Category Archives: IPO Basics

আইপিও রিফান্ড পর্ব-১: নিজেদের ভুলেই পোহাতে হয় ভোগান্তি

শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। ভোগান্তি যেন পিছুই ছাড়ে না বিনিয়োগকারীদের। হাজার ভোগান্তির একটি আইপিওতে রিফান্ড ভোগান্তি। অনলাইন ব্যাংকিং হওয়ার পরও অনেক বিনিয়োগকারীর অ্যাকাউন্টে রিফান্ডের টাকা পৌঁছেনা। এ জন্য বিনিয়োগকারীদের দৌড়াতে হয় কোম্পানির শেয়ার বিভাগে বা কুরিয়ার সার্ভিসে। তবে নিজেদের ভুলের কারণেও বিনিয়োগকারীদের এ ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাছাড়া কুরিয়ার সার্ভিসের অবহেলা তো রয়েছেই।

কোম্পানির আইপিও লটারির পর অনলাইন ব্যাংকিং হওয়া সত্ত্বেও বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীর অ্যাকাউন্টে রিফান্ডের টাকা পৌঁছে না। এ জন্য বিনিয়োগকারীরা সব সময় কোম্পানিকে দোষারোপ করে আসছে। তাদের অভিযোগ কোম্পানি ইচ্ছা করে বিনিয়োগকারীদের টাকা আটকে রেখে ব্যবসা করছে। আসলে এ ধারণা ঠিক নয়। এখানে কোম্পানির কোনো গাফিলতি বা ভুল নেই। ভুল যা হওয়ার তা বিনিয়োগকারীদের। শেয়ারনিউজের অনুসন্ধানে এ তথ্যই বেরিয়ে এসেছে।

এ ব্যাপারে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, যেসব বিনিয়োগকারীর টাকা কোম্পানিতে ফেরত পাঠানো হয়, তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে বিনিয়োগকারীর নামের মিল পাওয়া যায় না। নাম আর অ্যাকাউন্ট নম্বর শতভাগ না মিললে বা কোনো ভুল থাকলে টাকা অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয় না। ব্যাংকের প্রচুর অ্যাকাউন্ট থাকার কারণে একজনের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে চলে যেতে পারে। সে ভুল থেকে দূরে থাকতেই টাকা কোম্পানিকে ফেরত পাঠানো হয়।

অনলাইন ব্যাংকিংয়ে টাকা ঢুকতে হলে অ্যাকাউন্ট নম্বরের সাথে অ্যাকাউন্টহোল্ডারের নামের বানান শতভাগ মিলতে হবে। যদি একটি ডট বা ফুলস্টপ না মিলে তবে ব্যাংক সে অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করবে না। অসংখ্য বিনিয়োগকারী যাদের টাকা রিফান্ড হতে সমস্যা হয়, তাদের কোনো না কোনো ভুল থেকেই যায়। এদের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টের নামের বানানের সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নামের বানান হুবহু এক না থাকার মতো সমস্যাও অনেক।

সর্বশেষ রিফান্ড বিতরণকারী কোম্পানি মতিন স্পিনিংয়ের শেয়ার বিভাগের আনিস শেয়ারনিউজ২৪.কমের প্রতিনিধিকে জানান, রিফান্ডের টাকা ফেরত দেয়ার ব্যাপারে কোম্পানির কোনো গাফিলতি নেই। এ টাকা বিনিয়োগকারীকে দিতে পারলেই আমাদের ঝামেলা চুকে যায়। এ রিফান্ড দেয়ার জন্য আমাদের আলাদা অফিস নিতে হয়, আলাদা লোক নিতে হয়। এ টাকা আটকে রেখে আমাদের কোনো লাভ নেই। বিনিয়োগকারীরা যেটা বলে এটা ঠিক নয়। এ টাকা তো বিনিয়োগকারীরা চেক জমা দিয়েই তুলে নিতে পারে। আর আপনারা জানেন ব্যাংকে কারেন্ট হিসাবে কোনো লাভ দেয়া হয় না। ব্যাংক থেকে লাভ পেতে হলে টাকা ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখতে হবে আর তা রাখার সুযোগ কোথায়?

