Monthly Archives: November 2013

প্রিমিয়ামবিহীন আইপিও অনুমোদন বিনিয়োগকারীদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবকে (আইপিও) শেয়ারবাজারের প্রথম সোপান হিসেবে গণ্য করা হয়। কারণ বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী আইপিওর মাধ্যমে এ বাজারে প্রবেশ করে। তাই এক্ষেত্রে আইপিওর গুরুত্ব অপরিসীম। আর এ আইপিওর অনুমোদন দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সংস্থাটি বর্তমানে প্রিমিয়ামবিহীন আইপিও অনুমোদনে সক্রিয় হলেও কোম্পানি বাছাইয়ে তেমন যত্নশীল নয় এমন অভিযোগ উঠেছে বাজার সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। তাই এসব কোম্পানি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা গেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, প্রিমিয়ামবিহীন আইপিওকে বিএসইসি প্রাধান্য দিলেও এতে মৌলভিত্তির কোম্পানি তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তাই এ প্রক্রিয়াকে নানা মহল সাধুবাদ জানালেও বিপক্ষে মত দিয়েছে বাজার বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীরা।
জানা যায়, শেয়ারবাজারে সর্বশেষ ১১টি কোম্পানির আইপিওর মধ্যে মাত্র দুটি ছিল প্রিমিয়ামসহ। কোম্পানি দুটি হলো- অ্যাপোলো ইস্পাত ও প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল। বাকি ৯টি প্রিমিয়ামবিহীন কোম্পানি হচ্ছে- আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফ্যামিলিটেক্স (বিডি) লিমিটেড, সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যাল, এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম লিমিটেড, মোফাজ্জল হোসাইন স্পিনিং মিলস লিমিটেড, এএফসি এগ্রোবায়োটেক লিমিটেড এবং এমারেল্ড অয়েল।
নাদিয়া রশিদ নামে এক বিনিয়োগকারী বলেন, প্রিমিয়ামবিহীন আইপিও অনুমোদন বাজারের জন্য ভালো সংবাদ। এতে আইপিও বিজয়ীদের মুনাফার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। অন্যদিকে লোকসান নেই বললেই চলে। কিন্তু এ সুযোগে যেন কোনো দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানি বাজার থেকে টাকা তুলতে না পারে, সে বিষয়ে বিএসইসিকে সতর্ক থাকতে হবে। কেননা দুর্বল কোম্পানিগুলো সুযোগ পেলে বাজারের স্বার্থের পরিবর্তে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

আরেক বিনিয়োগকারী দীপক বসাক বলেন, প্রিমিয়াম ছাড়া কোম্পানিগুলো সাধারণত দুর্বল মৌলভিত্তির হয়ে থাকে। ফলে কোনো মতে একবার বাজারে আসার সুযোগ পেলে ডিভিডেন্ড ও সিকিউরিটিজ আইন পালন না করায় ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরিত হয়। তাই বলে প্রিমিয়াম নেয়া কোম্পানিকেও খারাপ ভাবার অবকাশ নেই। তবে বাজারের উন্নয়নে মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলো যদি প্রিমিয়াম ছাড়া বাজারে আসে, তাহলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সন্তোষজনক সাড়া মিলে। বাজারের ভিত মজবুত করতে এসব ভালো কোম্পানির আইপিও অনুমোদনের বিকল্প নেই।
বিনিয়োগকারী মিজান বলেন, প্রিমিয়াম নিয়ে হলেও মৌলভিত্তির বড় কোম্পানিগুলোকে আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত। কারণ এসব কোম্পানির শেয়ার অতিমূল্যায়িত হওয়ার সুযোগ থাকে কম। তাছাড়া এসব কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করলেও পুঁজি থাকে ঝুঁকিমুক্ত। যার ফলে লোকসানের ধকল থেকে সহজেই রক্ষা পাওয়া যায়। তবে এক্ষেত্রেও দুয়েকটি কোম্পানির ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটাও অস্বাভাবিক নয় বলে তিনি মনে করেন।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রিমিয়ামবিহীন আইপিওতেও অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়ে যেতে পারে, যেমনটি হয়েছিল ১৯৯৬ সালে। যার ফলে সার্বিক বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ওই সময় তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানি ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে স্থানান্তরিত হয়ে এখনো অতিস্ত সংকটে ভুগছে। তাই আইপিও অনুমোদনের আগে বিএসইসি সার্বিক বিষয় বিবেচনায় রাখলে বিনিয়োগকারী বা বাজার ক্ষতির কবল থেকে রক্ষা পেতে পারে সহজেই। এ জন্য আইপিও অনুমোদনে নিয়ন্ত্রক সংস্থার আরো বেশি সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত বলে মনে করছেন তারা।

