Monthly Archives: April 2013

ফ্যামিলি টেক্স জমা পড়েছে সাড়ে ১৭ গুণ আবেদন

ফ্যামিলি টেক্সের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) নির্ধারিত সীমার চেয়ে সাড়ে ১৭ গুণেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ৩৪ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। যার বিপরীতে ৩৪ লাখ শেয়ার ছাড়া হয়। নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ ১১ এপ্রিলের মধ্যে স্থানীয় অধিবাসীরা ৫৮০ কোটি ৪৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকার আবেদন করেন। এর বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ৯ লাখ ১২ হাজার ৯৭২টি।

গত ২১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৫৫ হাজার আবেদনের বিপরীতে জমা দিয়েছেন ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে এ কোম্পানির আইপিওতে টাকা জমা পড়েছে ৬০৭ কোটি ৯৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি জমা পড়েছে ১৭.৮৮ গুণ বেশি আবেদন।

এ কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়া শুরু হয় গত ৭ এপ্রিল এবং শেষ হয় ২০ এপ্রিল। এ শেয়ারের বিপরীতে কোনো প্রিমিয়াম নেয়া হয়নি। মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০টি শেয়ারে।

এ কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপকের কাজ করছে বেনকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের আইপিওর আবেদন শুরু আজ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় থাকা এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন শুরু হবে আজ। ইউনিট বিক্রির মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ফান্ডটির। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট সংগ্রহে আজ রোববার থেকে আগামী ৫ মে পর্যন্ত বিনিয়োগকারীরা আবেদন করতে পারবেন। তবে অনাবাসী বিনিয়োগকারীরা আগামী ১৪ মে পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। জানা গেছে, মিউচুয়াল ফান্ডটির আকার হবে ১০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে ৩০ শতাংশ ইউনিট। বাকি ২০ শতাংশ থাকবে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে এ ফান্ডটির মার্কেট লট ৫০০ ইউনিটে। অর্থাৎ প্রতি লট ফান্ডে আবেদনের জন্য ৫ হাজার টাকা জমা দিতে হবে।
এ ফান্ডের উদ্যোক্তা এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড। সম্পদ ব্যবস্থাপনায় থাকবে রেস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট। অন্যদিকে ট্রাস্টি ও কাস্টোডিয়ান হিসেবে থাকবে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।
মূলত এ ফান্ডের অর্থ শেয়ারবজার ও মানি মার্কেটে বিনিয়োগ করা হবে। ক্লোজ-এন্ড এ ফান্ডটি ১০ বছর মেয়াদি।
বণিক বার্তা

বোনাস প্রদানের সুযোগ নিয়ে আসছে সোনালী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড

বোনাস লভ্যাংশ প্রদানের সুযোগ নিয়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড। ইতিমধ্যে ফান্ডটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে।

এসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, প্রসপেক্টাসে এ ফান্ডের লভ্যাংশ ঘোষণার ক্ষেত্রে রি-ইনভেস্টমেন্ট অর্থাৎ বোনাস ইউনিট প্রদানের সুযোগ রাখা হয়েছে। এছাড়া বর্তমান বাজার পরিস্থিতি এবং উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বিবেচনায় ফান্ডটি শক্ত ভিতের উপর প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে সম্পদ ব্যবস্থাপক কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, ফান্ডটির উদ্যোক্তা অংশের অধিকাংশই প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী। ফলে ফান্ডটির আর্থিক ভিত তুলনামুলক শক্তিশালী হবে। এছাড়া তালিকাভুক্তির পর অন্য ফান্ডের তুলনায় সোনালী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বেশি মুনাফা করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তাদের মতে, অন্য ফান্ডগুলো যখন পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছিল তখন সূচক ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার পয়েন্ট পর্যন্ত ছিল। আর তালিকাভুক্তির পর ফান্ডগুলো ঊর্ধ্বমুখী সূচকে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করেছিল। কিন্তু বাজারে পতন দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় ফান্ডগুলো লোকসানের কবল থেকে মুক্ত হতে পারেনি। তবে সোনালী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড যখন তালিকাভুক্ত হবে তখন সূচকের অবস্থান সাড়ে ৩ হাজার পয়েন্ট। ফান্ডটি এখন যেসব শেয়ারে বিনিয়োগ করবে পরবর্তীতে সেগুলোর দর বৃদ্ধির অধিক সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে খুব সহজে ফান্ডটি মুনাফা করতে পারবে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। সব মিলিয়ে ফান্ডটি শক্ত ভিত নিয়ে বাজারে আসছে বলে অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীরাও মনে করছেন।

