোম্পানিটির আইপিও স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে। ন্যাশনাল ব্যাংকের সঙ্গে কোম্পানির ঋণ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের পর এই সম্মতিপত্র পায় কোম্পানিটি।

কোম্পানিটির ৪ জন পরিচালক ঋণ খেলাপি হওয়ায় ন্যাশনাল ব্যাংকের পক্ষ থেকে বরিশালের অর্থ ঋণ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। এতে কোম্পানির আইপিও আবেদনে ৬ মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছিল।

এর আগে গত বছরের ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৬১৩ তম কমিশন সভায় কোম্পানিটিকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

ইন্দো-বাংলা ফার্মা আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে এ অর্থ উত্তোলন করবে।

উত্তোলিত টাকায় অবকাঠামো নির্মাণ, মেশিনারিজ ক্রয় এবং আইপিও সংক্রান্ত খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৬ হিসাব বছর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.৬২ টাকা। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১.৬৩ টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে এএফসি ক্যাপিট্যাল, ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং সিএপিএম অ্যাডভাইসরি লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ/ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ইন্দো-বাংলায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের রেকর্ড আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) রেকর্ড পরিমাণ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা আবেদন করেছেন।

আগামী ১১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির লটারি ড্র অনুষ্ঠিত হবে। রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টায় লটারি ড্র অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, গত ৯ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত আইপিও আবেদন গ্রহণ করে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস। কারখানা, প্রশাসনিক ভবন, গুদাম ও গ্যারেজ ভবন নির্মাণ, মেশিনারিজ ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতের ব্যয় মেটাতে কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করছে। এ জন্য ১০ টাকা অবিহিত মূল্যে ইন্দো-বাংলা আইপিওর মাধ্যমে ২ কোটি শেয়ার ছাড়ছে।

আইপিও শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ কোটি শেয়ার। অর্থাৎ ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস আইপিও’র মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। তবে এই ১০ কোটি টাকার শেয়ার পেতে ৭৫৭টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী আবেদন করেছে।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগাকারীরা আইপিওতে শেয়ার পেতে যে আবেদন করেছে তার আর্থিক মূল্য ১৪৯ কোটি ২৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ ইন্দো-বাংলার শেয়ার পেতে ১ হাজার ৪৯৩ শতাংশ আবেদন জমা পড়েছে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের আইপিওতে সর্বোচ্চসংখ্যক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী আবেদন করেছে। এর আগে কোনো কোম্পানির আইপিওতে এতো বেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী আবেদন করেনি।

ইন্দো-বাংলার আগে এতদিন প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আইপিও আবেদনে শীর্ষে ছিল এমএল ডাইংয়। কোম্পানিটির শেয়ার পেতে ৭৪৩ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী আইপিওতে আবেদন করে।

এমএল ডাইংয়ের পরের অবস্থানে থাকা সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালসের আইপিওতে ৭৩৫ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী আবেদন করেছিল। আইপিওতে ৭’শর ওপরে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর আবেদন পড়া আর একটি কোম্পানি ভিএফএস থ্রেড ডাইং। এ প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ৭০৬টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী আবেদন করে।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের রেকর্ডসংখ্যক আবেদন পাওয়া ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসকে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন করতে পুঁজিবাজেরর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গত বছরের ৩ অক্টোবর অনুমোদন দেয়।

আইপিও অনুমোদন দেয়ার সময় বিএসইসি জানায়, ২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২১ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৮৪ পয়সা।

শেয়ারনিউজ; ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

জেনেক্স ইনফোসিসের আইপিও অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে জেনেক্স ইনফোসিস। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৫৬তম সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৪ সেপ্টেম্বর) বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, জেনেক্স ইনফোসিস শেয়ারবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এজন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণ, ঋণ পরিশোধ ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানিটির পুন:মূল্যায়ন ছাড়া নীট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৩.৯৬ টাকা।

জেনেক্স ইনফোসিসের সাবসিডিয়ারি কোম্পানিসহ ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.০২ টাকা।

আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ; ০৪ সেপ্টম্বর ২০১৮

১৪ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি বছরের গত আট মাসে ১৪টি কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পেয়েছে। যা আগের বছরের চেয়ে বেশি। এ বছর অনুমোদন পাওয়া কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজার থেকে প্রায় ৭৭৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে এবং অর্থ উত্তোলনের অপেক্ষায় থাকা কোম্পানিগুলোর ৪৬৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে।

কোম্পানিগুলো হচ্ছে- কুইন সাইথ টেক্সটাইল, অ্যাডভেন্ট ফার্মা, ইন্টাকো রিফুয়েলিং স্টেশন, এস কে ট্রিমস, বসুন্ধরা পেপার, আমান কটন। ইতোমধ্যে কোম্পানিগুলো বাজারে শেয়ার লেনদেন শুরু করেছে।

এছাড়া ভিএফএস থ্রেড, এমএ ডাইং, সিলভা ফার্মা লেনদেনের অপেক্ষায় আছে। ইন্দো বাংলা ফার্মা আইপিও লটারী ড্র ১১ সেপ্টেম্বর। কাট্রালি টেক্সটাইল আইপিও আবেদন চলছে। যা ১৩ সেপ্টেম্বর শেষ হবে। এসএস স্টীল আইপিও অনুমোদন পেয়েছে। কোম্পানিটির চাঁদা গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

এদিকে, বুক বিল্ডিং পদ্ধতির মাধ্যমে বাজারে আসার প্রক্রিয়ায় রয়েছে এস্কয়ার নিট, কোম্পানিটির বিডিং শেষ হয়েছে। যার কাট অফ প্রাইস নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫ টাকা। কোম্পানিটি বাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এছাড়া রানার অটোমোবাইলসের বিডিং আগামী ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হবে। কোম্পানিটি বাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে।

আইপিও পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কুইন সাউথ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড পুঁজিবাজার থেকে ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার বাজারে ছেড়েছে।

অ্যাডভেন্ট ফার্মা লিমিটেড আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি শেয়ার ইস্যু করেছে।

ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন লিমিটেড আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৩ কোটি শেয়ার ইস্যু করেছে কোম্পানিটি।

এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৩ কোটি শেয়ার ইস্যু করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে লেনদেন চলছে।

এদিকে, ভিএফএস থ্রেড ডাইং লিমিটেড আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ২২ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ইস্যু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। কোম্পানিটির লেনদেন আগামী ৯ সেপ্টেম্বর শুরু হবে।

এমএল ডাইং লিমিটেডের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে আইপিওর মাধ্যমে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। কোম্পানিটি লেনদেনের অপেক্ষায় আছে।

সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস বাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। কোম্পানিটি শেয়ার লেনদেনের অপেক্ষায় আছে।

ইন্দো-বাংলা ফার্মা আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে এ অর্থ সংগ্রহ করেছে কোম্পানিটি। উত্তোলিত টাকায় অবকাঠামো নির্মাণ, মেশিনারিজ ক্রয় করবে। কোম্পানিটির আইপিও লটারির ড্র আগামী ১১ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

কাট্টালি টেক্সটাইলের আইপিও আবেদন চলছে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৩ কোটি ৪০ লাখ সাধারণ শেয়ার ছেড়ে আইপিওর মাধ্যমে ৩৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানির আইপিও আবেদন আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।

এছাড়া এসএস স্টীল আইপিওর মাধ্যমে ২৫ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে। ১০ টাকা ফেস ভ্যালুতে ২ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ইস্যু করবে প্রতিষ্ঠানটি। কোম্পানির চাঁদা গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ হয়নি।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতি অনুসরণ করে বসুন্ধরা পেপার পুঁজিবাজারে ২ কোটি ৬০ লাখ ৪১ হাজার ৬৬৭টি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ১৯৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৫২ টাকা সংগ্রহ করেছে। কোম্পানির শেয়ার বাজারে লেনদেন হচ্ছে।

বাজার থেকে সংগ্রহ করা অর্থ দিয়ে কারখানার অবকাঠামো উন্নয়ন, যন্ত্রপাতি ক্রয়, স্থাপনা ও ভূমি উন্নয়ন, ঋণ পরিশোধে ব্যয় করবে।

