Monthly Archives: August 2016

ফরচুন সু’র আইপিও আবেদন শুরু কাল থেকে

প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া ফরচুন সুজ লিমিটেডের আইপিও আবেদন কাল থেকে শুরু হচ্ছে। যা চলবে আগামী ২৮ আগস্ট পর্যন্ত। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, ফরচুন সুজের আইপিও আবেদন আগামী ১৬ আগস্ট থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। স্থানীয় ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীরাদের জন্য একই সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে বিএসইসির অনুষ্ঠিত ৫৭৯তম কমিশন সভায়কোম্পানিটিকে আইপিও’র মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি)। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্য মোট ২ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ২২ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। আইপিও’র মাধ্যমে উত্তোলিত টাকা কোম্পানিটি ভবন নির্মাণ, মেশিন ও সরঞ্জাম ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬ পর্যন্ত ৯ মাসের সমাপ্ত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৩.৭৫ টাকা।

 

ইয়াকিন পলিমারের আইপিও লটারি ১০ আগষ্ট

আগামী ১০ আগষ্ট ইয়াকিন পলিমারের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে লটারি অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর কাকরাইলে ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে এ লটারি হবে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে ১০ থেকে ২০ জুলাই কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করা হয়। কোম্পানিটি আইপিও’র মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে অভিহিত মূল্যে ১০ টাকা করে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে এই টাকা সংগ্রহ করবে। ব্যবসায় সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এই টাকা দিয়ে মেশিনারিজ ক্রয়, কারখানা ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। আইপিও থেকে অর্থ সংগ্রহ ও ব্যবহার করতে প্রায় ৯ মাস সময় লেগে যাবে বলে জানান কোম্পানিটির চেয়ারম্যান কাজী আনোয়ারুল হক। যাতে আইপিও অর্থের সুফল পেতে ৯ মাস সময় লাগবে। আর আইপিও অর্থ ব্যবহারে ভবিষ্যতে ৩০ শতাংশ টার্নওভার বাড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। ইয়াকিন পলিমার ২০০১ সালে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসাবে রেজিস্ট্রিত হয় ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের অধীনে। কোম্পানিটি বাণিজ্যিকভাবে কাজ শুরু করে ২০০৩ সালের ১৫ জুলাই। সাতক্ষীরায় রয়েছে ইয়াকিন পলিমারের ফ্যাক্টরি। কোম্পানিটির প্রধান উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট, ফিড ও টেক্সটাইল দ্রব্যের জন্য ব্যাগ তৈরি করা। এ ছাড়া কোম্পানিটি গার্মেন্টস এক্সেসরিজের জন্য পলি, পণ্যদ্রব্য রপ্তানির জন্য বাল্ক ব্যাগ ও তারপলি (ত্রিপল) উৎপাদন করে থাকে। ইয়াকিন পলিমার বিশেষ বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ব্যাগ তৈরি করে বলে জানান কোম্পানিটির চেয়ারম্যান। পুন-ব্যবহারযোগ্য শপিং ব্যাগ তৈরি করা যার মধ্যে অন্যতম। এ ছাড়া পাতলা ও রিসাইকেলঅ্যাবল ব্যাগ রয়েছে এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মধ্যে। ২০১৫ সালের ৩০ জুন হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪১ টাকা। আর ২০১৫ সালের ৩০ জুনে শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪.৬১ টাকায়।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/জুলাই ৩১, ২০১৬)