গত ২১ এপ্রিল থেকে এ ফান্ডের আইপিও আবেদন জমা নেয়া শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রবাসীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ৪ মে পর্যন্ত।

ফান্ডটি পুঁজিবাজারে ১০ কোটি ইউনিট ছেড়ে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। প্রতিটি ইউনিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা এবং মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ ইউনিটে।

১০ বছর মেয়াদী ফান্ডটির এসেট ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি এসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।

ফান্ডটির উদ্যোক্তা সোনালী ব্যাংক এবং ট্রাস্টি হচ্ছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

শেয়ারনিউজ২৪

এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আইপিও আবেদন শুরু ২৮ এপ্রিল

এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন শুরু হবে আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, স্থানীয় অধিবাসীদের জন্য ফান্ডটির আইপিও আবেদন ২৮ এপ্রিল শুরু হয়ে চলবে ৫ মে পর্যন্ত। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ১৪ মে পর্যন্ত।

আইপিওর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজারে ১০ কোটি ইউনিট ছেড়ে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এজন্য প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি ইউনিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা এবং মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ ইউনিটে।

ফান্ডটির এসেট ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব পালন করছে আরএসিই ম্যানেজমেন্ট পিসিএল। ট্রাস্টি হচ্ছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

শেয়ারনিউজ২৪

২৬ মে সেন্ট্রাল ফার্মার সাবসক্রিপশন শুরু

পুঁজিবাজারে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাওয়া সেন্ট্রাল ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের সাবসক্রিপশন শুরু হবে আগামী ২৬ মে। স্থানীয় অধিবাসীদের জন্য আবেদন গ্রহণ চলবে ৩০ মে পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ৮ জুন পর্যন্ত। ইস্যূ ম্যানেজার কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত ২৭ মার্চ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়।

কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, কোনো প্রিমিয়াম ছাড়াই পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়বে সেন্ট্রাল ফার্মা। ফেস ভ্যালু ১০ টাকা অনুযায়ী কোম্পানিটি এক কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করবে।

এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট।

৩১ ডিসেম্বর ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী সেন্ট্রাল ফার্মার শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২১ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ ১১.২৮ টাকা।

শেয়ারনিউজ২৪

বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মো: বিও হিসাবে আইপিও শেয়ার জমা

শেয়ারবাজারে নতুন নিবন্ধিত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিকস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের(আইপিও) শেয়ার শেয়ারধারীদের বেনিফিশারি ওনার্স(বিও) হিসাবে জমা দান করা হয়েছে। আজ সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের(সিডিবিএল) ওয়েবসাইট সুত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র: সিডিবিএল

বণিক বার্তা

আইপিও বাজারে স্বস্তি দিল বেঙ্গল উইন্ডসোর

চলতি বছর তালিকাভুক্ত হওয়া নতুন কোম্পানিগুলোর মধ্যে একমাত্র বেঙ্গল উইন্ডসোর থার্মোপ্লাস্টিক কোম্পানির বিনিয়োগকারীরাই লাভের মুখ দেখতে যাচ্ছেন। এর আগে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগ করে সেকেন্ডারী মার্কেটের বিনিয়োগকারীরা লোকসানের মুখে পড়েছিলেন। যে কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আইপিও বাজার নিয়ে শঙ্কা তৈরী হয়েছিল। তবে বেঙ্গল উইন্ডসোরের শেয়ার লেনদেনের চিত্র দেখে আইপিও বাজার নিয়ে আবারো ইতিবাচক ভাবনা শুরু করেছেন বিনিয়োগকারী ও বাজার সংশ্লিষ্টরা।

