Author Archives: Al-Amin Delower

তালিকাভুক্তির অনুমোদন পেয়েছে এস্কয়ার নিট কম্পোজিট

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা বস্ত্র খাতের কোম্পানি এস্কয়ার নিট কম্পোজিট লিমিটেড ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পেয়েছে।তবে এখনও লেনদেন শুরুর তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। স্টক একচেঞ্জে সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানির আইপিও লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সিডিবিএলের মাধ্যমে গত ৭ মার্চ (বৃহস্পতিবার) বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ বিও হিসাবে জমা হয়েছে।

এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সকাল সাড়ে ১০টায় কোম্পানির আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত হয়। আর গত ৬ জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করা হয়।

গত বছরের ২৭ নভেম্বর বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৩ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার ৮৩৩ টি সাধারণ শেয়ার প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ইস্যু করার অনুমোদন দেয় কমিশন।

https://www.facebook.com/groups/1259066044108520/

কোম্পানির ১ কোটি ৪ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ টি সাধারণ শেয়ার ৪০ টাকা মূল্যে (প্রান্ত সীমা মূল্য থেকে ১০ শতাংশ বাট্টায়) সাধারণ বিনিয়োগকারীদের নিকট বিক্রি করা হবে। এছাড়া বুক বিল্ডিং পদ্ধতির মাধ্যমে ৩ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার ৮৩৩টি শেয়ারের মধ্যে ২ কোটি ৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩২টি শেয়ার ৪৫ টাকা মূল্যে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের নিকট ইস্যু করা হবে।

গত ৯ জুলাই সোমবার থেকে এই নিলাম শুরু হয়ে চলে ১২ জুলাই বিকেল ৫টা পর্যন্ত। নিলামে কোম্পানিটির কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণ করা হয় ৪৫ টাকায়। গত ২৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিএসইসির কমিশন সভায় কোম্পানিটিকে শেয়ার দর নির্ধারণের জন্য বিডিংয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়।

জানা গেছে, এস্কয়ার নিট কম্পোজিট লিমিটেড আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা টাকায় কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণ, ভবন নিমার্ণ, ডাইং ও ওয়াশিং প্লান্টের জন্য যন্ত্রপাতি কিনবে।

পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ভবন নির্মাণে ব্যয় করা হবে ১০০ কোটি ৪২ লাখ টাকা। নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর এবং ময়মনসিংহের ভালুকায় এ ভবন নির্মিত হবে। কোম্পানিটির কাঁচপুর প্রকল্পের জন্য ডাইং মেশিনারিজ কিনতে খরচ হবে ২১ কোটি ২৩ লাখ ১৯ হাজার টাকা। একই সঙ্গে কাঁচপুরে কেনা হবে ওয়াশিং প্লান মেশিনারিজ। যার জন্য ব্যয় হবে ২১ কোটি ৯০ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। আর আইপিও বাবদ খরচ করা হবে ৬ কোটি ৪৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা

https://www.facebook.com/groups/1259066044108520/

এস্কয়ার নিট কম্পোজিটের প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ছিল ২০০ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন ছিল ১০০ কোটি টাকা

এস্কয়ার নিট কম্পোজিট ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। কোম্পানিটিতে নিটিং, প্রিন্টিং, এমব্রয়ডায়রি, লন্ড্রি ও গার্মেন্টস ইউনিট রয়েছে।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর রেজিস্ট্রার টু দ্য ইস্যুর দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ; ১০ মার্চ ২০১৯

আইপিও’র অর্থ শতভাগ ব্যবহার করেছে ভিএফএস থ্রেড

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভিএফএস থ্রেড ডায়িং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থের শতভাগ টাকা ব্যবহার করেছে। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই কোম্পানিটি অর্থ ব্যবহার সম্পন্ন করেছে। ডিএসই সূত্রে জানা যায়।

কোম্পানি জানিয়েছে, আইপিও মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থের মাধ্যমে কোম্পানিটি নতুন যন্ত্রপাতির সেট আপ সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছেন।

মেশিনটি প্রতি বছর ১৯ লাখ ৭২ হাজার ৭১ এলবিএস পাউন্ড প্রকল্পটির উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলবে। কোম্পানির বিক্রয় আয় প্রতি বছর প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা

https://www.facebook.com/groups/1259066044108520/

এবং সর্বোত্তম ব্যবহার করার পরে ২২ কোটি টাকা লাভ হবে। মেশিনটি ইনস্টল করার আগে, প্রতি বছর উৎপাদন ক্ষমতা ৪৩ লাখ ৮২ হাজার ৩৮০ এলবিএস পাউন্ড ছিল। যন্ত্রপাতটি কোরিয়ান এবং জার্মানের স্বয়ংক্রিয় ব্র্যান্ড নিউ থ্রেড ম্যানুফ্যাকচারিং মেশিন।

কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ২২ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। এজন্য প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সিটিজেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ; ১০ মার্চ ২০১৯

আজ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করবে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক খাতের কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। ঘোষণা অনুযায়ী আজ অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ড সভা। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, বিএটিবিসির বোর্ড সভা ১১ মার্চ, বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ সমাপ্ত অর্থবছরের নীরিক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা গেছে।

শেয়ারনিউজ; ১১ মার্চ ২০১৯

নিউ লাইন ক্লোথিংসের আইপিওতে রেকর্ড আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া নিউ লাইন ক্লোথিংসের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) প্রাতিষ্ঠানিক বা যোগ্য বিনিয়োগকারীদের রেকর্ড পরিমাণ আবেদন জমা পড়েছে। যা এর আগে অন্য কোন কোম্পানির আইপিওতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের এতো আবেদন জমা পড়ে নাই।

নিউ লাইনের আইপিওতে আবেদন সংগ্রহ করা হয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত। ওইসময় কোম্পানিটির শেয়ার কেনার জন্য আইপিওতে ৮৯৯টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন করা হয়েছে। যা অন্য যেকোন কোম্পানির চেয়ে বেশি। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা জেনেক্স ইনফোসিসে ৮৪৩টি ও তৃতীয় স্থানে থাকা এসএস স্টিলে ৮২৮টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন করা হয়। এরপরে অবস্থানে থাকা কাট্টালি টেক্সটাইলে ৭৭১টি ও ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসে ৭৫৭টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন করা হয়।

নিউ লাইন ক্লোথিংসের জন্য পুঁজিবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করা হবে। এরমধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ ৫০ শতাংশ বা ১৫ কোটি টাকা। এই ১৫ কোটি টাকার বিপরীতে ৮৯৯টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ২৬২ কোটি ৬৯ লাখ ৯০ হাজার টাকার আবেদন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে চাহিদার ১৭.৫১ গুণ বা ১৭৫১ শতাংশ আবেদন জমা পড়েছে।

গত ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৬৭তম সভায় কোম্পানিটিকে এ অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়। এজন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা ক্রয়, কারখানা ভবন সম্প্রসারণ, মেয়াদী ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

নিউ লাইনের ২০১৬-১৭ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.৮৫ টাকা। আর ২০১৭ সালের ৩০ জুন পুন:মূল্যায়নসহ নীট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩১.৬৩ টাকায় এবং পুন:মূল্যায়ন ছাড়া এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০.৫২ টাকায়।

আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, সন্ধানী লাইফ ফাইন্যান্স এবং সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল সার্ভিসেস।

শেয়ারনিউজ; ০৫ মার্চ ২০১৯

২৪ মার্চ নিউ লাইন ক্লোথিংসের আইপিও লটারি ড্র

নিজস্ব প্রতিবেদক: আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়ার জন্য নিউ লাইন ক্লোথিংসের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) লটারি ড্র আগামী ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানি সুত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে ওইদিন সকাল ১০ টায় রাজধানীর রমনাতে অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে এই লটারি ড্র অনুষ্ঠিত হবে।

কোম্পানিটির আইপিওতে ১৮ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়।

কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে। গত ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৬৭তম সভায় কোম্পানিটিকে এ অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়। এজন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা ক্রয়, কারখানা ভবন সম্প্রসারণ, মেয়াদী ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.৮৫ টাকা। একই সময়ে পর্যন্ত কোম্পানিটির পুন:মূল্যায়নসহ নীট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩১.৬৩ টাকা এবং পুন:মূল্যায়ন ছাড়া নীট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২০.৫২ টাকায়।

আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, সন্ধানী লাইফ ফাইন্যান্স এবং সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল সার্ভিসেস।

শেয়ারনিউজ; ০৪ মার্চ ২০১৯

 

হোটেল সী পার্লের আইপিও অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে কক্সবাজারে অবস্থিত পাঁচ তারকা মানের রয়েল টিউলিপ ফ্রাঞ্চাইজ সী পার্ল বীচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৭৬তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো: সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, সী পার্ল পুঁজিবাজারে ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ১৫ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনযোগ্য ১৫ কোটি টাকার মধ্যে ১০ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার ৩০০ টাকা দিয়ে হোটেলের ১৫৭টি রুমের আসবাবপত্র ক্রয় ও ফিনিশিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হবে। এছাড়া ২ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে জমি ক্রয় ও ১ কোটি ৬৫ লাখ ১২ হাজার ৭০০ টাকা দিয়ে আইপিও ব্যয় নির্বাহ করা হবে।

