Monthly Archives: February 2014

মতিন স্পিনিংয়ের লটারির ড্র আগামীকাল

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ সম্পন্ন করেছে মতিন স্পিনিং মিলস লিমিটেড। বিনিয়োগকারীদের অপেক্ষা এখন শেয়ার বরাদ্দ পাওয়া। এ লক্ষ্যে এ কোম্পানির লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল ২৭ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ওইদিন এ কোম্পানির আইপিও লটারির ড্র সকাল ১০টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে কোম্পানিটির আইপিওতে ২৬ থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

কোম্পানিটির আইপিওতে ৮৩২ কোটি ২ লাখ ৬৪ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে, যা নির্ধারিত টাকার চেয়ে ৬.৫৯ গুণ। এর মধ্যে সাধারণ কোটায় ৬৩৪ কোটি ৩০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ক্ষতিগ্রস্ত কোটায় ৮০ কোটি ৮৫ লাখ ১ হাজার ৮০০ টাকা, এনআরবি কোটায় ৪৩ কোটি ৮৫ লাখ ২৪ হাজার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের কোটায় ৭৩ কোটি ১ লাখ ৪৩ হাজার ২০০ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন জমা পড়েছে ৯ লাখ ৫৩ হাজার ২৪২টি।

মতিন স্পিনিং শেয়ারবাজার থেকে ১২৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা সংগ্রহের জন্য ৩ কোটি ৪১ লাখ শেয়ার ছেড়েছে। এ জন্য ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ২৭ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ধরা হয়েছে ৩৭ টাকা। ২০০টি শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

আইপিওর মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে বিদ্যমান প্রকল্পসমূহ সম্প্রসারণে ১২৩ কোটি ২ লাখ ৫৭ হাজার ২৭০ টাকা এবং আইপিও খাতে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৪২ হাজার ৭৩০ টাকা খরচ করবে কোম্পানিটি।

৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৯৭ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ৩৫.৭৩ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

পেনিনসুলার আইপিও আবেদন শুরু ৩০ মার্চ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া দ্যা পেনিনসুলা চট্টগ্রাম লিমিটেডে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ৩০ মার্চ। কোম্পানির সচিব মো. নূরুল আজম শেয়ারনিউজ২৪.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, কোম্পানির আইপিওতে আবেদন ৩০ মার্চ শুরু হয়ে শেষ হবে ৩ এপ্রিল। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত।

এর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫০৭তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন করা হয়।

কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে সাড়ে ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৬৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ জন্য কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ নেয়া হবে ৩০ টাকা।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি হোটেল সম্প্রসারণ এবং চট্টগ্রাম এয়ারপোর্টের কাছে আরেকটি নতুন হোটেল নির্মাণসহ ব্যাংকঋণ পরিশোধে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৪৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ৩২.৭৩ টাকা।

আইপিও প্রক্রিয়ার কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

শাহজিবাজার পাওয়ারের আইপিও আবেদন ৬ এপ্রিল থেকে

শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন জমা নেওয়া আগামি ৬ এপ্রিল শুরু হবে। নিবাসী তথা স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা ১০ এপ্রিল পর্যন্ত এ আবেদন জমা দিতে পারবেন। আর অনিবাসী বা প্রবাসি বিনিয়োগকারীরা আবেদন পৌঁছানোর জন্য সময় পাবেন ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে তাদেরকেও ১০ এপ্রিলের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক ড্রাফট করতে হবে।

কোম্পানির প্রকাশিত প্রসপেক্টাস বা আইপিও সংক্রান্ত তথ্য কনিকা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। নয়টি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের একাধিক শাখার মাধ্যমে আইপিও’র অর্থ জমা নেওয়া হবে। ব্যাংকগুলো হচ্ছে-সাউথইস্ট ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড, যমুনা ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, সোস্যাল ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড ও ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড। একমাত্র আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইসিবি আইপিওটি’র অর্থ জমা নেবে।

গত ১৫ জানুয়ারি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসএইসি) শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের আইপিও অনুমোদন করে।

