Monthly Archives: November 2013

প্রিমিয়াম ৩৯৮ কোটি টাকা ১০ মাসে ১২ প্রতিষ্ঠানের আইপিও অনুমোদন

শেয়ারবাজারে চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ১২ প্রতিষ্ঠানকে ইনিশিয়াল পাবলিক অফারের (আইপিও) মাধ্যমে ৮৩০ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে। তবে এ পরিমাণ টাকার মধ্যে প্রিমিয়াম বাবদ রয়েছে ৩৯৮ কোটি টাকা। বিএসইসি ও ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, চলতি বছরে জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১০ কোম্পানি ও দুই মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে অভিহিত মূল্যের সাথে প্রিমিয়ামসহ ৮৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বাজার থেকে সংগ্রহের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো- ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, বেঙ্গল উইন্ডসোর থার্মোপ্লাস্টিক লিমিটেড, সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ফ্যামিলিটেক্স বিডি লিমিটেড, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড, আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড, মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং মিলস লিমিটেড ও এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেড।

ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড শেয়ারবাজারে ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।
বেঙ্গল উইন্ডসোর থার্মোপ্লাস্টিক লিমিটেড ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে অভিহিত মূল্যের সাথে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে প্রিমিয়াম ছাড়াই ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

ফ্যামিলিটেক্স বিডি লিমিটেড ৩ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে অভিহিত মূল্যে ৩৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ৪ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড কোনো প্রিমিয়াম ছাড়াই ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ৫ কোটি ইউনিট ছেড়ে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ৫ কোটি ইউনিট ছেড়ে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ১৮ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৮৪ কোটি সংগ্রহ করে।

অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড বাজারে ১০ কোটি শেয়ার ছেড়ে অভিহিত মূল্যের সাথে ১২ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে।

মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং মিলস লিমিটেড সম্প্রতি ২ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ার ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যে চাঁদা আদায় শুরু করেছে। দেশীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।

এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেডকে বাজারে ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আগামী ৮ থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চাঁদা আদায় প্রক্রিয়া শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারকে উজ্জীবিত রাখতে নতুন কোম্পানির আইপিও অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু যেসব কোম্পানির নাম অনেকেই জানে না তাদের প্রিমিয়ামসহ অনুমোদন দেয়া হলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। আবার যেসব কোম্পানি প্রিমিয়ামের যোগ্য নয়, তাদের মাত্রাতিরিক্ত প্রিমিয়াম দেয়া হলে তা বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যা এক সময় বিনিয়োগকারীদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ঠেলে দেয়। যদিও দায়ভার নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে নিতে হয় না। তাই বাজার এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষায় কোনো কোম্পানির আইপিও নিয়ে কোনো ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক না হয়, সেদিকে নজর রাখা উচিত।

