Monthly Archives: June 2014

পেনিনসুলা চিটাগংয়ের লেনদেন শুরু রোববার

দেশের প্রধান দুই স্টক এক্সচেঞ্জে দি পেনিনসুলা চিটাগং লিমিটেডের শেয়ারের লেনদেন রোববার শুরু হবে। গতকাল কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এর আগে স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের সভায় কোম্পানিটির তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
কোম্পানিটির আইপিও শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হওয়ায় স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কোম্পানিটির লেনদেনের তারিখ নির্ধারণ করল।
এর আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পায় বন্দর নগরী চট্টগ্রামের দি হোটেল পেনিনসুলা চিটাগং লিমিটেড। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ার ৩০ টাকায় (২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ) ইস্যুর অনুমোদন দেয় নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। প্রতিষ্ঠানটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সাড়ে ৫ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে ১৬৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। সংগৃহীত অর্থ দিয়ে বিদ্যমান হোটেলের সম্প্রসারণ ও চট্টগ্রাম এয়ারপোর্টসংলগ্ন আরো একটি নতুন হোটেল নির্মাণ করবে। আর অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকঋণ পরিশোধে ব্যয় করা হবে। কোম্পানিটির ২০১৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় ২ টাকা ৪৯ পয়সা ও পুনর্মূল্যায়নসহ শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ৩২ টাকা ৭৩ পয়সা।
২০১২ সালের ২২ অক্টোবর পেনিনসুলা চিটাগং লিমিটেড আইপিওতে শেয়ার ছাড়তে খসড়া প্রসপেক্টাস জমা দেয়। খসড়া প্রস্তাবে কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ার ৪০ টাকায় ইস্যুর প্রস্তাব দেয়। পরবর্তী সময়ে শেয়ারপ্রতি বরাদ্দমূল্য কমিয়ে নতুন প্রস্তাব দেয়া হলে কমিশন তাতে সম্মতি জানায়। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

বণিক বার্তা

 

তুং হাই নিটিংয়ের আইপিও ড্র ১৯ জুন

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ শেষে বিনিয়োগকারীদের মাধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার জন্য তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেডের লটারির ড্র ১৯ জুন অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

জানা যায়, আইপিও লটারির ড্র ১৯ জুন বেলা ১১টায় রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। 

হিসাব মতে, কোম্পানিটির ৩৫ কোটি টাকার বিপরীতে মোট ২৫গুণ আবেদন জমা পড়ে। অর্থাৎ কোম্পানির ৩ কোটি ৫০ লাখ শেয়ারের বিপরীতে ৮৭০ কোটি টাকার বেশি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত, মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে পাওয়া যায় মোট ৮৩৩ কোটি ৫৮ লাখ ২৯ হাজার ৯৭৫ টাকার আবেদন এবং অনিবাসী বাংলাদেশীদের (এনআরবি) কাছ থেকে আবেদন জমা পড়েছে ৩৭ কোটি টাকার। 


এর আগে কোম্পানিটির আইপিও আবেদন জমা ১৮ মে শুরু হয়ে শেষ হয় ২২ মে। তবে প্রবাসীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ৩১ মে পর্যন্ত। কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা এবং ৫০০ শেয়ারে মার্কেট লট।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি মূলধন বৃদ্ধি, মেশিনারিজ ক্রয়, ব্যাংকের মেয়াদি ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে (এনএভি) ১৫.১১ টাকা।

কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

ফারইস্টের আইপিও গ্রহণ রোববার শুরু

ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন জমা গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১৫ জুন, রোববার থেকে। এ লক্ষে স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা আগামী ১৯ জুন পর্যন্ত আইপিও আবেদন জমা দিতে পারবেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের (এনআরবি) জন্য আইপিও আবেদনের সুযোগ থাকবে আগামী ২৮ জুন পর্যন্ত।

কোম্পানির তত্ত¡াবধানে ঢাকা জেলা ক্রীড়া সংস্থার হলরুমে ১৫ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের আবেদন গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ফারইস্ট নিটিংয়ের আইপিওর শেয়ারের মোট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ টাকা। ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর সাথে প্রিমিয়াম ১৭ টাকা। মার্কেট লট ২০০ শেয়ারে। কোম্পানিটি আইপিওতে ২ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ইস্যু করে ৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে।

উল্লেখ্য, আইপিও পূর্ববর্তী কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৯১ কোটি ৩ লাখ ৮ হাজার টাকা এবং আইপিও পরবর্তী পরিশোধিত মূলধন দাঁড়াবে ১১৬ কোটি ৩ লাখ ৮ হাজার টাকা।

৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৫৪ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য ১৯.০৮ টাকা।

এ কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫১৩তম সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।