কোম্পানিটি ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা মূল্যে ১ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার বিক্রি করবে। এর মাধ্যমে বাজার থেকে সংগ্রহ করবে ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করবে।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এই কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩২ পয়সা।আর শেয়ার প্রতি সম্পদ বা এনএভি ২৪ টাকা ৫৮ পয়সা।

প্রিয়.কম

এমারেল্ড অয়েলের রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি অপেক্ষা থাকা এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডর রিফান্ড ওয়ারেন্টস ও এলোটমেন্ট লেটার আবেদনকারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, হাতে হাতে এবং কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়েছে। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ৩৩টি ব্যাংকের মাধ্যমে ৮ লাখ ৯৬ হাজার ৪৪৭টি আবেদনকারীর টাকা অনলাইনে প্রেরণ করেছে, ৬ লাখ ৯১ হাজার ৪৭৭ আবেদনকারীর টাকা হাতে হাতে প্রদান করা হয়েছে। এবং ১৩ হাজার ২৫২ আবেদনকারীর রিফান্ড ওয়ারেন্ট গত ১৬ ফেব্রুয়ারি স্পিড এক্সপ্রেস, সময় এক্সপ্রেস লিমিটেড, বাংলা কুরিয়ার সার্ভিস, ডেল্টা কুরিয়ার সার্ভিস, ফেইথ কুরিয়ার সার্ভিস, কন্টিনেন্ট এক্সপ্রেস, টম এক্সপ্রেস, ভিশন এক্সপ্রেস, একুশে এক্সপ্রেস, মধুবন কুরিয়ার সার্ভিস এবং মসুমতি এক্সপ্রেসের মাধ্যমে রিফান্ড ওয়ারেন্ট ও এলোটমেন্ট লেটার প্রেরণ করা হয়েছে।

শেয়ারনিউজ২৪

আবেদন পড়েছে ৬.৫৯ গুণ মতিন স্পিনিংয়ের লটারির ড্র বৃহস্পতিবার

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ শেষে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার জন্য মতিন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ওই দিন কোম্পানিটির আইপিও লটারির ড্র সকাল ১০টায়, রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনষ্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে কোম্পানিটির আইপিওতে ২৬ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। তবে প্রবাসি বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিলো ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

কোম্পানিটির আইপিওতে ৮৩২ কোটি ২ লাখ ৬৪ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। যা নির্ধারিত টাকার চেয়ে ৬.৫৯ গুণ। এর মধ্যে সাধারণ কোটায় ৬৩৪ কোটি ৩০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ক্ষতিগ্রস্ত কোটায় ৮০ কোটি ৮৫ লাখ ১ হাজার ৮০০ টাকা, এনআরবি কোটায় ৪৩ কোটি ৮৫ লাখ ২৪ হাজার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের কোটায় ৭৩ কোটি ১ লাখ ৪৩ হাজার ২০০ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন জমা পড়েছে ৯ লাখ ৫৩ হাজার ২৪২টি।

মতিন স্পিনিং শেয়ারবাজার থেকে ১২৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা উত্তোলনের জন্য ৩ কোটি ৪১ লাখ শেয়ার ছেড়েছে। এ জন্য ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২৭ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭ টাকা। ২০০টি শেয়ারে লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

আইপিও থেকে সংগ্রহ অর্থ দিয়ে বিদ্যমান প্রকল্পসমূহ সম্প্রসারণে ১২৩ কোটি ২ লাখ ৫৭ হাজার ২৭০ টাকা এবং আইপিও খাতে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৪২ হাজার ৭৩০ টাকা খরচ করবে।

৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৯৭ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ৩৫.৭৩ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

