Category Archives: News

সিলভা ফার্মার লেনদেন শুরু ১০ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক: সম্প্রতি প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা ওষুধ ও রসায়ন খাতের সিলভা ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের লেনদেনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১০ অক্টোবর থেকে শেয়ারবাজারে শুরু হবে এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন। ডিএসই সূত্রে এ্র তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ওইদিন “এন” ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করর সিলভা ফার্মার ট্রেডিং কোড হবে “SILVAPHL”। আর ডিএসইতে কোম্পানিটির কোম্পানি কোড হবে ১৮৪৯৩।

এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সিডিবিএলের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসেবে জমা হয়েছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পেয়েছে।

সূত্র জানায়, এর আগে গত ৩০ আগস্ট কোম্পানিটির লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। কোম্পানিটির আইপিও শেয়ার কিনতে ২৫.৭৮ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। অর্থাৎ কোম্পানিটির আইপিও শেয়ার কিনতে মোট ৭৭২ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীর আবেদন পড়েছে ৪৮.৯৮ গুণ, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের আবেদন ২০.৫০ গুণ এবং প্রবাসীদের আবেদন পড়েছে ১২.৫২ গুণ।

এর আগে ১১ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়।

প্রসপেক্টাস সূত্রে জানা গেছে, সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালসকে পুঁজিবাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কোম্পানিটি অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করে ৩ কোটি সাধারণ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে এই টাকা সংগ্রহ করবে।

উত্তোলিত টাকায় কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা ক্রয়, কারখানার ভবন নির্মাণ, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিওতে ব্যবহার করবে।

কোম্পানিটির ২০১৬-১৭ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.০৩ টাকা। আর ২০১৭ সালের ৩০ জুন পুনঃমূল্যায়ন ছাড়া শেয়ার প্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬.৪৮ টাকায়।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড ও এসবিএল ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ;০৭ অক্টোবর ২০১৮

কাট্টালি টেক্সটাইলের আইপিও লটারির ফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া কাট্টালি টেক্সটাইলের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার জন্য লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাঠকদের জন্য লটারির ড্র’র ফলাফল প্রকাশ করা হলো।

লটারির ফলাফল দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

স্টক এক্সচেঞ্জ ট্রেক নম্বর/মার্চেন্ট ব্যাংক সিরিয়াল নম্বর

সাধারণ বিনিয়োগকারী

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী

প্রবাসি বিনিয়োগকারী

জানা গেছে, কোম্পানিটির আইপিও লটারির ড্র আজ সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর রমনাতে অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কোম্পানিটির আইপিওতে ২৮ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়।

গত ২৬ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৪৮তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

কাট্টালি টেক্সটাইল শেয়ারবাজার থেকে ৩৪ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি শুধুমাত্র অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করে ৩ কোটি ৪০ লাখ সাধারন শেয়ার ইস্যু করে।

উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ক্রয়, ডরমিটরি ভবন নির্মান, ঋণ পরিশোধ, জেনারেটর স্থাপন, বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার স্থাপন এবং আইপিওতে ব্যবহার করবে।

কোম্পানিটির ২০১৬-১৭ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.৯৪ টাকা। আর ২০১৭ সালের ৩০জুন পুন:মূল্যায়ন ছাড়া শেয়ার প্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০.৪৮ টাকায়।

উল্লেখ, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ; ০৪ অক্টোবর ২০১৮

 

এসএস স্টিলের আইপিও আবেদনের তারিখ নির্ধারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া এস এস স্টিলের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, কোম্পানিটির আইপিওতে ২৮ অক্টোবর আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

গত ১৭ জুলাই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন করে।

জানা যায়, এস এস স্টিল পুঁজিবাজারে ২ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ২৫ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এজন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা ক্রয় ও স্থাপন, ভবন নির্মাণ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানিটির পুন:মূল্যায়ন ছাড়া নীট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ও পুন:মূল্যায়নসহ নীট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৫.৩৫ টাকা। ২০১৭ অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.২০ টাকা। ভারিত গড় হারে ইপিএস হয়েছে ০.৮২ টাকা।

আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সিটিজেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ; ০২ অক্টোবর ২০১৮

পুঁজিবাজারে আসছে মীর আখতার হোসাইন: রোড শো ১৭ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে চাচ্ছে মীর আখতার হোসাইন লি:। এলক্ষ্যে আগামী ১৭ অক্টোবর বুধবার সন্ধা ৭টায় হোটেল প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁও-এ রোড শো’র আয়োজন করা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিন পুঁজিবাজারের ইলিজিবল ইনভেষ্টরদের উপস্থিত থেকে রোড শোতে অংশগ্রহন করার জন্য কোম্পানিটির পক্ষ থেকে আহবান জানানো হয়েছে।

রোড-শো তে যোগ্য বিনিয়োগকারী (ইলিজিবল ইনভেস্টর) হিসেবে মার্চেন্ট ব্যাংকার, পোর্টফোলিও ম্যানেজার, অ্যাসেট ম্যানেজার ও তাদের পরিচালিত মিউচ্যুয়াল ফান্ড, স্টক ডিলার, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি, অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও ফান্ডের ম্যানেজার, অনুমোদিত পেনশন ও প্রভিডেন্ট ফান্ড, ইতিমধ্যে বিনিয়োগ করা বৈদেশিক বিনিয়োগকারী এবং কমিশন অনুমোদিত বিনিয়োগকারীরা বুক বিল্ডিংয়ের জন্য আবেদন করতে পারবে।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ; ০২ অক্টোবর ২০১৮

শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউজের তালিকা তালিকায় যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বরাবরের মতো চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউজের তালিকা ধরে রেখেছে লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ লিমিটেড। তবে আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানিকে পিছে ফেলে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আইডিএলসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড। প্রত্যেক মাসের লেনদেনের ভিত্তিতে মাস শেষে এ তালিকা প্রদান করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, তৃতীয় স্থানে রয়েছে আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি, চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ব্রাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড। পঞ্চম স্থানে ইউসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট,ষষ্ঠ স্থানে ইবিএল সিকিউরিটজ লিমিটেড, ইউনিক্যাপ সিকিউরিটিজ রয়েছে সপ্তম স্থানে রয়েছে।

অষ্টম অবস্থানে স্থানে সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড, নবম অবস্থানে ইউনাইটেড সিকিউরিটিজ ও দশম অবস্থানে রয়েছে শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেড।

এছাড়া শীর্ষ ২০ শে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটজ, শান্তা সিকিউরিটজ, এআইবিএল ক্যাপিটাল মার্কেট সার্ভিস, ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজ, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, বিএলআই সিকিউরিটিজ, আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, এমটিবি সিকিউরিটিজ ও রয়্যাল ক্যাপিটাল লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ; ০১ অক্টোবর ২০১৮

সম্মতিপত্রের অপেক্ষায় আইপিও অনুমোদন পাওয়া তিন কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সম্প্রতি প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন অনুমোদন পাওয়া তিন কোম্পানি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সম্মতিপত্রের অপেক্ষায় রয়েছে। বিএসইসির অনুমোদনের সম্মতিপত্র পেলেই কোম্পানিটিগুলো আইপিও আবেদনের সময় জানাতে পারবে। কোম্পানিগুলো হলো এসএস স্টিল লিমিটেড, জেনেক্স ইনফোসিস ও এস্কয়ার নীট।

এসএস স্টিল লিমিটেড:

বিএসইসির ৬৫১তম কমিশন মভায় প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পেয়েছে এসএস স্টিল লিমিটেড। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটিকে ১০ টাকা ইস্যু মূল্যের ২ দশমিক ৫০ কোটি সাধারণ শেয়ার ইস্যু করার অনুমতি দেয়।