তিনি আরো বলেন, আমরা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের প্রতিটি বিনিয়োগকারীর টাকা প্রতিটি ব্যাংকে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু ব্যাংক বেশকিছু বিনিয়োগকারীর টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার না করে আমাদের কাছে ফেরত পাঠিয়েছে। ফেরত পাঠানোর কারণ বিনিয়োগকারীর ব্যাংক হিসাবের সাথে নামের মিল না থাকা। ব্যাংক টাকা ফেরত পাঠালে আমাদের কিছু করার নেই।

এদিকে বিও অ্যাকাউন্ট এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব তথ্যাদি ঠিক থাকলে সেসব বিনিয়োগকারীর রিফান্ড পেতে কোনো সমস্যা হয় না। এ কারণে রিফান্ড ভোগান্তি থেকে বাঁচতে বিনিয়োগকারীদের এসব তথ্য যাচাই, প্রয়োজনে সংশোধন করা উচিত বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বিও ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব তথ্য ঠিক করে বিও এডির (প্রাপ্তিস্বীকারপত্র) একটি সফট কপি আইপিওর টাকা রিফান্ড প্রদানকারী কোম্পানির কাছে জমা দিতে হবে। যেমন আইপিও সংক্রান্ত কাজে সেটকম একটি পরিচিত নাম। তাই সেটকমের কাছে সব সঠিক তথ্য অর্থাৎ বিও প্রাপ্তিস্বীকারপত্র জমা দিয়ে এ সমস্যা সমাধান সম্ভব। কারণ যখন বিও অ্যাকাউন্ট খোলা হয়, সে ডাটা বা তথ্য চলে যায় সেটকমের কাছে। আর কোম্পানি যখন আইপিওর টাকা রিফান্ড কওে, তখন বিনিয়োগকারীর ডাটা সংগ্রহ করে সেটকম থেকে। তাই সিকিউরিটিজ হাউজে বিও অ্যাকাউন্টের ভুল কারেকশন করলেও সেটকমে ভুল থেকে যায়। তাই অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে না। তাই বিনিয়োগকারীদের ভুল কারেকশন করার সাথে সাথে সেটকমেও কারেকশন করতে হবে। আর যদি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বিও অ্যাকাউন্ট এবং সেটকমে বিনিয়োগকারীদের নাম এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর হুবহু এক থাকে। তবে টাকা অ্যাকাউন্টে না পৌঁছার কোনো কারণ নেই বলেই মনে করছন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

শেয়ারনিউজ২৪

আইপিও তে বিনিয়োগের কিছু টিপস

আইপিও তে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে অনেক সময় দ্বিধায় থাকি কোন আইপিওতে বিনিয়োগ সঠিক হবে। অনেক আইপিও এর মাঝে সঠিক আইপিও খুঁজে বের করা কঠিন। সঠিক আইপিও নির্ধারণের ব্যাপারে কিছু টিপস দেয়া হল।

১। প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে গবেষণা  :

ইন্টারনেট এর মাধ্যমে অথবা বিভিন্ন ভাবে কোম্পানি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। কোম্পানি এর প্রতিদ্বন্দ্বী,আর্থিক অবস্থা, আগের প্রকাশিত কোন প্রেস রিলিজ এসব সম্পর্কে ধারনা নিতে হবে। গবেষণা করে যদি বুঝতে পারেন কোম্পানির বর্তমান অগ্রগতি আশানুরুপ তাহলে বিনিয়োগ করা উচিত ।

২। ভাল মৌলভিত্তিমুলুক কোম্পানি :

কোম্পানি এর ফ্রী ক্যাশ ফ্লো, নেট অ্যাসেট ভ্যালু, কোম্পানি গ্রোথ সম্পর্কে জানতে হবে। এইসব মৌলভিত্তি যে কোম্পানি এর ভাল সেই সব কোম্পানি নির্বাচন করা তুলনামুলক ভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ ।

৩। প্রসপেক্টাস পড়া উচিত :

সবসময় কোম্পানি এর প্রসপেক্টাস পড়ে দেখা উচিত । হয়তো অনেক সময় কোম্পানি এর বর্তমান অবস্থা আপাতদৃষ্টিতে ভাল না মনে হতে পারে কিন্তু প্রসপেক্টাস পড়ার মাধ্যমে আপনি কোম্পানি এর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা , অগ্রগতি অথবা ঝুঁকি সম্পর্কেও জানতে পারবেন। অতএব একটু সময় নিয়ে প্রসপেক্টাস পড়ে দেখবেন।

৪। লক-আপ শেষ হবার সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করা :

লক-আপ পিরিয়ড হচ্ছে ‘insiders এবং underwriters “ এর মধ্যে একটি চুক্তি যারা স্টকে থাকা শেয়ার বিক্রি নিষিদ্ধ করে। এটা সাধারণত তিন মাস থেকে দুই বছর হতে পারে। যে কোম্পানি লক-আপ এর মেয়াদপূর্ববর্তী শেয়ার স্টকে রাখে বুঝতে হবে সেই কোম্পানি এর ভবিষ্যতে অগ্রগতি ভালো।

তার মানে এটা নয় যে, আমরা আপনাদের বলছি সব কোম্পানি এর আইপিও উপেক্ষা করতে কারন কিছু বিনিয়োগকারী কোম্পানি থেকে পুরস্কৃতও হয় আইপিও মুল্যে স্টক করার জন্য। প্রতি মাসে সফল কোম্পানি এর আইপিও বাজারে আসছে সুতরাং আইপিও তে বিনিয়োগ সাফল্য আনবে আশা করছি।

 

 

 

 

The process of investors get involved in ipo.

You are investing in ipo. So, you should know about basic things of ipo then you can invest more effectively. An initial public offering or IPO, is the first sale of stock by a new company, usually a private company trying to go public. An IPO often serves as a way for companies to raise capital for funding current operations and new business opportunities. To get in on an IPO, you will need to find a company that is about to go public. This is done by searching S-1 forms filed with the securities and exchange commission.To participates in an IPO, an investor has to be registered with a brokerage firms. When companies issue IPOs, they notify brokerage firms, which in turn notify investors.

Most brokerage firms require that investors meet some qualifications before they can participate in an IPO. Some brokerage firms might specify that only investors with a certain amount of money in the brokerage accounts or a certain number of transactions can participate in IPOs. If you are qualified to participate in IPOs, the firm will usually have you sign up for IPO notification services, so that you are alerted when there are any new IPOs that meet your investment profile.If you are interested in participating in an IPO, contact a brokerage firm and ask for its requirements.

Source : Investopeadia.

এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড আইপিও চাঁদা গ্রহণের সময় বাড়ানোর আবেদন

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় থাকা এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) চাঁদা গ্রহণের সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান রেস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য এ মিউচুয়াল ফান্ডের চাঁদা গ্রহণের সময়সীমা ৫ মে পর্যন্ত ধার্য ছিল। বাজার পরিস্থিতির কারণে এর সময়সীমা ১২ মে পর্যন্ত বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছে ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান। গত ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে এ আবেদন জানানো হয়।
মিউচুয়াল ফান্ডটির আকার হবে ১০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। গত ২৮ এপ্রিল থেকে ফান্ডটির ইউনিট বিক্রির জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের নিকট চাঁদা সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়, এর শেষ তারিখ ৫ মে। কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতির কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ইউনিট বিক্রি সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা করছে রেস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট। এ অবস্থায় চাঁদা সংগ্রহের সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
আবেদনে রেস জানিয়েছে, বর্তমান নেতিবাচক বাজার পরিস্থিতি, ফ্যামিলিটেক্স ও আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক প্রথম মিউচুয়াল ফান্ডের রিফান্ড প্রক্রিয়ার কারণে বিনিয়োগকারীদের তারল্যসংকটে ফেলেছে। এর কারণে এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের চাঁদা সংগ্রহের প্রক্রিয়াটি চাপের মধ্যে পড়েছে। ফলস্বরূপ এ ফান্ডের চাঁদা সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সম্ভব হচ্ছে না।                       তাই স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে রেস। পাশাপাশি অনাবাসি বিনিয়োগকারীদের জন্য                 ১৫ মের পরিবর্তে সর্বশেষ ২৩ মে পর্যন্ত সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন জানানো হয়েছে। প্রতি ইউনিট ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ফান্ডটির মার্কেট লট ৫০০ ইউনিটে।
বণিক বার্তা

