Category Archives: Trading commencement

সোমবার সামিট পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন শুরু

সোমবার (১০ অক্টোবর) সামিট পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন শুরু হচ্ছে। দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে ২৪ আগস্টে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ। যা ২৮ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়। একইসঙ্গে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সামিট পাওয়ারের লেনদেন বন্ধ থাকবে।

কোম্পানিটির একীভুতকরন সঠিক হয়নি এমন অভিযোগে শেয়ার লেনদেন বন্ধ রাখা হয়।

পূর্ব ঘোষণা অনুসারে, ২৩ আগস্ট রেকর্ড ডেটের পর ২৪ আগস্ট থেকে সামিট পাওয়ারের সঙ্গে গ্রুপের আরও তিন বিদ্যুত্ কোম্পানির একীভূতকরণ স্কিম কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে এসপিপিসিএল শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ছিল। কোম্পানিটিকে গতকাল তালিকাচ্যুত করেছে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। এদিকে এখনো আনুপাতিক হারে সামিট পাওয়ারের শেয়ার পাননি এসপিপিসিএলের শেয়ারহোল্ডাররা।

একীভূতকরণ অনুযায়ী, নিজ কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে সামিট পাওয়ারের ১ দশমিক ৩০৯টি শেয়ার পাবেন সামিট পূর্বাঞ্চলের শেয়ারহোল্ডাররা। সামিট উত্তরাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানির একটি শেয়ারের বিপরীতে সামিট পাওয়ারের ১ দশমিক ৬৬৮টি এবং সামিট নারায়ণগঞ্জ পাওয়ারের একটি শেয়ারের বিপরীতে সামিট পাওয়ারের ১ দশমিক ৪৭৫টি শেয়ার দেয়া হবে।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/অক্টোবর ০৯, ২০১৬)

রবিবার ইভিন্স টেক্সটাইলের শেয়ার লেনদেন শুরু

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন ও লটারি শেষ হওয়া ইভিন্স টেক্সটাইলসের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে আগামী রবিবার (১৭ জুলাই)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড ‘ETL’ ও ডিএসই কোম্পানি কোড ১৭৪৭২।ইভিন্স টেক্সটাইল আইপিওর মাধ্যমে ১ কোটি ৭০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করার অনুমোদন পায়। প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য হচ্ছে ১০ টাকা। অর্থাৎ কোনো প্রিমিয়াম ছাড়াই কোম্পানি বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে। উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেশিনারিজ ক্রয়, ভবন নির্মাণ, চলতি মূলধন ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। মূলধন সংগ্রহের লক্ষ্যে গত ২ মে থেকে ইভিন্স টেক্সটাইলসের আইপিওতে আবেদন শুরু হয় এবং চলে ১২ মে পর্যন্ত। এ সময় কোম্পানিটির চাহিদার থেকে প্রায় ৩২ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়ে। যাতে আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের লক্ষ্যে ২ জুন লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ৪ এপ্রিল (সোমবার) অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশন সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১.৬২ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৭.৬২ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/এম/জুলাই ১৪, ২০১৬)

 

১৭ জুলাই থেকে ইভিন্স টেক্সটাইলের শেয়ার লেনদেন শুরু

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন ও লটারি শেষ হওয়া ইভিন্স টেক্সটাইলসের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে আগামি ১৭ জুলাই থেকে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড ‘ETL’ ও ডিএসই কোম্পানি কোড ১৭৪৭২। ইভিন্স টেক্সটাইল আইপিও’র মাধ্যমে ১ কোটি ৭০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করার অনুমোদন পায়। প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য হচ্ছে ১০ টাকা। অর্থাৎ কোনো প্রিমিয়াম ছাড়াই কোম্পানি বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে। উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেশিনারিজ ক্রয়, ভবন নির্মাণ, চলতি মূলধন ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। মূলধন সংগ্রহের লক্ষে গত ২ মে থেকে ইভিন্স টেক্সটাইলসের আইপিওতে আবেদন শুরু হয় এবং চলে ১২ মে পর্যন্ত। এসময় কোম্পানিটির চাহিদার থেকে প্রায় ৩২ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়ে। যাতে আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের লক্ষে ২ জুন লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ৪ এপ্রিল (সোমবার) অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশন সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১.৬২ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৭.৬২ টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/জুন ২৮, ২০১৬)

 

