Monthly Archives: January 2014

এএফসি এগ্রো বায়োটেক রিফান্ড ওয়ারেন্ট নিয়ে আবারো ধূম্রজালে বিনিয়োগকারীরা

দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তিতে অপেক্ষমাণ এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেডের রিফান্ড ওয়ারেন্ট নিয়ে বিনিয়োগকারীরা আবারো চক্রান্তের জালে আটকে গেছে। ইতিমধ্যে কোম্পানিটির লটারিরর ড্র শেষ হলেও অনেক বিনিয়োগকারীর অর্থ এখনো ফেরৎ পাননি। আর এতে বিভিন্ন পেশায় সম্পৃক্ত বিনিয়োগকারীদের বাড়তি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বলে জানা গছে।

বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, যখনই কোনো কোম্পানির আইপিওতে বড় ধরনের আবেদন জমা পড়ে এবং টাকার অঙ্ক বড় হয়, তখন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ব্যাংকের যোগসাজশে বিনিয়োগকারীদের অর্থ সহজে না দিয়ে রিফান্ড ওয়ারেন্ট দেয়ার মাধ্যমে ভোগান্তি সৃষ্টি করছেন। অন্যদিকে কোম্পানি সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা ১৫ থেকে ২০ দিন বা এর অধিক সময় বিনিয়োগকারীদের টাকা ব্যাংকে রাখতে পারে, তাহলে ব্যাংক থেকে বড় ধরনের কমিশন পাবে। এ ধরনের অসৎ উদ্দেশ্যে এখনো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীরা কোম্পানি ও ব্যাংকের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছেন, যাতে বাজারের দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কোনো যায় আসে না। বিনিয়োগকারীরা তাদের অর্থ ফেরত পেলো কি না বা ভোগান্তি হলো কি না তা দেখার কেউ নেই। এ রিফান্ড ওয়ারেন্টের এ ভোগান্তি থেকে বিনিয়োগকারীরা কবে মুক্তি পাবে- এ প্রশ্ন বিনিয়োগকারীদের?

বিনিয়োগকারী রুবেল, হাসেম, আমির ও সুজন জানান, দেশে এখন ডিজিটালের ছাপ পড়ছে। ব্যাংকগুলো টাকা জমা এবং পরিশোধের ক্ষেত্রে অনলাইন সিস্টেম ব্যবহার করছে। এ অবস্থায় শেয়ারবাজারে আইপিওতে আসা কোম্পানি চার-পাঁচদিনের মধ্যে আইপিওর টাকা জমা নিচ্ছে। সেখানেও বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘলাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে টাকা জমা দিতে হচ্ছে। আবার যারা লটারির ড্রতে জয়ী হতে পারছেন না, তাদের একটি অংশের টাকা অনলাইনে জমা হলেও আরেকটি বড় অংশের টাকার জন্য ব্যাংকে গেলে কোম্পানি সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে। অন্যদিকে কোম্পানির কাছে গেলে বলা হচ্ছে ব্যাংকে টাকা পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এভাবে বিনিয়োগকারীদের হয়রানি করার পর রিফান্ড ওয়ারেন্ট কোম্পানির শেয়ার বিভাগের সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে নিতে বলা হচ্ছে।

বিনিয়োগকারীরা আরো জানান, আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ভুল হলে তা সংশোধন করে রিফান্ড দেয়া হয়। কিন্তু যেসব বিনিয়োগকারীর আবেদনে কোনো ধরনের ভুল নেই, তাদেরও রিফান্ড ওয়ারেন্ট ভোগান্তির মাধ্যমে নিতে হচ্ছে। এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেডের ক্ষেত্রেও একই ঘটনার শিকার হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা।

এদিকে সরজমিন এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেডের রাজধানীর সেগুনবাগিচা কার্যালায়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোম্পানি কর্তৃপক্ষ হাজার হাজার বিনিয়োগকারীর রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিলি বণ্টনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। যেসব বিনিয়োগকারীর টাকা এখনো ব্যাংক হিসাবে পৌঁছেনি তারা যোগাযোগ করলে সেগুনবাগিচার কচিকাঁচা ভবনের ঠিকানায় পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, হাজার হাজার রিফান্ড ওয়ারেন্টের গাইট ফ্লোরে এবং টেবিলের ওপর পড়ে আছে। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের অধিকাংশ এখনো জানে না, তাদের রিফান্ড ওয়ারেন্ট কবে নাগাদ আসবে। তবে কোম্পানি সংশ্লিষ্টরা বলছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে তারা পুরোদমে রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ শুরু করবে।

এ বিষয়ে এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেডের কোম্পানি সচিব মাহবুবুর রহমান শেয়ারনিউজ২৪ডটকমকে বলেন, আমরা সঠিক সময়ে রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণের কাজ শুরু করেছি। একই সঙ্গে ১৩ জানুয়ারি কয়েকটি পত্রিকায় এ সংক্রান্ত ডিস্ট্রিবিউশন শিডিউল প্রকাশ করেছি। তবে সাপ্তাহিক ছুটি ও বন্ধের কারণে সময় নিচ্ছে। অন্যদিকে আমরা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কাছে কয়েক লাখ রিফান্ড ওয়ারেন্ট ডাটা দিয়েছিলাম; কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকগুলো ওয়ারেন্ট দিতে না পারায় আবার আমাদের কাছে ডাটা ফেরত আসে। এরপর আমরা বিনিয়োগকারীদের হাতে রিফান্ড পৌঁছাতে কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলায় বিতরণ শুরু করেছি। আগামী ১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিতরণ কাজ চলবে।

বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীরা ৫ হাজার টাকায় কোম্পানির লটারিতে আবেদন করে মনে করেন, তারা কোম্পানিকে কিনে নিয়েছে। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, এতো কম সময়ে রিফান্ড ওয়ারেন্টের টাকা ফেরত দেয়া খুবই কঠিন কাজ বলে তিনি মনে করেন।

এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) লটারির ড্র আগামী ১১ জানুয়ারি, রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। কোম্পানির শেয়ার বিভাগের কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।

জানা যায়, এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) ৬০ গুণ টাকা জমা পড়েছে। অর্থাৎ কোম্পানির আইপিওতে ১২ কোটি টাকার বিপরীতে জমা পড়েছে ৭১৯ কোটি ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা মোট টাকার ৫৯.৯২ গুণ। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, কোম্পানিটির আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে মোট ৪৯২ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৫৯ কোটি ৩৪ লাখ ৫ হাজার টাকা, প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২৫ কোটি ২০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১৪১ কোটি ৮১ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। গত ৮ থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ কোম্পানির আইপিওতে আবেদন জমা নেয়া হয়। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। কোম্পানির লটারির ড্র গত ১১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। ৩০ জুন ২০১৩ অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০১ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১১.১০ টাকা। এ প্রতিষ্ঠানের ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং সিগমা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

আইপিও ইনডেক্স চালু করতে যাচ্ছে সিএসই

নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির গতিবিধি পর্যবেক্ষণের লক্ষে শিগগিরই আইপিও ইনডেক্স চালু করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি এ আইপিও ইনডেক্স চালু করা হচ্ছে বলে সিএসই সূত্রে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে সিএসইর সভাপতি আল মারুফ খান গণমাধ্যমকে জানান, বর্তমান সূচকের মাধ্যমে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির পারফরমেন্স পুরোপুরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয় না। কারণ বর্তমান ব্যবহৃত সূচক সব কোম্পানির ভিত্তিতে তৈরি করা। তাই আইপিও ইনডেক্স চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীদের নতুন কোম্পানির গতিবিধি বুঝতে সহজ হবে বলে মনে করেন তিনি।

একই প্রসঙ্গে সিএসইর আরেক কর্মকর্তা জানান, সর্বোচ্চ ২ বছরের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো নিয়ে আইপিও সূচক করা হবে।

জানা যায়, ভারতের ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ (এনএসই) প্রস্তাবিত সূচক চালুর জন্য কাজ করছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইপিওর জন্য পৃথক সূচক চালু হলে বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে। কারণ নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কমতি থাকে না। এছাড়া নতুন কোনো কোম্পানি তালিকাভুক্তির এক বছর পর্যন্ত এর গতিবিধি পর্যবেক্ষণে রাখেন বিনিয়োগকারীরা।

