Monthly Archives: February 2013

BSEC Halts IPO Subscription Of Apollo Ispat Complex Limited

The Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) has suspended IPO subscription of Apollo Ispat Complex Limited responding to finance ministry’s directive.

 

The IPO subscription of Appolo Ispat Complex was scheduled to start on March 3, 2013.

The decision came from a commission meeting held on Tuesday chaired by its chairman M Khairul Hossain.

 

Earlier on February 7, Finance Minister AMA Muhith asked the BSEC to postponed subscription of initial public offerings (IPO) of Apollo Ispat Complex Limited as the ministry found various irregularities against the company.

Finance minister also directed the market regulator to take stern actions against the forgery and illegal activities of the company.

 

The commission in a statement said that the BSEC approved the IPO complying Securities and Exchange Commission (public issue) Rules, 2006.

 

 

The commission also said that according to the Bangladesh Bank CIB reports the commission did not find any loan defaulters or tax defaulter among the company’s directors or shares holders.

 

 

The stock regulator also said a share holder brought allegation against the AICL management but the commission did not respond to his allegation as he holds shares less than 5 percent.

 

The BSEC cancelled the IPO prospectus in 2011 as it found irregularities and fabricated information in the prospectus.

 

Earlier, on December 13, last year the BSEC approved the initial public offering (IPO) of Apollo Ispat Complex to raise Tk 2.20 billion from the public.

 

The company opted to offload 100 million ordinary shares of Tk 10 each at an offer price of Tk 22 including a premium of Tk 12.

The company has reported earning per share (EPS) of Tk 2.36 and net asset value (NAV) of Tk 22.59, according to financial report ended on June 30, 2012.

Source: Sharenews24

এপোলো ইস্পাতের আইপিও স্থগিত

দুর্নীতির অভিযোগ এবং অর্থমন্ত্রীর সুপারিশের প্রেক্ষিতে এপোলো ইস্পাতের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে। ড. খায়রুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের ৪৬৮তম সভায় আজ এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক এবং মূখপাত্র সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সভায় কমিশন কর্তৃক ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ইং তারিখে প্রাপ্ত মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের পত্রের প্রেক্ষিতে এপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড (এআইসিএল) এর প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) এর চাঁদা গ্রহণ আপাতত স্থগিত করে মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের পরামর্শ অনুযায়ী কতিপয় বিষয়ে অধিকতর তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

প্রসঙ্গত, এআইসিএল এর আইপিও সংক্রান্ত বিষয় ও কমিশন কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ নিম্নরূপ-

এআইসিএল গত ২০.১০.২০১১ ইং তারিখে শেয়ারপ্রতি ৭০ টাকা (শেয়ারপ্রতি ৬০ টাকা প্রিমিয়ামসহ) ইস্যু মূল্যে ৫ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার সাধারণ শেয়ার আইপিও প্রস্তাবের মাধ্যমে ইস্যু করার জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করে।

গত ২০.০৩.২০১২ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত ৪২৫তম কমিশন সভার পর্যালোচনায় জমাকৃত প্রতিবেদনে অসঙ্গতি লক্ষ্য করে। এর প্রেক্ষিতে অসত্য তথ্য প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট অডিটর, মূল্য নিরূপক, ইসু্যুয়ার ও ইস্যু ম্যানেজার এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট নথিটি এনফোর্সমেন্ট বিভাগে প্রেরণ করা হয় এবং একই সঙ্গে আইপিও প্রস্তাবটি বাতিল করা হয়।

গত ১৪.০৬.২০১২ ইং তারিখে কমিশনের আদেশ নং-এসইসি/এনফোর্সমেন্ট/১০২৯/২০১২/৩৩৬,৩৩৮, ৩৪০ ও ৩৪২ এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অডিটর (মেসার্স জোহা জামান কবির রশিদ অ্যান্ড কোং), ইস্যুয়ার (এআইসিএল) ও ইস্যু ম্যানেজার (আইসিবি ক্যাপিট্যাল ম্যানেজমেন্ট লি.) এর প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা ধার্য করে। একই সঙ্গে মূল্য নিরূপক (মেসার্স মসি মুহিত হক অ্যান্ড কোং) কে দুুই লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করে।

পরবর্তীতে এআইসিএল গত ২৩.১০.২০১২ ইং তারিখে নতুন আর্থিক প্রতিবেদনসহ কমিশনের নিকট পুনরায় আবেদন করে। আবেদনপত্রের সঙ্গে এ মতিন অ্যান্ড কোম্পানি কর্তৃক ৩০.০৬.২০১২ ইং তারিখে সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ইস্যু ম্যানেজার আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লি. ও ৭টি অবলেখক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত ডিউডিলিজেন্স সনদ, ক্রেডিট রেটিং এজেন্সী অব বাংলাদেশ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ক্রেডিট রেটিং রিপোর্ট এ ওভাব অ্যান্ড কোং কর্তৃক প্রস্তুতকৃত সম্পদ মূল্যায়ন রিপোর্ট এবং কমিশন আইন অনুযায়ী অন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি দাখিল করে।

অতঃপর কমিশন সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান অনুযায়ী আলোচ্য আবেদনটি পুনরায় পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করে। গত ২৯.১১.২০১২ ইং তারিখে কোম্পানিটির প্রসপেক্টাস, নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী ও অন্যান্য কাগজপত্র পরীক্ষান্তে একটি ডেফিসিয়েন্সী পত্র (বিভিন্ন অসম্পূর্ণ তথ্য ও দলিলাদি জমা দেয়ার নির্দেশ) ইস্যু করা হয়। গত ০২.১২.২০১২ ইং তারিখে কমিশনের ডেফিসিয়েন্সী পত্রে উত্তর সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও তথ্যাদিসহ এআইসিএল কমিশনে প্রেরণ করে।

গত ১১.১২.২০১২ ইং তারিখে এআইসিএল এর সকল পরিচালক ও ৫ শতাংশ ও তার অধিক শেয়ার ধারণকারীদের সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত সিআইবি রিপোর্ট পাওয়া যায়। যাতে দেখা যায়, এআইসিএল এবং তার সংশ্লিষ্ট ৯জন পরিচালকের সকলেই ঋণ খেলাপী থেকে মুক্ত। উল্লেখ্য, কমিশন আইপিও অনুমোদন করার কিছুদিন পরে এআইসিএল এর একজন শেয়ারহোল্ডার উক্ত কোম্পানির ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ দাখিল করেন। পরীক্ষান্তে দেখা যায় যে, অভিযোগকারীর ধারণকৃত শেয়ারের পরিমান ৫ শতাংশের নীচে হওয়ায় বিষয়টি আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে বিবেচনার সুযোগ ছিল না। এখানে আরো উল্লেখ্য যে, বর্তমান আইন অনুযায়ী শুধুমাত্র কোম্পানির পরিচালক এবং ৫ শতাংশ ও তার অধিক শেয়ারধারীদের জন্যই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সিআইবি রিপোর্ট আনার শর্ত রয়েছে।

অতঃপর গত ১৩.১২.২০১২ ইং তারিখে ৪৬০তম কমিশন সভায় কোম্পানি কর্তৃক প্রস্তাবিত ২২ টাকা  (শেয়ারপ্রতি ১২ টাকা প্রিমিয়াসহ) ইস্যু মূল্যে ১০ কোটি সাধারণ শেয়ার আইপিও এর মাধ্যমে ইস্যুর প্রস্তাবে অনুমোদন প্রদান করা হয়।

এখানে উল্লেখ্য যে, কমিশন এআইসিএল এর প্রস্তাব অনুমোদনের ক্ষেত্রে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস, ২০০৬ এবং সংশ্লিষ্ট বিধি বিধান বিবেচনায় এনে অন্যান্য কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) এর অনুমোদন যেভাবে করে একই প্রক্রিয়া এবং মানদন্ড অনুসরণ করে বর্ণিত আবেদনের সম্মতি প্রদান করে।

সূত্রঃ শেয়ারনিউজ২৪

তালিকাভুক্তির অনুমোদন পেল দুটি কোম্পানি

আরগন ডেনিমস ও প্রিমিয়ার সিমেন্ট ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্তির অনুমোদন পেয়েছে। গত রোববার ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
এখন তালিকাভুক্তির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বাজারে কোম্পানি দুটির লেনদেন শুরু হবে।
আরগন ডেনিমস প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মাধ্যমে প্রায় ১০৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের (ফেসভ্যালু) সঙ্গে ২৫ টাকা অধিমূল্য বা প্রিমিয়াম যোগ করে আইপিওতে প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ৩৫ টাকা।
প্রিমিয়ার সিমেন্ট আইপিওর মাধ্যমে ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১২ টাকা অধিমূল্য যোগ করে আইপিওতে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ২২ টাকা।

বেঙ্গল উইন্ডসোরের আইপিওতে সাড়ে ১২ গুণ আবেদন

বেঙ্গল ইউন্ডসোর থার্মোপ্লাষ্টিকের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে সাড়ে ১২ গুণ বেশি (টাকার অংকে) আবেদন জমা পড়েছে। অর্থাৎ এ কোম্পানির আইপিওতে মোট জমা পড়েছে ৪৯৮ কোটি টাকার আবেদন (গত ৭ ফেব্রুয়ারি হিসাব অনুযায়ী)।  আর কোম্পানিটি বাজার থেকে সংগ্রহ করবে ৪০ কোটি টাকা। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, এ কোম্পানির আইপিওতে মোট আবেদন জমা পড়েছে ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯০টি। টাকার পরিমাণে মোট ৪৯৮ কোটি ৯৩ লাখ ৩০ হাজার ৬২ টাকা। এর মধ্যে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদন জমা পড়েছে ১৫ হাজার ৫০০টি। টাকার পরিমাণে জমা পড়েছে ৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

