Monthly Archives: July 2014

Vacation of Eid-ul-fitr

Dear, 

Bdipo Subscribers

Please note that Monday, July 28 to Saturday,August 02,holiday for Eid-ul-fitr.The office will be closed that days and will open again Sunday,August 03.We hope you will enjoy the holiday with your family and friends.

Thank you all.

Pay For Your Essays

to match the organization pay for your essays norms pay for your essays and ethics There are pay for your essays a quantity pay for your essays of fonts suited to diverse pay for your essays subjects. A great account is pay for your essays an opportunity for specialists pay for your essays to demonstrate their value for the organization applying recorded evidence of effectiveness. Whatever function pay for your essays as the merchandise of style, you need to follow the simple rules: You possibly can make usage of pictures, texts, info-graphics to design the very pay for your essays best logo for your firm Pick appropriate color idea. Continue reading

How to Construct a Good Composition

Picking out a technology project that is fair is only half the struggle for many individuals. Once you develop experiment or a task, you then must figure out to present your studies. Setting up a technology fair task board might seem like a lot of function, but when you see what you need to include beforehand, your work is much easier. There are several simple actions to follow to ensure your research fair task panel incorporates all the info that is needed. (Monique Disu/Desire Press) Things You’ll Need Tri- table that is flip Document that is vibrant Computer or pencil Images or graphs of test Stage 1: Obtain a tri-fold board from a nearby office-supply shop. Continue reading

How-to BS The Right Path Through a College Document

Answers to assist you to control, increase and market your Automotive enterprise! Welcome to at least one of our business related product pages. It really is aimed to some certain business, namely Automotive Service Restoration. Browse down our contact to look at the different products found in your organization. Click on and search our collection that is nearby the base. Listing charges are featured with discounts offered by our order on-line site. In providing economical answers and service we take pride. Continue reading

আইপিওতে সাড়ে ৯ ‍গুণ আবেদন সাইফ পাওয়ারটেকের লটারি ৭ আগস্ট

সাইফ পাওয়ারটেকের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) কোম্পানির চাহিদার চেয়ে সাড়ে ৯ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। এমতাবস্থায় আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দিতে আগামী ৭ আগস্ট আইপিও লটারির আয়োজন করা হয়েছে। এদিন কেন্দ্রীয় কচি কাচার মিলনায়তনে লটারি অনুষ্ঠিত হবে বলে কোম্পানি সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে মোট ৩৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এর বিপরীতে জমা পড়েছে ৩৪০ কোটি ৯৬ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। যা কোম্পানির চাহিদার ৯.৫ গুণ।

স্থানীয় অধিবাসীরা এ কোম্পানির আইপিওতে ৩৪০ কোটি ৩৯ লাখ ১১ হাজার টাকার আবেদন জমা দিয়েছেন। আর গত ১০ জুলাই পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা জমা দিয়েছেন ৫৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকার শেয়ার।

ফেস ভ্যালু ১০ টাকার সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ সাইফ পাওয়ারটেকের প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ৩০ টাকা এবং মার্কেট লট ২০০টি শেয়ারে।

গত ৬ থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা এ কোম্পানির আইপিওতে আবেদন করার সুযোগ পান। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১৯ জুলাই পর্যন্ত।

কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসাবে কাজ করেছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করছে আতা খান অ্যান্ড কোং ।

দ্য রিপোর্ট

 

আড়াইগুণ বেশি প্রিমিয়াম, ইপিএস কমেছে ৩ টাকারও বেশি

শেয়ারপ্রতি কম আয় (ইপিএস) নিয়ে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড (ডব্লিউএমএসএল) আইপিওতে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে। কোম্পানিটি ফেসভ্যালুর সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম নিয়ে শেয়ারপ্রতি সংগ্রহ করবে ৩৫ টাকা। যা ফেসভ্যালুর তুলনায় আড়াইগুণ বেশি। এত কম ইপিএসে এত বেশি প্রিমিয়াম অনুমোদনের বিযয়টি অধিকাংশ বিনিয়োগকারীকে বিপাকে ফেলেছে। এমনটিই জানান শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা।

তারা জানান, শেয়ারবাজারের মন্দা অবস্থা কাটাতে নানা পদক্ষেপের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ধরা হয়েছে আইপিও অনুমোদন। ভালো মুনাফা অর্জনসহ সুনামখ্যাত নতুন নতুন কোম্পানি আইপিওতে অনুমোদন দিয়ে শেয়ারবাজারকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। কিন্তু বর্তমানে আইপিও অনুমোদন কোম্পানিগুলোর অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে এগুলো শেয়ারবাজারের উন্নয়ন সহায়ক হবে না।

