Monthly Archives: June 2018

BSEC approves IPO prospectus of ML Dyeing Ltd

The Initial Public Offering (IPO) prospectus of ML Dyeing Limited was approved on Monday as the textile processing company aims to raise Tk20 crore from the public.

The Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) approved the IPO at a meeting presided over by BSEC Chairman M Khairul Hossain in Dhaka.

Using the fixed price method, ML Dyeing Limited will offload 20 million ordinary shares at an offer price of Tk10 each.

According to the financial statement that ended on June 30, 2017, the Net Asset Value (NAV) per share of the company stood at Tk23.17, while Earnings Per Share (EPS) was Tk1.58.

The fund raised through the IPO will be used to purchase machinery and to bear the expenses of the IPO process.

ML Dyeing is located at Bhaluka in Mymensing and produces Hanks Dyeing, Acrylic Yarn, Cotton Yarn, Cone Dyeing and Piece Dyeing for the export-oriented garment industry.

Two companies – NBL Capital and Equity Management Limited, and Ruplali Investment – will act as issue managers for the IPO process.

আমান কটনের আইপিও লটারির তারিখ নির্ধারণ ৩রা জুলাই-২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে থেকে আইপিও আবেদন সংগ্রহ করা আমান কটন ফাইবার্সের আইপিও লটারি আগামী ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন কোম্পানির লটারি সকাল সাড়ে ১০টায়, ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট, আইইবি মিলনায়তন, রমনা, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত ৩ জুন থেকে ১০ জুন পর্যন্ত কোম্পানির আইপিও আবেদন চলে।

কোম্পানিটি গত ৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে সম্মতিপত্র পেয়েছে। আর গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বিডিংয়ের মাধ্যমে আমান কটন ফাইবার্সের শেয়ারের কাট-অফ প্রাইস নির্ধারিত হয়েছিলো ৪০ টাকা। সেই দামের ১০ শতাংশ কমে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ৩৬ টাকা দরে শেয়ার কিনতে পারবেন। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রি করতেই কমিশন এই দাম অনুমোদন করেছে।

এর আগে গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অংশ হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রির জন্য নিলামের অনুমতি দেয় বিএসইসি।

কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

পুঁজিবাজার থেকে সংগ্রহ করা অর্থের একটি বড় অংশ দিয়ে কারখানায় আধুনিক মেশিনারি স্থাপন করা হবে। এতে ব্যয় করা হবে ৪৯ কোটি ৩৭ লাখ ৯৮ হাজার টাকা।

কোম্পানির তথ্য কণিকা থেকে জানা যায়, আইপিওতে উত্তোলিত অর্থ থেকে ১৭ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয় হবে ঋণ পরিশোধে। ওয়ার্কিং মূলধন হিসাবে ব্যয় করা হবে ১০ কোটি টাকা। আর আইপিওতে ব্যয় হবে সাড়ে ৩ কোটি টাকা। কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা। ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানিটির স্থায়ী সম্পদের পুনর্মূল্যায়ণসহ নিট সম্পদ মূল্য হয়েছে ৩৫ টাকা ৬৩ পয়সা।

বিগত ৫ বছরের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি গড় আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৪৯ পয়সা। আমান কটন ফাইবার্স লিমিটেড সুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি কটন, পলিস্টার, সিল্কসহ অন্য ফাইবার উৎপাদন করে।

আমান কটন ফাইবার্স লিমিটেডকে আইপিওতে আনতে ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর রেজিস্টার অব দ্য ইস্যু হিসেবে দায়িত্বে আছে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ; ২৪ জুন ২০১৮

ভিএফএস থ্রেডের আইপিও আবেদন শুরু আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া ভিএফএস থ্রেড ডাইং লিমিটেডের আবেদন সংগ্রহ আজ, ২৪ জুন, রোববার শুরু হবে। চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ২২ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এজন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি প্লান্ট ও মেশিনারিজ ক্রয়, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

কোম্পানিটির ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত বছরের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী পুন;মূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯.৯০ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ভারিত গড় হারে ২.২০ টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সিটিজেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট।