শেয়ারনিউজ২৪

বিএসইসির অবিবেচক সিদ্ধান্ত আইপিও আবেদনে ব্যর্থ অনেক বিনিয়োগকারী

একই দিনে পড়েছে এক কোম্পানির আইপিও লটারির ড্র এবং আরেক কোম্পানির আইপিও আবেদন জমার শেষ তারিখ। এতে নিশ্চিতভাবে একটি কোম্পানির আইপিও থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছে কিছু শেয়ারহোল্ডার। এমনকি কোনো কোনো শেয়ারহোল্ডারের দ্বিতীয় কোম্পানির আইপিওতে আবেদনের সুযোগই পাননি। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অবিবেচক সিদ্ধান্তের কারণে এমনটিই ঘটেছে বলে অভিযোগ বিনিয়োগকারীদের। তাই আইপিও আবেদনের সময় নির্ধারণে বিএসইসিকে আরো আন্তরিক হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।
তাদের অভিযোগ, গত ৭ নভেম্বর অ্যাপোলো ইস্পাতের আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কোম্পানির লটারিতে যারা বিজয়ী হতে পারেননি, তারা একসঙ্গে দুটি কোম্পানির আইপিও থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। কারণ আরেক কোম্পানি মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং মিলসের আবেদনের সময়ও শেষ হয়েছে ৭ নভেম্বর। তাই ইচ্ছে থাকলেও যথেষ্ট অর্থের অভাবে অনেক বিনিয়োগকারী আবেদন করতে পারেননি মোজাফফর হোসাইন স্পিনিংয়ের আইপিওতে। কারণ একটি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে তা ফেরত পাওয়ার আগেই আরেক কোম্পানিতে আবেদনের সময় পার হয়ে গেছে। পাশাপাশি যারা অ্যাপোলো ইস্পাতের আইপিও বিজয়ী হয়েছেন, তাদের মধ্যেও অনেকে মোজাফফর হোসাইন স্পিনিংয়ের আইপিওতে আইপিওতে আবেদন করতে সমর্থ হননি।
এ প্রসঙ্গে ন্যাশনাল ব্যাংককে আইপিও জমা দিতে আসা সেলিম বলেন, তার চারটি বিও অ্যাকাউন্ট থাকলেও সে জমা দিচ্ছে ২টি। কারণ তার হাতে টাকা নেই। সে অন্য সবার মতো ২০১০-এর ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই এখন তার কাছে ৫-১০ হাজার টাকা অনেক কিছু। তাছাড়া শেয়ারবাজার লোকসানে থাকায় এখন কেউ এ ব্যবসায় টাকাও ধার দিতে চায় না। দুটি আইপিওর মাঝখানে যদি উল্লেখযোগ্য ব্যবধান থাকতো, তাহলে আমরা মোজাফফর স্পিনিংয়ে আইপিও আবেদন করতে পারতাম।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের কথা বিবেচনা করে আগামীতে আইপিও আবেদনের তারিখ নির্ধারণে যথেষ্ট মনোযোগের প্রয়োজন রয়েছে। কারণ ধসের পরে আন্ডার সাবস্ক্রাইবের মতো ঘটনা ঘটেছিল কয়েকটি কোম্পানির সঙ্গে। এ ধরনের ঘটনা সাধারণ বিনিয়োগকারী এবং আইপিওতে আসা কোম্পানি উভয়ের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে, যা আইপিও বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই দুটি কোম্পানির আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের যথেষ্ট সময় দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।

শেয়ারনিউজ২৪

অ্যাপোলো ইস্পাত কিছুক্ষণের মধ্যে লটারির ফলাফল প্রকাশ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) প্রক্রিয়া শেষে অ্যাপোলো ইস্পাতের লটারির ড্র শেষ হয়েছে। আজ সকাল ১০টায়, রাজধানীর রমনাতে অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনষ্টিটিউটে এ লটারির অনুষ্ঠিত হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে শেয়ারনিউজ২৪.কম এর বিশেষ উদ্যোগে লটারির ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

অ্যাপোলো ইস্পাতের আইপিওতে মোট ২.২৭ গুন আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২.৯ গুন, ক্ষতিগ্রস্ত সবাই এক লট করে পাবে (মাল্টিপাল অ্যাপ্লাইয়ার ২.২ গুন), প্রবাসি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১.৫ গুন, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে ১.৩ গুন আবেদন জমা পড়েছে।

অ্যাপোলো ইস্পাত আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ২২০ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য ১০ কোটি শেয়ার ছেড়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর সঙ্গে ১২ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২২ টাকা। এ প্রতিষ্ঠানটির ২০০টি শেয়ারে লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৬ অক্টোবর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করা হয়। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত।

আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৩৬ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ২২.৫৯ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

অ্যাপোলো ইস্পাতের লটারির ড্র চলছে

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ শেষে অ্যাপোলো ইস্পাতের লটারির ড্র আজ সকাল ১০টায়, রাজধানীর রমনাতে অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনষ্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অ্যাপোলো ইস্পাতের আইপিওতে মোট ২.২৭ গুন আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২.৯ গুন, ক্ষতিগ্রস্ত সবাই এক লট করে পাবে (মাল্টিপাল অ্যাপ্লাইয়ার ২.২ গুন), প্রবাসি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১.৫ গুন, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে ১.৩ গুন আবেদন জমা পড়েছে।

অ্যাপোলো ইস্পাত আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ২২০ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য ১০ কোটি শেয়ার ছেড়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর সঙ্গে ১২ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২২ টাকা। এ প্রতিষ্ঠানটির ২০০টি শেয়ারে লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৬ অক্টোবর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করা হয়। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত।

আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৩৬ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ২২.৫৯ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

অ্যাপোলো ইস্পাতের লটারি বৃহস্পতিবার

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ শেষে আগামী ৭ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার অ্যাপোলো ইস্পাতের লটারি অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বস্ত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ওই দিন সকাল ১০টায়, রাজধানীর রমনাতে অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনষ্টিটিউটে এ লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হবে।