আইপিওর মাধ্যমে ২৫ কোটি টাকা উত্তোলন করবে প্রতিষ্ঠানটি। এই টাকা দিয়ে যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা ক্রয় এবং স্থাপন, ভবন নির্মাণ এবং আইপিও বাবদ খরচ করবে।

৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সম্পদ মূল্যায়ন না করে প্রকৃত সম্পদ মূল্য(এনএভি) হয়েছে ১ টাকা। আর সম্পদ মূল্যায়ন করে এনএভি হয়েছে ১৫ টাকা ৩৫ পয়সা। শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২০ পয়সা।

আর ভারিত গড় হারে শেয়ার প্রতি ওয়েটেড এভারেজ হয়েছে ৮২ পয়সা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সিটিজেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

জেনেক্স ইনফোসিস:

কমিশনের ৬৫৬তম সভায় প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দিয়েছে জেনেক্স ইনফোসিসকে।

জেনেক্স ইনফোসিস শেয়ারবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এজন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণ, ঋণ পরিশোধ ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানিটির পুন:মূল্যায়ন ছাড়া নীট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৩.৯৬ টাকা।

জেনেক্স ইনফোসিসের সাবসিডিয়ারি কোম্পানিসহ ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.০২ টাকা।

আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড।

এস্কয়ার নীট কম্পোজিট:

এস্কয়ার নীট কম্পোজিট লিমিটেডের প্রায় ১৫০ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলনের জন্য বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৩ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার ৮৩৩ টি সাধারণ শেয়ার প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ইস্যু করার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি)। কমিশনের ৬৫৮ তম কমিশন সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।

কোম্পানির ১ কোটি ৪ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ টি সাধারণ শেয়ার ৪০ টাকা মূল্যে (প্রান্ত সীমা মূল্য থেকে ১০ শতাংশ বাট্টায়) সাধারণ বিনিয়োগকারীদের নিকট বিক্রি করা হবে। এছাড়া বুক বিল্ডিং পদ্ধতির মাধ্যমে ৩ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার ৮৩৩টি শেয়ারের মধ্যে ২ কোটি ৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩২টি শেয়ার ৪৫ টাকা মূল্যে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের নিকট ইস্যু করা হবে। এর আগে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির শেয়ারের কাট-অফ প্রাইস ৪৫ টাকা নির্ধারণ হয়েছে। যোগ্য বিনিয়োগকারীদের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে এই দর নির্ধারিত হয়েছে।

এর আগে গত ৯ জুলাই সোমবার থেকে এই নিলাম শুরু হয়ে শেষ হয়েছে ১২ জুলাই বৃহস্পতিবার।

নিলামে মোট ৫০৮ জন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বিড করে। এতে সর্বোচ্চ দর ৫৩ টাকা এবং সর্বনিম্ন দর ১৫ টাকায় প্রস্তাব করা হয়।

তবে ৪৫ টাকা দরে প্রস্তাব করেছে ৯৪ জন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী। আর ১ জন প্রস্তাব করেছে ৫৩ টাকা দরে। ৪৬ টাকা দরে ৯ জন, ৪০ টাকা দরে ৩১ জন, ৩৯ টাকা দরে ১৯ জন, ৩৮ টাকা দরে ১৫ জন, ৩৭ টাকা দরে ১৯ জন, ৩৫ টাকা দরে ৫৬ জন, ৩২ টাকা দরে ৩৭ জন, ৩০ টাকা দরে ৭৩ জন এবং ২০ টাকা দরে ২১ জন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী দর প্রস্তাব করেছে।

১ জন নিলামকারী সর্বোচ্চ ১ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার কেনার জন্য বিড করবে। নিলামে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির ৯৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার কেনার জন্য শেয়ার দর প্রস্তাব করতে হয়েছে।

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিএসইসির কমিশন সভায় কোম্পানিটিকে শেয়ার দর নির্ধারণের জন্য বিডিংয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়। বিডিংয়ে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে কাট-অফ প্রাইস নির্ধারিত হয়।

আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে নতুন প্রকল্পের যন্ত্রপাতি ক্রয়, ভবন ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ এবং গণপ্রস্তাবের খরচ খাতে ব্যয় করবে।