বেঙ্গল উইন্ডসোরের তালিকাভুক্তির পর ২ কার্যদিবস শেয়ার দর প্রায় একই জায়গায় ঘোরাফেরা করে। ৩য় কার্যদিবসে শেয়ারটির দর প্রায় ১১ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। ১ম কার্যদিবসে যারা শেয়ারটি কিনেছিলেন, আগামীকাল তাদের শেয়ার বিক্রয়যোগ্য হবে। তারা হয়তো লাভের মুখ দেখতে পারবেন। তবে ২য় ও ৩য় কার্যদিবসে শেয়ারটির ক্রেতারা লাভের মুখ দেখতে পারবেন কীনা তা আগামীকালের লেনদেনের চিত্র দেখে হয়তো অনুমান করা যাবে।

তবে চলতি বছর এর আগে তালিকাভুক্ত হওয়া ৭টি কোম্পানির ক্ষেত্রে এমন চিত্র দেখা যায়নি। তালিকাভুক্তির ১ম কার্যদিবসে শেয়ারগুলো সর্বোচ্চ দরে অবস্থান করে। ২য় কার্যদিবস থেকে শেয়ারগুলোর দর ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে। তাই ওইসব কোম্পানিতে আইপিও বিজয়ী বিনিয়োগকারীরা লাভবান হলেও সেকেন্ডারী মার্কেটের প্রথম কয়েক কার্যদিবসের বিনিয়োগকারীরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

বেঙ্গল উইন্ডসোরের শেয়ার দর প্রথম কার্যদিবসে ৫৫ টাকায় ক্লোজিং হয়, ২য় কার্যদিবসে ৫৬ টাকায় ক্লোজিং হয় এবং ৩য় কার্যদিবসে প্রায় ৬১ টাকায় ক্লোজিং হয়। তিন কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৯২ লাখ ৭৬ হাজার ৪০০টি শেয়ার। প্রথম কার্যদিবসে ৫৯ লাখ ৭৬ হাজার ২০০ শেয়ার, ২য় কার্যদিবসে ১৮ লাখ ৩৯ হাজার ২০০টি শেয়ার এবং তৃতীয় কার্যদিবসে ১৪ লাখ ৬১ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে বিনিয়োগকারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মধ্যে রয়েছেন গোল্ডেন হার্ভেস্ট, আর্গন ডেনিমস, প্রিমিয়ার সিমেন্ট, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স ও গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালসের শেয়ারগুলোতে। এই শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগকারীরা এখনো ৩২ শতাংশ থেকে ৫২ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতির মধ্যে রয়েছেন।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, সেকেন্ডারী মার্কেট থেকে নতুন কোম্পানির শেয়ার কিনে লোকসানের মুখে পড়লে স্বাভাবিকভাবেই তাতে বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহ তৈরি হবে। যার নেতিবাচক প্রভার আইপিও বাজারেও পড়বে। যেহেতু বিনিয়োগের উদ্দেশ্য মুনাফা করা, তাই মুনাফা না হলে বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে আগ্রহ হারাবে এটাই স্বাভাবিক। সে হিসেবে আগের কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগকারীদের  লোকসানের কারণে আইপিও বাজার প্রায় হুমকির মুখে পড়তে বসেছিল। কিন্তু সর্বশেষ তালিকাভুক্ত কোম্পানি সে আশঙ্কা দূর করেছে। ভবিষ্যতে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রেও বিনিয়োগকারীরা একই চিত্র দেখবেন এটাই সবার প্রত্যাশা।