অ্যাপোলো ইস্পাতের আইপিওতে মোট ২.২৭ গুন আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২.৯ গুন, ক্ষতিগ্রস্ত সবাই এক লট করে পাবে (মাল্টিপাল অ্যাপ্লাইয়ার ২.২ গুন), প্রবাসি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১.৫ গুন, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে ১.৩ গুন আবেদন জমা পড়েছে।

অ্যাপোলো ইস্পাত আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ২২০ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য ১০ কোটি শেয়ার ছেড়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর সঙ্গে ১২ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২২ টাকা। এ প্রতিষ্ঠানটির ২০০টি শেয়ারে লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৬ অক্টোবর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করা হয়। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত।

আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৩৬ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ২২.৫৯ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

আইপিও আবেদন জমার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোতে নানা দুর্ভোগ

শেয়ারবাজারে বিভিন্ন কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন জমা দিতে নানা দুর্ভোগের শিকার হন বিনিয়োগকারীরা। এ আবেদন জমার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের ন্যূনতম সেবা দিতে যেন ব্যাংকগুলোর আপত্তি। অনেক ক্ষেত্রেই তারা এটাকে উটকো ঝামেলা মনে করে। আইপিও আবেদন জমা গ্রহণকারী ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগই করেন ভুক্তভোগী বিনিয়োগকারীরা। তাই এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পদক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।বিনিয়োগকারীরা বলেন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের শেয়ারবাজারের প্রাণ বলা হলেও ব্যাংক সেবার ক্ষেত্রে তারা নানাভাবে অবহেলিত। এর প্রমাণ মিলে যখন তারা কোনো কোম্পানির আইপিও আবেদন জমা দিতে যান। এ সময় লক্ষ করা যায়, ব্যাংকের বাইরে বিশাল লাইন। বাইরে থেকে দেখে মনে হবে ব্যাংকের ভেতর স্থান সংকুলান না হওয়ায় এ লাইন বাহির পর্যন্ত এসে দীর্ঘ হয়েছে। ব্যাপারটি তা নয়, আসল ঘটনা হচ্ছে, এসব বিনিয়োগকারীর স্বাভাবিকভাবে ভেতরে দাঁড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। ব্যাংকের নিয়ম মেনে ৩ থেকে ৫ জন ভেতরে যাবে, তারা না আসা পর্যন্ত বাকিরা ঠাঁয় বাইরে দাঁড়িয়ে থাকবে। এ বিষয়ে ব্যাংকের কাছে জানতে চাইলে বলা হয়, আইপিও আবেদন জমাকারীরা ভেতরে লাইন দিলে নাকি ব্যাংকের সমস্যা হয়। ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের প্রতি তারা শোভনীয় আচরণ করলেও আইপিও আবেদন জমাকারীদের তারা উটকো ঝামেলার চোখেই দেখে। এসব ব্যাংকের কর্মকর্তারা কি জানে না যে, এসব আইপিও আবেদনকারীদের অনেকেই কোনো না কোনো ব্যাংকের ভ্যালুয়েবল অ্যাকাউন্ট হোল্ডার। এরা ভিন্ন কোনো গ্রহের লোকজন নয়।এ প্রসঙ্গে কথা হলো মতিঝিল আইএফআইসি ব্যাংকে আইপিও আবেদন জমা দিতে আসা ভুক্তভোগী মাসুদের সাথে। দীর্ঘ এক ঘণ্টা ধরে রোদে দাঁড়িয়ে থেকে ঘেমে গেছে। মাসুদ জানায়, আমরা মাত্র ২০-৩০ জন লোক তেজি রোদে দাঁড়িয়ে আছি। ১৫-২০ মিনিট পর পর ৫ জন করে লোক ভেতরে যাওয়ার সুযোগ দেয়। অথচ ভেতরে প্রচুর ফাঁকা জায়গা থাকলেও আমাদের শরীর ঝলসানো রোদে দাঁড়িয়ে থেকে আইপিও আবেদন জমা দিতে হবে। দেখছেন তো ব্যাংকের কর্তাব্যক্তিরা কী অমানবিক, তারা এয়ারকুলারে শরীর হেলিয়ে দিলেও আমাদের কড়া রোদে দাঁড় করিয়ে রেখেছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। বাইরে থাকা মাত্র কয়েকজন লোক ভেতরে দাঁড়ালেও কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয় বলে আমরা মনে করি।