১৩৫ টাকায় একমির লেনদেন শুরু এখন পর্যন্ত সর্বশেষ দর ১২৫ টাকা

বুক বিল্ডিং প্রক্রিয়ায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া একমি ল্যাবরেটরিজের লেনদেন শুরু হয়েছে আজ। লেনদেন শুরুর পর কোম্পানিটির শেয়ার সর্বনি¤œ ১১৮.১০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৩৫ টাকায় হাতবদল হতে দেখা গেছে। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে দেখা যায়, ১৩৫ টাকায় লেনদেন শুরু করে একমি। কিন্তু এর পর কোম্পানিটির শেয়ার সর্বনি¤œ ১১৮.১০ টাকায় নেমে আসে। সকাল ১০ টা ৪৫ নাগাদ কোম্পানিটির সর্বশেষ ১২৭.১০ টাকায় হাতবদল হতে দেখা যায়। তবে, এরই মধ্যে কোম্পানিটির ৪৯ লাখ ৫৯ হাজার ৫৩০টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে। যার বাজার দর হয়েছে ৬২ কোটি ৩৮ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। সূত্র জানায়, একমির শেয়ার কিনতে ঋণ সুবিধা না দেওয়ার জন্য স্টক ব্রোকার্স, মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এবং পোর্টফোলিও ম্যানেজারদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। কোম্পানির লেনদেনের প্রথম ৩০ দিনে এই ঋণ সুবিধা দেওয়া যাবে না। প্রসঙ্গত, ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড আজ থেকে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু করবে। ডিএসইতে কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হবে ” একমিল্যাব”। আর কোম্পানি কোড হবে ১৮৪৯১। অন্যদিকে সিএসইতে কোম্পানিটির স্ক্রীপ কোড হবে ” একমিল্যাব”। আর কোম্পানিটির স্ক্রীপ আইডি হবে ১৩০৩০। এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৬৭তম সভায় কোম্পানিটিকে ৫ কোটি সাধারণ শেয়ার বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওতে ছাড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ বা আড়াই কোটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য; ১০ শতাংশ বা ৫০ লাখ শেয়ার মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য। যার প্রতিটি শেয়ারের কাট-অফ মূল্য ৮৫ টাকা ২০ পয়সা, বাকি ৪০ শতাংশ বা ২ কোটি শেয়ার সাধারণ বিনিযোগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য। এই শেয়ারের কাট-অফ মূল্য ১০ শতাংশ কমে বা ৭৭ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য প্রস্তাব করা হয়। আইপিও আবেদনের মাধ্যমে কোম্পানিটি ৪০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করে। এই টাকা দিয়ে কোম্পানিটি ৩টি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে খরচ করবে। কোম্পানিটির বিগত ৫ বছরের নিরীক্ষিত বিবরণী অনুযায়ী, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ০৭ পয়সা। আর ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছর অনুযায়ী ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৭০ পয়সা। কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য বা এনএভি ৭০ টাকা ৩৭ পয়সা। ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর রেজিষ্টার টু দি ইস্যুর দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ/ডেস্ক./১০.৫০

 