আইপিওর অর্থ ব্যবহারে কঠোর নীতি আরোপ করবে বিএসইসি

শেয়ারবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ বিভিন্ন কোম্পানি অনুৎপাদনশীল খাতের জন্য নেয়া ব্যাংকঋণ পরিশোধে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাই আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ ও তার ব্যবহার পদ্ধতির ক্ষেত্রে আরো কঠোর হতে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শিগগিরই এ-সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি করতে যাচ্ছে। বিএসইসির নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এছাড়া আগামী মার্চের মধ্যেই ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও আবেদন ও চাঁদা গ্রহণের নিয়ম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থের উল্লেখযোগ্য অংশই কোম্পানিগুলো ব্যবহার করছে ব্যাংকঋণ পরিশোধে। অভিযোগ রয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই ওই সব কোম্পানি ঋণের অর্থসংশ্লিষ্ট শিল্পে বিনিয়োগ না করে অন্যত্র খরচ করে। লাভজনক প্রকল্পে বিনিয়োগ না করায় কোম্পানির মুনাফা বৃদ্ধি পায়নি। এছাড়া আইপিও অর্থের ব্যবহারের ক্ষেত্র পরিবর্তন ছাড়াও এ ব্যাপারে কোম্পানিগুলো স্বেচ্ছাচারিতা করে থাকে, যা বিভিন্ন পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।
গত বছর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখানো হয়, আইপিওর অর্থ দিয়ে ব্যাংকঋণ পরিশোধের পরও কোম্পানিগুলোর আয় বাড়েনি বরং কমেছে। এ অবস্থায় আইপিওর অর্থ ব্যবহারে একটি নীতিমালা তৈরির সুপারিশ করা হয়েছিল স্টক এক্সচেঞ্জটির পক্ষ থেকে। পাশাপাশি শুধু ব্যাংকঋণ পরিশোধের জন্য আইপিও অনুমোদন না দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল। এ অবস্থায় আইপিওর অর্থ ব্যবহারে নতুন নীতিমালা প্রস্তুত করতে যাচ্ছে কমিশন। ওই নীতিমালায় শিল্পে বিনিয়োগ ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ঋণ গ্রহণ করা হলে ওই ঋণ পরিশোধের জন্য শেয়ারবাজার থেকে মূলধন উত্তোলনে অনুমতি পেতে কঠোর শর্তারোপ করা হবে কোম্পানিগুলোকে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসইর এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১১ থেকে ২০১২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৯ কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে মূলধন উত্তোলন করে। এর মধ্যে ১৭টি কোম্পানিরই মূলধন উত্তোলনের উদ্দেশ্য ছিল ব্যাংকঋণ পরিশোধ করা। আইপিও প্রক্রিয়ায় শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পরবর্তী বছরে এসব কোম্পানির মুনাফা বাড়েনি বরং কমেছে।
এ কারণে কেবল ব্যাংকঋণ পরিশোধে আইপিও অনুমোদন না দেয়ার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে সুপারিশ জমা দিয়েছিল ডিএসই। ওই সুপারিশে ডিএসইর পক্ষ থেকে বলা হয়, কোনো কোম্পানিকে আইপিও প্রক্রিয়ায় উত্তোলিত মূলধনের ৩০ শতাংশের বেশি অর্থ ঋণ পরিশোধে ব্যবহার করতে দেয়া ঠিক হবে না। এ নীতি অনুসরণ করা না হলে খেলাপি ঋণগ্রহীতারা তাদের কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করে নিজেদের দায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওপর চাপাবে।
কমিশনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ব্যাংকঋণ পরিশোধে আইপিও অনুমোদন করা নিয়ে বিএসইসির ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। বাস্তব অবস্থা হচ্ছে, যেসব কোম্পানি আইপিও অনুমোদন চেয়ে আবেদন করছে, তাদের প্রায় সবার উদ্দেশ্য একই। এক্ষেত্রে আমাদেরও কিছু করার থাকে না। ব্যাংকঋণ পরিশোধের জন্য মূলধন উত্তোলন করতে চায়— এ কারণে আইপিও অনুমোদন না করলে শেয়ার সরবরাহ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে। তাতে শেয়ার চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্য নষ্ট হলে সেকেন্ডারি শেয়ারবাজারে অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কা থাকে।
এজন্য কমিশনের পরিকল্পনা হচ্ছে, কোনো কোম্পানি ব্যাংকঋণ পরিশোধের জন্য আইপিওতে আসতে চাইলে, তাকে দেখাতে হবে ওই ঋণের অর্থ কী কাজে ব্যবহার করেছে। আমাদের কাছে যদি মনে হয়, কোম্পানিটি উৎপাদনশীল খাতে ওই ঋণ ব্যবহার করেনি, তবে তাকে আইপিও অনুমোদন দেয়া হবে না। উদাহরণস্বরূপ— কোম্পানি ৫০ কোটি টাকার ঋণের ৪০ কোটি টাকা উৎপাদন খাতে ব্যয় করলে এবং বাকি ১০ কোটি টাকা অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় করলে অথবা অন্য কোনো কোম্পানিকে ঋণ দিয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে ওই কোম্পানিটি কেবল ৪০ কোটি টাকার মূলধন উত্তোলনের সুযোগ পাবে।
এদিকে আইপিও আবেদন ও চাঁদা সংগ্রহের ক্ষেত্রে ব্রোকারেজ হাউসকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা শিগগিরই বাস্তবায়িত হবে বলে জানা গেছে। কমিশন আশা করছে, আগামী মার্চেই এ প্রক্রিয়ায় আইপিও আবেদন ও চাঁদা সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। এজন্য চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্রোকারেজ হাউসগুলোর সঙ্গে কমিশনের বৈঠক হয়েছে এবং তাদের মতামত নেয়া হয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচুয়ালাইজেশন বাস্তবায়ন কাজ শেষ হয়ে আসার প্রেক্ষাপটে ডিএসইর ব্রোকারেজ হাউসগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা যায়নি। আগামী দু-এক সপ্তাহের মধ্যে আলোচনা করা হবে। এরপর কমিশনের আইনের টু-সিসি ধারায় ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আবেদন ও চাঁদা সংগ্রহ করতে নির্দেশনা দেয়া হবে।
বর্তমানে ব্যাংকের নির্দিষ্ট কিছু শাখার মাধ্যমে আইপিও আবেদন ও চাঁদা সংগ্রহ করা হয়। এতে বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। নতুন ব্যবস্থায় সব বিনিয়োগকারী নিজ ব্রোকারেজ হাউসে নির্দিষ্ট ছকের আইপিও আবেদন জমা দেবেন। বিও হিসাবে ওই আইপিওর জন্য নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ জমা থাকলে বিনিয়োগকারীকে নতুন করে টাকা জমা দিতে হবে না। ব্রোকারেজ হাউস আবেদন পাওয়ার পর সমপরিমাণ অর্থ পৃথক ব্লক হিসাবে সংরক্ষণ করবে। এরপর ব্রোকারেজ হাউস থেকে কোম্পানি সব আবেদন সংগ্রহ করবে। আইপিও শেয়ারের লট সংখ্যার থেকে আবেদন বেশি হলে বর্তমানের মতো লটারি হবে। এর পর বিজয়ী বিনিয়োগকারীদের তালিকা পেলে ব্রোকারেজ হাউস ওই বিনিয়োগকারীদের আইপিও চাঁদা কোম্পানির ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ করবে। একই সঙ্গে যেসব বিনিয়োগকারী লটারি জিতবেন না, তাদের অর্থ সঙ্গে সঙ্গেই ব্লক হিসাব থেকে বিও হিসাবে হস্তান্তর করা হবে।
বণিক বার্তা

