Monthly Archives: December 2013

মতিন স্পিনিংয়ের টাকা সংগ্রহ শুরু ২৬ জানুয়ারি

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া মতিন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের টাকা সংগ্রহ শুরু হবে আগামী ২৬ জানুয়ারি থেকে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, আগামী ২৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে টাকা জমা দেয়া যাবে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

মতিন স্পিনিং মিলস শেয়ারবাজারে ৩ কোটি ৪১ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১২৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা উত্তোলন করবে। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২৭ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৭ টাকা। কোম্পানির ২০০টি শেয়ারে লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমান প্লান্ট (মিলান্স প্রজেক্ট) উন্নয়নে ১২৩ কোটি ২ লাখ ৫৭ হাজার ২৭০ টাকা এবং আইপিও খাতে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৪২ হাজার ৭৩০ টাকা ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৩ অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৯৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ৩৫.৭৩ টাকা।

এ প্রতিষ্ঠানের ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

এএফসি এ্যাগ্রো বায়োটেকে ৪৬ গুন আবেদন জমা

এএফসি এ্যাগ্রো বায়োটেক লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) ৪৬ গুন আবেদন জমা পড়েছে। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, এএফসি এ্যাগ্রো বায়োটেকে ২৪ হাজার আবেদনের বিপরীতে ১১ লাখ ৫ হাজার ২৭২টি আবেদন জমা পড়েছে। যা নিদির্ষ্ট সংখ্যক আবেদনের চেয়ে ৪৬.০৫ গুন। অপর দিকে টাকার অংকে ১২ কোটি টাকার বিপরীতে জমা পড়েছে ৭০২ কোটি ৭৭ লাখ ১০ হাজার ১০ টাকা। যা মোট টাকার ৫৮.৫৬ গুন।

আরো জানা যায়, প্রাথমিক হিসাবে অনুযায়ী কোম্পানিটির আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে মোট ১০ লাখ ৮২ হাজার ৪৭৮টি আবেদন জমা পড়েছে। এ পরিমাণ আবেদনের বিপরীতে জমা পড়েছে ৬৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৪০ হাজার ১০ টাকা। আর এনআরবি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে মোট ২২ হাজার ৭৯৪টি আবেদন জমা পড়েছে। এনআরবি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে টাকার অংকে জমা পড়েছে ১১ কোটি ৩৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

গত ৮ ডিসেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ কোম্পানির আইপিওতে আবেদন জমা নেয়া হয়। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিলো ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এএফসি এ্যাগ্রো বায়োটেক ১২ কোটি টাকা উত্তোলনের লক্ষ্যে শেয়ারবাজারে ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছাড়ে। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। কোম্পানির ৫০০টি শেয়ারে লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়ীক মূলধন হিসাবে ১০ কোটি ৯০ লাখ ৪১ হাজার ৫০০ টাকা এবং আইপিও খাতে ১ কোটি ৯ লাখ ৫৮ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৩ অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০১ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১১.১০ টাকা।

এ প্রতিষ্ঠানের ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে ইমপেরিয়্যাল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং সিগমা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

আইপিও তে বিনিয়োগের কিছু টিপস

আইপিও তে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে অনেক সময় দ্বিধায় থাকি কোন আইপিওতে বিনিয়োগ সঠিক হবে। অনেক আইপিও এর মাঝে সঠিক আইপিও খুঁজে বের করা কঠিন। সঠিক আইপিও নির্ধারণের ব্যাপারে কিছু টিপস দেয়া হল।

১। প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে গবেষণা  :

ইন্টারনেট এর মাধ্যমে অথবা বিভিন্ন ভাবে কোম্পানি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। কোম্পানি এর প্রতিদ্বন্দ্বী,আর্থিক অবস্থা, আগের প্রকাশিত কোন প্রেস রিলিজ এসব সম্পর্কে ধারনা নিতে হবে। গবেষণা করে যদি বুঝতে পারেন কোম্পানির বর্তমান অগ্রগতি আশানুরুপ তাহলে বিনিয়োগ করা উচিত ।

২। ভাল মৌলভিত্তিমুলুক কোম্পানি :

কোম্পানি এর ফ্রী ক্যাশ ফ্লো, নেট অ্যাসেট ভ্যালু, কোম্পানি গ্রোথ সম্পর্কে জানতে হবে। এইসব মৌলভিত্তি যে কোম্পানি এর ভাল সেই সব কোম্পানি নির্বাচন করা তুলনামুলক ভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ ।

৩। প্রসপেক্টাস পড়া উচিত :

সবসময় কোম্পানি এর প্রসপেক্টাস পড়ে দেখা উচিত । হয়তো অনেক সময় কোম্পানি এর বর্তমান অবস্থা আপাতদৃষ্টিতে ভাল না মনে হতে পারে কিন্তু প্রসপেক্টাস পড়ার মাধ্যমে আপনি কোম্পানি এর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা , অগ্রগতি অথবা ঝুঁকি সম্পর্কেও জানতে পারবেন। অতএব একটু সময় নিয়ে প্রসপেক্টাস পড়ে দেখবেন।

৪। লক-আপ শেষ হবার সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করা :

লক-আপ পিরিয়ড হচ্ছে ‘insiders এবং underwriters “ এর মধ্যে একটি চুক্তি যারা স্টকে থাকা শেয়ার বিক্রি নিষিদ্ধ করে। এটা সাধারণত তিন মাস থেকে দুই বছর হতে পারে। যে কোম্পানি লক-আপ এর মেয়াদপূর্ববর্তী শেয়ার স্টকে রাখে বুঝতে হবে সেই কোম্পানি এর ভবিষ্যতে অগ্রগতি ভালো।

তার মানে এটা নয় যে, আমরা আপনাদের বলছি সব কোম্পানি এর আইপিও উপেক্ষা করতে কারন কিছু বিনিয়োগকারী কোম্পানি থেকে পুরস্কৃতও হয় আইপিও মুল্যে স্টক করার জন্য। প্রতি মাসে সফল কোম্পানি এর আইপিও বাজারে আসছে সুতরাং আইপিও তে বিনিয়োগ সাফল্য আনবে আশা করছি।

 

 

 

 

প্রিমিয়ামসহ গণহারে আইপিও অনুমোদন বন্ধের দাবি

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) প্রিমিয়ামসহ গণহারে স্বল্প মূলধনী কোম্পানিকে ইনিশিয়াল পাবলিক অফারের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজারে অনুমোদন দিয়ে যাচ্ছে। আর এসব কোম্পানির আইপিও আবেদন করে ক্ষতির শিকার হচ্ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তাই যারে-তারে বা গণহারে আইপিও অনুমোদন না দেয়ার দাবি জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

বিনিয়োগকারীরা বলেন, কয়েক মাস আগে শেয়ারবাজারে ছিল বেহালদশা। বর্তমান বাজার কিছুটা হলেও স্বাভাবিক আচরণ করছে। তাদের মতে, একটি চক্র ইচ্ছা করেই বাজার লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখছে। যাতে ঊর্ধ্বমুখী বাজার দেখে বিনিয়োগকারীরা নতুন বিনিয়োগে ঝোঁকেন। কিন্তু বিনিয়োগকারীরা ঊর্ধ্বমুখী বাজারের কোনো নাটক দেখতে চান না। তারা বাজারে স্বাভাবিক স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা করেন। এ জন্য ঊর্ধ্বমুখী বাজার ধরে রাখতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বাজারে মৌলভিত্তি কোম্পানির আইপিও বেশি দরকার। যাতে ২০১০ সালের দরপতনে নিঃস্ব বিনিয়োগকারীরা হারানো পুঁজির কিছুটা অংশ হলেও পূরণ করতে পারেন। মৌলভিত্তির কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হলে বাজার আরো চাঙ্গা হবে এমনটাই মনে করেন তারা।

