Monthly Archives: March 2014

খুলনা প্রিন্টিংয়ে আইপিও আবেদন গ্রহণ শুরু ৪ মে

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের আবেদন শুরু হবে আগামী ৪ মে রোববার থেকে। ইস্যুয়ার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, কোম্পানির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ ৪ মে শুরু হয়ে ৮ মে শেষ হবে। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ১৭ মে পর্যন্ত।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫১২তম সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।

আইপিওর মাধ্যমে খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড শেয়ারবাজারে ৪ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ জন্য কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি চলতি মূলধন, ব্যাংকের টার্ম ঋণ এবং আইপিও খাতে খরচ করবে।

৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৮২ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ২৪.২৬ টাকা।

কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে সোনালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে পরীক্ষামূলক আইপিও চাঁদা সংগ্রহ শুরু এপ্রিলে

এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) চাঁদা সংগ্রহের নিয়ম প্রচলনের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আইপিও অনুমোদন পাওয়া খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং কোম্পানি অথবা তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং কোম্পানির আইপিও চাঁদা সংগ্রহ এ প্রক্রিয়ায় শুরু হতে পারে। ফলে আইপিও আবেদনে বিনিয়োগকারীর ভোগান্তি দূর হবে বলে আশা করছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসইসি।
পরীক্ষামূলক এ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে আগামী জুন থেকে পুরোপুরিভাবে ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমেই আইপিও চাঁদা সংগ্রহ করা হবে। এ সেবার জন্য ব্রোকারেজ হাউসগুলো কমিশনও পাবে। গতকাল দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ও ইস্যু ব্যবস্থাপকদের সঙ্গে আলোচনায় এ তথ্য জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিএসইসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গতকালের ওই বৈঠকে কমিশনের পক্ষে নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুর রহমান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপন কুমার বালা, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাজিদ হোসেনসহ কয়েকটি প্রধান মার্চেন্ট ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের বিষয়ে সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজিদ হোসেন বলেন, কমিশন আমাদের জানিয়েছে, আগামী মাসের শেষ থেকেই ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে আইপিও চাঁদা সংগ্রহ শুরু করা হবে। এ সময় ব্যাংকগুলোর মাধ্যমেও আইপিও চাঁদা সংগ্রহ অব্যাহত থাকবে। এ প্রক্রিয়ায় চাঁদা সংগ্রহ কার্যক্রমের ফলাফল মূল্যায়ন শেষে জুন থেকে পুরোপুরি এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।
সিএসইর এমডি আরো জানান, আইপিও চাঁদা সংগ্রহের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে নতুন করে সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে হবে এবং জনবলও নিয়োগ করতে হবে। এ কাজে তাদের প্রাথমিকভাবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। সাজিদ হোসেন বলেন, এজন্য কমিশনের পক্ষ থেকেই প্রস্তাব করা হয়েছে, আইপিও চাঁদা সংগ্রহ বাবদ ব্যাংকগুলোকে বর্তমানে দশমিক ১০ শতাংশ কমিশন দেয়া হয়। ব্রোকারেজ হাউসও এরকম কমিশন পাবে। তবে কমিশন হার কত হবে তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
তবে কিছু ব্রোকারেজ হাউস এ প্রক্রিয়ায় আইপিও চাঁদা সংগ্রহের বিরোধিতা করেছে বলে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক স্বপন কুমার বালা। তাদের মত হলো— উন্নত দেশের শেয়ারবাজারের মতো আমাদের দেশেও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আইপিওর পুরো শেয়ার অবলেখনকারী (আন্ডাররাইটার) প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ইস্যুয়ার কোম্পানি সব শেয়ার বিক্রি করবে। এরপর আন্ডাররাইটার নিজ দায়িত্বে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিশ্রেণীর বিনিয়োগকারীর কাছে শেয়ার বিক্রি করবে বা নিজে রাখবে। এতে শেয়ারবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে। স্বপন কুমার বলেন, দেশের বর্তমান ২৯ লাখ বিও হিসাবের মধ্যে অন্তত ১০ লাখ কেবল আইপিও শেয়ার ক্রয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে একজন ৩০০ থেকে ৫০০টি বিও হিসাবের মাধ্যমে আইপিও আবেদন করেন। এভাবে ওই ব্যক্তি যে শেয়ার পান, লেনদেনের শুরুতেই অনেক বেশি দরে তার পুরোটা বিক্রি করে বিপুল মুনাফা নিয়ে যান। বর্তমান তারল্য সংকটের মধ্যে বাজার থেকে এ অর্থ চলে যাওয়া ঠেকানোর জন্যই আমরা এ প্রস্তাব করেছি। তবে মনে হয় না, কমিশন আমাদের পরামর্শ গ্রহণ করবে।
এ প্রক্রিয়ায় সব বিনিয়োগকারী নিজ ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও আবেদন করবেন। ব্রোকারেজ হাউস ওই আবেদনের সঙ্গে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করবে বা গ্রাহকের বিও হিসাব থেকে সমপরিমাণ অর্থ সরিয়ে পৃথক ব্যাংক হিসাবে সংরক্ষণ করবে। এরপর নির্দিষ্ট দিনে সব আইপিও আবেদনকারীর বিও হিসাব নম্বর ও আবেদনকৃত লট সংখ্যার তথ্য ইস্যু ব্যবস্থাপক বরাবর প্রেরণ করবে। একই সঙ্গে ওই সব আবেদনের বিপরীতে পর্যাপ্ত অর্থ ব্যাংক হিসাবে সংরক্ষণ-সংক্রান্ত ব্যাংক সার্টিফিকেট প্রদান করবে। এরপর ইস্যু ব্যবস্থাপক আইপিওতে নির্দিষ্ট শেয়ার লটের তুলনায় বেশিসংখ্যক আবেদন পেলে লটারির আয়োজন করবে। কেবল লটারি বিজয়ীদের তালিকা ব্রোকারেজ হাউসগুলোর কাছে পাঠাবে। ওই কৃতকার্য আবেদনকারীর টাকা কোম্পানি হিসেবে প্রেরণ করবে এবং অকৃতকার্যদের চাঁদার অর্থ পরদিনই পুনরায় বিও হিসাবে ফেরত দেবে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আইপিও চাঁদা ও আবেদন জমা এবং পরবর্তী সময়ে রিফান্ড অর্ডার বা শেয়ার অ্যালটমেন্ট লেটার সংগ্রহের ঝক্কি কমবে বলে জানান তিনি।
বণিক বার্তা

