Author Archives: Al-Amin Delower

নিউ লাইন ক্লোথিংসের আইপিও আবেদন শুরু আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে নিউ লাইন ক্লোথিংস লিমিটেড। আজ (১৮ ফেব্রুয়ারি) সোমবার থেকে কোম্পানিটির আইপিও আবেদন শুরু হবে। আইপিও আবেদন চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৬৭তম সভায় কোম্পানিটিকে আইপিওর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়।

জানা যায়, নিউ লাইন ক্লোথিংস আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা ইস্যু মূল্যের ৩ কোটি সাধারণ শেয়ার আইপিওয়ের মাধ্যমে ইস্যু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত ৩০ কোটি টাকা দিয়ে যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা ক্রয় এবং কারখানা ভবন সম্প্রসারণ, মেয়াদী ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও বাবদ খরচ করবে।

৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী পুন:মূল্যায়নসহ প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩১.৬৩ টাকা। আর সম্পদ পুন:মূল্যায়ন ছাড়া এনএভি হয়েছে ২০.৫২ টাকা। শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৮৫ টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, সন্ধানী লাইফ ফাইন্যান্স লিমিটেড এবং সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল সার্ভিসেস লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ;১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সিলকো ফার্মার আইপিও আবেদনের তারিখ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পাওয়া সিলকো ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন আগামী ১০ মার্চ শুরু হবে। চলবে ১৯ মার্চ পর্যন্ত। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে

কোম্পানিটি ৩ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা।

আইপিও টাকা দিয়ে কোম্পানিটি কারখানা ভবন নির্মাণ, যন্ত্রপাতি ক্রয়, ডেলিভারী ভ্যান ক্রয় ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

কোম্পানিটির ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি নীট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৫.৪১ টাকা। ৫টি আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ওয়েটেড এভারেজ ইপিএস) হয়েছে ১.৪৬ টাকা।

ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড, সিটিজেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেড কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন(বিএসইসি)৬৬৯তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়।

শেয়ারনিউজ; ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

জেনেক্সের মুনাফা কমেছে: লেনদেন শুরু কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক: সদ্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করা জেনেক্স ইনফোসিস লিমিটেড ২০১৮-২০১৯ হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ার প্রতি মুনাফা কমেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, অক্টোবর ২০১৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির আইপিওর আগে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৭ টাকা । আইপিওর পরে ইপিএস হয়েছে ০.৩৬ টাকা।

এই সময় কোম্পানিটির সমন্বিতভাবে নিট মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৮৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। যা আগের বছর একই সময় মুনাফা ছিল ৩ কোটি ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা।

এদিকে ২০১৮-২০১৯ হিসাব বছরের অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানিটির আইপিওর আগে ইপিএস হয়েছে ০.৯৭ টাকা। আইপিওর পরে ইপিএস হয়েছে ০.৯৮ টাকা।

এই সময় কোম্পানিটির সমন্বিতভাবে নিট মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৯৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। যা আগের বছর একই সময় মুনাফা ছিল ৬ কোটি ৮ হাজার টাকা।

৩১ ডিসেম্ববর ২০১৮ সাল পর্যন্ত সমন্বিতভাবে কোম্পনির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬.৯৫ টাকায়। তবে আইপিওতে ইস্যুকৃত ২ কোটি শেয়ার বিবেচনায় এনএভিপিএস দাড়াঁয় ১৫.২৫ টাকা।

এদিকে, আগামীকাল ৬ ফেব্রুয়ারি, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শেয়ারবাজারে শুরু করবে জেনেক্স ইনফোসেস। ওইদিন “এন” ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করা কোম্পানির ট্রেডিং কোড হবে “GENEXIL”। ডিএসইতে কোম্পানি কোড হবে ২২৬৫০ আর সিএসইতে কোম্পানি কোড হবে ২৪০১১।

এর আগে গত ২০ জানুয়ারি লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সিডিবিএলের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসেবে জমা হয়েছে। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায়, অডিটরিয়াম অব ইনস্টিটিউশন ইঞ্জিনিয়ার্স (আইইবি), রমনা, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় এ কোম্পানির আইপিও লটারির ড্র। আর গত ১৮ নভেম্বর থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করা হয়।

কোম্পানিটির আইপিওতে ৩৫.৭৫ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। অর্থাৎ ২০ কোটি টাকার বিপরীতে কোম্পানিটির আইপিওতে ৭১৫ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে দেশী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪৬৩ কোটি ৬৬ লাখ ৫ হাজার টাকার, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪৬ কোটি ৩২ লাখ ৭৫ হাজার টাকার, প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৩৮ কোটি ৮০ হাজার টাকার, ইলিজিবল ইনভেস্টরদের (এমএফ ও সিআইএস কাছ থেকে ১৪ কোটি ২০ লাখ টাকার এবং ইলিজিবল ইনভেস্টরদের কাছ থেকে (এমএফ ও সিআইএস ব্যতীত) ১৫২ কোটি ৮৬ লাখ ৯০ হাজার টাকার।

