Monthly Archives: June 2013

সেন্ট্রাল ফার্মার লটারির ফলাফল

সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের আইপিও লটারির ফলাফল প্রকাশ করা হলো। জানা যায়, আইপিওতে প্রায় ৪৪ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়েছে।

লটারির ফলাফল দেখতে এখানে ক্লিক করুন: http://www.bdipo.com/companies/58/results/search

এর আগে সকাল ১০টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে লটারি শুরু হয় এবং শেষ হয় ১২টায়।

প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে সাধারণ কোটায় ১৬ হাজার ৮০০টি, ক্ষতিগ্রস্ত কোটায় ৫ হাজার ৬০০টি, এনআরবি কোটায় ২ হাজার ৮০০টি এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোটায় ২ হাজার ৮০০টি লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৬ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির আইপিও আবেদন গ্রহণ করা হয়। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ৮ জুন পর্যন্ত।

সেন্ট্রাল ফার্মা ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এজন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১০ টাকা এবং ৫০০টি শেয়ারে মার্কেট লট।

৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছর শেষে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২১ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১১.২৮ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড

সেন্ট্রাল ফার্মার লটারি আজ

শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার জন্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের আইপিও লটারি আজ সকাল ১০ টায় শুরু হবে। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনষ্টিটিউটে লটারি অনুষ্ঠিত হবে। শেয়ারনিউজের বিশেষ উদ্যোগে লটারির ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

এর আগে, প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ১০ লাখ ৫৭ হাজার বা ৩৭.৭৭ গুণ আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে সাধারণ ও ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১০ লাখ এবং প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের (এনআরবি) কাছে থেকে ৫৭ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। তবে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে আবেদনের সংখ্যা জানা যায়নি। এ হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ৩৭.৭৭ গুণ আবেদন জমা পড়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে সাধারণ কোটায় ১৬ হাজার ৮০০টি, ক্ষতিগ্রস্ত কোটায় ৫ হাজার ৬০০টি, এনআরবি কোটায় ২ হাজার ৮০০টি এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোটায় ২ হাজার ৮০০টি লট বরাদ্দ দেয়া হবে।

এর আগে গত ২৬ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির আইপিও আবেদন গ্রহণ করা হয়। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ৮ জুন পর্যন্ত।

সেন্ট্রাল ফার্মা ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এজন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১০ টাকা এবং ৫০০টি শেয়ারে মার্কেট লট।

৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছর শেষে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২১ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১১.২৮ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

কাল সেন্ট্রাল ফার্মার লটারি

শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার জন্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের আইপিও লটারি আগামীকাল ২৭ জুন, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, সকাল ১০টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনষ্টিটিউটে লটারি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে, প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ১০ লাখ ৫৭ হাজার বা ৩৭.৭৭ গুণ আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে সাধারণ ও ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১০ লাখ এবং প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের (এনআরবি) কাছে থেকে ৫৭ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। তবে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে আবেদনের সংখ্যা জানা যায়নি। এ হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ৩৭.৭৭ গুণ আবেদন জমা পড়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে সাধারণ কোটায় ১৬ হাজার ৮০০টি, ক্ষতিগ্রস্ত কোটায় ৫ হাজার ৬০০টি, এনআরবি কোটায় ২ হাজার ৮০০টি এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোটায় ২ হাজার ৮০০টি লট বরাদ্দ দেয়া হবে।

এর আগে গত ২৬ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির আইপিও আবেদন গ্রহণ করা হয়। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ৮ জুন পর্যন্ত।

সেন্ট্রাল ফার্মা ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এজন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১০ টাকা এবং ৫০০টি শেয়ারে মার্কেট লট।

৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছর শেষে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২১ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১১.২৮ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।


শেয়ারনিউজ২৪

ফ্যামিলি টেক্সের প্রথম প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মঙ্গলবার শুরু হতে যাওয়া ফ্যামিলি টেক্স (বিডি) লিমিটেডের ৩১ মার্চ ২০১৩ (জানু-মার্চ’১৩) প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, প্রথম প্রান্তিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৫ কোটি ৪৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪৭ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিলো যথাক্রমে ১৩ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ১.২৬ টাকা।

উপরোক্ত শেয়ারপ্রতি আয় আইপিও-পূর্ববর্তী ওয়েটেড এভারেজ শেয়ারের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে হিসাব করা হয়েছে; ২০১২ এবং ২০১৩ সালে যা ছিলো ১০৫,০৬২,৩০০ সংখ্যক শেয়ার। কিন্তু আইপিও-পরবর্তী ১৩৯,০৬২,৩০০ সংখ্যক শেয়ারের ওপর ভিত্তি করে ৩১ মার্চ ২০১৩ তারিখে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হবে ১.১১ টাকা এবং শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়াবে ১৬.২০ টাকা।

শেয়ারনিউজ২৪

মঙ্গলবার থেকে ফ্যামিলি টেক্সের লেনদেন

দেশের উভয় শেয়ারবাজারে আগামী মঙ্গলবার ১৮ জুন থেকে ফ্যামিলি টেক্সের লেনদেন শুরু হবে। ‘এন’ ক্যাটাগরির আওতায় এ কোম্পানির ডিএসই ট্রেডিং কোড হবে “FAMILYTEX” এবং কোম্পানি কোড হবে-১৭৪৫৭। এছাড়া চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে এ কোম্পানির কোড হবে- ১২০৪৫। উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শেয়ারনিউজ২৪

রোববার ওরিয়র ফার্মার লেনদেন

রেকর্ড ডেটের পর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন আগমী ১৬ জুন, রোববার চালু হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রেকর্ড ডেটের কারণে এ প্রতিষ্ঠানটির লেনদেন আজ দেশের উভয় শেয়ারবাজারে স্থগিত রয়েছে


শেয়ারনিউজ২৪

মূলধন ঘাটতিতে থাকা বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের আইপিও অনুমোদন

পরিচালন মূলধনে ঘাটতিতে থাকা কোম্পানি বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দিয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। অভিহিত মূল্যে কোম্পানিটিকে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে বিএসইসি। গতকাল কমিশনের নিয়মিত সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। মূলত অভিহিত মূল্যে আইপিও অনুমোদনে বিএসইসির বিশেষ আগ্রহের কারণে মূলধন ঘাটতিতে থাকা এ কোম্পানির আইপিও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
শিল্প কারখানার জন্য স্টিলের ভবন তৈরি করে বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড। সর্বশেষ পাঁচ বছরের মধ্যে চার বছরই কোম্পানির পরিচালন মূলধনে ঘাটতি রয়েছে। এতে আর্থিক ঝুঁকিতে রয়েছে এ কোম্পানি। যদিও ওই সময়ে কোম্পানিটি পরিচালন মুনাফা করেছে। এটিকে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছে আইপিও-সংক্রান্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্যানেল কমিটি। ওই কমিটি কোম্পানিটির শেয়ার মানি ডিপোজিট নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। এছাড়া কোম্পানিটির অতিরিক্ত আইপিও খরচ নিয়ে আপত্তি তুলেছে কমিটি। কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে ১৪ টাকা সংগ্রহের বিপরীতে আইপিও খরচ হবে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। জমির কেনার জন্য যে অগ্রিম অর্থ দেয়া হয়েছে, সে বিষয়ে কোম্পানির জবাবে সন্তুষ্ট হতে পারেনি ডিএসইর বিশেষজ্ঞ দলটি।
গতকালের কমিশন সভাশেষে বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শেয়ারের অভিহিত মূল্যে বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দেয়া হয়। কোম্পানিটি ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ব্যাংকঋণ ও আইপিও খরচে ব্যয় করবে। কোম্পানিটির ২০১২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৩ টাকা ৭ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৫৮ পয়সা। এ কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেডের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানটির ৬ লাখ শেয়ার রয়েছে। এটি স্বার্থবিরোধী বলে মনে করছে ডিএসইর প্যানেল কমিটি।
প্রসঙ্গত, কোম্পানিটি এর আগে প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। পরে ২০১২ সালের ১২ এপ্রিল স্থিরমূল্য পদ্ধতিতে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে প্রসপেক্টাস জমা দেয় কোম্পানিটি। বর্তমানে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৫০ কোটি টাকা, যা আইপিও-পরবর্তী সময়ে দাঁড়াবে ৬৪ কোটি টাকা।
বণিক বার্তা

সোনালী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড বুধবার থেকে লেনদেন শুরু

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন আগামীকাল ১২ জুন, বুধবার থেকে শুরু হবে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ইতিমধ্যে এ ফান্ডের আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দেশের উভয় শেয়ারবাজারে এর ইউনিট লেনদেন শুরু হবে। লেনদেনের শুরুতে এ ফান্ডের ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছে ‘এ’,। এর ডিএসই ট্রেডিং কোড “ওঈইঝঙঘঅখও১” এবং কোম্পানি কোড হচ্ছে ১২১৯৩। আর সিএসইতে কোম্পানির কোড ২১০৪২।

গত ২১ মে ফান্ডটির আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে গত ২১ এপ্রিল থেকে এ ফান্ডের আইপিও আবেদন জমা নেয়া শুরু হয় এবং স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ শেষ হয় ২৫ এপ্রিল। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা আবেদন জমা দেয়ার সুযোগ পান ৪ মে পর্যন্ত।

আইপিওর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজারে ১০ কোটি ইউনিট ছেড়ে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এজন্য প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি ইউনিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা এবং মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০টি ইউনিটে।

১০ বছর মেয়াদী ফান্ডটির এসেট ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি এসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।

ফান্ডটির উদ্যোক্তা সোনালী ব্যাংক এবং ট্রাস্টি হচ্ছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

শেয়ারনিউজ২৪