সী পার্লের ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৪ কোটি ৬১ লাখ টাকার নিট মুনাফা হয়েছে। যা শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হিসাবে হয়েছে ০.৬৭ টাকা। কোম্পানিটিতে ২০১৮ সালের ৩০ জুন নিট শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০.৪৮ টাকা।

২০০৯ সালের ২৬ মে প্রাইভেট কোম্পানি হিসাবে গঠিত সী পার্লের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর। এরপরে ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর প্রাইভেট কোম্পানি থেকে পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তর হয়।

আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট।

শেয়ারনিউজ; ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

নিউ লাইন ক্লোথিংসের আইপিও আবেদন শুরু আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে নিউ লাইন ক্লোথিংস লিমিটেড। আজ (১৮ ফেব্রুয়ারি) সোমবার থেকে কোম্পানিটির আইপিও আবেদন শুরু হবে। আইপিও আবেদন চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৬৭তম সভায় কোম্পানিটিকে আইপিওর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়।

জানা যায়, নিউ লাইন ক্লোথিংস আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা ইস্যু মূল্যের ৩ কোটি সাধারণ শেয়ার আইপিওয়ের মাধ্যমে ইস্যু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত ৩০ কোটি টাকা দিয়ে যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা ক্রয় এবং কারখানা ভবন সম্প্রসারণ, মেয়াদী ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও বাবদ খরচ করবে।

৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী পুন:মূল্যায়নসহ প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩১.৬৩ টাকা। আর সম্পদ পুন:মূল্যায়ন ছাড়া এনএভি হয়েছে ২০.৫২ টাকা। শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৮৫ টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, সন্ধানী লাইফ ফাইন্যান্স লিমিটেড এবং সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল সার্ভিসেস লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ;১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সিলকো ফার্মার আইপিও আবেদনের তারিখ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পাওয়া সিলকো ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন আগামী ১০ মার্চ শুরু হবে। চলবে ১৯ মার্চ পর্যন্ত। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে

কোম্পানিটি ৩ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা।

আইপিও টাকা দিয়ে কোম্পানিটি কারখানা ভবন নির্মাণ, যন্ত্রপাতি ক্রয়, ডেলিভারী ভ্যান ক্রয় ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

কোম্পানিটির ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি নীট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৫.৪১ টাকা। ৫টি আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ওয়েটেড এভারেজ ইপিএস) হয়েছে ১.৪৬ টাকা।

ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড, সিটিজেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেড কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন(বিএসইসি)৬৬৯তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়।

শেয়ারনিউজ; ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

জেনেক্সের মুনাফা কমেছে: লেনদেন শুরু কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক: সদ্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করা জেনেক্স ইনফোসিস লিমিটেড ২০১৮-২০১৯ হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ার প্রতি মুনাফা কমেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, অক্টোবর ২০১৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির আইপিওর আগে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৭ টাকা । আইপিওর পরে ইপিএস হয়েছে ০.৩৬ টাকা।

এই সময় কোম্পানিটির সমন্বিতভাবে নিট মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৮৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। যা আগের বছর একই সময় মুনাফা ছিল ৩ কোটি ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা।

এদিকে ২০১৮-২০১৯ হিসাব বছরের অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানিটির আইপিওর আগে ইপিএস হয়েছে ০.৯৭ টাকা। আইপিওর পরে ইপিএস হয়েছে ০.৯৮ টাকা।

এই সময় কোম্পানিটির সমন্বিতভাবে নিট মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৯৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। যা আগের বছর একই সময় মুনাফা ছিল ৬ কোটি ৮ হাজার টাকা।

৩১ ডিসেম্ববর ২০১৮ সাল পর্যন্ত সমন্বিতভাবে কোম্পনির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬.৯৫ টাকায়। তবে আইপিওতে ইস্যুকৃত ২ কোটি শেয়ার বিবেচনায় এনএভিপিএস দাড়াঁয় ১৫.২৫ টাকা।

এদিকে, আগামীকাল ৬ ফেব্রুয়ারি, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শেয়ারবাজারে শুরু করবে জেনেক্স ইনফোসেস। ওইদিন “এন” ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করা কোম্পানির ট্রেডিং কোড হবে “GENEXIL”। ডিএসইতে কোম্পানি কোড হবে ২২৬৫০ আর সিএসইতে কোম্পানি কোড হবে ২৪০১১।