শেয়ারনিউজ২৪

পেনিনসুলা চিটাগাংকে ডিএসইতে তালিকাভুক্তির অনুমোদন

পেনিনসুলা চিটাগাং লিমিটেডেকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিয়েছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) লিমিটেড। বুধবার ডিএসইর বোর্ডরুমে অনুষ্ঠিত ৭৭২তম পর্ষদ সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএসইর এক কর্মকর্তা দ্য রিপোর্টকে বলেন, আজকের পরিচালনা পর্ষদ সভায় পেনিনসুলা চিটাগাং লিমিটেডের তালিকাভুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সভায় সকলের সম্মতিক্রমে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আইপিও বিজয়ী বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে শেয়ার হস্তান্তর করতে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেডকে (সিডিবিএল) শেয়ার দিবে পেনিনসুলা চিটাগাং লিমিটেড। পরে সিডিবিএল বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে শেয়ার পাঠিয়ে দেবে। এ সব প্রক্রিয়া ঠিকমতো সম্পন্ন হলেই ডিএসইর অনুমোদন নিয়ে যে কোনো দিন সেকেন্ডারি মার্কেটে কোম্পানিটির লেনদেন শুরু করতে পারবে।

জানা গেছে, গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিএসইসির ৫০৭তম কমিশন সভায় ফেস ভ্যালু ১০ টাকার সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩০ টাকা নির্দেশক মূল্যে পেনিনসুলাকে মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়। এ শেয়ারের মার্কেট লট ২০০টি শেয়ারে। প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজারে আইপিওর মাধ্যমে ৫ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৬৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে।

সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি বিদ্যমান হোটেল সম্প্রসারণ ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সংলগ্ন আরও একটি নতুন হোটেল নির্মাণ করবে। এ ছাড়া আইপিওর অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ব্যয় করা হবে।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

২০১৩ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী পেনিনসুলার শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২.৪৯ টাকা ও পুনর্মূল্যায়নসহ শেয়ারপ্রতি সম্পদ হয়েছে ৩২.৭৩ টাকা।

দ্য রিপোর্ট

 

বৃহস্পতিবার লটারি প্রাতিষ্ঠানিক আবেদন নেই খুলনা প্রিন্টিংয়ের আইপিওতে

খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং কোম্পানি লিমিটেডের (কেপিপিএল) প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী তথা মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোটায় আবেদন জমা পড়েনি। তবে আইপিওতে কোম্পানির চাহিদার সাতগুণ আবেদন জমা পড়েছে। এমতাবস্থায় আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দিতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত হবে।

কেপিপিএলের পোস্ট ইস্যু ম্যানেজার প্রতিষ্ঠান সেটকম সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানির চাহিদা অনুযায়ী ৮০ লাখ লটের বিপরীতে জমা পড়েছে ৫ লাখ ৭২ হাজার ৬৮৯টি আবেদন।

এর মধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে জমা পড়েছে ৮ লাখ ৬৪ হাজার ৩৪৪টি আবেদন, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে ৫৮ হাজার ৪৪২টি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা জমা দিয়েছেন ৪৯ হাজার ৯০৩টি আবেদন। তবে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায় অর্থাৎ মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাত থেকে কোনো আবেদন জমা পড়েনি।

গত ৪ মে থেকে এ কোম্পানির আইপিও আবেদন জমা নেওয়া শুরু হয়। স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৮ মে ও প্রবাসীদের কাছ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত আবেদন জমা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

এর মধ্যে গত ৭ মে কেপিপিএলের আইপিও সংক্রান্ত সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে পত্রিকায় প্রকাশিত ‘মিথ্যা তথ্যে ৪০ কোটি টাকা তোলার প্রস্তাব’ প্রতিবেদনের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে আদেশ দেওয়া হয়। ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে পরেরদিন ৮ মে চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। ফলে পুনরায় আইপিও সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু করে কোম্পানিটি। আর আগামী ২৭ মের মধ্যে কোম্পানিকে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

দ্য রিপোর্ট

 

ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের আইপিও অনুমোদন

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫১৯ তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফেস ভ্যালু ১০ টাকার সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ (অধিমূল্য) এ শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা।

কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৪ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৫৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে।

সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় করবে।

২০১৩ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় ৩.৮৭ টাকা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদ ৪০.২৭ টাকা।

ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও ইসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড।

দ্য রিপোর্ট

 

তুং হাইএ ২৩ গুণ বেশি আবেদন

তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) ২৩ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়েছে। সোমবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটির চাহিদা ৩৫ কোটি টাকার আইপিওতে বিনিয়োগকারীরা ৮৩৬ কোটি ৬৪ লাখ ৮৯ হাজার ৩১ টাকার আবেদন করেছে। যা কোম্পানির চাহিদার প্রায় ২৪ গুণ।

তুং হাই নিটিংয়ের আইপিওতে সাধারণ, ক্ষতিগ্রস্ত এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বিনিয়োগকারীরা মোট ৮৩৩ কোটি ৫৮ লাখ ২৯ হাজার ৯৭৫ টাকার আবেদন জমা দেন। অন্যদিকে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ৩ কোটি ৬ লাখ ৫৯ হাজার ৫৬ টাকার আবেদন জমা দিয়েছেন।

শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া কোম্পানিটির আইপিও আবেদন জমা নেওয়া হয় গত ১৮ মে থেকে ২২ মে পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা এ সুযোগ পান ৩১ মে পর্যন্ত।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫১০তম সভায় কোম্পানিটির আইপিওর অনুমোদন দেওয়া হয়।

দ্য রিপোর্ট