আমান কটন পুঁজিবাজার থেকে ৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। পুঁজিবাজার থেকে সংগ্রহ করা অর্থের একটি বড় অংশ দিয়ে কারখানায় আধুনিক মেশিনারি স্থাপন করবে প্রতিষ্ঠানটি।

শেয়ারনিউজ; ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ইন্দো-বাংলার আইপিও লটারির ড্র তারিখ নির্ধারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সম্প্রতি প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) লটারির ড্র তারিখ নির্ধারণ করেছে ওষুধ ও রসায়ন খাতের ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর কোম্পানির আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানির সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট, কাকরাইল, ঢাকা এ কোম্পানির আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে কোম্পানির আইপিও আবেদন গত ৯ আগষ্ট থে‌কে শুরু হয়। যা চলে ১৬ আগষ্ট পর্যন্ত।

গত বছরের ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৬১৩ তম কমিশন সভায় কোম্পানিটিকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে এ অর্থ উত্তোলন করবে।

উত্তোলিত টাকায় অবকাঠামো নির্মাণ, মেশিনারিজ ক্রয় এবং আইপিও সংক্রান্ত খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৬ হিসাব বছর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.৬২ টাকা। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১.৬৩ টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে এএফসি ক্যাপিট্যাল, ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং সিএপিএম অ্যাডভাইসরি লি:।

শেয়ারনিউজ; ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সিলভা ফার্মার আইপিও লটারির ড্র সম্পন্ন: ফলাফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার জন্য ওষুধ ও রসায়ন খাতের সিলভা ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের লটারির ড্র সম্পন্ন হয়েছে। ৩০ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ১০টায়, রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট, আইইবি মিলনায়তন, রমনা, ঢাকায় এ লটারির ড্র’র সম্পন্ন হয়।

লটারি শেষে কোম্পানিটি বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করেছে। ফলাফল জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন…….

ট্রেকহোল্ডার ও মার্চেন্ট ব্যাংকের তালিকা

সাধারণ বিনিয়োগকারীদের তালিকা

ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের তালিকা

প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের তালিকা

ইলিজিবল ইনভেষ্টরদের (প্রো রাটা অ্যালটমেন্ট) তালিকা

এর আগে গত ২৯ জুলাই থেকে ৫ আগষ্ট পর্যন্ত বিনিয়োগকারীরা এ কোম্পানির শেয়ারে আবেদন করেন। গত ১১ জুন বিএসইসির ৬৪৭তম কমিশন সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৩ কোটি সাধারণ শেয়ার ইস্যু করে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। উত্তোলিত অর্থে সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস মেশনারিজ ও যন্ত্রপাতি ক্রয়, কারখানা ভবন নিমার্ণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিওর খরচ বাবদ এ টাকা ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী পূনঃমূল্যায়ন ছাড়াই কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৬৪৮ টাকা। এছাড়া, ভারতি গড় হারে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৩ টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড ও এসবিএল ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ; ৩০ আগস্ট ২০১৮

সিলভা ফার্মার আইপিও তালিকা প্রকাশ: আপনার আবেদন জমা পড়েছে কি?

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ৫ আগস্ট শেষ হয়েছে। আগামী ৩০ আগস্ট বৃহস্পতিবার আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হবে।

রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট (আইইবি) মিলনায়তনে লটারি সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নিম্নে কোম্পানির আইপিও লিষ্টের লিঙ্ক দেয়া হয়েছে। নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে Ctrl+F প্রেস করে আপনার আইডি নম্বর বসিয়ে দিন। এতে অনেক খোঁজাখুজির ঝামেলা হবে না। এছাড়া তাড়াতাড়ি আপনার আইডি বের করতে পারবেন।

ডিএসই’র তালিকা…. ক্লিক করুন

সিএসই’র তালিকা…. ক্লিক করুন

জানা যায়, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৩ কোটি শেয়ার পুঁজিবাজারে ছেড়ে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করছে সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস। উত্তোলিত অর্থ যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি ক্রয়, কারখানার ভবন নির্মাণ, ঋণ পরিশোধ ও আইপিও খাতে ব্যয় করা হবে।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরে কোম্পানিটির পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৬ টাকা ৪৮ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা শূন্য ৩ পয়সা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফিন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড ও এসবিএল ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ; ২৯ আগস্ট ২০১৮