আবার চাঙ্গা হচ্ছে আইপিও বাজার, নির্ধারিত মূল্যে বাজারে আসতে ইতোমধ্যেই অনেক কোম্পানি নিয়ন্ত্রক সংস্থায় আবেদন জমা দিয়েছে

কিছুদিন ঝিমিয়ে থাকার পর আবারও চাঙ্গা হচ্ছে প্রাইমারী শেয়ারের বাজার। সেকেন্ডারি মার্কেটে মন্দা অব্যাহত থাকলেও শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহে তৎপর হচ্ছেন উদ্যোক্তারা। শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা শেষ হওয়ায় শীঘ্রই নতুন নতুন কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসতে শুরু করবে। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি কার্যকর হলে নতুন অনেক কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসার প্রক্রিয়া শুরু করবে বলে মার্চেন্ট ব্যাংকের কর্মকর্তারা আশা করছেন। আর নির্ধারিত মূল্যে বাজারে আসার জন্য ইতোমধ্যেই অনেক কোম্পানি নিয়ন্ত্রক সংস্থায় আবেদন জমা দিয়ে রেখেছে।
দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের ৰেত্রে ২০১০ সালের মার্চে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি কার্যকর করা হয়। কিন্তু ওই সময়ের বিধিমালার দুর্বলতার সুযোগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে বলে অভিযোগ ওঠে। এর প্রেৰিতে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছরের ২০ জানুয়ারি এই পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত করে এসইসি। পরে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও বাজার সংশ্লিষ্টদের মতামত নিয়ে এই পদ্ধতির সংশোধনী অনুমোদন করেছে এসইসি।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত থাকার কারণে স্থবির হয়ে পড়েছিল আইপিও বাজার। এ সঙ্কট কাটাতে আইপিও বাজার (প্রাইমারী মার্কেট) চাঙ্গা করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। বাজারে শেয়ারের চাহিদা ও যোগানের (ডিমান্ড এ্যান্ড সাপস্নাই) সামঞ্জস্য বিধানের জন্য নতুন নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির ধারাবাহিকতা রক্ষার পরিকল্পনা করছে এসইসি। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার সরবরাহের ৰেত্রে যাতে দীর্ঘ বিরতি না পড়ে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। আবার একসঙ্গে অনেক কোম্পানি আসার ফলে বাজারে যাতে অর্থ সঙ্কট তৈরি না হয়_ সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। তবে এসইসিতে আবেদন করার পর উদ্যোক্তারা যাতে অযথা সময়ক্ষেপণ বা হয়রানির শিকার না হন_ সেদিকেও গুরম্নত্ব দেয়া হচ্ছে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা চালুর পর এই পদ্ধতির আওতায় জমা থাকা আবেদনগুলো পর্যালোচনা করা হবে। স্থগিতাদেশের আগে এসইসিতে এ ধরনের ৪টি আবেদন জমা ছিল। এরমধ্যে ২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর চূড়ানত্ম অনুমোদন পেলেও আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় সেই সময় বাজারে আসতে পারেনি এলায়েন্স হোল্ডিংস লিমিটেড। আর ব্রোকারেজ হাউসের তালিকাভুক্তির ৰেত্রে ডিএসইর নেতিবাচক অবস্থানের কারণে লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজকে অনুমোদন দেয়নি এসইসি।
অন্যদিকে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য গত ১৩ জানুয়ারি ইউনিক হোটেল এ্যান্ড রিসোর্টসের আইপিও অনুমোদন করে এসইসি। তবে এর পরপরই বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত হয়ে যাওয়ায় আইপিও প্রক্রিয়া শেষ করতে পারেনি কোম্পানিটি। এই কোম্পানির শেয়ারের নির্ধারিত মূল্য নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন রয়েছে। এর প্রেৰিতে সম্প্রতি কোম্পানিটি বুকবিল্ডিংয়ের পরিবর্তে নির্ধারিত মূল্যে আইপিও অনুমোদনের জন্য এসইসিতে আবেদন করেছে।
এছাড়া বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে নাভানা রিয়েল এস্টেট এবং কেয়া কটন মিলস লিমিটেডের আইপিও আবেদন এসইসিতে জমা আছে। এরমধ্যে নাভানা রিয়েল এস্টেট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৩৭২ কোটি টাকা এবং কেয়া কটন ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২৪৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চেয়েছিল। তবে আগে নির্ধারিত দরে এই দুই কোম্পানির আইপিও অনুমোদন করবে না এসইসি। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আসতে হলে কোম্পানিগুলোকে নতুন বিধি অনুযায়ী রোড শো আয়োজন করে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের নির্দেশনা দেয়া হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