এর আগে ৩ এপ্রিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৩৮তম সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

শেয়ারনিউজ; ২৪ জুন ২০১৮

এসকে ট্রিমসের আইপিও লটারি চলছে: ফলাফলের জন্য শেয়ার দিয়ে সাথে থাকুন

ঢাকা, ১২ জুন ২০১৮: প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের আবেদন সংগ্রহ করেছে এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের আইপিও লটারি চলছে। কোম্পানিটির প্রত্যাশার তুলনায় ৩০.৪৫ গুণ বেশি আবেদন জমা লটারির আয়োজন করেছে কোম্পানিটি।

সকাল সাড়ে ১০টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, আইইবি মিলনায়তনে লটারির ড্র শুরু হয়।

সূত্র জানায়, কোম্পানিটির আইপিওতে সর্বমোট ৩০.৪৫ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারী কোটায় ৩৮ গুণ, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী কোটায় ১৮ গুণ ও প্রবাসী বাংলাদেশি (এনআরবি) কোটায় ১৪.৩৬ গুণ আবেদন জমা পড়েছে।

এর আগে বিএসইসির ৬২২তম কমিশন সভায় কোম্পানিটিকে আইপিও’র মাধ্যমে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

সূত্র জানায়, কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৩ কোটি শেয়ার ইস্যু করার মাধ্যমে বাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে।

আইপিও’র মাধ্যমে উত্তোলিত টাকায় কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ক্রয়, ভবন নির্মাণ এবং আইপিওর খরচ বাবদ এ টাকা ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ১২ টাকা ৭৯ পয়সা।

বিগত তিন বছরের আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) গড় হারে হয়েছে ১ টাকা ৩১ পয়সা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

ভিএফএস থ্রেড ডায়িংয়ের চাঁদা গ্রহণ শুরু ২৪ জুন

ভিএফএস থ্রেড ডায়িংয়ের চাঁদা গ্রহণ শুরু ২৪ জুন

স্থির মূল্য পদ্ধতির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ভিএফএস থ্রেড ডায়িং লিমিটেডকে ২২ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এপ্রিলে ৬৩৮তম কমিশন সভা সিদ্ধান্ত হওয়ার পর সম্প্রতি কোম্পানিটি আইপিওর সম্মতিপত্র পায়। ২৪ জুন থেকে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে চাঁদা গ্রহণ শুরু করবে বস্ত্র খাতের কোম্পানিটি। চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ইস্যু করে ২২ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলন করবে। এ অর্থে তারা প্লান্ট ও মেশিনারিজ ক্রয়, আংশিক ব্যাংকঋণ পরিশোধ ও আইপিও প্রক্রিয়ার ব্যয় নির্বাহ করবে।

২০১৭ সালের ৩০ জুন সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন বাদ দিয়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৯০ পয়সা। বার্ষিক শেয়ারপ্রতি আয়ের ভারিত গড় ২ টাকা ২ পয়সা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সিটিজেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

২০১২ সালে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে ভিএফএস থ্রেড ডায়িং লিমিটেড। তারা মূলত রফতানিমুখী তৈরি পোশাক খাতের জন্য সেলাইর সুতা রঙ করে থাকে। কোম্পানিটির কারখানা গাজীপুরে আর নিবন্ধিত কার্যালয় রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএসে।

http://bonikbarta.net/bangla/news/2018-06-10

এসকে ট্রিমসের আইপিও আবেদনের তালিকা প্রকাশ: আপনার আবেদন হয়েছে কি?

ঢাকা, ০৫ জুন ২০১৮: পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড শেয়ারের আইপিlন সকাল সাড়ে ১০ টায় ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট, আইইবি মিলিনায়তন, রমনা, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। এ কোম্পানির আইপিওতে ৩০ গুনের বেশি আবেদন জমা পড়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া কোম্পানির আইপিওতে যেসব বিনিয়োগকারীরা আবেদন করেছেন তাদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের আবেদন সঠিকভাবে জমা হয়েছে কিনা তা নিম্নের লিঙ্কে ক্লিক করলেই জানতে পারবেন।
নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে Ctrl+F প্রেস করে আপনার আইডি নম্বর বসিয়ে দিন। এতে অনেক খোঁজাখুজির ঝামেলা হবে না। এছাড়া তাড়াতাড়ি আপনার আইডি বের করতে পারবেন।

