Monthly Archives: January 2016

সামিট অ্যালায়েন্সের রাইট শেয়ার অনুমোদন

রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৬৪তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটি ৫টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার ইস্যু করবে। ৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি রাইট শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য হচ্ছে ১৫ টাকা। এ মূল্যে ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৬টি রাইট শেয়ার ইস্যু করে কোম্পানিটি ৫১ কোটি ৫২ লাখ ৮৬ হাজার ৯৯০ টাকা সংগ্রহ করবে। উত্তোলিত টাকায় কোম্পানিটি জমি ক্রয় ও মেয়াদি ঋণ পরিশোধ করবে। রাইট শেয়ার ডকুমেন্টস অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০১৫ তারিখে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের শেয়ারপ্রতি সম্পদ ছিল ২৮ টাকা। আর ১ জানুয়ারি ২০১০ থেকে ৩০ জুন ২০১৫ সময়কালে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় (ওয়েটেড এভারেজ) ছিল ১.৪৪ টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা বরাদ্দ মূল্যে ৫ : ১ অনুপাতে অর্থাৎ ৫টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১৫ সালের ২৯ জুন অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় রাইট শেয়ারে ৫ টাকা প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়। ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) ৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ১৫ টাকা বরাদ্দ মূল্যে রাইট শেয়ার ইস্যুর বিষয়টি অনুমোদিত হয়।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/এমকে/সা/জানুয়ারি ১৮, ২০১৬)

 

ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের আইপিওর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার

সাড়ে ৬ মাস পর বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) ওপর থেকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সোমবার কমিশন বৈঠকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হেয়েছে। কমিশনের নির্বাহী পরিচালক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১ কোটি ৭৭ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। ১২ মে অনুষ্ঠিত কমিশনের ৫৪৩তম সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দিয়েছিল বিএসইসি। তবে বিএসইসির এ অনুমোদনের বিষয়ে বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ’র পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয়। আইডিআরএ’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বীমা কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধি করতে হলে আইডিআরএ’র অনুমোদন নিয়ে কোম্পানির বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) কোম্পানির সংঘ স্মারক ও সংঘবিধি পরিবর্তন করতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স আইডিআরএ’র অনুমোদন ছাড়াই ইজিএম করে কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন, পরিশোধিত মূলধনের উদ্যোক্তা ও জনগণের শেয়ার ধারণের অনুপাত পরিবর্তন করে। আইডিআরএ’র অনুমোদন ছাড়াই আইপিওর মাধ্যমে মূলধন বৃদ্ধির বিষয়টি ১৭ জুন বিএসইসিকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়। আইডিআরএ’র চিঠির প্রেক্ষিতে বিএসইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ‘আইনগত সকল বাধ্যবধকতা পূরণ করায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সকে আইপওর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’

২৫ জুন আইডিআরএকে দেওয়া এ বক্তব্যের ৪ দিনের মাথায় ২৯ জুন কোম্পানিটির আইপিও স্থগিত করে বিএসইসি। এ বিষয়ে বিএসইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অনিবার্য কারণে বাংলাদেশ ন্যাশনালের আইপিওর চাঁদা গ্রহণ আপাতত স্থগিত করা হলো।’ ৩০ জুন থেকে কোম্পানিটির আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করার কথা ছিল। পরবর্তী সময়ে আইপিও বাতিলের পর তা (আইপিও) ফিরে পেতে গত ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ন্যাশনালকে কয়েকটি শর্ত দেয় আইডিআরএ। এ শর্তের মধ্যে ছিল পরিচালনা পর্ষদের প্রত্যেক সদস্যকে ব্যক্তিগতভাবে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। একই সঙ্গে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. সানা উল্লাহকে ৪ মাসের জন্য দায়িত্ব থেকে অপসারণ করতে হবে। আর কোম্পানি সচিব মো. মাসুদ রানা ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মো. ফিরোজুল ইসলামকে বিভাগীয় শাস্তি দিতে হবে। গত ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স থেকে শর্তপালনের বিষয়ে আইডিআরএকে চিঠি দিয়ে শর্ত পূরণের বিষয়টি জানানো হয়। এতে আইডিআরএ’র পক্ষ থেকে আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