পেনিনসুলার আইপিওতে আবেদন শুরু আগামীকাল

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া দি পেনিনসুলা চট্টগ্রাম লিমিটেডে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামীকাল রোববার ৩০ মার্চ থেকে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ আগামীকাল ৩০ মার্চ শুরু হয়ে শেষ হবে ৩ এপ্রিল। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত।

পেনিনসুলা চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে ৫ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৬৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ধরা হয়েছে ৩০ টাকা। ২০০ শেয়ারে মার্কেট লট।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত টাকা দিয়ে হোটেল সম্প্রসারণে ৭ কোটি টাকা, চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কাছে আরেকটি নতুন হোটেল নির্মাণে ১৪১ কোটি ৫ লাখ ২৬ হাজার ৭৬৬ টাকা এবং ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা আইপিও খাতে ব্যয় করা হবে।

৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৪৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ৩৩.৭৩ টাকা (রিভ্যালুয়েশনসহ)।

আইপিও প্রক্রিয়ায় কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

হা-ওয়েলের রিফান্ড বিতরণ শুরু আজ

হা-ওয়েল টেক্সটাইলস (বিডি) লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারিতে বিজয়ীদের বরাদ্দপত্র এবং রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ শুরু হবে আজ, ২৭ মার্চ, বৃহস্পতিবার। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, কোম্পানিটির বরাদ্দপত্র এবং রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ আগামীকাল শুরু হয়ে শেষ হবে ৩১ মার্চ। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংক রশিদের বিনিময়ে পল্টন কমিউনিটি সেন্টার ৪২, নয়াপল্টন এবং কেন্দ্রীয় কচি কাঁচার মেলা ৩৭/এ সেগুন বাগিচায় বরাদ্দপত্র এবং রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ করা হবে।