শেয়ারনিউজ২৪

এএফসি এগ্রোর টাকা সংগ্রহ শুরু ৮ ডিসেম্বর

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া এএফসি এ্গ্রোবায়োটেক লিমিটেডের টাকা সংগ্রহ শুরু হবে আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে টাকা জমা দেয়া যাবে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে আগামী ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এএফসি এ্গ্রোবায়োটেক শেয়ারবাজারে ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। কোম্পানির ৫০০টি শেয়ারে লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়িক মূলধন হিসেবে ১০ কোটি ৯০ লাখ ৪১ হাজার ৫০০ টাকা এবং আইপিও খাতে ১ কোটি ৯ লাখ ৫৮ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৩ অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০১ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১১.১০ টাকা।

এ প্রতিষ্ঠানের ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং সিগমা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

মোজাফফর স্পিনিংয়ের আইপিও লটারি ৫ ডিসেম্বর

 

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ শেষে আগামী ৫ ডিসেম্বর মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টায়, রাজধানীর রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে এ ড্র অনুষ্ঠিত হবে।

মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং মিলস লিমিটেডে আইপিওতে ৫৫ হাজার আবেদনের বিপরীতে ১২ লাখ ৬৪ হাজার ১৯০টি আবেদন জমা পড়েছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ২২.৯৮ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার বিপরীতে ৬৭০ কোটি ৩৩ লাখ ৯ হাজার ৯৯০ টাকা জমা পড়েছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ২৪.৩৭ গুণ টাকা জমা পড়েছে।

কোম্পানিটির আইপিওতে এনআরবি কোটায় জমা পড়েছে ১১ কোটি ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৯৪৫ টাকা আর আবেদন জমা পড়েছে ২১ হাজার ৬৭০টি।

এর আগে কোম্পানিটির আইপিওতে গত ৩ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত টাকা জমা নেয়া হয়। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত।

মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং মিলস পুঁজিবাজার থেকে ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহের জন্য ২ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ার ছেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। আর মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০টি শেয়ারে।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি মেয়াদি ঋণ পরিশোধে ২৬ কোটি ১৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা এবং আইপিও খাতে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫ হাজার টাকা ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২.৭৮ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৯.৫৬ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

এমারেল্ড অয়েলের আইপিও অনুমোদন

এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।বিএসইসির ৫০০তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, আইপিওর মাধ্যমে এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড শেয়ারবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ জন্য কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত টাকা মেয়াদি ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৩ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এমারেল্ড অয়েলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৮৫ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৪.০৬ টাকা।

এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল প্রথম দিনে দর বেড়েছে সাড়ে ৬৩ শতাংশ

তালিকাভুক্তির পরলেনদেনের প্রথম দিনে বস্ত্র খাতের প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার দর বেড়েছে ১৭.৮০ টাকা বা ৬৩.৫৭ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের শেয়ারের দর প্রথম দিনে ১৭.৮০ টাকা বেড়ে দাড়িয়েছে ৪৫.৬০ টাকা। কোম্পানিটির লেনদেন শুরু হয় ২৮ টাকা দিয়ে। এ কোম্পানিটির শেয়ার দর প্রথম দিনে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৪৪ টাকায় লেনদেন হয়। প্রথম দিনে ৩৫ কোটি ৭৯ লাখ টাকায় প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ৭৮ লাখ ৪৩ হাজার শেয়ার ২৬ হাজার ৬৮০ বার হাত বদল হয়েছে।প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৩ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিলো ০.৭৫ টাকা। অর্থাৎ তৃতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির আয় কমেছে ০.০২ টাকা বা ২.৬৬ শতাংশ। এদিকে তৃতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। আর ৩১ মার্চ ২০১৩ (জুলাই’১২-মার্চ’১৩) নয় মাস শেষে কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১২ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.২৮ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিলো যথাক্রমে ১৩ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ২.৪৫ টাকা।

