Monthly Archives: March 2013

হুমকির মুখে আইপিও বাজার

বেশ কিছুদিন বিনিয়োগকারীরা নতুন শেয়ারে আশানুরুপ মুনাফা করতে পারলেও সম্প্রতি পরিস্থিতি উল্টো দিকে মোড় নিয়েছে। ফলে নতুন শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ক্রমেই কমতে শুরু করেছে। আর এভাবে চলতে থাকলে নতুন কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমে যাবে যা আইপিও বাজারকে প্রভাবিত করবে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ, প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস, আর্গন ডেনিমস, সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার, গ্লোবাল হেভী কেমিক্যালস ইত্যাদি কোম্পানির শেয়ারে ইতিমধ্যে লোকসান গুণছেন বিনিয়োগকারীরা। যদিও লেনদেনের শুরুতে এসব শেয়ার থেকে বিনিয়োগকারীরা আশানুরুপ মুনাফা করতে পেরেছিলেন। বিগত কয়েক কার্যদিবস ধরে সেকেন্ডারি মার্কেটে মন্দা এবং নতুন কোম্পানির শেয়ারে প্রথম দিন থেকে মার্জিন লোন চালু থাকা না থাকা নিয়ে দোলাচলের কারণে আইপিও বাজার ক্রমেই স্তিমিত হচ্ছে বলে অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন।

এদিকে উপরোক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারে আইপিও বিজয়ীরা লাভবান হলেও ক্ষতির মুখে পড়েছেন যারা সেকেন্ডারি মার্কেট থেকে এসব শেয়ার কিনেছেন। কারণ, প্রায় প্রত্যেকটি শেয়ারের দর অর্ধেকের কাছাকাছি নেমে গেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, গ্লোবল হেভী কেমিক্যালস লিমিটেডের শেয়ার দর প্রথম কার্যদিবসে ৯৯.৪০ টাকায় লেনদেন হয়েছিল। এর পরবর্তী ১৪ কার্যদিবসে টানা পতনে এ শেয়ারের দর বর্তমানে ৫৮.৩০ টাকায় স্থির হয়েছে।

প্রিমিয়ার সিমেন্টের শেয়ার দর লেনদেনের ২য় কার্যদিবসে ছিল ১১৫ টাকা। এরপর ১৫ কার্যদিবসের ব্যবধানে এ শেয়ারের দর টানা পতনে ৬৭.৫ টাকায় নেমে এসেছে।

আর্গন ডেনিমসের শেয়ার প্রথম কার্যদিবসে ছিল ৮২ টাকা। ২৪ কার্যদিবসের ব্যবধানে এ শেয়ারের দর বর্তমানে ৪০.৬০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

লেনদেনের ১২ কার্যদিবসের মাথায় সামিট পূর্বাঞ্চলের দর ৯৪.৫০ টাকায় উঠেছিল। পরবর্তী ১৫ কার্যদিবসে এ শেয়ারের দর নেমে আসে ৬৬.৬০ টাকায়। তবে এ কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজির হয়েছে বলে ধারণা করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ইতিমধ্যে এজন্য একটি কমিটিও গঠন করেছে কমিশন। বর্তমানে এ শেয়ারের দর ৫৩.৩০ টাকা।

সর্বশেষ লেনদেন শুরু হওয়া কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক হতাশা। লোকসান কাটিয়ে লাভের মুখ দেখতে এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেও কোনো কাজ হয়নি। বরং লোকসানের পরিমান আরো বেড়েছে। নতুন কোম্পানি বাজারে এসে শুধুমাত্র আইপিও বিজয়ী বিনিয়োগকারীদের কিছুটা মুনাফা হয়েছে। সেকেন্ডারি মার্কেট অধিকহারে বিনিয়োগ হলেও লাভের মুখ দেখেনি কেউ। বিভিন্ন বিনিয়োগকারীর সঙ্গে কথা বলে এ ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, যে কোনো ব্যবসার জন্য ক্রেতা-বিক্রোর চাহিদা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি যেখানে মুনাফা করা যায় না সে বাজারে ক্রেতার অভাব হবে এটাই স্বাভাবিক। নতুন কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা যেহারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাতে আইপিও বাজার হোঁচট খেতে পারে।