এ ক্ষেত্রে লক্ষণীয়, ৭টি নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির সার্বিক সূচক বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। এতে করে পুরোনো কোম্পানির বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি হলেও তা সূচক দেখে সহজে বোঝা যায় না।

বিনিয়োগকারীরা বলছেন, নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য আলাদা সূচক থাকলে তাদের বিরূপ কোনো পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে না।

শেয়ারনিউজ২৪

মতিন স্পিনিংয়ের আইপিও বাতিলে বিএসইসিতে উকিল নোটিশ

মতিন স্পিনিংয়ের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) বাতিল দাবি করে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) উকিল নোটিশ পাঠিয়েছে বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ। অতিরিক্ত প্রিমিয়াম (অধিমূল্য) নেওয়া এবং বিপুল পরিমাণ ব্যাংক ঋণ থাকায় এ কোম্পানির আইপিও বাতিল দাবি করা হয়েছে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজান-উর-রশীদ চৌধুরীর আইনজীবী রেজিনা মাহমুদ গত ২৬ জানুয়ারি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) একটি উকিল নোটিশ পাঠান। এতে বিভিন্ন ব্যাংকে মতিন স্পিনিংয়ের বিপুল পরিমাণ ঋণ রয়েছে এবং এ ঋণগ্রস্ত কোম্পানি তালিকাভুক্ত হলে পুঁজিবাজার এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ক্ষতির শিকার হবেন বলে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া শেয়ারপ্রতি ২৭ টাকা প্রিমিয়াম নেয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে বিএসইসির কাছে মতিন স্পিনিংয়ের আইপিও বাতিলেরও আবেদন জানানো হয়।

এ প্রসঙ্গে বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজান-উর-রশীদ চৌধুরী বলেন, আমরা গত ২৬ জানুয়ারি মতিন স্পিনিংয়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট করতে গিয়েছিলাম। তবে সেদিনই আইপিও আবেদন শুরু হওয়া এবং আমাদের কিছু প্রস্তুতি বাকি থাকায় রিট করা হয়নি। আশা করছি, আগামী রোববার রিট করবো।

উল্লেখ্য, গত ১০ ডিসেম্বর বিএসইসির ৫০২তম কমিশন সভায় মতিন স্পিনিংয়ের আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। আইপিওর মাধ্যমে মতিন স্পিনিং পুঁজিবাজারে ৩ কোটি ৪১ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১২৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে।

এ কোম্পানির ফেস ভ্যালু ১০ টাকার সঙ্গে ২৭ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭ টাকা। সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি বিদ্যমান প্রকল্পগুলো সম্প্রসারণ ও আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় করবে।

শেয়ারনিউজ২৪

এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিওতে ৩৯ গুণ আবেদন জমা

শেয়ারবাজারে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পাওয়া কোম্পানি এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন পড়েছে ৩৯ গুণ। গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। কোম্পানিটির অভিহিত মূল্যে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। আর কোম্পানিটির আইপিওতে স্থানীয় ও অনাবাসীদের (এনআরবি) থেকে মোট আবেদন পড়েছে ৭৪৮ কোটি ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা। যে হিসাবে ৩৯ গুণের বেশি আবেদন পড়েছে।

ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী কোম্পানি এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তেব বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে ২০১১ সালের জুলাইয়ে।

কোম্পানিটি স্পন্দন ব্র্যান্ড নামে ভোজ্যতেল উৎপাদন ও বিপণন করে। এর চাহিদা কম থাকায় উৎপাদিত পণ্যের অধিকাংশই এসিআই লিমিটেডে সরবরাহ করা হয়। এসিআই এসব পণ্য নিজস্ব ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত করে।

ধানের তুষ থেকে ভোজ্যতেল উৎপাদনের লক্ষ্যে ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