এস্কয়ার নিট কম্পোজিটের প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ছিল ২০০ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন ছিল ১০০ কোটি টাকা।

৩০ জুন, ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৫২ পয়সা। আলোচ্য বছরে কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন পরবর্তী শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৪৫ টাকা ৮৩ পয়সা। আর পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া এনএভি ২৫ টাকা ৯৬ পয়সা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর রেজিস্ট্রার টু দ্য ইস্যুর দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ; ০১ অক্টোবর ২০১৮

চলতি সপ্তাহে ডিভিডেন্ড ঘোষণা করবে ৮ কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৮ কোম্পানি পরিচালনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিগুলো হলো: বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল, ইফাদ অটোস, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, একমি ল্যাবরেটরিজ, নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, বিডি ল্যাম্পস, ফারইস্ট নিটিং এবং বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলের বোর্ড সভা ২৯ সেপ্টেম্বর, বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে এ কোম্পানির বোর্ড সভা ২৭ সেপ্টেম্বর, বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল। কিন্তু অনিবার্য কারণবশত এ সভার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হতে পারে।

ইফাদ অটোসের বোর্ড সভা ২৯ সেপ্টেম্বর, সন্ধা ৬ টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হতে পারে।

সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেডের বোর্ড সভা ৩০ সেপ্টেম্বর, দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হতে পারে।

একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের বোর্ড সভা ২ অক্টোবর, বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হতে পারে।

নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২ অক্টোবর, বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হতে পারে।

বিডি ল্যাম্পস লিমিটেডের বোর্ড সভা ৩ অক্টোবর, বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হতে পারে।

ফারইস্ট নিটিংয়ের বোর্ড সভা ৪ অক্টোবর, বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হতে পারে।

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের বোর্ড সভা ৬ অক্টোবর, বিকেল পৌনে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেডের বোর্ড সভা ৩০ সেপ্টেম্বর, দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হতে পারে। একই বোর্ড সভায় কোম্পানিটি ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রকাশ করা হবে।

শেয়ারনিউজ; ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এমএল ডাইংকে পিছনে ফেলে দিল এ তিন কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক গণপ্রস্তাব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু করেছে এমএল ডাইং লিমিটেড। দিন শেষে কোম্পানিটির শেয়ার দর দাড়িঁয়েছে ২৪.২০ টাকায়। প্রথম দিনেই কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ১৪.২০ টাকা বা ১৪২ শতাংশ। কিন্তু এদিন শেয়ার সংখ্যা লেনদেনের দিক দিয়ে কোম্পানিটি চতুর্থ অবস্থানে নেমে এসেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, সাধারণ লেনদেন শুরুর দিন রেকর্ড পরিমান শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে টার্নওভার, গেইনার ও ভলিউমের দিক দিয়ে শীর্ষে উঠে আসে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানি। কারণ, এই দিন আইপিও বিজয়ী বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রয় করে মুনাফা তোলার প্রচেষ্ঠা করে। কিন্তু সোমবার শেয়ার লেনদেন তালিকায় এমএল ডাইং ছিল চতুর্থ অবস্থানে।

এদিন, শেয়ার লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো- ফ্যামিলি টেক্স, একটিভ ফাইন কেমিক্যাল ও খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।

জানা যায়, সোমবার ১ কোটি ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ৩৪২টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে ফ্যামিলি টেক্সের। এসময় কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ০.৫ টাকা। দিনশেষে কোম্পানিটির শেয়ার ৫.৫ টাকা থেকে বেড়ে ৬ টাকায় স্থিতি পেয়েছে।

শেয়ার লেনদেন দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল একটিভ ফাইন কেমিক্যাল। এদিন কোম্পানিটির ৯৬ লাখ ৭১ হাজার ৬৫২টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এসময় কোম্পানিটির শেয়ার দর ১.৩ টাকা বেড়ে সর্বশেষ ৪৫.৮ টাকায় লেনদেন হয়েছে।

