অমনিবাস ও আইপিও’র প্রভাব এপ্রিলে বিও বেড়েছে ১৭ হাজার

এপ্রিল মাসজুড়ে পুঁজিবাজার পতনের মধ্যে থাকলেও বেনিফিশিয়ারি ওনার্স একাউন্ট (বিও) বেড়েছে। মার্চ মাসের তুলনায় এপ্রিলে প্রায় ১৭ হাজার বিও বৃদ্ধি পেয়েছে। অমনিবাসের নন-ডিসক্রিশনারী একাউন্টগুলো ধীরে ধীরে পৃথক বিওতে রূপান্তর হওয়ায় বিও সংখ্যা বেড়েছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে বিভিন্ন কোম্পানির প্রাথমিক গণ প্রস্তাবকে (আইপিও) কেন্দ্র করেও বিও বেড়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।

এপ্রিল মাসের ৫ তারিখে বিও একাউন্ট ছিল ২৬ লাখ ৫৪ হাজার ৩৭৫টি। যা ১৯ কার্যদিবস শেষে ১৭ হাজার ১৬টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ লাখ ৭১ হাজার ৩৯১টিতে। সিডিবিএল সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

মার্চের ১৮ কার্যদিবসে গড়ে সাড়ে ৩ হাজার করে প্রায় ৭০ হাজার বিও বেড়েছে। ওই সময় অমনিবাসকে পৃথক বিওতে রূপান্তরের কারণে সংখ্যা বৃদ্ধি পায় বলে জানা যায়। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

মোট ২৬ লাখ ৭১ হাজার ৩৯১টি বিও’র মধ্যে ১৯ লাখ ৯১ হাজার ৭৭৩টি পুরুষ, ৬ লাখ ৭০ হাজার ৭৯টি মহিলা এবং ৯ হাজার ৫৩৯টি কোম্পানি একাউন্ট রয়েছে। বর্তমানে দেশের মধ্যে থাকা নাগরিকের বিও ২৫ লাখ ২২ হাজার ২০৩টি ও প্রবাসীদের ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৪৯টি বিও একাউন্ট রয়েছে।

বর্তমানে অধিকাংশ শেয়ারের দর যে অবস্থায় রয়েছে তাতে কম দরে শেয়ার ক্রয়ের জন্য অনেকে বিও খুলছেন বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তবে বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজমান না থাকলে বিও আরো বাড়তো বলে মনে করেন তারা। এছাড়া প্রাইমারী মার্কেটে মুনাফা নিশ্চিত হওয়ার কারণে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা এদিকে ঝুঁকছেন বলে জানা গেছে।

গত এক বছরের মধ্যে ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে সর্বোচ্চ বিও ছিল। সে সময় বিও সংখ্যা ছিল ২৮ লাখ ১৯ হাজার ৮২২টি। এরপর থেকে বিও ক্রমান্বয়ে কমতে কমতে সর্বনিম্ন হয় সেপ্টম্বর মাসে ২৩ লাখ ৮০ হাজার ৫৩৫টি। এপ্রিল মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত মূলত: কমতে থাকে বিও নবায়ন না করাকে কেন্দ্র করে। সবচেয়ে বেশি প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার বিও কমে জুলাই মাসে। তবে সেপ্টেম্বর মাসের পরে থেকে আবার ক্রমান্বয়ে বিও বাড়তে শুরু করে। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ারনিউজ২৪