পল্টন কমিউনিটি সেন্টারে ২৭ মার্চ ওয়ান ব্যাংক, ২৮ মার্চ শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ২৯ মার্চ সিটি ব্যাংক, ৩০ মার্চ সাউথইস্ট ব্যাংক ও ৩১ মার্চ ন্যাশনাল ব্যাংকের সকল শাখার রিফান্ড এবং বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হবে। এছাড়া ২৯ মার্চ ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের, ৩০ মার্চ এনআরবি এবং ৩১ মার্চ ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও আইএ এর রিফান্ড সমূহ বিতরণ করা হবে কেন্দ্রীয় কচি কাঁচার মেলায়। যেসব বিনিয়োগকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অনলাইন সুবিধা চালু নেই তাদের উপোরক্ত ঠিকানা থেকে রিফান্ড সংগ্রহ করতে হবে।

যেসব বিনিয়োগকারীর এবি ব্যাংক লিমিটেড, আল-আরফা ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, আল ফালাহ ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড, ব্রাক ব্যাংক লিমিটেড, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন পিএলসি, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ণ ব্যাংক লিমিটেড,এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড, যমুনা ব্যাংক লিমিটেড, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, মিউচুয়্যাল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, শাহাজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, দি সিটি ব্যাংক ট্রাস্ট ব্যাংক এবং উরি ব্যাংকে যাদের অ্যাকাউন্ট আছে তাদের নিজ নিজ অ্যাকাউন্টে রিফান্ড জমা হয়ে যাবে। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা এ সুযোগ পাবে না।

এছাড়া যারা নির্ধারিত তারিখের মধ্যে যাদের বরাদ্দপত্র ও রিফান্ড ওয়ারেন্ট ব্যাংকে জমা হবে না, তাদেরকে ১৫ই এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে কেন্দ্রীয় কঁচিকাচার মেলায় সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত যোগাযোগ করতে হবে।

 
শেয়ারনিউজ২৪

ফারইস্ট নিটিংয়ের আইপিও অনুমোদন

শেয়ারবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি) ৫১৩তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন করেছে।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িং আইপিওর মাধ্যমে ২ কোটি ৫০ লাখ সাধারণ শেয়ার ছেড়ে শেয়ারবাজার থেকে ৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এ জন্য ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৭ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ টাকা।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ব্যাংকের মেয়াদি ঋণ এবং আইপিও খাতে খরচ করবে।

৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.২৮ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৯.০৮ টাকা।

ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িংয়ের ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

 
শেয়ারনিউজ২৪

ফার কেমিক্যালে সাড়ে ৭১ গুণ টাকা জমা

প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে (আইপিও) ফার কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডে সাড়ে ৭১ গুণ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ফার কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজের আইপিওতে ৮৫৯ কোটি ৯৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। যা উত্তোলনকৃত টাকার চেয়ে ৭১.৬৬ গুণ। এর মধ্যে সাধারণ, ক্ষতিগ্রস্ত ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৮৪৪ কোটি ৭৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকার আবেদন এবং ২৪ মার্চ পর্যন্ত প্রবাসি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে।

গত ১০ মার্চ থেকে কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন শুরু হয়ে শেষ হয় ১৬ মার্চ। প্রবাসি বিনিয়োগকারীরা আজ ২৫ মার্চ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে।

ফার কেমিক্যাল শেয়ারবাজার থেকে ১২ কোটি টাকা উত্তোলন করার জন্য ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়েছে। এ জন্য কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা এবং মার্কেট লট ৫০০ শেয়ারে নির্ধারণ করা হয়েছে।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ক্যাপিটাল মেশিনারি ক্রয় এবং বর্তমান মূলধন বাড়ানো কাজে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.০১ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৫.৫৫ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে ফার্স্ট সিকিউরিটিজ সার্ভিসেস লিমিটেড।