তুং হাই নিটিংয়ের আইপিও অনুমোদন

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তু্ং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন করেছে। বিএসইসির ৫১০তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ৩ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৩৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি চলতি মূলধন, মেশিনারিজ ক্রয়, ব্যাংকের টার্ম ঋণ এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক হিসাব অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১৫ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৩.৭৩ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং সহ-ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড।

শেয়রনিউজ২৪

হা-ওয়েলের আইপিও আবেদন শুরু কাল থেকে

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া হা-ওয়েল টেক্সটাইল (বিডি) লিমিটেডের টাকা সংগ্রহ আগামীকাল ১৭ ফেব্রুয়ারি, সোমবার থেকে শুরু হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে টাকা গ্রহণ আগামীকাল শুরু হয়ে শেষ হবে ২৩ ফেব্রুয়ারি। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ৪ মার্চ পর্যন্ত।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫০৪তম সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।

কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। ৫০০টি শেয়ারে মার্কেট লট।

কোম্পানিটির আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে মেশিনারিজ ও জমি ক্রয়, ভূমি উন্নয়ন, নতুন ফ্যাক্টরি ভবন নির্মাণ, বর্তমান মেশিনারিজ মেরামত এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৬৬ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ২৮.৭৮ টাকা।

এ কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং সিটিজেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