ছাড়পত্রের এ বিষয়টি জানানোর পর আইপিওর ওপর থেকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

(দ্য রিপোর্ট/এমকে/সা/জানুয়ারি ১৮, ২০১৬)

 

১৭ জানুয়ারি ড্রাগন সোয়েটারের আইপিও শুরু

আগামী ১৭ জানুয়ারি ররিবার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ শুরু করবে ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং লিমিটেড। ২৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করবে কোম্পানিটি। দেশি ও প্রবাসী উভয় বিনিয়োগকারীর জন্য এই সময় প্রযোজ্য। কোম্পানির প্রসপেক্টাস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থের ১৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা মেশিনারিজ ক্রয়ে, ১৮ কোটি ৩১ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা বিল্ডিং ও সিভিল কনস্ট্রাকশনে, ১ কোটি ১৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা স্পেয়ার পার্টস ক্রয়ে, ২ কোটি ৯৭ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ টাকা চলতি মূলধন হিসাবে এবং ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। প্রসঙ্গত, গত ৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৫৬১তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটির গত ৫ বছরের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৩৩ পয়সা (ওয়েটেড এভারেজ) এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৮ টাকা ৭৯ পয়সা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে স্বদেশ ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

ড্রাগন সোয়েটার শতভাগ রপ্তানিমুখী কোম্পানি। সুতা এবং সোয়েটার উৎপাদন করে থাকে এ কোম্পানিটি।

(দ্য রিপোর্ট/এমকে/এইচ/জানুয়ারি ১৪, ২০১৬)

 

১৭ জানুয়ারি ড্রাগন সোয়েটারের আইপিও শুরু

আগামী ১৭ জানুয়ারি ররিবার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ শুরু করবে ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং লিমিটেড। ২৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করবে কোম্পানিটি। দেশী ও প্রবাসী উভয় বিনিয়োগকারীর জন্য এই সময় প্রযোজ্য। কোম্পানির প্রসপেক্টাস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থের ১৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা মেশিনারিজ ক্রয়ে, ১৮ কোটি ৩১ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা বিল্ডিং ও সিভিল কনস্ট্রাকশনে, ১ কোটি ১৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা স্পেয়ার পার্টস ক্রয়ে, ২ কোটি ৯৭ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ টাকা চলতি মূলধন হিসাবে এবং ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। প্রসঙ্গত, গত ৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৫৬১তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটির গত ৫ বছরের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৩৩ পয়সা (ওয়েটেড এভারেজ) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৮ টাকা ৭৯ পয়সা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে স্বদেশ ইনভেষ্টমেন্ট লিমিটেড। ড্রাগন সোয়েটার শতভাগ রপ্তানিমুখী কোম্পানি। সুতা এবং সোয়েটার উৎপাদন করে থাকে এ কোম্পানিটি।

(দ্য রিপোর্ট/এমকে/জানুয়ারি ১৪, ২০১৬)

 

এনার্জিপ্যাকের আইপিও অনুমোদন

এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশনের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও আবেদন অনুমোদন করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিএসইসি জানিয়েছে, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার আইপিওতে ১ কোটি ৬৭ লাখ ৩০ হাজার ২০০ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে প্রায় ৪২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্য বা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ১৫ টাকা অধিমূল্য বা প্রিমিয়াম যোগ করে আইপিওতে প্রতিটি শেয়ারের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ টাকা। বাজার থেকে সংগৃহীত টাকা কোম্পানিটি ব্যাংকঋণ পরিশোধ ও চলতি মূলধনের কাজে লাগাবে।
বিএসইসি আরও জানিয়েছে, আইপিও আবেদনের সঙ্গে কোম্পানিটি গত পাঁচ বছরের নিরীক্ষিত যে আর্থিক প্রতিবেদন দাখিল করেছে তাতে এটির শেয়ারপ্রতি আয় দেখানো হয়েছে ২ টাকা ৯১ পয়সা। কোম্পানিটির শেয়ারের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস।