Monthly Archives: July 2013

আইপিও অনুমোদনে প্রাধান্য পাচ্ছে না মৌলভিত্তির কোম্পানি

শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে ইচ্ছুক মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলো প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদনে প্রাধান্য পাচ্ছে না। মূলত মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোর আয় অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি বরাদ্দ মূল্য বেশি হওয়ায় তাদের আবেদনে সাড়া দিচ্ছে না বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। অন্যদিকে অভিহিত মূল্য ও অল্প প্রিমিয়ামে তুলনামূলক দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানির আইপিও অনুমোদনে বাজারঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জের পর্যবেক্ষণও আমলে নিচ্ছে না নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
নাভানা রিয়েল এস্টেট, অটবি, ইফাদ অটোস, সাইফ পাওয়ারটেক, একমি ল্যাবরেটরিজের মতো কোম্পানিগুলো প্রায় দেড় বছর আগে আইপিও আবেদন করেও শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারেনি। সময়মতো অর্থ সংগ্রহের ব্যর্থতায় হতাশ কোম্পানিগুলো বিকল্প পথে অর্থ সংস্থানের প্রক্রিয়া শুরু করছে। এরই মধ্যে কোনো কোনো কোম্পানি আইপিও প্রক্রিয়া স্থগিতও করেছে। অভিযোগ উঠেছে, শেয়ারপ্রতি বরাদ্দ মূল্য নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় এসব কোম্পানির আইপিও আটকে গেছে। এর আগে স্থির মূল্য পদ্ধতিতে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠনের সুপারিশ করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। তবে বিএসইসির আইনে মূল্য নির্ধারণের কোনো সুযোগ নেই বলে এ ধরনের কমিটি গঠন যথাযথ নয় বলে মনে করে কমিশন। আগের কমিশনের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন বিতর্ক থাকলেও গ্রামীণফোন, বার্জার, ম্যারিকোর মতো মৌলভিত্তি রয়েছে— এমন কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে। আর বর্তমান কমিশনের উল্লেখযোগ্য সাফল্য বলতে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলের তালিকাভুক্তি। বরং দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানি অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেডের আইপিও অনুমোদন দিয়ে বিপাকে পড়েছে কমিশন। এছাড়া অর্থের প্রয়োজন নেই, এমন কোম্পানিকেও আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে কমিশনের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে। মৌলভিত্তির কোম্পানির আইপিও অনুমোদন না পাওয়ায় এ বছর তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী কোম্পানির সংখ্যাও কমে গেছে।
দেশের নির্মাণ খাতের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি নাভানা রিয়েল এস্টেট শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য ২০১১ সালের ২০ ডিসেম্বর আইপিও আবেদন করে। কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি বরাদ্দ মূল্য ১২০ টাকায় আবেদন জানানোয় দেড় বছরেও আইপিও আবেদনের কোনো অগ্রগতি হয়নি। একইভাবে শেয়ারপ্রতি ১০ টাকা ৮১ পয়সা আয় দেখিয়ে শীর্ষস্থানীয় গাড়ি আমদানিকারক ও বাজারজাতকরণ প্রতিষ্ঠান ইফাদ অটোস শেয়ার ছাড়ার আবেদন জানায়। তবে ২০১২ সালের ২৬ জানুয়ারি এ আবেদন জানালেও আইপিও অনুমোদন পায়নি কোম্পানিটি। ১ বছর ১০ মাস আগে অর্থ সংগ্রহের আবেদন জানালেও সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড অনুমোদন পায়নি। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারপ্রতি আয় দেখিয়েছে ৪ টাকা ১০ পয়সা। বরাদ্দ মূল্য চেয়েছে ৩৫ টাকায়।