 
শেয়ারনিউজ২৪

ঋণগ্রস্ত কোম্পানি শেয়ারবাজারের জন্য বোঝা

আইপিওর মাধ্যমে ঋণগ্রস্ত কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া বাড়তি বোঝা বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বাজারে শেয়ার জোগানের সাথে চাহিদার সামঞ্জস্যতা থাকা প্রয়োজন; কিন্তু মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানিকে আইপিওর মাধ্যমে বাজারে আনা না গেলে ওইসব ঋণগ্রস্ত কোম্পানি বাজার এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। এ অবস্থায় সাম্প্রতিক সময়ে যেসব কোম্পানিকে আইপিওর মাধ্যমে ঋণ পরিশোধ এবং কোনো কোনো কোম্পানিকে অযৌক্তিক প্রিমিয়াম দেয়া হচ্ছে, তা ভবিষ্যতে বাজারকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে পারে। তাই আর কোনো ঋণগ্রস্ত কোম্পানি নয়, মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানি বাজারে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর উদ্যোগ নেয়া উচিত বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, ইনিশিয়াল পাবলিক অফারে (আইপিও) আসা কোম্পানি ঋণগ্রস্ত হয়ে তালিকাভুক্ত হতে আসে। আর এসব ঋণগ্রস্ত কোম্পানিকে ইস্যুয়ার, অডিটর ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস ফার্মের সংশ্লিষ্টরা আর্থিক প্রতিবেদন মোটাতাজা করে ভালো ইপিএস প্রসপেক্টাসে প্রদর্শন করে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে পেশ করে। এরপর তৈরি করা ওই ভালো ইপিএসের দোহাই দিয়ে ভালো প্রিমিয়াম আদায় করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সাথে দরকষাকষি হয়। একপর্যায়ে উভয়ের সম্মতিতে প্রিমিয়াম নির্ধারণ করে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি। এ অবস্থায় ফেস ভ্যালুর সাথে প্রিমিয়াম নেয়ার ক্ষেত্রে ওই কোম্পানি পাঁচ বছরের মধ্যে তাদের পূর্বে প্রেরিত পারফরমেন্স এবং আর্থিক প্রতিবেদন দিনে দিনে রুগ্ণ হয়ে না যায়, সেজন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কোম্পানি ইস্যুয়ার, অডিটর ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস ফার্মের নিশ্চয়তা অপরিহার্য হওয়া উচিত।

বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, শেয়ারবাজারে যেসব কোম্পানি ঋনগ্রস্ত হয়ে বাজারে আসে। সেসব কোম্পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিনিয়োগকারীরা সন্দিহান হয়ে পড়েন। কারণ কোম্পানির সংশ্লিষ্ট অসৎ কর্মকর্তারা এ টাকা নিজেদের মধ্যে আয়েশী জীবন ধারণে ব্যয় বা এফডিআরের মাধ্যমে ব্যবসা করে থাকে। এছাড়া প্রিমিয়াম নেয়া কোম্পানিগুলো তাদের মোট সম্পদকে অনেক বেশি বাড়িয়ে বাজারে আসার পর দুয়েক বছর আর্থিক প্রতিবেদন ভালো দেখানোর পর ধীরে ধীরে রুগ্ণতার দিকে অগ্রসর হয়। কিন্তু কেন কোম্পানি এ ধরনের রুগ্ণতার মুখে পড়ে সে খবর কেউ রাখে না।

কয়েকজন বড় ব্যক্তি বিনিয়োগকারী জানান, গত এক বছরে যেসব কোম্পানি প্রিমিয়ামসহ বাজারে এসেছে সেসব কোম্পানির অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় পর্যায়ে রয়েছে। মূলত এসব (বেঙ্গল উইন্ডসোর থার্মাপ্লাস্টিক লি., জিপিএইচ ইস্পাত, গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্র্রিজ লি., জিবিবি পাওয়ার, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল লি., ওরিয়ন ফার্মা, আরগন ডেনিমস, জেনারেশন নেক্সট, ফ্যামিলি টেক্স, অ্যাপোলো ইস্পাত, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলস, সেন্ট্রাল ফার্মা) কোম্পানি বাজার আসার এক মাসের মধ্যে শেয়ারের দর অনেক উঁচুতে তুলে ধীরে ধীরে তলানিতে নেমে আসছে। এতে বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ছে। এ অবস্থায় কোম্পানির প্রিমিয়াম দেয়ার ক্ষেত্রে শতভাগ লোন পরিশোধ নয়, ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে এবং লোন সঠিকভাবে সংশ্লিষ্টরা ব্যবহার করছে কি না সেটা বিএসইসিকে নিশ্চিত করতে হবে।

এ বিষয়ে কয়েকটি মিউচুয়্যল ফান্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, শেয়ারবাজারে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হতে এলে অবশ্যই ভালো প্রিমিয়াম বিবেচিত হবে। আবার অখ্যাত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন মোটাতাজা করে ভালো ইপিএস দেখিয়ে প্রিমিয়াম নেয়ার ক্ষেত্রে কঠোর পন্থা অবলম্বন করতে হবে। এছাড়া যারা লোন পরিশোধের জন্য প্রিমিয়াম দাবি করে, তাদের প্রিমিয়াম দেয়া উচিত নয়।

এ বিষয়ে কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে কোনোভাবে প্রিমিয়াম দেয়া উচিত নয়। এছাড়া একসঙ্গে একাধিক কোম্পানির আইপিও অনুমোদন ও চাঁদা সংগ্রহ বর্তমান বাজারকে দুর্বল করতে পারে। কারণ এ টাকা বাজার থেকে বের হয়ে যায়। এতে বাজারে পূর্বের ন্যায় তারল্য সংকট দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে বাজারের শেয়ারের চাহিদার সাথে সরবরাহের মিল রেখে বহুজাতিক কোম্পানি বা দেশীয় ভালো মুনাফায় থাকা কোম্পানিগুলো আনা উচিত। এতে ভালো কোম্পানিগুলোর মধ্যে শেয়ারবাজারে আসার আগ্রহ সৃষ্টি হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের এক নেতা জানান, আইপিওতে আসা কোনো কোম্পানিকে প্রিমিয়াম দেয়া হলে ওই কোম্পানির সংশ্লিষ্টদের ব্যাপারে খোঁজ খবর নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে। এ নেতা আরো জানান, লোন পরিশোধের জন্য যেসব কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসে, সে কোম্পানি কখনো ভালো পারফরমেন্স দেখাতে পারে না। একপর্যায়ে এ কোম্পানি লোকসান দেখাতে দেখাতে জেড ক্যাটাগরিতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 

 

শেয়ারনিউজ২৪

আইপিও রিফান্ড পর্ব-১: নিজেদের ভুলেই পোহাতে হয় ভোগান্তি

শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। ভোগান্তি যেন পিছুই ছাড়ে না বিনিয়োগকারীদের। হাজার ভোগান্তির একটি আইপিওতে রিফান্ড ভোগান্তি। অনলাইন ব্যাংকিং হওয়ার পরও অনেক বিনিয়োগকারীর অ্যাকাউন্টে রিফান্ডের টাকা পৌঁছেনা। এ জন্য বিনিয়োগকারীদের দৌড়াতে হয় কোম্পানির শেয়ার বিভাগে বা কুরিয়ার সার্ভিসে। তবে নিজেদের ভুলের কারণেও বিনিয়োগকারীদের এ ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাছাড়া কুরিয়ার সার্ভিসের অবহেলা তো রয়েছেই।

কোম্পানির আইপিও লটারির পর অনলাইন ব্যাংকিং হওয়া সত্ত্বেও বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীর অ্যাকাউন্টে রিফান্ডের টাকা পৌঁছে না। এ জন্য বিনিয়োগকারীরা সব সময় কোম্পানিকে দোষারোপ করে আসছে। তাদের অভিযোগ কোম্পানি ইচ্ছা করে বিনিয়োগকারীদের টাকা আটকে রেখে ব্যবসা করছে। আসলে এ ধারণা ঠিক নয়। এখানে কোম্পানির কোনো গাফিলতি বা ভুল নেই। ভুল যা হওয়ার তা বিনিয়োগকারীদের। শেয়ারনিউজের অনুসন্ধানে এ তথ্যই বেরিয়ে এসেছে।

এ ব্যাপারে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, যেসব বিনিয়োগকারীর টাকা কোম্পানিতে ফেরত পাঠানো হয়, তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে বিনিয়োগকারীর নামের মিল পাওয়া যায় না। নাম আর অ্যাকাউন্ট নম্বর শতভাগ না মিললে বা কোনো ভুল থাকলে টাকা অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয় না। ব্যাংকের প্রচুর অ্যাকাউন্ট থাকার কারণে একজনের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে চলে যেতে পারে। সে ভুল থেকে দূরে থাকতেই টাকা কোম্পানিকে ফেরত পাঠানো হয়।