সদ্য অনুমোদন পাওয়া ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের সুনাম থাকলেও মোট মুনাফা অর্জন কম। এত কম মুনাফায় বছর শেষে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশামতো ডিভিডেন্ড দিতে পারবে না বলে জানান তারা।

কোম্পানির সমাপ্ত বছরে (জুন ২০১৩ সমাপ্তবছর) মোট মুনাফা হয়েছে ৬১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। আগের বছর মুনাফা হয়েছিল ৮২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের বছরের তুলনায় এ বছর মুনাফা কমেছে ২১ কোটি ২৬ লাখ টাকা। মুনাফা অনুসারে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২.০৯ টাকা। যা আগের বছরের তুলনায় ৩.১৮ টাকা কম ।

বিনিয়োগকারীরা জানান, কোম্পানির এত কম ইপিএস নিয়ে অতিরিক্ত প্রিমিয়াম নেয়ার বিষয়টিও তাদের চিন্তায় ফেলেছে। তাদের অভিমত , এত কম ইপিএসের একটি কোম্পানিকে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম নিয়ে শেয়ারবাজারে আইপিওর অনুমোদনে কোনো যৌক্তিকতা নেই। কোম্পানির সুনাম দেখলে লাভ হবে না। মনে রাখতে হবে কোম্পানিটি তেমন লাভে নেই এ বছর।

অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীরা জানান, কোম্পানির প্রসপেক্টাসে ৩০ জুন, ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরে ইপিএস দেখানো হয়েছে ২.০৯ টাকা। যা আগের বছর ছিল ৫.২৭ টাকা। বর্তমান ইপিএস এত কম সত্ত্বেও কোম্পানিটি আইপিওতে ফেসভ্যালুর সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম অনুমোদন পেয়েছে। অথচ এর আগে বেশকিছু কোম্পানি উল্লেখযোগ্য ইপিএসের পরও প্রিমিয়াম ছাড়া আইপিও অনুমোদন পেয়েছে।

এর আগে বেশি ইপিএসের বেশ কিছু কোম্পানিকে প্রিমিয়ামের অনুমতি না দেয়া হলেও ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডকে অধিক প্রিমিয়ামে অনুমোদন দেয়ার বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের কাছে অস্পষ্ট। এ কোম্পানির প্রতি প্রিমিয়ামের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) এতটা উদারতার কারণ কি- এমন প্রশ্ন তুলেছেন অনেক বিনিয়োগকারি।

এছাড়া কোম্পানির ৫১৮ কোটি টাকার দায় রয়েছে। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি দায় ৪৯৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ও স্বল্পমেয়াদি দায় ২৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা। যা দায়ের দিক দিয়ে অন্য কোম্পানিগুলোর তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। সমাপ্ত বছরেও কোম্পানির মুনাফা কমেছে। অথচ মুনাফার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ব্যয় কমাতে পারেনি।

বিনিয়োগকারীরা আরো জানান, শেয়ারবাজারের বিদ্যমান নিয়মে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছে আইপিওতে অনুমোদন পাওয়া নতুন কোম্পানিগুলো। তবে দায়ের বোঝা নিয়ে হরহামেশাই আইপিওতে অনুমোদন পাচ্ছে অনেক কোম্পানি। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা মুনাফার আশায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেন। কিন্তু দায়ের বোঝা নিয়ে আসা কোম্পানিগুলো মুনাফা দেয়ার ক্ষেত্রে কতটুকু ভূমিকা রাখতে পারবে এটা বিবেচনার বিষয়। আইপিওতে আসা অনেক কোম্পানির শেয়ার থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা লাভবান হয়েছেন। আবার নিঃস্বও হয়েছেন অনেকে। তাই তারা মন্দা বাজারে বিএসইসিকে আইপিও অনুমোদনে আরো স্বচ্ছতার পরিচয় দেয়ার অনুরোধ জানান। নিচে সদ্য অনুমোদন পাওয়া কয়েকটি কোম্পানির সাথে ওয়েস্টার্ন মেরিনের ইপিএস ও প্রিমিয়ামের একটি তুলনামূলক চিত্র পাঠকদের সুবিধার্থে দেয়া হলো:

কোম্পানির নাম সমাপ্ত অর্থবছর ইপিএস দায় (কোটি টাকা) প্রিমিয়াম
ওয়েস্টার্ন মেরিন ৩০ জুন ২০১৩ 2.09 518 ২৫ টাকা
ফার কেমিক্যাল ৩০ জুন ২০১৩ 5.01 1.22 নেই
হা-ওয়েল ৩০ জুন ২০১৩ 3.66 নেই নেই
এমারেন্ড অয়েল ৩০ জুন ২০১৩ 2.85 60.94 নেই
খুলনা প্রিন্টিং ৩০ জুন ২০১৩ 2.82 29.50 নেই
তুং হাই ৩১ ডিসে. ২০১৩ 1.39 62.86 নেই

জানা যায়, কমিশনের ৫১৯তম সভায় ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের আইপিও অনুমোদিত হয়েছে। ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা। কোম্পানিটি বাজারে সাড়ে ৪ কোটি শেয়ার ইস্যু করে ১৫৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি দায় পরিশোধ, কাঠামো উন্নয়ন ও আইপিও খাতে ব্যয় করবে। ৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ইপিএস হয়েছে ২.০৯ টাকা এবং এনএভি ২৯.২১ টাকা।

আরো জানা গেছে, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড বাংলাদেশি জাহাজ ও নৌযান নির্মাণকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান। এর শিপইয়ার্ড বাংলাদেশের চট্টগ্রামের পটিয়ায় অবস্থিত। ওয়েস্টার্ন মেরিন গ্রুপের এটি একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। যা ২০০০ সালের জুলাই মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অভ্যন্তরীণ গ্রাহদের ছাড়াও বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে জাহাজ রফতানি করছে। এ কোম্পানির পণ্য- মাল্টি পারপাস কার্গো ভেসেল, কার্গো ভেসেল, টাগ বোট, ট্যাংকার, ফেরি এবং পন্টুন, অয়েলি ওয়েস্ট কালেকশন ভেসেল, প্যাসেঞ্জার ভেসেল প্রভৃতি

এ প্রসঙ্গে কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) আব্দুল মুমেন বলেন বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগকৃত অর্থের মুনাফা, কম ইপিএসে অনুমোদন ও লোনের দায় বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। এটি বলতে পারবে কোম্পানির সিএফও ও সচিব সুভাশ চন্দ্র চৌধুরী । তবে তিনি বাংলাদেশে নেই। বিদেশে আছেন। কোম্পানি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাখাওয়াত হোসেনের সাথে আলাপ করতে চাইলে তিনি বলেন ব্যস্ত আছেন। এদিকে এ ব্যপারে কথা বলতে কোম্পানির বিভিন্ন নাম্বারে কল করেও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি। এসময়ে কোম্পানির ০৩১৭১২১৭৭ নাম্বারে কল করলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা বলেন, কোম্পানির মালিকরা কেউ এত ছোট বিযয়ে মাথা ঘামায় না। আপনি সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলুন। কোম্পানির সিএফও ও সচিব সুভাশ চন্দ্র চৌধুরীর সাথে আলাপ করতে চাইলে বলেন, তিনি এখন দিল্লিতে। আপনি একমাস পরে কথা বলেন তার সাথে। কোম্পানির ০৩১২৫৩০০৩৫ নাম্বারে কল করলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা বলেন, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন এত ছোট ব্যাপারে কথা বলবে না। তাদের অনেক গুরুত্বপূর্ন কাজ আছে। তাছাড়া তিনিও বাইরে রয়েছেন। আপনি অন্য কাউকে কল করুন। কোম্পানির দায়িত্বশীল কোন ব্যক্তির সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি তাদের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দিচ্ছি বলে উধাও হয়ে যান লাইনে রেখে। পরে কিছু সময় ক্ষেপন করে লাইন কেটে দেন। পরবর্তী সময়ে কল করলে তিনি বলেন, আপনি কাল কল করুন।

ফারইস্ট নিটিংয়ের আইপিও লটারির ড্র বৃহস্পতিবার

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইয়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের আইপিওর লটারির ড্র বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। 

আগামীকাল সকাল ১০টায় রাজধানীর রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউশনে শুরু হবে লটারির ড্র অনুষ্ঠান। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