গত বছরের এপ্রিলে দেশের অন্যতম বড় ওষুধ উত্পাদনকারী কোম্পানি একমি ল্যাবরেটরিজ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির আবেদন জানায়। কোম্পানিটি প্রতি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য ৬০ টাকা নির্ধারণের আবেদন জানায়। ফার্নিচার খাতের সেরা কোম্পানির মধ্যে অন্যতম অটবি লিমিটেড প্রতি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য চেয়েছে ৪৫ টাকা। কিন্তু বছর পার হলেও এসব কোম্পানির আইপিও আবেদনে কোনো সাড়া দেয়নি বিএসইসি। একই অবস্থা তৈরি হয়েছে বিদ্যুত্ খাতের পাঁচ কোম্পানির আইপিও আবেদনে। প্রায় আড়াই বছর পার হলেও নানা জটিলতায় আটকে গেছে ্এনার্জিপ্রিমা লিমিটেডর আইপিও।
এদিকে তুলনামূলক দুর্বল কোম্পানি আইপিওর অনুমোদন পেলেও আটকে আছে মৌলভিত্তির কোম্পানি রয়্যাল ডেনিম, শাশা ডেনিম, মতিন স্পিনিং মিলস লিমিটেড, জেনুইটি সিস্টেমসের আইপিও প্রস্তাব।
নাভানা রিয়েল এস্টেটের আইপিও প্রক্রিয়ায় যুক্ত একজন পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন পায়নি। বিএসইসি আমাদের প্রস্তাবিত শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য অনেকটাই কমাতে বলেছে। আমরা তাদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আইপিওটি আটকে গেছে।’ তিনি বলেন, শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে না পেরে বিকল্প হিসেবে তারা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন।
একই অবস্থা দেখা গেছে, একমি ল্যাবরেটরিজসহ অন্যান্য কোম্পানির ক্ষেত্রে। এসব কোম্পানি আইপিও আবেদনের পর শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন না পেয়ে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিএসইসির কমিশনার আরিফ খান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘যারা আগে আবেদন করেছেন, তাদের আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করে কমিশন। আমরাও চাই মৌলভিত্তি ও ব্র্যান্ড ভ্যালু রয়েছে— এমন কোম্পানিকে দ্রুত তালিকাভুক্তি করতে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির হালনাগাদ আর্থিক প্রতিবেদন দাখিলে ব্যর্থতা, কর্মচারীদের মধ্যে শেয়ার বিতরণে জটিলতা, পরিচালকদের সিআইবি ক্লিয়ারেন্স আনতে দেরি হওয়াসহ বিভিন্ন কারণে আইপিও অনুমোদনে বিলম্ব হতে পারে।
এদিকে আইপিও অনুমোদনে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন আমলে নিচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে বিএসইসির বিরুদ্ধে। গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ আমলে না নেয়ায় প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের জন্য আবেদন করা প্রসপেক্টাসে অসঙ্গতি নিয়েই বিভিন্ন কোম্পানি তালিকার্ভুক্ত হচ্ছে। ফলে তালিকাভুক্তির পর পরই কোনো কোনো কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে না পারায় ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থান পাচ্ছে।
শেয়ারবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে তালিকাভুক্ত হতে ইচ্ছুক কোম্পানির সার্বিক অবস্থা মূল্যায়ন করার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থারই সাবেক দুই চেয়ারম্যানসহ গুরুত্বপূর্ণ ও অভিজ্ঞদের দ্বারা নিরপেক্ষ আইপিও আবেদন পর্যালোচনা প্যানেল গঠন করেছিল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ আমলে না নেয়ায় এরই মধ্যে ডিএসই সেই প্যানেল বিলুপ্ত করেছে। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থা না চাইলে আর কোনো পর্যবেক্ষণ বা মূল্যায়ন প্রতিবেদন না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জটি।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি কোম্পানির আইপিও আবেদন বিবেচনা করার জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জের মূল্যায়ন প্রতিবেদন যথেষ্ট গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হতো।