গত জানুয়ারি পর্যনত্ম বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের মূল্য র্নিধারণের প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ করেছিল বেশ কিছু কোম্পানি। এরমধ্যে জিএমজি এয়ারলাইন্স এ বছরের ১২ জানুয়ারি রোড শো আয়োজন করে। কোম্পানিটি মোট ৬ কোটি শেয়ার ছাড়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে আর্থিক পরিস্থিতি ভাল না থাকায় কোম্পানিটি আপাতত পুঁজিবাজারে আসবে না বলে গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে।
এর আগে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল গোল্ডেন হারভেস্ট, বাংলাদেশ সাব মেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, ফার ইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, আনন্দ শিপইয়ার্ড এ্যান্ড সিস্নপওয়েজ লিমিটেড, অরিয়ন ফার্মা লিমিটেড, পিএইচপি ফ্লোট গস্নাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং সামিট শিপিং লিমিটেড। এরমধ্যে সরকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাব মেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড ইতোমধ্যেই নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে বাজারে আসার প্রক্রিয়া শুরম্ন করেছে। কোম্পানিটি ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছাড়বে। এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপক হিসেবে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। গোল্ডেন হারভেস্ট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য ব্যানকো ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব দিয়েছিল। ফার ইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার জন্য ১৬ জানুয়ারি রোড শো আয়োজন করে। এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। জাহাজ নির্মাণ শিল্পের প্রথম কোম্পানি হিসেবে পুঁজিবাজারে আসার সিদ্ধানত্ম নেয় আনন্দ শিপইয়ার্ড এ্যান্ড সিস্নপওয়েজ লিমিটেড। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর কোম্পানিটি মোট ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার কথা ছিল। আনন্দ শিপইয়ার্ডের ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। অরিয়ন ফার্মা লিমিটেড ৪ কোটি এবং পিএইচপি ফ্লোট গস্নাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধানত্ম নিয়েছিল। এরমধ্যে অরিয়ন ফার্মা আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপক নিযুক্ত করে। আর পিএইচপি ফ্লোট গস্নাসের ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।
সামিট গ্রম্নপের প্রতিষ্ঠান সামিট শিপিং লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার জন্য ব্যানকো ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপক নিয়োগ করে। এছাড়া বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড (বিবিএস) নামে একটি কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসার জন্য জনতা ক্যাপিটাল এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দিয়েছিল।
অন্যদিকে নির্ধারিত মূল্যে শেয়ার ছাড়ার জন্য ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি কোম্পানি এসইসিতে আবেদন করেছে। এরমধ্যে রয়েছে পদ্মা লাইফ ইন্সু্যরেন্স, এনার্জি প্রিমা, আমরা টেকনোলজি, জিএসপি ফাইন্যান্স, এলএসআই ইন্ডাস্ট্রিজ, ঢাকা রিজেন্সি হোটেল এ্যান্ড রিসোর্ট, শাহীবাজার পাওয়ার, ডেল্টা স্পিনার্স (আরপিও), সায়হাম কটন মিলস, জিবিবি পাওয়ার, গেস্নাবাল হেভী কেমিক্যাল, জিপিএইস ইস্পাত এবং ফার ইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজ।
Source: Daily Janakantha, October 16, 2011

Private Placement

What Does Private Placement Mean?