[[এসকে ট্রিমসের আইপিওতে আবেদনকারীদের তালিকা দেখতে ক্লিক করুন]]

গত ১৪ মে থেকে ২২ মে পর্যন্ত এ কোম্পানির আইপিওতে বিনিয়োগকারীরা আবেদন করেন। এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিএসইসির ৬২২তম কমিশন সভায় এর অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় কোম্পানিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৩ কোটি শেয়ার ইস্যু করার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
জানা যায়, এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড আইপিওর মাধ্যমে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৩ কোটি শেয়ার ইস্যু করে পুঁজিবাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। উত্তোলিত অর্থ কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়, ভবন নির্মাণ এবং আইপিও খাতে খরচ করবে।
৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ১২.৭৯ টাকা । এছাড়া, বিগত তিন বছরের অার্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) গড় হারে হয়েছে ১.৩১ টাকা।
কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ক্রয়, ভবন নির্মান এবং আইপিওর খরচ বাবদ এ টাকা ব্যয় করবে।
এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ তৈরি পোশাক খাতের জন্য সুতা, ইলাস্টিক, পলি, কার্টন, ফটো কার্ড, ব্যাক বোর্ড, বার কোড, হ্যাং ট্যাগ, টিস্যু পেপার, গাম টেপ ইত্যাদি উৎপাদন ও রফতানি করে। গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত কারখানায় ২০১৪ সালের জুনে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায় তারা।
উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

http://www.sharenews24.com/article/10687/index.html

আমান কটনের আইপিও আবেদন শুরু কাল

বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে সম্প্রতি পুঁজিবাজার প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া আমান কটন ফাইবার্সের আইপিও আবেদন গ্রহণ রবিবার (৩ জুন) থেকে শুরু হচ্ছে। আবেদন গ্রহণ চলবে ১০ জুন পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটি গত ৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে সম্মতিপত্র পেয়েছে। আর গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বিডিংয়ের মাধ্যমে আমান কটন ফাইবার্সের শেয়ারের কাট-অফ প্রাইস নির্ধারিত হয়েছিলো ৪০ টাকা। সেই দামের ১০ শতাংশ কমে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ৩৬ টাকা দরে শেয়ার কিনতে পারবেন। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রি করতেই কমিশন এই দাম অনুমোদন করেছে।

এর আগে গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অংশ হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রির জন্য নিলামের অনুমতি দেয় বিএসইসি।

কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

পুঁজিবাজার থেকে সংগ্রহ করা অর্থের একটি বড় অংশ দিয়ে কারখানায় আধুনিক মেশিনারি স্থাপন করা হবে। এতে ব্যয় করা হবে ৪৯ কোটি ৩৭ লাখ ৯৮ হাজার টাকা।

কোম্পানির তথ্য কণিকা থেকে জানা যায়, আইপিওতে উত্তোলিত অর্থ থেকে ১৭ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয় হবে ঋণ পরিশোধে। ওয়ার্কিং মূলধন হিসাবে ব্যয় করা হবে ১০ কোটি টাকা। আর আইপিওতে ব্যয় হবে সাড়ে ৩ কোটি টাকা। কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা। ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানিটির স্থায়ী সম্পদের পুনর্মূল্যায়ণসহ নিট সম্পদ মূল্য হয়েছে ৩৫ টাকা ৬৩ পয়সা।

বিগত ৫ বছরের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি গড় আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৪৯ পয়সা। আমান কটন ফাইবার্স লিমিটেড সুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি কটন, পলিস্টার, সিল্কসহ অন্য ফাইবার উৎপাদন করে।

আমান কটন ফাইবার্স লিমিটেডকে আইপিওতে আনতে ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর রেজিস্টার অব দ্য ইস্যু হিসেবে দায়িত্বে আছে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

(দ্য রিপোর্ট/এনটি/জুন ০৩, ২০১৮)