আইপিও পর্যালোচনায় দেখা যায়, কমিশনের অনুমোদন পাওয়া পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে না পারায় এরই মধ্যে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছে। আর ফ্যামিলিটেক্স নামে সদ্য তালিকাভুক্ত কোম্পানি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
বিভিন্ন কোম্পানি সম্পর্কে ডিএসইর প্যানেল কমিটির দেয়া মূল্যায়নপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আইপিওর অনুমোদন পাওয়া গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ম্যাথিউ গ্রাহাম স্টক টাকা ছাড়াই বিপুল পরিমাণের শেয়ারের মালিক হয়েছেন। কোম্পানিতে ম্যাথিউ গ্রাহাম স্টকের যে ১৩ লাখ শেয়ার রয়েছে, এর মধ্যে ১১ লাখ ২৫ হাজার শেয়ারের বিপরীতে অর্থ জমা দেখাতে পারেননি। ডিএসইর আইপিও-সংক্রান্ত প্যানেল কমিটি তাদের মূল্যায়নপত্রে এ অভিযোগ তুললেও তার সুরাহা না করেই কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয় বিএসইসি। এছাড়া কোম্পানিটি তার অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গোল্ডেন হারভেস্ট সি ফুড অ্যান্ড ফিশ প্রসেসিংয়ের অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে বিনিময় মূল্য, স্কিম অফ একুইজিশন, মূল্যায়ন প্রতিবেদন ইত্যাদি প্রয়োজনীয় কাগজ দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেনেও অস্বচ্ছতা রয়েছে।
বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিক লিমিটেডের শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের কোনো প্রয়োজন ছিল না বলে মনে করে প্যানেল কমিটি। কোম্পানিটির প্রসপেক্টাস পর্যালোচনা করে কমিটি দেখতে পায়, কোম্পানিটি আইপিওর অর্থ ব্যবহারে উল্লেখ করেছে যে, ১০ কোটি টাকার ব্যাংকঋণ পরিশোধ করা হবে। অথচ ব্যাংকে কোম্পানির নামে ২০ কোটি ৯২ লাখ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটি তার দুই অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার স্যাক ও বেঙ্গল প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার কেনার জন্য ২০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলেও এখন পর্যন্ত ওই দুই প্রতিষ্ঠানের শেয়ার পায়নি। এমনকি বিনিয়োগের বিপরীতে লভ্যাংশও পায়নি। কোম্পানির মৌলভিত্তি অনুযায়ী এর শেয়ারপ্রতি বরাদ্দ মূল্য ২৫ টাকার কম হওয়া উচিত বলে মনে করে প্যানেল কমিটি।
এছাড়া বিএএস লঙ্ঘন করে গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস অন্যান্য বছরের চেয়ে গত বছর লভ্যাংশ ও শেয়ারপ্রতি আয় বাড়ানোর জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে অবচয় হার কমিয়ে দেখিয়েছে। আর পরিচালন মূলধনে ঘাটতিতে থাকা কোম্পানি বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেডের আইপিও অনুমোদন দিয়েছে বিএসইসি। সবশেষ পাঁচ বছরের মধ্যে চার বছরই কোম্পানির পরিচালন মূলধন ঘাটতি রয়েছে। এতে কোম্পানির আর্থিক ঝুঁকি রয়েছে। এসব গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। এছাড়া দেশের অধিকাংশ জেলায়ই উত্পাদিত ওষুধ পাওয়া না গেলেও আইপিও অনুমোদন পেয়েছে সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যাল নামের এক অখ্যাত কোম্পানি। শুধু জেলা শহর নয়, সরকারি-বেসরকারি কোনো হাসপাতালই এ কোম্পানির ওষুধ ক্রয় করে না।
তবে নিয়ম মেনেই এসব আইপিওর অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে মনে করেন বিএসইসির কমিশনার আরিফ খান। তিনি বলেন, ‘আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে আমরা নীরিক্ষা প্রতিবেদন, মার্চেন্ট ব্যাংকের ডিউডিলিজেন্স সার্টিফিকেটের ওপর নির্ভর করে থাকি। এর বাইরেও যদি কারো কোনো মূল্যায়ন অথবা অভিযোগ থাকে, অবশ্যই আমরা তা আমলে নেব। এছাড়া ডিএসই যদি আমাদের কাছে তাদের পর্যবেক্ষণ পাঠায়, তাও আমরা মূল্যায়ন করব।’
বণিক বার্তা