একমি ল্যাবরেটরিজের লেনদেন শুরু কাল

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি দ্য একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন আগামীকাল ৭ জুন সকাল সাড়ে দশটায় দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে শুরু হবে। ওইদিন এন ক্যাটাগরির আওতায় চালু হবে এ কোম্পানির লেনদেন। একমির ট্রেডিং কোর্ড- “ACMELAB” এবং ডিএসইতে কোম্পানি কোড- ১৮৪৯১ আর সিএসইতে কোম্পানি কোড- ১৩০৩১ দিয়ে শুরু করবে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে, লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সিডিবিএলের মাধ্যমে গতকাল ৫ জুন বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ বিও হিসাবে পাঠিয়েছে কোম্পানিটি। এর আগে গত ১৫ মে আইপিও লটারির ড্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কোম্পানিটি। একমি ল্যাবরেটরিজের আইপিওতে ১২ লাখ ৭০ হাজার আবেদন পড়েছে। যা কোম্পানির প্রত্যাশার চেয়ে ৭.৬১ গুণ বেশি জামা পড়েছে। উল্লেখ্য গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৬৭তম সভায় একমি ল্যাবরেটরিজকে আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটির ৫ কোটি সাধারণ শেয়ার বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরপর গত ১১ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আইপিও আবেদন গ্রহণ করে কোম্পানিটি। স্থানীয় ও প্রবাসী উভয় বিনিয়োগকারিদের জন্য এই সময়সীমা নির্ধারণ করা ছিলো। এদিকে, গত ৩ এপ্রিল থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারিরা নিলামে নির্ধারিত টাকা জমা দেন। নিলামে মোট ১০ কোটি ১৬ লাখ ১৩ হাজার ৮০০ শেয়ারের দর বিভিন্ন হারে দর প্রস্তাব করে ১৯৩টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮৫.২০ টাকা দরে নয় কোটি ৭৪ লাখ ৪২ হাজার শেয়ার কেনার জন্য দর প্রস্তাব করা হয়। এর মূল্য দাঁড়ায় ৮৩০ কোটি ২১ লাখ টাকা। বিধি অনুসারে, নিলামে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান শেয়ারের নির্দেশক মূল্য (Indicative Price) থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বেশি বা ২০ শতাংশ কম পর্যন্ত দর প্রস্তাব করতে পারে। একমি ল্যাবরেটরিজের শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ৭১ টাকা। এ হিসেবে এর সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য দর দাঁড়ায় ৮৫.২০ টাকা। আর সর্বনিম্ন দর হয় ৫৬.৮০ টাকা। নিলাম শেষে দেখা যায়, সর্বনিম্ন সীমা ৫৬.৮০ টাকা দরে একমির শেয়ার কেনার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব করেনি। তবে এর কাছাকাছি দাম ৫৭ টাকা দরে দুই লাখ শেয়ার কেনার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ বা আড়াই কোটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারিদের জন্য ১০ শতাংশ বা ৫০ লাখ শেয়ার মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য। যার প্রতিটি কাট-অফ ৮৫ টাকা ২০ পয়সায়, বাকি ৪০ শতাংশ বা ২ কোটি শেয়ার সাধারণ বিনিযোগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য। এই শেয়ারের কাট-অফ মুল্য ১০ শতাংশ কমে বা ৭৭ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারী, ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য প্রস্তাব করা হয়।

আইপিও আবেদনের মাধ্যমে কোম্পানিটি ৪০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করে এই টাকা দিয়ে ৩টি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে খরচ করবে।

কোম্পানিটির বিগত ৫ বছরের নিরীক্ষিত বিবরণী অনুযায়ী, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ০৭ পয়সা। আর ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছর অনুযায়ী ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৭০ পয়সা। কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য ৭০ টাকা ৩৭ পয়সা।

কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড আর রেজিষ্টার টু দি ইস্যুর দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪/ডেস্ক/১৩:৫৫

 

একমির শেয়ার বিওতে জমা: লেনদেন শুরু শিগগিরই

লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি দ্য একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড। সিডিবিএল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, দ্য একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের আইপিও লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ বিও হিসাবে আজ ৫ জুন রোববার জমা হয়েছে। এদিকে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিয়েছে। তাই যেকোন দিন এ কোম্পানির শেয়ার দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হতে পারে। এর আগে গত ১৫ মে আইপিও লটারির ড্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কোম্পানিটি। একমি ল্যাবরেটরিজের আইপিওতে ১২ লাখ ৭০ হাজার আবেদন পড়েছে। যা কোম্পানির প্রত্যাশার চেয়ে ৭.৬১ গুণ বেশি জামা পড়েছে। উল্লেখ্য গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৬৭তম সভায় একমি ল্যাবরেটরিজকে আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটির ৫ কোটি সাধারণ শেয়ার বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরপর গত ১১ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আইপিও আবেদন গ্রহণ করে কোম্পানিটি। স্থানীয় ও প্রবাসী উভয় বিনিয়োগকারিদের জন্য এই সময়সীমা নির্ধারণ করা ছিলো। এদিকে, গত ৩ এপ্রিল থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারিরা নিলামে নির্ধারিত টাকা জমা দেন। নিলামে মোট ১০ কোটি ১৬ লাখ ১৩ হাজার ৮০০ শেয়ারের দর বিভিন্ন হারে দর প্রস্তাব করে ১৯৩টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮৫.২০ টাকা দরে নয় কোটি ৭৪ লাখ ৪২ হাজার শেয়ার কেনার জন্য দর প্রস্তাব করা হয়। এর মূল্য দাঁড়ায় ৮৩০ কোটি ২১ লাখ টাকা। বিধি অনুসারে, নিলামে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান শেয়ারের নির্দেশক মূল্য (Indicative Price) থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বেশি বা ২০ শতাংশ কম পর্যন্ত দর প্রস্তাব করতে পারে। একমি ল্যাবরেটরিজের শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ৭১ টাকা। এ হিসেবে এর সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য দর দাঁড়ায় ৮৫.২০ টাকা। আর সর্বনিম্ন দর হয় ৫৬.৮০ টাকা। নিলাম শেষে দেখা যায়, সর্বনিম্ন সীমা ৫৬.৮০ টাকা দরে একমির শেয়ার কেনার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব করেনি। তবে এর কাছাকাছি দাম ৫৭ টাকা দরে দুই লাখ শেয়ার কেনার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ বা আড়াই কোটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারিদের জন্য ১০ শতাংশ বা ৫০ লাখ শেয়ার মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য। যার প্রতিটি কাট-অফ ৮৫ টাকা ২০ পয়সায়, বাকি ৪০ শতাংশ বা ২ কোটি শেয়ার সাধারণ বিনিযোগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য। এই শেয়ারের কাট-অফ মুল্য ১০ শতাংশ কমে বা ৭৭ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারী, ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য প্রস্তাব করা হয়। আইপিও আবেদনের মাধ্যমে কোম্পানিটি ৪০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করে এই টাকা দিয়ে ৩টি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে খরচ করবে। কোম্পানিটির বিগত ৫ বছরের নিরীক্ষিত বিবরণী অনুযায়ী, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ০৭ পয়সা। আর ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছর অনুযায়ী ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৭০ পয়সা। কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য ৭০ টাকা ৩৭ পয়সা। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড আর রেজিষ্টার টু দি ইস্যুর দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/১১:৫৫