উল্লেখ্য, আইপিওতে ১ লাখ ২৫ হাজার লটের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়। এর বিপরীতে ৭ লাখ ৩১ হাজার আবেদন জমা পড়ে। আবেদনের সংখ্যা ৫ দশমিক ৮ গুণ প্রায় ফলে লটারির মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডার বেছে নেওয়া হবে।

টাকার হিসেবে কোম্পানিটির বাজার থেকে ৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করার কথা। কিন্তু আবেদন পড়েছে ৩৯৫ কোটি ১৮ লাখ টাকার। এর মধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা ৩৯৪ কোটি ১৮ লাখ ৪৬ হাজার ৭৭৫ টাকার আবেদন জমা দিয়েছেন।


বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জের (বিএসইসি) ৫১৩ তম সভায় এই কোম্পানিকে আইপিও অনুমোদন দেয়।

জানা যায়, ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইয়িং ইন্ড্রাস্ট্রিজ লিমিটেড ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ১৭ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৭ টাকা মূল্যে শেয়ার বিক্রয় করে। কোম্পানি দুই কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ইস্যু করে। আর এর মাধ্যমে বাজার থেকে সংগ্রহ করার কথা ৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

এই কোম্পানির ৫ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত বছর শেষে শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস ২ টাকা ৫৪ পয়সা। আর এনএভি বা শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৯ টাকা ৮ পয়সা।

কোম্পানিটি শেয়ার বাজার থেকে টাকা উত্তোলন করে বিএমআরই, ব্যাংকের মেয়াদী ঋণ পরিশোধ করবে বলে জানা গেছে। 

 

শেয়ারনিউজ২৪

আজ শাহজিবাজারের লেনদেন শুরু

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানি খাতের কোম্পানি শাহজিবাজার পাওয়ার লিমিটেডের লেনদেন শুরু মঙ্গলবার থেকে। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু হবে শাহজিবাজারের। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানির ট্রেডিং কোড হবে- ‘SPCL’ এবং কোম্পানি কোড ‘১৫৩১৭’। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, শাহজিবাজারের লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে বুধবার।

গত ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের আইপিও অনুমোদন দেয়।

কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। এর বিপরীতে তারা ১ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার ছেড়েছিল। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ছিল ২৫ টাকা। ২০০ শেয়ারে মার্কেট লট। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করবে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩২ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি সম্পদ বা এনএভি ২৪ টাকা ৫৮ পয়সা।

গত ৩১ মার্চ ২০১৪ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ-২০১৪) শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে মোট ১৭ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫০ টাকা।

অন্যদিকে গত বছর একই সময় কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছিল মোট ৯ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০ দশমিক ৭৯ টাকা।

সুতরাং চলতি অর্থবছরের অর্ধবার্ষিকীতে শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ৮ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা গত অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

অন্যদিকে গত ৯ মাসে (জুলাই-২০১৩ থেকে মার্চ-২০১৪) এ কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ দশমিক ৫৪ টাকা।

গত বছর একই সময়ের মধ্যে কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছিল ২২ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছিল ১ দশমিক ৯৫ টাকা। –

আজ শাহজিবাজারের লেনদেন শুরু

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানি খাতের কোম্পানি শাহজিবাজার পাওয়ার লিমিটেডের লেনদেন শুরু মঙ্গলবার থেকে। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু হবে শাহজিবাজারের। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানির ট্রেডিং কোড হবে- ‘SPCL’ এবং কোম্পানি কোড ‘১৫৩১৭’। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, শাহজিবাজারের লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে বুধবার।

গত ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের আইপিও অনুমোদন দেয়।

কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। এর বিপরীতে তারা ১ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার ছেড়েছিল। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ছিল ২৫ টাকা। ২০০ শেয়ারে মার্কেট লট। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করবে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩২ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি সম্পদ বা এনএভি ২৪ টাকা ৫৮ পয়সা।

গত ৩১ মার্চ ২০১৪ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ-২০১৪) শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে মোট ১৭ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫০ টাকা।

অন্যদিকে গত বছর একই সময় কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছিল মোট ৯ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০ দশমিক ৭৯ টাকা।

সুতরাং চলতি অর্থবছরের অর্ধবার্ষিকীতে শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে ৮ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা গত অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

অন্যদিকে গত ৯ মাসে (জুলাই-২০১৩ থেকে মার্চ-২০১৪) এ কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ দশমিক ৫৪ টাকা।

গত বছর একই সময়ের মধ্যে কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছিল ২২ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছিল ১ দশমিক ৯৫ টাকা।