এছাড়া ৭৫ লাখ ৯১ হাজার ৩৪৭টি শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। এসময় এমএল ডাইংয়ের ৬১ লাখ ৩৭ হাজার ৪২৫টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

শেয়ারনিউজ; ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বিনিয়োগের স্বর্গ বাংলাদেশেরপুঁজিবাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে বিনিয়োগের স্বর্গ’ হিসেবে অভিহিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি দেশের অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি নিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রতিবেদন তৈরি করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইকোনমিক অ্যাডভাইজর ড. আখতারুজ্জামান।

প্রতিবেদনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেখিয়েছে ডিভিডেন্ড ইয়েল্ড (কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ দেয়ার হার) ও মূল্য আয় অনুপাতে (পিই রেশিও) দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার অনেক দূর এগিয়ে রয়েছে। তাই বর্তমান সময়ে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার অত্যন্ত আকর্ষণীয় অবস্থানে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত দেশের পুঁজিবাজারের ডিভিডেন্ড ইয়েল্ডের পরিমান ৩.৬৯। যা উপমহাদেশের বড় দুই পুঁজিবাজার ভারত ও শ্রীলংকার তুলনায় অনেকটাই বেশি। একই সময়ে ভারত ও শ্রীলংকার ডিভিডেন্ড ইয়েল্ডের পরিমাণ হয়েছে ১.৪১ ও ৩.০৪। পাশাপাশি থাইল্যান্ডের পুঁজিবাজারের ডিভিডেন্ড ইয়েল্ডের পরিমান ৩.১৯। প্রতিবেদনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেখিয়েছে ডিভিডেন্ড ইয়েল্ড (কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ দেয়ার হার) ও মূল্য আয় অনুপাতে (পিই রেশিও) দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার অনেক দূর এগিয়ে রয়েছে। তাই বর্তমান সময়ে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার অত্যন্ত আকর্ষণীয় অবস্থানে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এর আগের তিন মাসে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত দেশের পুঁজিবাজারের ডিভিডেন্ড ইয়েল্ডের পরিমাণ ছিল ৩.৭৪। একই সময়ে ভারত ও শ্রীলংকার ডিভিডেন্ড ইয়েল্ডের পরিমাণ ছিল ১.৪৪ ও ৩.০৪। উল্লেখ্য, কোম্পানির শেয়ারদরের সঙ্গে বাৎসরিক ডিভিডেন্ড দেয়ার অনুপাতকে ডিভিডেন্ড ইয়েল্ড বলে উল্লেখ করা হয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার জন্য এখনই সেরা সময়। তাই অপেক্ষাকৃত কম বিনিয়োগেই অধিক মুনাফা করা সম্ভব। বিশ্লেষকরা বলছেন, যথাযথ প্রচার-প্রচারণা ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচির মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব।

এদিকে, শেয়ারপ্রতি মূল্য আয় অনুপাতের (পিই রেশিও) বিচারেও উপমহাদেশের দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী। ভারত, শ্রীলংকা ও থাইল্যান্ডের তুলনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের পিই রেশিও কম অর্থাৎ বাজার পরিস্থিতি অধিক বিনিয়োগ উপযোগী। উল্লেখিত প্রান্তিকে ডিএসই’র সার্বিক পিই রেশিও’র পরিমাণ ছিল ১৫.১৯। যেখানে একই সময় ভারতের ২০.৯২ ও থাইল্যান্ডের পিই রেশিও ২১.৭৬। এর আগের প্রান্তিকে ডিএসই’র সার্বিক পিই রেশিও’র পরিমাণ ছিল ১৪.৬৬। যেখানে একই সময় ভারতের ১৯.১২ ও থাইল্যান্ডের পিই রেশিও ছিল ২০.১১। তবে বর্তমানে অর্থাৎ ৫ জানুয়ারি, ২০১৭ তারিখের লেনদেন শেষে ডিএসই-তে পিই রেশিও হয়েছে ১৪ দশমিক ৭১। এর প্রভাবে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিওতে শেয়ার কেনা হয়েছে ৫ হাজার ৫৭ কোটি টাকার। যা এর আগের বছর ছিল ৩ হাজার ৮২৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সেই হিসাবে শেয়ার কেনার পরিমাণ বেড়েছে ১ হাজার ২৩১ কোটি ৬০ লাখ টাকা বা ৩২.১৯ শতাংশ। পাশাপাশি ২০১৬ সালে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন হয় ৮ হাজার ৭৭৩ কোটি ৩০ টাকা। যা ২০১৫ সালে ছিল ৭ হাজার ৪৬৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সেই হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ৩০৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বা ১৮ শতাংশ। আলোচ্য বছরে শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে ৩ হাজার ৭১৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার। যা গত বছর ছিল ৩ হাজার ৪৩৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