এর আগে গত ২০ জানুয়ারি লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সিডিবিএলের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসেবে জমা হয়েছে। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায়, অডিটরিয়াম অব ইনস্টিটিউশন ইঞ্জিনিয়ার্স (আইইবি), রমনা, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় এ কোম্পানির আইপিও লটারির ড্র। আর গত ১৮ নভেম্বর থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করা হয়।

কোম্পানিটির আইপিওতে ৩৫.৭৫ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। অর্থাৎ ২০ কোটি টাকার বিপরীতে কোম্পানিটির আইপিওতে ৭১৫ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে দেশী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪৬৩ কোটি ৬৬ লাখ ৫ হাজার টাকার, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪৬ কোটি ৩২ লাখ ৭৫ হাজার টাকার, প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৩৮ কোটি ৮০ হাজার টাকার, ইলিজিবল ইনভেস্টরদের (এমএফ ও সিআইএস কাছ থেকে ১৪ কোটি ২০ লাখ টাকার এবং ইলিজিবল ইনভেস্টরদের কাছ থেকে (এমএফ ও সিআইএস ব্যতীত) ১৫২ কোটি ৮৬ লাখ ৯০ হাজার টাকার।

গত ০৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৫৬তম সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন করা হয়।

জানা যায়, কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এজন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণ, ঋণ পরিশোধ ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানিটির পুন:মূল্যায়ন ছাড়া নীট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৩.৯৬ টাকা।

জেনেক্স ইনফোসিসের সাবসিডিয়ারি কোম্পানিসহ ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.০২ টাকা।

আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ; ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

জেনেক্স ইনফোসিসের হালচাল: কেমন হবে শেয়ার দর

মো: সোহেল : প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা জেনেক্স ইনফোসিস লিমিটেডের শেয়ার আগামীকাল দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরু হবে। “এন” ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করর জেনেক্স ইনফোসিস ট্রেডিং কোড হবে “GENEXIL”। ডিএসইতে কোম্পানিটির কোম্পানি কোড হবে 22650। নিচে কোম্পানির আইপিও শেয়ারের তথ্য তুলে ধরা হলো:

লেনদেন ইস্যু তারিখ: ২৩.১০.২০১৮

আইপিও অফার: ২ কোটি শেয়ার (সাধারণ বিনিয়োগকারীর জন্য বরাদ্দ ১ কোটি শেয়ার এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরার জন্য বরাদ্দ বাকী ১ কোটি শেয়ার )

TRADEABLE SHARE (লেনদেনযোগ্য শেয়ার):

* প্রথম দিনে লেনদেনযোগ্য শেয়ার: ১,০০,০০,০০০+ ৫০,০০,০০০= ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার (সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশের ১০০%+ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী অংশের ৫০%)

***প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ২য় অংশ ২৫,০০,০০০ (২৫ লাখ) শেয়ার এর লক খুলবে আগামী ২৩-০৪-২০১৯ ইং তারিখে।[ প্রসপেক্টাস ইস্যু তারিখ হতে IPO প্রাপ্ত ১,০০,০০,০০০ শেয়ারের ২৫%, ৬ মাস পর্যন্ত লক ইন থাকবে]

***প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ৩য় অংশ ২৫,০০,০০০ (২৫ লাখ) শেয়ার এর লক খুলবে আগামী ২৩.০৭.২০১৯ ইং তারিখে।[ প্রসপেক্টাস ইস্যু তারিখ হতে IPO প্রাপ্ত ১,০০,০০,০০০ শেয়ারের বাকী ২৫%, ৯ মাস পর্যন্ত লক ইন থাকবে ]

* লক খুলবে (placement): ১ কোটি ১০ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫৬টি প্লেসমেন্ট শেয়ারের লক খুলবে আগামী ২৩.১০.২০১৯ তারিখে।

* লক খুলবে (chairman +MD+Directors ): ৫ কোটি ০৫ লাখ ৩৩ হাজার ২৪৪টি শেয়ারের লক খুলবে আগামী ২০২১ সালের ২৩ অক্টোবর।

বি.দ্র: মোট ৬,১৬,০০,০০০ শেয়ারের মধ্যে ৪,৩৬,৫৫,৬৭৪ শেয়ারের উপর প্রাপ্ত বোনাস ঘোষণা ছাড়া বিক্রয় করা যাবে।

SOURCE: COMPANY PROSPECTUS

এডমিনঃ IPO SUCCESS GROUP

শেয়ারনিউজ; ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