শেয়ারনিউজ

ফার কেমিক্যালের আইপিও অনুমোদন

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও)মাধ্যমে ফার কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডকে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫০৬ তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিশনের নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফার কেমিক্যাল ফেস ভ্যালু ১০ টাকা অনুযায়ী পুঁজিবাজারে ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি মূলধনী যন্ত্রপাতি এবং কোম্পানির কর্মক্ষমতা বাড়াতে ব্যয় করবে।

২০১৩ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ফার কেমিক্যালের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস)৫.০১ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নেট এসেট ভ্যালু(এনএভি)১৫.৫৫ টাকা।

এ কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে ফার্স্ট সিকিউরিটিজ সার্ভিসেস লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ

প্রথম প্রান্তিক মোজাফফর হুসাইন স্পিনিং মিলসের মুনাফা বেড়েছে ২৯%

চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (২০১৩ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর) মোজাফফর হুসাইন স্পিনিং মিলসের মুনাফা বেড়েছে ২৯ শতাংশ। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাওয়া এ কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণে এ তথ্য পাওয়া যায়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল প্রকাশিত এ প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময় হয় ১ কোটি ৮৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৯ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময় হয় ৫৪ পয়সা।
কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ২ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ার ছেড়ে ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে। আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থ ব্যাংকঋণ পরিশোধ ও প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের খরচ খাতে ব্যয় করা হবে। সংগৃহীত অর্থের ৯৫ শতাংশই মেয়াদি ঋণ পরিশোধে ব্যয় করা হবে।
এদিকে আজ থেকে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন শুরু হবে। লেনদেন হবে ‘এন’ ক্যাটাগরিতে। ৭ জানুয়ারি ডিএসইর বোর্ডসভায় কোম্পানিটির তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া হয়। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) পাওয়া শেয়ারহোল্ডারদের বিও হিসাবে শেয়ার জমা দেয়ার পর লেনদেন শুরুর দিন ধার্য করেছে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ।
গত ৫ ডিসেম্বর কোম্পানিটির আইপিও লটারির ড্র হয়। কোম্পানিটির মোট ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার আইপিওর বিপরীতে ৬৭০ কোটি ৩৪ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়ে। এ হিসাবে আবেদন জমা পড়েছে ২৪ গুণ।
বণিক বার্তা

মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে মোজাফ্ফর স্পিনিংয়ের লেনদেন

আগামি ২১ জানুয়ারি মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে শুরু হবে এই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন। এই কোম্পানির জন্য ডিএসই ট্রেডিং কোড “গঐঝগখ” এবং ডিএসই কোম্পানি কোড ১৭৪৫৯। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং মিলস লিমিটেড বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৪৯১তম নিয়মিত কমিশন সভায় আইপিও’র অনুমোদন পায়।

এই কোম্পানি আইপিও থেকে ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা বাজার থেকে সংগ্রহ করে। আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থ মেয়াদী ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় করে।

কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ার আইপিওর মাধ্যমে ছাড়ে।

মোজাফ্ফর হোসাইন স্পিনিংয়ের ৩০ জুন ২০১২ সালের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ার প্রতি আয় ২ দশমিক ৭৮ টাকা। মোট সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১৯ দশমিক ৫৬ টাকা।

ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ

হা-ওয়েলের আইপিও আবেদন শুরু ১৭ ফেব্রুয়ারি

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া হা-ওয়েল টেক্সটাইল (বিডি) লিমিটেডের টাকা সংগ্রহ আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি, সোমবার থেকে শুরু হবে। কোম্পানি সচিব দেবব্রত সাহা শেয়ারনিউজ২৪ডটকমকে এ তথ্য জানান।

জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে টাকা গ্রহণ ১৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হবে ২৩ ফেব্রুয়ারি। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ৪ মার্চ পর্যন্ত।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫০৪তম সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

কোম্পানিটির আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে মেশিনারিজ ও জমি ক্রয়, ভূমি উন্নয়ন, নতুন ফ্যাক্টরি ভবন নির্মাণ, বর্তমান মেশিনারিজ পরিবর্তন এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৬৬ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ২৮.২৫ টাকা।

এ কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং সিটিজেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