নিউ লাইন ক্লোথিংসের আইপিওতে রেকর্ড আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া নিউ লাইন ক্লোথিংসের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) প্রাতিষ্ঠানিক বা যোগ্য বিনিয়োগকারীদের রেকর্ড পরিমাণ আবেদন জমা পড়েছে। যা এর আগে অন্য কোন কোম্পানির আইপিওতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের এতো আবেদন জমা পড়ে নাই।

নিউ লাইনের আইপিওতে আবেদন সংগ্রহ করা হয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত। ওইসময় কোম্পানিটির শেয়ার কেনার জন্য আইপিওতে ৮৯৯টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন করা হয়েছে। যা অন্য যেকোন কোম্পানির চেয়ে বেশি। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা জেনেক্স ইনফোসিসে ৮৪৩টি ও তৃতীয় স্থানে থাকা এসএস স্টিলে ৮২৮টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন করা হয়। এরপরে অবস্থানে থাকা কাট্টালি টেক্সটাইলে ৭৭১টি ও ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসে ৭৫৭টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন করা হয়।

নিউ লাইন ক্লোথিংসের জন্য পুঁজিবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করা হবে। এরমধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ ৫০ শতাংশ বা ১৫ কোটি টাকা। এই ১৫ কোটি টাকার বিপরীতে ৮৯৯টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ২৬২ কোটি ৬৯ লাখ ৯০ হাজার টাকার আবেদন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে চাহিদার ১৭.৫১ গুণ বা ১৭৫১ শতাংশ আবেদন জমা পড়েছে।

গত ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৬৭তম সভায় কোম্পানিটিকে এ অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়। এজন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা ক্রয়, কারখানা ভবন সম্প্রসারণ, মেয়াদী ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

নিউ লাইনের ২০১৬-১৭ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.৮৫ টাকা। আর ২০১৭ সালের ৩০ জুন পুন:মূল্যায়নসহ নীট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩১.৬৩ টাকায় এবং পুন:মূল্যায়ন ছাড়া এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০.৫২ টাকায়।

আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, সন্ধানী লাইফ ফাইন্যান্স এবং সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল সার্ভিসেস।

শেয়ারনিউজ; ০৫ মার্চ ২০১৯