গত ০৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৫৬তম সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন করা হয়।

জানা যায়, কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এজন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণ, ঋণ পরিশোধ ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানিটির পুন:মূল্যায়ন ছাড়া নীট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৩.৯৬ টাকা।

জেনেক্স ইনফোসিসের সাবসিডিয়ারি কোম্পানিসহ ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.০২ টাকা।

আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ; ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

জেনেক্স ইনফোসিসের হালচাল: কেমন হবে শেয়ার দর

মো: সোহেল : প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা জেনেক্স ইনফোসিস লিমিটেডের শেয়ার আগামীকাল দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরু হবে। “এন” ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করর জেনেক্স ইনফোসিস ট্রেডিং কোড হবে “GENEXIL”। ডিএসইতে কোম্পানিটির কোম্পানি কোড হবে 22650। নিচে কোম্পানির আইপিও শেয়ারের তথ্য তুলে ধরা হলো:

লেনদেন ইস্যু তারিখ: ২৩.১০.২০১৮

আইপিও অফার: ২ কোটি শেয়ার (সাধারণ বিনিয়োগকারীর জন্য বরাদ্দ ১ কোটি শেয়ার এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরার জন্য বরাদ্দ বাকী ১ কোটি শেয়ার )

TRADEABLE SHARE (লেনদেনযোগ্য শেয়ার):

* প্রথম দিনে লেনদেনযোগ্য শেয়ার: ১,০০,০০,০০০+ ৫০,০০,০০০= ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার (সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশের ১০০%+ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী অংশের ৫০%)

***প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ২য় অংশ ২৫,০০,০০০ (২৫ লাখ) শেয়ার এর লক খুলবে আগামী ২৩-০৪-২০১৯ ইং তারিখে।[ প্রসপেক্টাস ইস্যু তারিখ হতে IPO প্রাপ্ত ১,০০,০০,০০০ শেয়ারের ২৫%, ৬ মাস পর্যন্ত লক ইন থাকবে]

***প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ৩য় অংশ ২৫,০০,০০০ (২৫ লাখ) শেয়ার এর লক খুলবে আগামী ২৩.০৭.২০১৯ ইং তারিখে।[ প্রসপেক্টাস ইস্যু তারিখ হতে IPO প্রাপ্ত ১,০০,০০,০০০ শেয়ারের বাকী ২৫%, ৯ মাস পর্যন্ত লক ইন থাকবে ]

* লক খুলবে (placement): ১ কোটি ১০ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫৬টি প্লেসমেন্ট শেয়ারের লক খুলবে আগামী ২৩.১০.২০১৯ তারিখে।

* লক খুলবে (chairman +MD+Directors ): ৫ কোটি ০৫ লাখ ৩৩ হাজার ২৪৪টি শেয়ারের লক খুলবে আগামী ২০২১ সালের ২৩ অক্টোবর।

বি.দ্র: মোট ৬,১৬,০০,০০০ শেয়ারের মধ্যে ৪,৩৬,৫৫,৬৭৪ শেয়ারের উপর প্রাপ্ত বোনাস ঘোষণা ছাড়া বিক্রয় করা যাবে।

SOURCE: COMPANY PROSPECTUS

এডমিনঃ IPO SUCCESS GROUP

শেয়ারনিউজ; ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফিক্সড ও বুকবিল্ডিং উভয় পদ্ধতিতেই তালিকাভুক্ত হবে স্বল্প মূলধনী কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক: মূল মার্কেটে প্রবেশের সুযোগ রেখে স্বল্প মূলধনী কোম্পানি নিয়ে তৈরিকৃত আইনের গেজেট প্রকাশ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার বাই স্মল ক্যাপিটাল কোম্পানিজ) রুলস,২০১৮ নামে তৈরিকৃত আইনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির সুযোগ পাবে স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলো।

সম্প্রতি এ সংক্রান্ত বিষয়ে বিএসইসি’র প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী, দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোর জন্য স্মল ক্যাপিটাল প্লাটফর্ম নামে আলাদা মার্কেট গঠন করা হবে। যেসব কোম্পানি কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার (কিউআইও) এর মাধ্যমে ন্যূনতম ৫ কোটি টাকা ও ৩০ কোটির নিচে পরিশোধিত মূলধন সংগ্রহ করবে সেগুলোকে এই প্লাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হবে। স্বল্প মূলধনী কোম্পানি ফিক্সড ও বুকবিল্ডিং উভয় পদ্ধতিতে তালিকাভুক্তির সুযোগ পাবে।