শেয়ারনিউজ২৪

সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালসের আইপিও অনুমোদন

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি) সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন অনুমোদন করেছে। বুধবার কমিশনের ৪৭৩তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিএসইসি’র নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো: সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৪ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ব্যাংক থেকে গৃহীত ঋণ এবং আইপিওর খরচ খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২১ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ ১১.২৮ টাকা।

সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালসের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।


শেয়ারনিউজ২৪

প্রাইমারি বাজারে ধীরগতি গত দুই মাসে নতুন আইপিও অনুমোদন হয়নি

গত দুই মাসে নতুন করে কোনো কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দেয়নি শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ফলে আবারো প্রাইমারি বাজারে ধীরগতি পরিলক্ষিত হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসইসির এক শীর্ষ কমকর্তা বণিক বার্তাকে বলেন, অ্যাপোলো ইস্পাতের আইপিও অনুমোদন দেয়ার পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কোম্পানির আইপিও স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। বিএসইসি ওই কোম্পানির আইপিও স্থগিত রেখে পুনর্বিবেচনা শুরু করে। এতে স্বাভাবিকভাবে আইপিও অনুমোদন প্রক্রিয়া দেরি হচ্ছে। এছাড়া বর্তমান বাজারের লেনদেন পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিএসইসি নতুন আইপিওর অনুমোদন দেবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
মূলত কোম্পানিটির বিরুদ্ধে জালিয়াতি রয়েছে বলে এক নালিশের বিপরীতে অর্থমন্ত্রী বিএসইসিকে একটি চিঠি পাঠান। চিঠিতে অর্থমন্ত্রী অ্যাপোলো ইস্পাতের আইপিও প্রক্রিয়া স্থগিত রখে তদন্ত করার পরামর্শ দেন।
জানা গেছে, প্রতি মাসে দুটি কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দিতে চলতি বছরের শুরুতে কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়। এর মধ্যে একটি কোম্পানি অভিহিত মূল্যে ও একটি কোম্পানিকে প্রিমিয়ামে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন দেবে বলে জানা যায়। এদিকে বর্তমানে বিএসইসিতে ৫০টিরও বেশি কোম্পানির আইপিও অনুমোদনের জন্য আবেদন রয়েছে। বিএসইসি সর্বশেষ ২২ জানুয়ারি ফ্যামিলি টেক্সের আইপিও অনুমোদন দেয়।
জানা গেছে, ২০১২ সালে মোট ১০টি কোম্পানির  শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এসব কোম্পানি প্রায় ৭৭৪ কোটি ২৭ লাখ ২৮ হাজার টাকা সংগ্রহ করে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ সংগ্রহ করে ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস। এ কোম্পানি প্রায় ১৯৫ কোটি টাকা আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করে।
এদিকে চলতি বছরের তিন মাসে সাতটি কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এসব কোম্পানি ৫৯০ কোটি ৪০ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ সংগ্রহ করেছে ওরিয়ন ফার্মা, ২৪০ কোটি টাকা।
 বণিক বার্তা

১৩ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা উত্তোলন

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) এবং রাইট ইস্যূর মাধ্যমে বিগত ৫ বছরে দেশের পুঁজিবাজার থেকে প্রায় ১৩ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে বিভিন্ন কোম্পানি। এর মধ্যে আইপিওর মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ করেছে ৭৬ কোম্পানি আর প্রায় অর্ধশতাধিক কোম্পানি রাইট ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ করেছে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, বিগত ৫ বছরে আইপিওর মাধ্যমে ৯ হাজার ২২৯ কোটি টাকা এবং রাইট ইস্যূর মাধ্যমে ৪ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