খুলনায় বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমের আইপিওতে ব্যাপক সাড়া

খুলনায় বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। যার কারণে বৃহস্পতিবার আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিনও বিভিন্ন ব্যাংকে বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে।
বিনিয়োগকারী ইয়াসিন আরাফাত বলেন, সেকেন্ডারি মার্কেটে দীর্ঘ দিন অস্থিরতা থাকায় আমাদের পুঁজির শেষ অংশটুকুও প্রায় হারিয়ে গেছে। যার কারণে খানিকটা লাভের আশায় আইপিওর দিকে ঝুঁকছি।
তিনি জানান, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমের আইপিওতে বেশি মুনাফার আশা করছেন। যে কারণে আগ্রহ নিয়ে আত্মীয়-সজ্বন সহ মোট ৭টি আইপিওর আবেদন জমা দিয়েছেন।
আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ হাউজের খুলনা শাখা ব্যবস্থাপক তাপস কুমার সাহা বলেন, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমের প্রতি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশি লক্ষ্য করা গেছে। যার কারণে রোববার আইপিও আবেদন জমার শুরু থেকে বৃহস্পতিবার শেষ দিন পর্যন্ত হাউজ কর্মকর্তাদের ব্যস্ত থাকতে হয়েছে।
এসোসিয়েটেড ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজ হাউজের খুলনা শাখা ব্যবস্থাপক ওয়েস আলী জামাল বলেন, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমের আইপিওর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আলাদা ঝোঁক লক্ষ্য করা গেছে। যার কারণে সেকেন্ডারি মার্কেটের শেয়ার বিক্রি করে অনেক বিনিয়োগকারী এ কোম্পানির আইপিও কিনেছেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমের আইপিও আবেদন বৃহ�পতিবার শেষ হচ্ছে। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা আগামী ৩ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে মোট ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। এ শেয়ারে কোনো প্রিমিয়াম নেয়া হচ্ছে না। ৫০০টি শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থ বছরের হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৫৮ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি স�পদ (এনএভি) হয়েছে ১৩.০৭ টাকা।
আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত টাকা ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং ব্যাংক লোন পরিশোধে ব্যবহার করা হবে। প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
শেয়ারনিউজ২৪

নতুন কোম্পানি অনুমোদনের ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে লেনদেন সম্ভব

তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাবার পর মাত্র ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কোম্পানির শেয়ার লেনদেনযোগ্য করা সম্ভব বলে মনে করে ইস্যু ম্যানেজার কোম্পানিগুলো। শুধুমাত্র কোম্পানির চাঁদা গ্রহণের প্রক্রিয়া পরিবর্তনের মাধ্যমেই এটি করা যাবে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) পদক্ষেপ নিতে হবে।

ইস্যু ম্যানেজার কোম্পানিগুলোর মতে, মার্চেন্ট ব্যাংক এবং ব্রোকারেজ হাউজের ডিপি’র মাধ্যমে আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া চালু করা হলে তালিকাভুক্তির সময়কাল কমে আসবে। এতে আবেদনে ইচ্ছুক বিনিয়োগকারীদের অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি আবেদন করবে সংশ্লিষ্ট হাউজগুলো। আর এ প্রক্রিয়ায় মাত্র ৩ কার্যদিবসের মধ্যে সকল আবেদন গ্রহণ করতে সক্ষম হবে।

আবেদন গ্রহণের পর, মাত্র ২ দিনের মধ্যেই কোম্পানির কাছে এ আবেদন হস্তান্তর করা সম্ভব হবে। সকল আবেদন গ্রহণ কোম্পানি ২ কার্যদিবসে সম্পন্ন করতে পারবে। পরবর্তিতে যেভাবে লটারী হয় সেভাবেই লটারির মাধ্যমে আইপিও বিজয়ী বাছাই করা হবে। যারা বিজয়ী হবেন তাদের অ্যাকাউন্টে শেয়ার এবং যারা অ্যালটমেন্ট পাবেন না তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ফেরৎ দেয়া যেতে পারে। আর যারা অ্যালটমেন্ট পাবেন না তাদের টাকা ফেরৎ দেয়ার ঝামেলাও থাকবেনা। কারণ আবেদন গ্রহণের সময় সব বিনিয়োগকারীর বিষয়ে একটি ডাটা তৈরি হয়ে যাচ্ছে। নতুন করে তা করার প্রয়োজন নেই।