শেয়ারনিউজ২৪

আইপিও ইনডেক্স গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিএসই

বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে আইপিও ইনডেক্স গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার দর ওঠানামা এবং বাজারের গতিবিধি বুঝতে এ ইনডেক্সের গুরুত্ব, বাস্তবতা বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে গত ৭ মার্চ জমা দিয়েছে সিএসই।

জানা যায়, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর পৃথকভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য আইপিও ইনডেক্স গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিএসই। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদেরও সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে। ইনডেক্স দেখে বিনিয়োগকারীরা তালিকাভুক্তির পর কোম্পানিগুলোর পারফরমেন্স, শেয়ার দর ওঠানামা, মার্কেট গতিবিধিসহ ইত্যাদি বিষয়ে জানতে পারবেন।

সিএসইর প্রস্তাবের আলোকে গত ১২ মার্চ বিএসইসি’র ৪৭২তম কমিশন সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সিএসই’র আইপিও ইনডেক্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ ইনডেক্সের গুরুত্ব, বাস্তবতা, বাস্তব উদাহারণ এবং ইনডেক্স কনস্ট্রাকশন প্রসেস সম্পর্কে বিস্তারিত কাগজপত্র দাখিলের পরেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ এপ্রিল সিএসইতে একটি চিঠি পাঠায় বিএসইসি। বিএসইসি’র পরিচালক মো. মনসুর রহমান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে সিএসই’র আইপিও ইনডেক্সের গুরুত্ব, বাস্তবমুখীতা, বাস্তব উদাহরণ এবং ইনডেক্স কনস্ট্রাকশন প্রসেস সম্পর্কে বিস্তারিত কাগজপত্র ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনে দাখিলের নির্দেশনা দেয়া হয়। এর জবাবে গত ১১ এপ্রিল সিএসই বিএসইসি’র চাহিদা মাফিক প্রস্তাবনার সব কাগজপত্র কমিশনে দাখিল করেছে।

এ বিষয়ে সিএসই’র প্রধান নির্বাহী কর্মকমর্তা (সিইও) সৈয়দ সাজিদ বলেন, ‘শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারগুলো আলাদাভাবে নিয়ে যে ইনডেক্স তৈরি হবে তাকে আইপিও ইনডেক্স বলে। এ ইনডেক্সে কোনো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার পর প্রথম ২ বছর তাদের পারফরমেন্স কেমন, প্রাইস ওঠানামার অবস্থা, মার্কেট গতিবিধি কী তা পর্যবেক্ষণ করা যাবে। এ ধরণের ইনডেক্স বিশ্বের অনেক দেশে রয়েছে। বিশেষ করে ভারত ও মালয়েশিয়ায় রয়েছে এ ধরণের ইনডেক্স।’

তিনি আরো বলেন, ‘কোম্পানির পারফরমেন্স আলাদাভাবে দেখতে পারলে বিনিয়োগকারীরা উপকৃত হবেন। এছাড়া কোম্পানিগুলোর পারফরমেন্স, প্রাইস ওঠানামা, মার্কেট গতিবিধি ইত্যাদি দেখে বিনিয়োগকারীরা বিনয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।’

শেয়ারনিউজ২৪

 

সোনালী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২১ এপ্রিল থেকে সাবসক্রিপশন শুরু

আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল থেকে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, স্থানীয় অধিবাসীদের জন্য প্রতিষ্ঠানটির আইপিও আবেদন ২১ এপ্রিল শুরু হয়ে চলছে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকছে ৪ মে পর্যন্ত।

আইপিওর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজারে ১০ কোটি ইউনিট ছেড়ে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এজন্য প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি ইউনিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা এবং মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ ইউনিটে।

১০ বছর মেয়াদী ফান্ডটির এসেট ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি এসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।

ফান্ডটির উদ্যোক্তা সোনালী ব্যাংক এবং ট্রাস্টি হচ্ছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

শেয়ারনিউজ২৪