২০০৮ সালে আইপিওর মাধ্যমে ১২ কোম্পানি ২২ কোটি ৯৪ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৮২৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। ২০০৯ সালে ১৮ কোম্পানি বাজারে আসে। কোম্পানিগুলো বাজারে ১৬১ কোটি ৬৭ লাখ ৮৯ হাজার শেয়ার ছেড়ে ২ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এরপর ২০১০ সালে বাজারে আরো ১৮ কোম্পানি আইপিও অনুমোদন নিয়ে তালিকাভুক্ত হয়। বাজারে এসব কোম্পানি ২৩৩ কোটি ১০ লাখ ৭৭ হাজার শেয়ার ছেড়ে ২ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। পরের বছর ২০১১ সালে আইপিওতে আসে আরো ১৪ কোম্পানি। এসব কোম্পানি বাজারে ১৩৩ কোটি ৬৪ লাখ ৭ হাজার শেয়ার ছেড়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১ হাজার ৮৭৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। ২০১২ সালে আইপিওর মাধ্যমে ১৪ কোম্পানি বাজারে ১৮১ কোটি ৭৫ লাখ ১৫ হাজার শেয়ার ছেড়ে ১ হাজার ৫৫৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে।

একই সময়ে প্রায় অর্ধশতাধিক কোম্পানি বিএসইসি থেকে রাইট ইস্যুর অনুমোদন নিয়ে ২৫২ কোটি ৬৭ লাখ ১৪ হাজার শেয়ারের বিপরীতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে।

এর মধ্যে ২০০৮ সালে রাইট শেয়ার ছেড়ে ২১১ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এরপরে ২০০৯ সালে ৪ কোটি ৩০ লাখ ২৮ হাজার রাইট শেয়ারের বিপরীতে ২৪২ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এরপর ২০১০ সালে ৮৮ কোটি ৪০ লাখ ৮৯ হাজার শেয়ারের বিপরীতে ১ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা, ২০১১ সালে ১১৬ কোটি ৯৯ লাখ শেয়ারের বিপরীতে সংগ্রহ করা হয় ১ হাজার ৮৫৮ কোটি টাকা এবং ২০১২ সালে বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে ৪৯৭ কোটি টাকা।

বিনিয়োগকারী ও বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোম্পানিগুলো তাদের স্বার্থের প্রয়োজনে বাজার থেকে ক্যাপিটাল রেইজের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে কোম্পানি ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হলেও বিনিয়োগকারীদের ভাগ্যে উল্লেখযোগ কিছু জোটেনি। কারণ, পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের পর সে অর্থ কোথায় কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সে ব্যাপারে সঠিক তথ্য জানার কোনো উপায় নাই। বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাও এ ব্যাপারে উদাসীন। ফলে কোম্পানি লাভ করল না লোকসান করল তারও সঠিক তথ্য জানা যায় না। অর্থাৎ মূলধনের যোগান দিয়ে আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন হয়নি বলে বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন।

শেয়ারনিউজ২৪

ওরিয়ন ফার্মার প্লেসমেন্টে লোকসান ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে মামলা

ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেডের প্লেসমেন্ট শেয়ারের দরের তুলনায় কম মূল্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন দেয়ায় উচ্চ আদালতে মামলা করেছেন র্যাংগস গ্রুপের করপোরেট কমিটির দুই সদস্য। প্লেসমেন্টধারীরা ওরিয়ন ফার্মার প্রতিটি শেয়ার ১০০ টাকায় ক্রয় করলেও শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইপিওতে শেয়ারপ্রতি বরাদ্দ মূল্য ৬০ টাকায় অনুমোদন দেয়। এতে প্লেসমেন্টধারীরা বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির স্বীকার হয়েছেন বলে অভিযোগ তোলেন। লোকসান হওয়া ওই অর্থ ফেরতের বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওরিয়ন ফার্মার লেনদেনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।
র্যাংগস গ্রুপের করপোরেট কমিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান জাকিয়া রউফ চৌধুরী ও পরিচালক রোমানা রউফ চৌধুরী লোকসানি অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। এছাড়া নাসরিন জমির নামে অন্য এক ব্যক্তিও একই আবেদন জানিয়ে আরো একটি রিট দায়ের করেছেন। ওই তিনজন প্লেসমেন্টে ওরিয়ন ফার্মার প্রতিটি শেয়ার ১০০ টাকা মূল্যে ক্রয় করেন। এর মধ্যে রোমানা রউফ চৌধুরী ২ লাখ, জাকিয়া রউফ চৌধুরী ও নাসরিন জমির ১০ হাজার করে শেয়ার ক্রয় করেন। রিট পিটিশনারের পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এসএম জাহাঙ্গীর আলম বণিক বার্তাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। যেহেতু এটি বিচারাধীন বিষয়, তাই এ কোম্পানির লেনদেনে স্থগিতাদেশ আরোপে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে চিঠি দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০ মার্চ উভয় শেয়ারবাজারে ওরিয়ন ফার্মার লেনদেন শুরুর দিন ধার্য রয়েছে। রিট পিটিশনারের পক্ষের আইনজীবীর চিঠি পেয়ে গতকাল দুপুরে এ কোম্পানির লেনদেনে ডিএসই স্থগিতাদেশ দিলেও মামলায় আদালতের কোনো নির্দেশনা না থাকায় পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। আজ নির্ধারিত সময়ে ওরিয়ন ফার্মার লেনদেন শুরু হবে।
মামলা দায়ের প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট এসএম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ওরিয়ন ফার্মার প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রির সময় শেয়ার মূল্য বেশি দেখানো হয়েছে। পরে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) প্লেসমেন্ট শেয়ারের তুলনায় ৪০ টাকা কমে আইপিও অনুমোদন দেয়। এতে প্লেসমেন্টধারীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির স্বীকার হন। রিট পিটিশনে প্লেসমেন্টধারীর লোকসানি অর্থ ফেরত অথবা সমপরিমাণের শেয়ার দিতে কোম্পানির প্রতি দাবি জানানো হয়েছে। মামলায় ওরিয়ন ফার্মা ছাড়াও বিএসইসি, দুই স্টক এক্সচেঞ্জসহ মোট ছয় প্রতিষ্ঠানকে বিবাদী করা হয়েছে।
মামলায় বিবদীদের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না— মর্মে রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিলম্ব না করে বাদীর আবেদন নিষ্পত্তিতে বিএসইসিকে নির্দেশনা দেয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ওরিয়ন ফার্মার তালিকাভুক্তি ও লেনদেনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। মামলাটি বিচারপতি হাসান ফায়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি এবিএম আলতাফ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। অবকাশ শেষ হলে ওই বেঞ্চে শুনানি শুরু হবে।
উল্লেখ্য, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির আগেই ২০১০ সালে ওরিয়ন ফার্মা প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ৭৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। প্লেসমেন্টে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ার ১০০ টাকায় (৯০ টাকা প্রিমিয়ামসহ) বিক্রি করা হয়।
গত বছরের ১৬ অক্টোবর ওরিয়ন ফার্মাকে আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন দেয় বিএসইসি। ১০ টাকা অভিহিত  মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য ৬০ টাকায় (৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ) অনুমোদন দেয়া হয়। কোম্পানিটি চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমন্বিত নিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী, এ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৫ টাকা ৫৭ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৭৬ টাকা ৮৬ পয়সা।
শেয়ারবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করার পর ৬ মার্চ ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেডকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। শেয়ারহোল্ডারদের বিও হিসাবে ওরিয়ন ফার্মার আইপিওতে পাওয়া শেয়ার জমা হওয়ার পর ডিএসইর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ২০ মার্চ লেনদেন শুরুর দিন ধার্য করে।
ওরিয়ন ফার্মার আইপিও-পূর্ববর্তী পরিশোধিত মূলধন হচ্ছে ১৫৫ কোটি টাকা, যা আইপিও-পরবর্তিতে ১৯৫ কোটি টাকায় দাঁড়াবে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
 বণিক বার্তা

ওরিয়ন ফার্মার লেনদেন শুরু আজ

আজ থেকে দেশের উভয় পুঁজিবাজারে ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, কোম্পানির লেনদেন ‘এন’ ক্যাটাগরিতে শুরু হবে। ওরিয়ন ফার্মার ডিএসই ট্রেডিং কোড হচ্ছে ‘ওআরআইওএনপিএইচএআরএম’ এবং ডিএসই কোম্পানি কোড হচ্ছে ১৮৪৮৬। গত ৬ মার্চ বিকেলে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় কোম্পানির লেনদেনের অনুমোদন দেয়া হয়।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন অনুসারে গত ৬ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির আইপিও আবেদন সংগ্রহ করা হয়। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত।
কোম্পানি বাজারে ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৬০ টাকা প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণ করে দেয় বিএসইসি। মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০টি শেয়ারে।

