পুঁজিবাজারে অস্থিরতার সময় ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা আইপিওতে কোটা বরাদ্দ পেতে চাইলে কেবল সংশ্লিষ্ট কোটায় আবেদন করতে হবে।
কেউ একই সঙ্গে ‘সাধারণ’ ও ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ কোটায় আবেদন করলে তা বাতিল হয়ে যাবে।
মঙ্গলবার পুঁজিবাজার সংক্রান্ত একটি বিশেষ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান কমিটির প্রধান মো. ফায়েকুজ্জমান।
সকালে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) সম্মেলন কক্ষে বিশেষ স্কিম প্রণয়ন কমিটির এই বৈঠক হয়।
গত ২৩ নভেম্বর এসইসির পুঁজিবাজারের জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজের অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ স্কিম প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান বলেন, ”গত ১৫ এপ্রিল ক্ষতিগ্রস্তদের তথ্য জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রায় সব মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজ তথ্য সরবরাহ করেছে কমিটিকে।”
তথ্য যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করে এসইসিতে জমা দেওয়ার শেষ দিন ৩০ এপ্রিল বলে জানান তিনি।
“তবে আমরা আগামী সাত দিনের মধ্যেই সমস্ত তথ্য এসইসির কাছে জমা দিয়ে দেব।”
এর আগে গত ৪ মার্চ ১০ লাখ টাকার নিচে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ সুদ মওকুফের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে সরকার। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের আইপিওতে ২০ শতাংশ কোটা বরাদ্দেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সূত্র: বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর, এপ্রিল ১৭, ২০১২