এটি বাস্তবায়ন করা গেলে প্রক্রিয়াটি আরো স্বচ্ছ হবে বলে মনে করেন অধিকাংশ ইস্যু ম্যানেজার প্রতিষ্ঠান। আর এ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে ১৫ কার্যদিবসেরও সময় কম লাগবে। অর্থাৎ সাবসক্রিপশন ডেটের পর ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে একটি কোম্পানির লেনদেন শুরু করা সম্ভব হবে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি এবং এএএ মার্চেন্ট ব্যাংকের পরিচালক মোহাম্মাদ এ হাফিজ বলেন, এমনিতেই একটি কোম্পানির তালিকভুক্তির ইস্যু নিয়ে কাজ করতে অনেক সময় লাগে। তবে সেদিকে আমাদের (ইস্যু ম্যানেজারদের) কোনো আপত্তি নেই। কারণ, এটি অত্যন্ত জটিল বিষয়, তাই বিএসইসি সময় নিতেই পারে।

কিন্তু একটি কোম্পানির তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাবার পর লেনদেনে আসতে যদি ৩ মাস সময় লাগে, সেটি দুঃখজনক। তাই ডিপি’র মাধ্যমে আইপিও আবেদন অনুমোদনের মাধ্যমে সময় কমিয়ে আনা সম্ভব হলে কমিশনের তা করা প্রয়োজন। এতে বিনিয়োগকারী এবং ইস্যু ম্যানেজার উভয়ের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ গৃহীত হবে।

আরেক মার্চেন্ট ব্যাংক কর্মকর্তা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, বিএসইসি’র কাছে এ ধরনের আবেদনের পর তারা উল্টো মার্চেন্ট ব্যাংক- ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে দোষারোপ করেছে। বিএসইসি’র একাধিক কর্মকর্তার মতে, মার্চেন্ট ব্যাংক বা ব্রোকারেজ হাউজের মধ্যে আবেদন করা হলে প্রতিষ্ঠানগুলো আবেদনের টাকা নিয়ে ঝামেলা করতে পারে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাজার হাজার কোটি টাকা এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে থাকে। কখনোই গ্রাহকের টাকা নিয়ে দুর্নীতি করেছে এমন অভিযোগ এসব প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে পাওয়া যায়নি। অথচ ব্যাংক গ্রাহকের টাকা নিয়ে অনিয়ম করার খবর মাঝে মধ্যেই শোনা যায়। তারপরও মার্চেন্ট ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউজের তুলনায় কমিশনের ব্যাংকের ওপর আস্থা বেশি। বিষয়টি একইসঙ্গে রহস্য এবং দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে আবেদনের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি চালু হলে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তাদের মতে, বুক বিল্ডিং প্রক্রিয়ার তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে ব্রোকারেজ হাউজগুলো বিনিয়োগকারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। এর ফলে অনেক কোম্পানির শেয়ার দরের সঙ্গে জাস্টিফাইড প্রিমিয়াম আবেদন করা হলেও তা শঙ্কার মুখে পড়তে পারে। তবে বিএসইসি চাইলে এ সমস্যার সমাধানও সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ারনিউজ২৪

বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমের আইপিও আবেদন জমা শুরু

প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম লিমিটেডের অর্থ সংগ্রহের আবেদন আজ ২১ জুলাই, রোববার থেকে শুরু হয়েছে । ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির আইপিও আবেদন ২১ জুলাই শুরু হয়ে শেষ হবে ২৫ জুলাই। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ৩ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশ বিল্ডি সিস্টেম লিমিটেড শেয়ারবাজারে ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে মোট ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। এ শেয়ারে কোনো প্রিমিয়াম নেয়া হচ্ছে না। এ প্রতিষ্ঠানটির ৫০০টি শেয়ারে লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির ব্যাংকঋণ ও আইপিও খাতে বাবদ ব্যয় করা হবে।

৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থ বছরের হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৫৮ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৩.০৭ টাকা। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত টাকা ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং ব্যাংক লোন পরিশোধে ব্যবহার করা হবে।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

এক্সিম ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন শুরু আজ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া শেষে আজ মঙ্গলবার থেকে এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন শুরু হচ্ছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, আগামীকাল ‘এ’ ক্যাটাগরির আওওতায় প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এ ফান্ডের লেনদেন শুরু হবে। এছাড়া এর ডিএসই ট্রেডিং কোড”EXIM1STMF” এবং ডিএসই কোম্পানি কোড # ১২১৯৪।

এর আগে প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ২৮ এপ্রিল থেকে ১২ মে পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ২১ মে পর্যন্ত।

প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে ১০ কোটি ইউনিট ছেড়ে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলনের করে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ইউনিটের ফেস ভ্যালু ১০ টাকা এবং মার্কেট লট ৫০০টিতে।

ফান্ডটির উদ্যোক্তা এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড। ট্রাস্টি ও কাস্টোডিয়ান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। এ ফান্ডের মেয়াদ হবে ১০ বছর।

শেয়ারনিউজ২৪

ফারইস্ট ফিন্যান্সের চাঁদা গ্রহণ শুরু আজ

শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পাওয়া ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান ফারইস্ট ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) চাঁদা সংগ্রহ আজ শুরু হচ্ছে। স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা এ কোম্পানির শেয়ার পেতে ১৮ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। তবে অনিবাসী বাংলাদেশীদের (এনআরবি) জন্য আবেদনের সর্বশেষ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ জুলাই পর্যন্ত।
গত ২৯ মে অভিহিত মূল্যে এ কোম্পানির আইপিও প্রস্তাব অনুমোদন দেয় শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ কোম্পানির প্রতি ৫০০ শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। এ হিসাবে এক লট শেয়ার পেতে বিনিয়োগকারীকে ৫ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
কোম্পানিটি মোট ৪ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। ২০১১ সালের ৩০ জুন সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে শেয়ারপ্রতি আয় ১ টাকা ৪ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ১৫ টাকা ৬ পয়সা।
কোম্পানিটি অর্থ সংগ্রহ করে তা মূলধন ও তারল্য পরিস্থিতি শক্তিশালী করতে ব্যয় করবে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করছে গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
বণিক বার্তা

চলতি মাসে ২ কোম্পানির আইপিও আবেদন

প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে চলতি মাসে দুই কোম্পানি মূলধন সংগ্রহ করবে। কোম্পানি দুটি হলো: ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ফারইস্ট ফাইন্যান্সের সাবসক্রিপশন শুরু হবে ১৪ জুলাই থেকে। আইপিও আবেদন শেষ হবে ১৮ জুলাই। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা এ সুযোগ পাবেন ২৭ জুলাই পর্যন্ত।

অপর কোম্পানি বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমের আইপিও আবেদন শুরু হবে ২১ জুলাই থেকে। আর আইপিও আবেদন শেষ হবে ২৫ জুলাই। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ৩ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট আইপিওর মাধ্যমে ৪ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। কোম্পানিটি অভিহিত মূল্যের সঙ্গে কোনো প্রিমিয়াম নিচ্ছে না। ৫০০টি শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

শেয়ারনিউজ২৪

৩১ ডিসেম্বর ২০১১ সমাপ্ত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ফারইস্ট ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৬.৫৭ টাকা। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলন করা টাকা অনুমোদিত মূলধন শক্তিশালী করণে ব্যবহার করা হবে। এছাড়া শিল্পখাতে বিনিয়োগ এবং অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা হবে।

আর বাংলাদেশ বিল্ডি সিস্টেম লিমিটেড শেয়ারবাজারে ১ কোটি ৪০ হাজার শেয়ার ছেড়ে মোট ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। এ শেয়ারেরও কোনো প্রিমিয়াম নেয়া হচ্ছে না। এ প্রতিষ্ঠানটিরও ৫০০টি শেয়ারে লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থ বছরের হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৫৮ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৩.০৭ টাকা। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত টাকা ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং ব্যাংক লোন পরিশোধে ব্যবহার করা হবে।