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন যথাক্রমে ২০০ কোটি টাকা এবং ৮৫ কোটি ১০ লাখ টাকা। শেয়ারের ফেস ভ্যালু ১০ টাকা এবং মার্কেট লট ২৫০টি শেয়ারে। প্রতিষ্ঠানটির মোট ৮ কোটি ৫১ লাখ ২৫ হাজার শেয়ারের মধ্যে পরিচালনা পর্ষদের কাছে ৬৪.৭৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩.৫২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩১.৭২ শতাংশ শেয়ার।

শেয়ারনিউজ২৪

আজ থেকে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের লেনদেন

প্রাথমিক গণ প্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া শেষে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেডের শেয়ার লেনদেনউভয় স্টক স্টক্সচেঞ্জে আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে।
প্যরামাউন্ট টেক্সটাইলের লেনদেন ‘এন’ ক্যাটাগরিতে হবে। প্রতিষ্ঠানটির ট্রেডিং কোড হলো: “PTL” এবং কোম্পানি কোড হলো: ১৭৪৫৮।
এর আগে গত ৩ অক্টোবর প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে মোট ১০.৩৫ গুন আবেদন জমা পড়ে। প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১২ গুন, প্রবাসি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪ গুন, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪ গুন এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের বিনিয়োগকারীদের কাছে থেকে ১৯.৫৫ গুন আবেদন জমা পড়ে।
প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে মোট ১ লাখ ২০ হাজার আবেদনের বিপরীতে ১২ লাখ ৪২ হাজার আবেদন জমা পড়ে। আর টাকার অংকে ৮৪ কোটি টাকার বিপরীতে মোট জমা পড়ে ৮৬৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
উল্লেখ্য, গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করা হয়। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিলো ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড শেয়ারবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে মোট ৮৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ টাকা। অর্থাৎ প্রতিটি ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর শেয়ারে ১৮ টাকা প্রিমিয়াম নেবে কোম্পানিটি। এছাড়া মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০টি শেয়ারে।
৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থ বছরের হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৪৭ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৮.৩১ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

মোজাফফর স্পিনিংয়ে ২২ গুণ আবেদন জমা

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং মিলস লিমিটেডে ২২.৯৮ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, কোম্পানিটির আইপিওতে ৫৫ হাজার আবেদনের বিপরীতে ১২ লাখ ৬৪ হাজার ১৯০টি আবেদন জমা পড়েছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ২২.৯৮ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার বিপরীতে ৬৭০ কোটি ৩৩ লাখ ৯ হাজার ৯৯০ টাকা জমা পড়েছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ২৪.৩৭ গুণ টাকা জমা পড়েছে। কোম্পানিটির আইপিওতে এনআরবি কোটায় জমা পড়েছে ১১ কোটি ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৯৪৫ টাকা আর আবেদন জমা পড়েছে ২১ হাজার ৬৭০টি। এর আগে কোম্পানিটির আইপিওতে গত ৩ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত টাকা জমা নেয়া হয়। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত। মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং মিলস পুঁজিবাজার থেকে ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহের জন্য ২ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ার ছেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। আর মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০টি শেয়ারে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি মেয়াদি ঋণ পরিশোধ ২৬ কোটি ১৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা এবং আইপিও খাতে ১৩ কোটি ৫০ লাখ ৫ হাজার টাকা ব্যয় করবে। ৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোজাফফর হোসাইন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২.৭৮ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৯.৫৬ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড।
শেয়ারনিউজ২৪

আইপিও আবেদন ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে হওয়া উচিত

শেয়ারবাজারের গতিশীলতার স্বার্থে ইনিশিয়াল পাবলিক অফার (আইপিও) আবেদন প্রক্রিয়া ব্রোকারেজ হাউজের ডিপির মাধ্যমে হওয়া উচিত বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বর্তমানে বিনিয়োগকারীরা যে নিয়মে আইপিওতে আবেদন করছেন এবং লটারিতে যারা বিজয়ী হতে পারছেন না, তাদের রিফান্ড ওয়ারেন্ট ফিরে পেতে নানা ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া উচিত বলেও তারা মনে করছেন।সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি কোম্পানির আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন তারা।

আইপিও আবেদনকারী একাধিক বিনিয়োগকারী অভিযোগে জানান, সাম্প্রতিককালে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, জেনারেশন নেক্সট ও এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেডের আইপিও আবেদনের পর রিফান্ড ওয়ারেন্টের অর্থ ফিরে পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। বিশেষ করে রিফান্ড ওয়ারেন্টের নির্ধারিত সময় পরেও অনেক বিনিয়োগকারী ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে টাকার সন্ধান পাননি। তাদের অভিযোগ, এ ক্ষেত্রে ব্যাংক থেকে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়। অন্যদিকে কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করলে বলা হয়, আমরা ব্যাংকে এ অর্থ জমা দিয়েছি। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংক অজুহাত দেখিয়ে বলে আবেদনের সিরিয়াল আসতে সময় লাগছে। এ ধরনের কর্মকা-ে বিনিয়োগকারীরা অতিষ্ঠ। তাই এসব ভোগান্তি দূর করতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) স্বচ্ছ ও দ্রুত রিফান্ড ওয়ারেন্ট ফিরে পেতে উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানান বিনিয়োগকারীরা।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) একাধিক নেতা শেয়ারনিউজ২৪ডটকমকে জানান, শেয়ারবাজারে নতুন কোম্পানির আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজের ডিপির মাধ্যমে হওয়া উচিত বলে মনে করেন। কারণ এতে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীরা সহজেই তাদের রিফান্ড ওয়ারেন্টের অর্থ ফিরে পেতে পারেন। সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজ যে ব্যাংকের শাখায় অর্থ জমা দেবে এরপর লটারিতে যারা বিজয়ী না হবে, তাদের অর্থ ওই ব্যাংক থেকে ব্রোকারেজ হাউজের নির্দিষ্ট একটি আইডির মাধ্যমে ফেরত আসবে। এরপর ওই হাউজ থেকে বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে মার্চেন্ট ব্যাংকের পক্ষ থেকেও ব্রোকারেজ হাউজের ডিপির মাধ্যমে আবেদন করার বিষয়টি মৌখিক প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল বিএসইসিতে।

এ বিষয়ে সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল সার্ভিসেস লিমিটেডের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বিনিয়োগকারীরা সহজে যাতে তাদের রিফান্ড ওয়ারেন্টের অর্থ ফিরে পান, সেজন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া উচিত। একই সঙ্গে আইপিওর সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো যথাসময়ে বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরতের বিষয়ে বিএসইসির নজর রাখা উচিত বলে তিনি মনে করেন।

একাধিক বাজার বিশ্লেষক বলছেন, বাজারে যখন কোনো কোম্পানির নতুন আইপিও আসে, তখন প্রাইমারি মার্কেটের চেয়ে সেকেন্ডারি মার্কেটের বিনিয়োগকারীরা বেশি অংশগ্রহণ করে থাকে। এতে ব্যাংকগুলোর কাছে আড়াই মাস তাদের জমা পড়ে থাকে। এরপর যারা আইপিও লটারিতে বিজয়ী হতে পারেন না, তাদের অর্থ নির্ধারিত সময়ে ফিরে পেতে অনেক চিন্তাগ্রস্ত হতে হয়। তাই বিনিয়োগকারীদের বাড়তি ঝামেলা থেকে বের হয়ে আসতে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হবে।