কোয়ালিফাই ইনভেস্টর বলতে ইলিজিবল ইনভেস্টর, মার্কেট মেকার, তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের ইস্যুয়ার, আবাসিক ও অনাবাসিক ব্যক্তি বিনিয়োগকারী যাদের নিট সম্পদ ন্যূনতম ১ কোটি টাকা এবং কমিশনের অনুমোদিত ব্যক্তিদের বোঝানো হয়েছে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য যেরকম আইপিও’র ব্যবস্থা রয়েছে তেমনি স্মল ক্যাপিটাল প্লাটফর্মে তালিকাভুক্তির জন্য কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার (কিউআইও) এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিউআইও’ হচ্ছে যেসব স্বল্প মূলধনী কোম্পানি তালিকাভুক্ত হতে চাইবে তারা ইস্যু ম্যানেজারের মাধ্যমে কোয়ালিফাইড ইনভেস্টরদের সিকিউরিটিজ (শেয়ার) ইস্যুর আহবান জানাবে।

যেসব স্বল্প মূলধনী কোম্পানি ফেসভ্যালুতে তালিকাভুক্ত হতে চাইবে তারা ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে এবং ফেসভ্যালুর অতিরিক্ত অর্থ অর্থাৎ প্রিমিয়াম নিতে চাইলে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত হতে হবে। তবে বুক বিল্ডিংয়ে তালিকাভুক্ত হতে চাইলে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন কিআইও’র এর পূর্বে ন্যূনতম ১০ কোটি টাকা থাকতে হবে।

কিআইও’র মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের পর স্বল্প মূলধনী কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটির নিচে থাকতে হবে। পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি বা তার অধিক হলেই কোম্পানি কমিশন ও স্টক এক্সচেঞ্জকে অনতিবিলম্বে অভিহিত করবে এবং দুই বছরের মধ্যে মূল মার্কেটে তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করবে।

বিএসইসি’র প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী, ইস্যু ম্যানেজমেন্ট ফিস সর্বোচ্চ ফিক্সড প্রাইসের জন্য ৩ লাখ টাকা এবং বুক বিল্ডিংয়ের জন্য ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া আন্ডাররাইটিং ফি মোট অ্যামাউন্টের ০.২৫ শতাংশ, কমিশনে আবেদন ফি ৫ হাজার টাকা (অ-ফেরতযোগ্য), কনসেন্ট ফি ১০ হাজার টাকা, লিস্টিং ফি এবং অন্যান্য ফি (স্মল ক্যাপিটাল কোম্পানির লিস্টিং রেগুলেশনস অনুযায়ী) নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইস্যুয়ারের সাধারণ শেয়ার ১ বছরের লকইন থাকবে। অন্য টাইপের সিকিউরিটিজ সাধারণ শেয়ারের রূপান্তর করা হলে সেক্ষেত্রে ১ বছরের লকইন থাকবে। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বিডিংয়ের সময় হবে ১২০ ঘন্টা। কোনো কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর মোট ইস্যুকৃত শেয়ারের ১০ শতাংশের বেশি ধারণ করতে পারবে না বলে কমিশনের গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেয়ারনিউজ; ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

জেনেক্স ইনফোসিসের আইপিও আবেদন শেষ ২৯ নভেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া জেনেক্স ইনফোসিসের আবেদন ১৮ নভেম্বর শুরু হয়েছে। যা চলবে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৫৬তম কমিশন সভায় কোম্পানিকে আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

জানা যায়, কোম্পানিটিকে পুঁজিবাজারে ২ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা।

এ টাকা কোম্পানিটি কল সেন্টারের ব্যবসা সম্প্রসারণ, আংশিক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ভারিত গড় হারে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১.৮৯ টাকা। পুনঃমূল্যায়ন ছাড়া শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১৩.৯৬ টাকা।

উল্লেখ্য, জেনেক্স ইফোসিস লি: এর একটি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান আছে। আর এ কোম্পানিতে জেনেক্স ইনফোসিসের ৯৯.৯৯ শতাংশ শেয়ার হোল্ডিং রয়েছে। সাবসিডিয়ারি এ কোম্পানির হিসাব নিরীক্ষা সহ জেনেক্স ইনফোসিসের সমন্বিত ভারিত গড় হারে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ২.০২ টাকা এবং পুনঃমূল্যায়ন ছাড়া শেয়া্র প্রতি সমন্বিত প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১৩.৯৭ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লি:।

শেয়ারনিউজ; ২৬ নভেম্বর ২০১৮

ইন্দো-বাংলা ফার্মার লেনদেনের তারিখ নির্ধারন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে আগামি বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, “এন” ক্যাটাগরিভুক্ত এ কোম্পানিটির ডিএসইতে কোম্পানি কোড হচ্ছে-১৮৪৯৪ ও ট্রেডিং কোড হচ্ছে “IBP”।