 

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের লেনদেন শুরু আজ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা বীমা খাতের বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন শুরু হচ্ছে আজ। সকাল সাড়ে ১০টায় দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এ কোম্পানির লেনদেন। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ‘এন’ ক্যাটাগরির আওতায় লেনদেন শুরু করবে। কোম্পানিটিরি ট্রেডিং কোড- BNICL, ডিএসইতে কোম্পানি কোড-২৫৭৪৭ এবং সিএসইতে কোম্পানি কোড- ১১০৩৯।

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল কোম্পানিটি লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ আইপিও লটারির ড্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কোম্পানিটি। আইপিও’র মাধ্যমে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের ১ কোটি ৭৭ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যু করার অনুমোদন পায়। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে মোট ১৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা উত্তোলন করে কোম্পানিটি।

উত্তোলিত টাকা থেকে কোম্পানিটি এফডিআরে বিনিয়োগ, ট্রেজারি বন্ড ও প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের খরচ খাতে ব্যয় করবে। এ কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

২০১৪ সালের শেষ হওয়া সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী এক্সট্রা অর্ডিনারি ইনকাম ব্যাতীত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১.০৭ টাকা ও নেট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) ১৫.৬৫ টাকা।

শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/১০.০১াবাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের লেনদেন শুরু
ঢাকা, এপ্রিল ২০:

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা বীমা খাতের বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টায় দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এ কোম্পানির লেনদেন। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, আগামী ২১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ‘এন’ ক্যাটাগরির আওতায় লেনদেন শুরু করবে। কোম্পানিটিরি ট্রেডিং কোড- BNICL, ডিএসইতে কোম্পানি কোড-২৫৭৪৭ এবং সিএসইতে কোম্পানি কোড- ১১০৩৯। এর আগে গত ১৭ এপ্রিল কোম্পানিটি লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ আইপিও লটারির ড্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কোম্পানিটি। আইপিও’র মাধ্যমে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের ১ কোটি ৭৭ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যু করার অনুমোদন পায়। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে মোট ১৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা উত্তোলন করে কোম্পানিটি। উত্তোলিত টাকা থেকে কোম্পানিটি এফডিআরে বিনিয়োগ, ট্রেজারি বন্ড ও প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের খরচ খাতে ব্যয় করবে। এ কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

২০১৪ সালের শেষ হওয়া সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী এক্সট্রা অর্ডিনারি ইনকাম ব্যাতীত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১.০৭ টাকা ও নেট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) ১৫.৬৫ টাকা।

শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/১০.০১

 

বুধবার থেকে ডোরিন পাওয়ারের লেনদেন শুরু

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাবিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি ডোরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ডসিস্টেমস লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন বুধবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। ডিএসইসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, আগামী ৬এপ্রিল, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায়দেশের উভয় শেয়ারবাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে ডোরিন পাওয়ারের লেনদেন। এদিন ‘এন’ ক্যাটাগরির আওতায় লেনদেন শুরু করবে কোম্পানিটি। আর এর ট্রেডিং কোড-“DOREENPWR” এবং ডিএসইতে কোম্পানি কোড-১৫৩১৯ হবে। এর আগে গতকাল (৩ এপ্রিল) রোববার লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ারসেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ বিও হিসাবে জমা করেছে ডোরিন পাওয়ার। উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চডোরিন পাওয়ারের আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। আরসোমবার ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ কোম্পানিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া হয়। এর আগে বিএসইসির ৫৬০তম সভায় ডোরিন পাওয়ারের আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৫৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৯ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৯ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যু করে কোম্পানিটি। কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করে ২টি সহযোগী কোম্পানির পাওয়ার প্লান্ট স্থাপন, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিওর কাজে ব্যয় করবে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে অ্যালায়েন্স ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেড এবং আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। কোম্পানিটির গত ৫ বছরের ওয়েটেড এভারেজ শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.১৯ টাকা। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৪.৮৭ টাকা।

শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/১৩:১০

বুধবার থেকে ড্রাগন সোয়েটারের লেনদেন শুরু

২৩ মার্চ বুধবার থেকে দেশের উভয় বাজারে লেনদেন শুরু হচ্ছে ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং মিলসের। ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত হিসেবে উভয় বাজারে এ কোম্পানির লেনদেন শুরু হবে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ১৬ মার্চ প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) বিজয়ী আবেদনকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টে শেয়ার জমা দিয়েছে কোম্পানিটি। শেয়ার জমা দেওয়ার পর এ লেনদেন শুরুর তারিখ নির্ধারণ করেছে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আইপিওতে আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দে লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। কোম্পানির চাহিদার তুলনায় বেশি আবেদন পড়ায় এ লটারি অনুষ্ঠিত হয়। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত টাকায় মেশিন ক্রয়, বিল্ডিং ও সিভিল কনস্ট্রাকশন, স্পেয়ার পার্টস ক্রয়, চলতি মূলধন এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। কোম্পানিটির গত ৫ বছরের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১.৩৩ টাকা (ওয়েটেড এভারেজ) এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৮.৭৯ টাকা। কমিশনের ৫৬১ তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদন পাওয়ার পর কোম্পানিটি ১৭ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত আইপিও আবেদন গ্রহণ করে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে স্বদেশ ইনভেস্টমেন্ট।

জানা গেছে, শতভাগ রফতানিমুখী সুতা ও সোয়েটার উৎপাদনকারী এ কোম্পানি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ২৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা। বছরে ৬৫ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ড সুতা ও ২১ লাখ ৬০ হাজার পিস সোয়েটার উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে এ কোম্পানির। আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা (আইএসও) সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশসহ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো, ব্রাজিল, চিলি, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের কিছু দেশে সোয়েটার রফতানি করে।

(দ্য রিপোর্ট/এমকে/এম/মার্চ ২১, ২০১৬)

 

ড্রাগন সোয়েটারের লেনদেন শুরু ২৩ মার্চ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা ও আইপিও বিজয়ীদের মধ্যে শেয়ার বন্টন করায় ২৩ মার্চ, বুধবার উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে যাত্রা শুরু করবে ড্রাগন সোয়েটার।

জানা যায়, বস্ত্র খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টায় দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে এক যোগে লেনদেন শুরু করবে। এদিন কোম্পানিটি ‘এন’ ক্যাটাগরির আওতায় লেনদেন শুরু করবে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং লিমিটেডের আইপিও লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ বিও হিসাবে গত ১৬ মার্চ বুধবার জমা হয়েছে।

এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আইপিও লটারির ড্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কোম্পানিটি। কোম্পানির আইপিওতে মোট ৮৭৫ কোটি ৫৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা জমা দিয়েছেন ৫৪০ কোটি ১৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকার আবেদন, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা দিয়েছেন ৬৪ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা দিয়েছেন ১৭ কোটি ২৭ লাখ ১৫ হাজার টাকা এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডে জমা পড়েছে ২৫৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকার আবেদন। যা মোট আবেদনের প্রায় ২১.৮৯ গুণ।

ড্রাগন সোয়েটারের আইপিওতে স্থানীয় ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ১৭ থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করেছে। আর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৬১তম সাধারণ সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

আইপিওতে কোনো প্রকার প্রিমিয়াম ছাড়া ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৪ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে কোম্পানিটি। যার মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫০০টি শেয়ারে।

আর পুঁজিবাজার থেকে উত্তলিত টাকায় মেশিন ক্রয়, বিল্ডিং ও সিভিল কনস্ট্রাকশন, স্পেয়ার পার্টস ক্রয়, চলতি মূলধন এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি।

কোম্পানিটির গত ৫ বছরের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১.৩৩ টাকা (ওয়েটেড এভারেজ) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৮.৭৯ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে স্বদেশ ইনভেষ্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ/বি.আ/১৮.৪০