The sale of securities to a relatively small number of select investors as a way of raising capital. Investors involved in private placements are usually large banks, mutual funds, insurance companies and pension funds. Private placement is the opposite of a public issue or IPO, in which securities are made available for sale on the open market.

Since a private placement is offered to a few, select individuals, the placement does not have to be registered with the Securities and Exchange Commission. In many cases, detailed financial information is not disclosed and a the need for a prospectus is waived. Finally, since the placements are private rather than public, the average investor is only made aware of the placement after it has occurred.

Net Asset Value – NAV

What is Net Asset Value (NAV)?

Net Asset Value (NAV) is  the value of an entity’s assets less the value of its liabilities. In other words, it is the the total equity plus the retained earnings of a company.

Internationally the term is most commonly used in relation to mutual funds due to the fact that shares of such funds  are often redeemed at their net asset value. For mutual funds NAV per share is computed based on the closing market prices of the securities in the fund’s portfolio.

However, in Bangladesh the term is also used as a synonym for book value or the equity value of a business. Net asset value here represents the value of the total equity and retained earnings. Net Asset Value Per Share is computed by dividing the NAV by the number of shares outstanding held by investors.

It is a valuation of a stock considering the company is liquidated on the date.

In determining whether shares in a public company are a cheap or expensive investment, one tool used by investors is a comparison of the company’s current market capitalization (the price at which the market values the company, i.e. market price) with its NAV. The NAV may be below the market price for the following reasons:

  • Investors believe that the company has significant growth prospects. They are prepared to pay more for the company than its NAV.
  • The current value of a company’s assets likely differ than the historical cost financial statements used in the NAV calculation.
  • Certain assets, such as goodwill (which broadly represents a company’s ability to make future profits), are not necessarily included on a balance sheet and so will not appear in an NAV calculation.

If a company’s market value (or share price) is significantly lower than it’s NAV per share for a long period  – it is more profitable for the shareholders to wind up the company than to continue operation.

Price-Earnings Ratio – P/E Ratio

What Does Price-Earnings Ratio – P/E Ratio Mean?

This is a valuation ratio of a company’s current share price compared to its per-share earnings (EPS).

P/E Ratio is calculated as:

Price Earning ratio = Market Price of a share / Earnings Per Share

For example, if a company is currently trading at Tk.100 a share and earnings over the last 12 months (EPS) were Tk. 5 per share, the P/E ratio for the stock would be 20.0 (Tk. 100/Tk. 5).

EPS is usually from the last four quarters (trailing P/E), but sometimes it can be taken from the estimates of earnings expected in the next four quarters (projected or forward P/E).

A third variation uses the sum of the last two actual quarters and the estimates of the next two quarters.

P/E Ration is also sometimes known as “price multiple” or “earnings multiple”.

In general, a high P/E suggests that investors are expecting higher earnings growth in the future compared to companies with a lower P/E.

However, the P/E ratio doesn’t tell us the whole story by itself. It’s usually more useful to compare the P/E ratios of one company to other companies in the same industry, to the market in general or against the company’s own historical P/E. It would not be useful for investors using the P/E ratio as a basis for their investment to compare the P/E of a financial company (e.g. AB Bank) to a utility company (e.g. DESCO) as each industry has much different growth prospects.

The P/E is sometimes referred to as the “multiple”, because it shows how much investors are willing to pay per Taka of earnings. If a company were currently trading at a multiple (P/E) of 20, the interpretation is that an investor is willing to pay Tk. 20 for Tk. 1 of  current earnings.

It is important that investors note a problem that arises with the P/E measure, and to avoid basing a decision on this measure alone. The denominator (earnings) is based on an accounting measure of earnings that is susceptible to forms of manipulation, making the quality of the P/E only as good as the quality of the underlying earnings number