এ প্রসঙ্গে মতিঝিলের অধিকাংশ সিকিউরিটিজ হাউজের মালিকরাও জানান, যারে-তারে প্রিমিয়ামসহ আইপিও অনুমোদন দিলে বাজারের গ্রহণযোগ্যতা থাকে না। বিশেষ করে পতনের বাজারে এসব কোম্পানি অনুমোদন পেলে বাজারে স্থিতিশীলতা আশা করা যায় না। তাই এসব হাউজ মালিকরাও গণহারে আইপিও অনুমোদন না দেয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। তারা বলেন, বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে না আসা পর্যন্ত আইপিও অনুমোদনে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। তাদের মতে, যারে-তারে আইপিও অনুমোদন দেয়ার আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার উচিত কোম্পানি সম্পর্কে সব কিছু যাচাই-বাছাই করা।

একই প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের শিক্ষক আসিফ নজরুল শেয়ারনিউজ২৪কে বলেন, বাজারকে উজ্জীবিত রাখতে নতুন কোম্পানির আইপিও অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে। এ ক্ষেত্রে দুর্বল কোম্পানির আইপিওতে অনুমোদন দেয়া অযৌক্তিক। এ ধরনের কোম্পানির আইপিও অনুমোদন বিনিয়োগ ঝুঁকি বাড়ায় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তার মতে, যেসব কোম্পানি প্রিমিয়ামের যোগ্য নয়, তাদের মাত্রাতিরিক্ত প্রিমিয়ামের সুযোগ দেয়া হলে তা বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। যা এক সময় বিনিয়োগকারীদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ঠেলে দেবে। তাই পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষায় কোনো কোম্পানির আইপিও নিয়ে যাতে কোনো ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সংস্থার নজর রাখা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

শেয়ারনিউজ২৪

হা-ওয়েল এর আইপিও অনুমোদন

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পেয়েছে এইচডব্লিউএ ওয়েল টেক্সটাইলস লিমিটেড। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫০৪তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।তথ্যমতে, এ কোম্পানির ১০ টাকা মূল্যের ২ কোটি শেয়ার প্রথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে ইস্যু করার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত ২০ কোটি টাকা কোম্পানির মেশিনারিজ ক্রয়, জমি ক্রয় ও ভূমি উন্নয়ন, নতুন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং নির্মাণ, বর্তমান মেশিনারিজ পরিবর্তন এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

আরো জানা গেছে, ৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৬৬ টাকা এবং নেট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) ২৮.২৫ টাকা। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বে রয়েছে আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং সিটিজেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

অ্যাপোলো ইস্পাতের প্রথম প্রান্তিকে মুনাফা বেড়েছে

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি অ্যাপোলো ইস্পাতের প্রথম প্রন্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আগের বছরের তুলনায় এ কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৩) কোম্পানির কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৯ কোটি ৮৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৬ পয়সা। আগের বছর একই সময় এর পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৯ কোটি ৬৬ লাখ ৭০ হাজার এবং ৬৪ পয়সা।

উল্লেখ্য, আজ থেকে ‘এন’ ক্যাটাগরির শেয়ার হিসেবে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে এ কোম্পানির লেনদেন শুরু হয়েছে। ডিএসইতে এর ট্রেডিং কোড- APOLOISPAT এবং ডিএসই কোম্পানি কোড- ১৩২৩৩।

শেয়ারনিউজ২৪

The process of investors get involved in ipo.

You are investing in ipo. So, you should know about basic things of ipo then you can invest more effectively. An initial public offering or IPO, is the first sale of stock by a new company, usually a private company trying to go public. An IPO often serves as a way for companies to raise capital for funding current operations and new business opportunities. To get in on an IPO, you will need to find a company that is about to go public. This is done by searching S-1 forms filed with the securities and exchange commission.To participates in an IPO, an investor has to be registered with a brokerage firms. When companies issue IPOs, they notify brokerage firms, which in turn notify investors.