এ প্রসঙ্গে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বাজারে নতুন কোম্পানির আইপিও আবেদন ও বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে হওয়া উচিত। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কোম্পানির আইপিওতে আবেদনকারীর অর্থ সাথে সাথে জমা না নিয়ে যদি বিজয়ী হওয়ার পর নেয়া হয়, তবে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। কারণ যারা বিজয়ী হতে পারবেন না, তাদের অর্থ ব্যাংকে আটকে থাকছে না, আবার যারা বিজয়ী হবেন তারা সংশ্লিষ্ট হাউজে নির্ধারিত অর্থ জমা দিয়ে শেয়ার তাদের হিসাবে নেবে। বিশ্বের অন্য দেশের শেয়ারবাজারগুলোতে ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে এ ধরনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। কিন্তু আমাদের দেশে এ প্রক্রিয়া ভিন্নভাবে চলছে। বিনিয়োগকারীরা যদি ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ জমা দেন, তবে বেশ কয়েক মাস বাজার থেকে সংগৃহীত টাকা ব্যাংকে আটকে থাকলে প্রাপ্ত টাকা থেকে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এবং ব্যাংক উভয়ই লাভবান হয়। অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হন শুধু বিনিয়োগকারীরা।

শেয়ারনিউজ২৪

নতুন আইপিও নয় ওটিসির কোম্পানিগুলোকে মূল মার্কেটে ফেরানোর দাবি

শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতার ভিত শক্তিশালীকরণে আর নতুন কোনো আইপিও অনুমোদন না দিয়ে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে থাকা কোম্পানিগুলোকে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ। এ লক্ষে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানায় সংগঠনটি।সংগঠনের সভাপতি মিজানুর রশিদ চৌধুরী শেয়ারনিউজ২৪ডটকমকে বলেন, বর্তমান দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বাজারে শেয়ার সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্যতা থাকার বিষয়টি বিএসইসির বিবেচনা করা উচিত। কারণ নতুন কোনো আইপিও অনুমোদন দেয়া হলে বাজারের অধিকাংশ শেয়ার কোম্পানির সংশ্লিষ্টদের কাছে চলে যায়। ফলে এসব কোম্পানির সংশ্লিষ্টরা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের নামে ব্যাংকঋণ পরিশোধের মহড়া হিসেবে শেয়ারবাজার বেছে নেয়, যা বিনিয়োগকারীদের কোনো কল্যাণে আসে না।তিনি বলেন, বিএসইসি যদি মনে করেন বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে আরো শেয়ার সরবরাহ বাড়ানো প্রয়োজন পড়ে, সে ক্ষেত্রে ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেটের (ওটিসি) কোম্পানিগুলোকে পর্যায়ক্রমে মূল বাজারে নিয়ে আসা উচিত। এতে দীর্ঘদিন ধরে ওটিসিতে আটকে থাকা হাজার হাজার বিনিয়োগকারী মুক্তি পাবেন।

তার মতে, ২০১০ সালে যখন বাজারে শেয়ার দর লাফিয়ে লাফিয়ে ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছিল, তখন বিএসইসি নতুন কোনো আইপিও বাজারে আনতে পারেনি। তখন শেয়ার সরবরাহের প্রয়োজন দেখা দিলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি। এ অবস্থায় বর্তমান শেয়ারবাজারে প্রচুর শেয়ার সরবরাহ সত্ত্বেও নতুন কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হচ্ছে, যা বাজারের জন্য শুভ লক্ষণ নয়।

তিনি বলেন, ঋণের বোঝা নিয়ে যেসব কোম্পানি বাজারে আসতে চায় এবং প্রিমিয়ামও দাবি করে। তাদের বিএসইসি অনুমোদন দেয়ার ফলে দেশের ভালো কোম্পানির পাশাপাশি বহুজাতিক কোম্পানিও বাজারে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

তিনি আরো বলেন, ওটিসি মার্কেটে ৬৮ কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরে পড়ে রয়েছে। কিন্তু এসব কোম্পানি তালিকাভুক্তির অনুমোদন বিএসইসিই দিয়েছিল। এখন ওটিসিতে আটকে থাকা কোম্পানির দায়ভার বিনিয়োগকারীদের বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন কোনো কোম্পানিকে নয়, ওটিসিতে পড়ে থাকা কোম্পানিগুলো পর্যায়ক্রমে মূল বাজারে ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।

শেয়ারনিউজ২৪