প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের মূলধন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বীমা খাতের প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ২০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১২৫ কোটি টাকায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ এ সিদ্ধান্ত অনুমোদনের জন্য বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে আগামী ১৭ এপ্রিল। ওইদিন বিকেল ৪টায় রাজধানীর ১২৫ মতিঝিল সি/এ বাংলাদেশ কোঅপারেটিভ বুক সোসাইটি লিমিটেডে এ ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট আগামী ২ এপ্রিল।

দৈনিক জনকন্ঠ

ওরিয়নের লেনদেন কাল থেকেই শুরু হবে

আইনজীবি ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হওয়ায় আগামীকাল থেকেই ওরিয়ন ফার্মার লেনদেন শুরু হবে।

 

শেয়ারনিউজ২৪

ওরিয়ন ফার্মার লেনদেন আপাতত শুরু হচ্ছে না

আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে আগামীকাল থেকে ওরিয়ন ফার্মার লেনদেন শুরু হচ্ছে না। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা এসেছে বলে জানিয়েছেন ডিএসই’র লিস্টিং বিভাগের জিএম নিজাম উদ্দিন আহমেদ।

তবে কোন মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের এ নির্দেশনা বা কতদিন পর্যন্ত লেনদেন স্থগিত রাখা হবে সে ব্যাপারে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।আদালতে রিট পিটিশন নং-২৮৭৩/২০১৩ এর রুল নিশি অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ কোম্পানির লেনদেন শুরু হবে না।

এদিকে, প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন আগামীকাল ২০ মার্চ থেকে দেশের উভয় পুঁজিবাজারে শুরু হওয়ার কথা ছিল।

ওরিয়ন ফার্মার ডিএসই ট্রেডিং কোড নির্ধারণ করা হয়েছিল “ঙজওঙঘচঐঅজগ”  এবং ডিএসই কোম্পানি কোড নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮৪৮৬।

এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। লটারির আগে ৬ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত আইপিও আবেদন গ্রহণ করা হয়। প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ এ শেয়ারের প্রাথমিক দর নির্ধারণ করা হয় ৬০ টাকা।

ওরিয়ন ফার্মার ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪

ওরিয়ন ফার্মার লেনদেন শুরু বুধবার

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের পরে ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেডের শেয়ার আগামীকাল বুধবার থেকে দেশের উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেন হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, কোম্পানির লেনদেন ‘এন’ ক্যাটাগরিতে শুরু হবে। ওরিয়ন ফার্মার ডিএসই ট্রেডিং কোড হচ্ছে ‘ওআরআইওএনপিএইচএআরএম’ এবং ডিএসই কোম্পানি কোড হচ্ছে ১৮৪৮৬। গত ৬ মার্চ বিকেলে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় কোম্পানির লেনদেনের অনুমোদন দেয়া হয়। এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) এর অনুমোদন অনুসারে গত ৬ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের আইপিওতে আবেদন সংগ্রহ করা হয়। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত।
কোম্পানি বাজারে ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৬০ টাকা প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণ করে দেয় বিএসইসি। মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০টি শেয়ারে।
কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, ওরিয়ন ফার্মা বাংলাদেশে ১৯৬৫ সাল থেকে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। কোম্পানি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এবং এফডিএ স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী একটি নতুন ফ্যাক্টরি স্থাপন করতে যাচ্ছে, যা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। নতুন ফ্যাক্টরিতে কাজ শুরু হলে কোম্পানির উৎপাদন কয়েক গুণ বাড়বে। বর্তমানে ওরিয়ন গ্রুপ ফার্মাসিউটিক্যালস ব্যবসা ছাড়াও বিদ্যুত উৎপাদন, ফ্লাইওভার নির্মাণ, কম্পোজিট টেক্সটাইল, এ্যাগ্রো-প্রোডাক্টসহ আরও অনেক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এছাড়াও ওরিয়ন গ্রুপ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপন করতে যাচ্ছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১১ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয় ৫ দশমিক ৫৭ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয় ৭৬ দশমিক ৮৭ টাকা। ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

দৈনিক জনকন্ঠ

আইপিও অনুমোদন নিয়ে অসন্তোষ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য নতুন কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে মূলধন উত্তোলনের অনুমোদন নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার বেহিসেবি আইপিও অনুমোদনকেই দুষছেন তাঁরা। তাঁদের মতে, অতীতের কোন কোন মাসে ৩ থেকে ৪ কোম্পানির আইপিওর অনুমোদন দেয়া হয়েছে। একই মাসে বেশি আবেদনের কারণে বিনিয়োগকারীরা ইচ্ছা থাকলেও আবেদন করতে পারেনি। কিন্তু এখন আবার কোন কোন মাসে আইপিওই থাকছে না। তাদের মতে, এটা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কারণ তাদের অভিমত, আইপিও অনুমোদন দেয়ার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) আরও হিসেবি হতে হবে। সেক্ষেত্রে একসঙ্গে ৩ বা ৪টি কোম্পানির অনুমোদন না দিয়ে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ২টি কোম্পানির অনুমোদন দেয়া যেতে পারে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বলেন, বর্তমানে আইপিওর বাজার সন্তোষজনক। বর্তমানে এটি লোকসান কাটাতে সামান্য হলেও অবদান রাখছে। কিন্তু এক মাসে ৩ বা ৪টি আইপিও থাকলে আমরা পুঁজির অভাবে আবেদন করতে পারি না। ফলে লাভবান হয় বড় পুঁজির বিনিয়োগকারীরা। কারণ এসব বিনিয়োগকারীর প্রচুর বিও এ্যাকাউন্ট থাকে। সেই কারণে প্রতিমাসে যদি ১ বা ২টি করে আইপিও থাকে, তা আমাদের জন্য ভাল হয়। তাঁরা বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করে বিএসইসির ওপর। তারা চাইলে সহজেই বিষয়টির সমাধান হতে পারে।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে বেশকিছু কোম্পানি বাজারে আসার অপেক্ষায় রয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছর বাজারে আসছে রেকর্ড সংখ্যক কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। তালিকাভুক্ত অপেক্ষায় থাকা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ৫০টি।
জানা যায়, ২০১৩-এর শেষ নাগাদ ব্যাংক, বীমা, ফার্মাসিউটিক্যালস, পাওয়ার, টেলিকমিউনিকেশন ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ অন্য খাতের প্রায় ৬০টি নতুন কোম্পানি বাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে। ডিএসইর এক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, নতুন এসব কোম্পানি বাজারে আসার ব্যাপারে সবাই আন্তরিক। প্রয়োজনে ছোটখাটো কিছু সমস্যা থাকলে তার সমাধান দিয়ে এসব কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসা হবে। এতে একদিকে যেমন বাজার সম্প্রসারিত হবে, অন্যদিকে কেটে যাবে চলমান শেয়ার সঙ্কট এমন অভিমত প্রকাশ করেছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, বর্তমানে বাজারে আসার জন্য বিএসইসিতে আবেদন করছে প্রায় অর্ধশত কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। অন্যদিকে পুঁজিবাজার নিয়ে সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের কারণে এখন অনেক কোম্পানি বাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আগ্রহী হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে বাজারে আসার জন্য যোগাযোগ করছে প্রায় ১০০টি কোম্পানি।
পুঁজিবাজারে বিকাশ ঘটিয়ে আস্থা ফেরাতে তৎপর হয়ে উঠেছে বিএসইসি, ডিএসই, সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবাই। বিষয়টি মাথায় রেখে বেসরকারী কোম্পানিগুলো বাজারে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে পূর্ব থেকেই। এজন্য তালিকাভুক্তির শর্ত শিথিল করা হয়েছে। পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৪০ কোটি থেকে কমিয়ে ৩০ কোটিতে আনা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট মোঃ রকিবুর রহমান বলেন, আমাদের প্রচেষ্টা এবং সরকারের সহযোগিতার জন্য দেশের পুঁজিবাজার সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বড় কোম্পানির পাশাপাশি ছোট কোম্পানি শেয়ার বাজারে আসা দরকার। সেই কারণে কোম্পানি বাজারে আসতে পরিশোধিত মূলধনের শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, আশা করি এ বছরের মধ্যে বাজারের বর্তমান অবস্থা আরও আধুনিক রূপ পাবে।

দৈনিক জনকন্ঠ