Most brokerage firms require that investors meet some qualifications before they can participate in an IPO. Some brokerage firms might specify that only investors with a certain amount of money in the brokerage accounts or a certain number of transactions can participate in IPOs. If you are qualified to participate in IPOs, the firm will usually have you sign up for IPO notification services, so that you are alerted when there are any new IPOs that meet your investment profile.If you are interested in participating in an IPO, contact a brokerage firm and ask for its requirements.

Source : Investopeadia.

সব বিও হিসাবের তথ্য হালনাগাদ করার সিদ্ধান্ত বিএসইসির

শেয়ারবাজারে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন পদ্ধতি পরিবর্তনের লক্ষ্যে দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে সিডিবিএল (সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড) ডাটাবেজের সব বিও হিসাবের তথ্য হালনাগাদ করার নির্দেশ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার কমিশনের ৫০৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে এ বিও হিসাব হালনাগাদ করার নির্দেশ দেয়া হবে।

শেয়ারবাজারে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন সহজীকরণের বিষয়ে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) একটি প্রস্তাবনা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) জমা দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

গত ১০ ডিসেম্বর বিএমবিএর পক্ষ থেকে বিএসইসিকে আইপিও প্রক্রিয়া সহজীকরণে একটি প্রস্তাব দেয়া হয়। এ প্রস্তাবনায় বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমাতে আইপিও আবেদন ব্রোকারেজ হাউজ বা মার্চেন্ট ব্যাংকের ডিপিতে (ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট) জমা দেয়ার প্রস্তাব করেন তারা। এতে আরো বলা হয়েছিলো, আইপিও আবেদন জমা দেয়ার সময়সীমা ৫ দিন। এ ক্ষেত্রে ডিপির মাধ্যমে আবেদন করলে আইপিও প্রক্রিয়া আরো সহজ হবে। এছাড়া রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণের বিষয়টিও ডিপির মাধ্যমে করার সুপারিশ করা হয়েছে। এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে বিনিয়োগকারীদের লাইনে দাঁড়িয়ে আর আইপিওর জন্য টাকা জমা বা রিফান্ড ওয়ারেন্ট সংগ্রহ করতে হবে না। যার ফলে বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে।

এছাড়া আইপিও অনুমোদনের পর বিএসইসির ওয়েবসাইটে সংক্ষিপ্ত প্রসপেক্টাস প্রকাশের পর ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে আবেদন জমা নেয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করারও প্রস্তাব দেয়া হয়েছিলো। এক্ষেত্রে প্রস্তাব হচ্ছে, এ কার্যক্রম ২৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার সুযোগ দেয়া। পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশীদের (এনআরবি) জন্য স্থানীয় অধিবাসীদের ৫ দিন আগে আবেদন জমা নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। যাতে কাট অব ডেট অভিন্ন থাকে। এতে একই দিনে প্রবাসী ও স্থানীয় অধিবাসীদের আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ হবে। ফলে আইপিও লটারির কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যাবে। এ প্রক্রিয়ায় টাকা বেশি দিন পড়ে থাকবে না। যার কারণে ২৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে সেকেন্ডারি মার্কেটে যে কোনো কোম্পানির লেনদেন চালু করা সম্ভব হবে।

এর আগে গত ২ ডিসেম্বর আইপিও প্রক্রিয়া সহজীকরণে বিএসইসির সঙ্গে বিএমবিএর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এ বিষয়ে কমিশনের কাছে সংশ্লিষ্টদের লিখিত আকারে প্রস্তাব দিতে বলা হলে আজ এ প্রস্তাবটি জমা দেয়া হয়েছে।

শেয়ারনিউজ২৪