এছাড়া বর্তমান পুঁজিবাজারে অর্থাৎ দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইকোনমিক অ্যাডভাইজর ড.আখতারুজ্জামান বলেন, ডিভিডেন্ড ইয়েল্ড এবং পিই রেশিওতে দেশের পুঁজিবাজার অনেক এগিয়ে রয়েছে। যা দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সহায়ক হবে। কারণ ডিভিডেন্ড ইয়েল্ড এবং পিই রেশিও’র হিসেবে আমাদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে নিশ্চিত মুনাফা পাওয়া যাবে।

শেয়ারনিউজ;১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ইন্দো-বাংলায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের রেকর্ড আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) রেকর্ড পরিমাণ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা আবেদন করেছেন।

আগামী ১১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির লটারি ড্র অনুষ্ঠিত হবে। রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টায় লটারি ড্র অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, গত ৯ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত আইপিও আবেদন গ্রহণ করে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস। কারখানা, প্রশাসনিক ভবন, গুদাম ও গ্যারেজ ভবন নির্মাণ, মেশিনারিজ ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতের ব্যয় মেটাতে কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করছে। এ জন্য ১০ টাকা অবিহিত মূল্যে ইন্দো-বাংলা আইপিওর মাধ্যমে ২ কোটি শেয়ার ছাড়ছে।

আইপিও শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ কোটি শেয়ার। অর্থাৎ ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস আইপিও’র মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। তবে এই ১০ কোটি টাকার শেয়ার পেতে ৭৫৭টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী আবেদন করেছে।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগাকারীরা আইপিওতে শেয়ার পেতে যে আবেদন করেছে তার আর্থিক মূল্য ১৪৯ কোটি ২৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ ইন্দো-বাংলার শেয়ার পেতে ১ হাজার ৪৯৩ শতাংশ আবেদন জমা পড়েছে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের আইপিওতে সর্বোচ্চসংখ্যক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী আবেদন করেছে। এর আগে কোনো কোম্পানির আইপিওতে এতো বেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী আবেদন করেনি।

ইন্দো-বাংলার আগে এতদিন প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আইপিও আবেদনে শীর্ষে ছিল এমএল ডাইংয়। কোম্পানিটির শেয়ার পেতে ৭৪৩ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী আইপিওতে আবেদন করে।

এমএল ডাইংয়ের পরের অবস্থানে থাকা সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালসের আইপিওতে ৭৩৫ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী আবেদন করেছিল। আইপিওতে ৭’শর ওপরে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর আবেদন পড়া আর একটি কোম্পানি ভিএফএস থ্রেড ডাইং। এ প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ৭০৬টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী আবেদন করে।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের রেকর্ডসংখ্যক আবেদন পাওয়া ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসকে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন করতে পুঁজিবাজেরর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গত বছরের ৩ অক্টোবর অনুমোদন দেয়।

আইপিও অনুমোদন দেয়ার সময় বিএসইসি জানায়, ২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২১ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৮৪ পয়সা।

শেয়ারনিউজ; ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