এর আগে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার গত ৪ অক্টোবর শেয়ারহোল্ডারদের বিও হিসাবে পাঠানো হয়েছে। এলক্ষ্যে লটারির ড্র হয়েছিল গত ১১ সেপ্টেম্বর।

কোম্পানিটির আইপিওতে ৩৪.২৪ গুণ বেশি টাকার আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪৫৬ কোটি ৮৫ লাখ ১০ হাজার টাকার, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪৮ কোটি ৪২ লাখ ৬৫ হাজার টাকার, প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৩০ কোটি ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার, ইলিজিবল ইনভেস্টরদের কাছ থেকে (এমএফ অ্যান্ড সিআইএস) ১৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার এবং ইলিজিবল ইনভেস্টরদের কাছ থেকে (এমএফ অ্যান্ড সিআইএস ব্যতীত) ১৩৫ কোটি ৮৮ লাখ ২৫ হাজার টাকার।

এর আগে আগস্ট মাসের ৯ থেকে ১৬ তারিখ পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করা হয়।

কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করে। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১০ টাকা।

উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিট কারখানা, প্রশাসনিক ভবন, গুদাম ও গ্যারেজ ভবন নির্মাণ, মেশিনারিজ ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.২১ টাকা। এ সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাড়িয়েছে ১২.৮৪ টাকা।

আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড, ইবিএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং সিএপিএম অ্যাডভাইজরি লিমিটেড।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬১৩তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।

শেয়ারনিউজ; ১৬ অক্টোবর ২০১৮

সিলভা ফার্মার লেনদেন শুরু ১০ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক: সম্প্রতি প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা ওষুধ ও রসায়ন খাতের সিলভা ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের লেনদেনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১০ অক্টোবর থেকে শেয়ারবাজারে শুরু হবে এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন। ডিএসই সূত্রে এ্র তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ওইদিন “এন” ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করর সিলভা ফার্মার ট্রেডিং কোড হবে “SILVAPHL”। আর ডিএসইতে কোম্পানিটির কোম্পানি কোড হবে ১৮৪৯৩।

এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সিডিবিএলের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসেবে জমা হয়েছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পেয়েছে।

সূত্র জানায়, এর আগে গত ৩০ আগস্ট কোম্পানিটির লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। কোম্পানিটির আইপিও শেয়ার কিনতে ২৫.৭৮ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। অর্থাৎ কোম্পানিটির আইপিও শেয়ার কিনতে মোট ৭৭২ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীর আবেদন পড়েছে ৪৮.৯৮ গুণ, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের আবেদন ২০.৫০ গুণ এবং প্রবাসীদের আবেদন পড়েছে ১২.৫২ গুণ।

এর আগে ১১ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়।

প্রসপেক্টাস সূত্রে জানা গেছে, সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালসকে পুঁজিবাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কোম্পানিটি অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করে ৩ কোটি সাধারণ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে এই টাকা সংগ্রহ করবে।

উত্তোলিত টাকায় কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা ক্রয়, কারখানার ভবন নির্মাণ, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিওতে ব্যবহার করবে।

কোম্পানিটির ২০১৬-১৭ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.০৩ টাকা। আর ২০১৭ সালের ৩০ জুন পুনঃমূল্যায়ন ছাড়া শেয়ার প্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬.৪৮ টাকায়।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড ও এসবিএল ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ;০৭ অক্টোবর ২০১৮

কাট্টালি টেক্সটাইলের আইপিও লটারির ফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া কাট্টালি টেক্সটাইলের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার জন্য লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাঠকদের জন্য লটারির ড্র’র ফলাফল প্রকাশ করা হলো।

লটারির ফলাফল দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

স্টক এক্সচেঞ্জ ট্রেক নম্বর/মার্চেন্ট ব্যাংক সিরিয়াল নম্বর

সাধারণ বিনিয়োগকারী

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী

প্রবাসি বিনিয়োগকারী

জানা গেছে, কোম্পানিটির আইপিও লটারির ড্র আজ সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর রমনাতে অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কোম্পানিটির আইপিওতে ২৮ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়।

গত ২৬ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৪৮তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

কাট্টালি টেক্সটাইল শেয়ারবাজার থেকে ৩৪ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি শুধুমাত্র অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করে ৩ কোটি ৪০ লাখ সাধারন শেয়ার ইস্যু করে।

উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ক্রয়, ডরমিটরি ভবন নির্মান, ঋণ পরিশোধ, জেনারেটর স্থাপন, বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার স্থাপন এবং আইপিওতে ব্যবহার করবে।

কোম্পানিটির ২০১৬-১৭ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.৯৪ টাকা। আর ২০১৭ সালের ৩০জুন পুন:মূল্যায়ন ছাড়া শেয়ার প্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০.৪৮ টাকায়।

উল্লেখ, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ; ০৪ অক্টোবর ২০১৮