অনলাইন ব্যাংকিংয়ে টাকা ঢুকতে হলে অ্যাকাউন্ট নম্বরের সাথে অ্যাকাউন্টহোল্ডারের নামের বানান শতভাগ মিলতে হবে। যদি একটি ডট বা ফুলস্টপ না মিলে তবে ব্যাংক সে অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করবে না। অসংখ্য বিনিয়োগকারী যাদের টাকা রিফান্ড হতে সমস্যা হয়, তাদের কোনো না কোনো ভুল থেকেই যায়। এদের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টের নামের বানানের সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নামের বানান হুবহু এক না থাকার মতো সমস্যাও অনেক।

সর্বশেষ রিফান্ড বিতরণকারী কোম্পানি মতিন স্পিনিংয়ের শেয়ার বিভাগের আনিস শেয়ারনিউজ২৪.কমের প্রতিনিধিকে জানান, রিফান্ডের টাকা ফেরত দেয়ার ব্যাপারে কোম্পানির কোনো গাফিলতি নেই। এ টাকা বিনিয়োগকারীকে দিতে পারলেই আমাদের ঝামেলা চুকে যায়। এ রিফান্ড দেয়ার জন্য আমাদের আলাদা অফিস নিতে হয়, আলাদা লোক নিতে হয়। এ টাকা আটকে রেখে আমাদের কোনো লাভ নেই। বিনিয়োগকারীরা যেটা বলে এটা ঠিক নয়। এ টাকা তো বিনিয়োগকারীরা চেক জমা দিয়েই তুলে নিতে পারে। আর আপনারা জানেন ব্যাংকে কারেন্ট হিসাবে কোনো লাভ দেয়া হয় না। ব্যাংক থেকে লাভ পেতে হলে টাকা ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখতে হবে আর তা রাখার সুযোগ কোথায়?

তিনি আরো বলেন, আমরা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের প্রতিটি বিনিয়োগকারীর টাকা প্রতিটি ব্যাংকে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু ব্যাংক বেশকিছু বিনিয়োগকারীর টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার না করে আমাদের কাছে ফেরত পাঠিয়েছে। ফেরত পাঠানোর কারণ বিনিয়োগকারীর ব্যাংক হিসাবের সাথে নামের মিল না থাকা। ব্যাংক টাকা ফেরত পাঠালে আমাদের কিছু করার নেই।

এদিকে বিও অ্যাকাউন্ট এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব তথ্যাদি ঠিক থাকলে সেসব বিনিয়োগকারীর রিফান্ড পেতে কোনো সমস্যা হয় না। এ কারণে রিফান্ড ভোগান্তি থেকে বাঁচতে বিনিয়োগকারীদের এসব তথ্য যাচাই, প্রয়োজনে সংশোধন করা উচিত বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বিও ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব তথ্য ঠিক করে বিও এডির (প্রাপ্তিস্বীকারপত্র) একটি সফট কপি আইপিওর টাকা রিফান্ড প্রদানকারী কোম্পানির কাছে জমা দিতে হবে। যেমন আইপিও সংক্রান্ত কাজে সেটকম একটি পরিচিত নাম। তাই সেটকমের কাছে সব সঠিক তথ্য অর্থাৎ বিও প্রাপ্তিস্বীকারপত্র জমা দিয়ে এ সমস্যা সমাধান সম্ভব। কারণ যখন বিও অ্যাকাউন্ট খোলা হয়, সে ডাটা বা তথ্য চলে যায় সেটকমের কাছে। আর কোম্পানি যখন আইপিওর টাকা রিফান্ড কওে, তখন বিনিয়োগকারীর ডাটা সংগ্রহ করে সেটকম থেকে। তাই সিকিউরিটিজ হাউজে বিও অ্যাকাউন্টের ভুল কারেকশন করলেও সেটকমে ভুল থেকে যায়। তাই অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে না। তাই বিনিয়োগকারীদের ভুল কারেকশন করার সাথে সাথে সেটকমেও কারেকশন করতে হবে। আর যদি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বিও অ্যাকাউন্ট এবং সেটকমে বিনিয়োগকারীদের নাম এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর হুবহু এক থাকে। তবে টাকা অ্যাকাউন্টে না পৌঁছার কোনো কারণ নেই বলেই মনে করছন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

শেয়ারনিউজ২৪