এদিকে আইপিও আবেদন জমা দিতে আসা একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নোমানের সাথে কথা হলো। তিনি অভিযোগ করেন, আইপিও আবেদন জমার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো নানা শর্ত জুড়ে দেয় যেমন- একসাথে ৫ বা ১০টির বেশি আবেদনপত্র জমা দেয়া যাবে না। আবার অনেক ব্যাংকে ১০০ টাকার নোট জমা নেয়া হয় না। আইপিওতে উল্লিখিত অর্থ ভাংতি করে নিয়ে আসতে হবে।

আইসিবির বিপরীতে টাকা জমা দিতে আসা নাদিয়া আক্ষেপের সুরে বলেন, আমরা আধুনিক যুগে বাস করছি। যখন পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের কথা শুনছি ও ছবি দেখছি, সে সময় কিনা আমরা আইপিও আবেদনের টাকা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে জমা দিচ্ছি। যে যুগে আমরা পানি, বিদ্যুৎ বিল দেয়া ছাড়াও কেনাকাটা করতে পারছি ইন্টারনেটের মাধ্যমে আর সে সময় আইপিও জমা দিচ্ছি তীব্র রোদে লাইনে দাঁড়িয়ে। বিএসইসির উচিত এ ব্যবস্থার দ্রুত আধুনিকায়ন করা।

বিনিয়োগকারীদের দাবি, আইপিও আবেদন জমার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর হয়রানি দূরীকরণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

শেয়ারনিউজ২৪

মাসের ব্যবধানে বিও বেড়েছে ৪৫ হাজার

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবকে (আইপিও) কেন্দ্র করে অক্টোবর মাসে প্রায় ৪৫ হাজার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট (বিও) বেড়েছে। আইপিওর পাশাপাশি বর্তমানে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় বাজারে শেয়ার দর তলানিতে চলে আসার এ সুযোগ কাজে লাগাতে অনেকে বিও অ্যাকাউন্ট খুলছেন বলে জানা গেছে।

অক্টোবরের শুরুতে বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ২৬ লাখ ৭৪ হাজার ৮২৯টি, যা নভেম্বর মাসের ৩ তারিখে এসে ৪৪ হাজার ৭৭৩টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখ ১৯ হাজার ৬০২টি।

মোট ২৭ লাখ ১৯ হাজার ৬০২টি বিও অ্যাকাউন্টের মধ্যে ২০ লাখ ১৬ হাজার ১০২টি পুরুষ, ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৮৬৭টি নারী এবং ৯ হাজার ৬৩৩টি কোম্পানি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। বর্তমানে দেশে থাকা নাগরিকদের বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ২৫ লাখ ৬৯ হাজার ৮৫৯টি এবং প্রবাসীদের (এনআরবি) ১ লাখ ৪০ হাজার ১১০টি।

জুলাই মাসে নবায়নকে কেন্দ্র করে একসাথে অনেক বিও ঝরে পড়লেও এখন পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়া বর্তমানে যে হারে বিনিয়োগকারীরা বিও অ্যাকাউন্ট খুলছেন, তাতে করে ঝরেপড়ার চেয়ে নতুন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা অনেকাংশে বেশি হবে জানা গেছে।

বাজারের নেতিবাচকতা ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় বর্তমানে অনেক কোম্পানির শেয়ার দর তুলনামূলক তলানিতে। তাছাড়া সামনে যদি রাজনৈতিক পরিবেশ আরো খারাপ হয়, তাহলে শেয়ার দরে আরো পতন হবে বলে অনেকে বিশ্বাস করেন। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মুনাফা উত্তোলনের আশায় অনেকে বিও খুলতে শুরু করেছেন।

শেয়ারনিউজ২৪

আজ থেকে মোজাফ্ফর স্পিনিংয়ের টাকা সংগ্রহ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া মোজাফ্ফর হোসাইন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের টাকা সংগ্রহ শুরু হবে আজ রোববার থেকে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, আগামীকাল ৩ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে টাকা জমা দেয়া যাবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে আগামী ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত।
মোজাফ্ফর হোসাইন স্পিনিং মিলস পুঁজিবাজারে ২ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ার ছেড়ে ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। আর মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০টি শেয়ারে।
আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি মেয়াদি ঋণ পরিশোধ ২৬ কোটি ১৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা এবং আইপিও খাতে ১৩ কোটি ৫০ লাখ ৫ হাজর টাকা ব্যয় করবে।
৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী মোজাফ্ফর হোসাইন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২.৭৮ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৯.৫৬ টাকা।
প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