এর আগে গত ২৭ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা আইপিও আবেদন জমা দেন। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল গত ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ জন্য ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ টাকা।

৩০ জুন ২০১১ হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয় ৩.৬২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) হয় ১৯.৫০ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

এ্যাপোলো ইস্পাতের আইপিও বাতিলের নির্দেশ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে এ্যাপোলো ইস্পাতের পুঁজিবাজার থেকে মূলধন উত্তোলনের অনুমোদন বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিভিন্ন গুরুতর অনিয়মের অভিযোগে পুঁজি উত্তোলনের প্রক্রিয়াটি বাতিলের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) চিঠিও দিয়েছেন মন্ত্রী। বুধবার সকালে বিএসইসিতে পাঠানো একই চিঠি বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ও আইসিবি’র কাছেও পাঠানো হয়েছে। নির্ভরশীল সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। একই চিঠি কোম্পানির চেয়ারম্যান দীন মোহাম্মদকেও পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন অনিয়ম দ্রুত তদন্তের নির্দেশও দেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। এ্যাপোলো ইস্পাতের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিরাজুল ইসলামের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে কোম্পানির আইপিও অনুমোদনের আগে মূলধন বাড়ানোর প্রক্রিয়া এবং বেশ কিছু অনিয়মের বিষয়ে বিএসইসি, আইসিবি, অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। ধারণা করা হয়েছে, এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর চিঠিতে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, আইপিও’র মাধ্যমে পুঁজি তুলে কোম্পানি সম্পদ নিয়ে সরে যেতে পারে। সিরাজুল ইসলামের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, নব্বইয়ের দশকের শেষে ম্যাক নামে একটি প্রতিষ্ঠান অনেক প্রিমিয়াম নিয়ে আইপিওতে যায়। আমার দুভার্গ্য যে, ওই লটারিতে আমি নিজেও কিছু শেয়ার পেয়েছিলাম। আর এ্যাপোলো ইস্পাত এই ধরনের একটি প্রতিষ্ঠান। তাই তাদের ব্যাপারে তদন্ত করা উচিত। অর্থমন্ত্রীর চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, বিতারিত শেয়ার হোল্ডাদের স্বার্থ, রাজস্ব বোর্ডে দেনা, লোকাল এলসির মাধ্যমে তারা কি রকম চুরি করেছে, সে ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা এবং প্রতিষ্ঠানের বর্তমান ব্যবসা বাণিজ্যের হিসাব নিকাশ তদন্ত করা উচিত।
চিঠিতে আরও বলা হয়, কোম্পানি এনবিআরের করখেলাপী হিসেবে চিহ্নিত। বিষয়টি নিয়ে মামলা চলছে। তিনি বলেন, বিষয়টি তার দৃষ্টিতে এসেছে। কারণ মন্ত্রী নিজেও এ ধরনের একটি জালিয়াতি কোম্পানির শিকার বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
ডিএসইর সভাপতি রকিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি সম্পূর্ণ বিএসইসির এখতিয়ার। কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেবেন আর কোন কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়া স্থগিত করবেন তাদের ওপর নির্ভর করছে। এর আগে গত বছরের ২৯ মার্চ বিএসইসি’র ৪২৫তম কমিশন সভায় এ্যাপোলো ইস্পাতের আইপিও আবেদন নামঞ্জুর করেছে সংস্থাটি।
এ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স আইপিও আবেদনে অসত্য তথ্য প্রদান করায় সংশ্লিষ্ট অডিটর, মূল্য নিরূপক (ভ্যালুয়ার), ইস্যুয়ার ও ইস্যু ম্যানেজারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি নথি এসইসি’র এনফোর্সমেন্ট বিভাগে প্রেরণের লক্ষ্যে ক্যাপিটাল ইস্যু বিভাগকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বিএসইসি’র পরিচালক আবুল কালাম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে আইপিও আবেদন নামঞ্জুর করার কারণ সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে, অন্যের জমি যা প্রসপেক্টাসে এ্যাপোলো ইস্পাতের নামে দেখানো এবং দাখিলকৃত প্রসপেক্টাসে ১৪.৭৩১৫ একর জমিকে পুনর্মূল্যায়ন করে ১৫৭ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা (প্রায়) ৩০ জুন ২০১১ সালের সমাপ্ত আর্থিক প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে।
দেখা গেছে, ওই জমি পুনর্মূল্যায়নের পর ১২৫ কোটি টাকা বেশি দেখানো হয়েছে এবং ৩০ জুন ২০১১ সালের সমাপ্ত আর্থিক প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হয়েছে। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর বিএসইসি’র ৪৬০তম কমিশন সভায় পুনরায় আইপিওর টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেয়।
কোম্পানি অনুমোদিত মূলধনের পরিমাণ ৫শ’ কোটি টাকা আর পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১৫০ কোটি টাকা। কোম্পানি পুঁজিবাজার থেকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১২ টাকা প্রিমিয়াম নিয়ে মোট ২২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। আইপিও’র মাধ্যমে সংগৃহীত টাকা দিয়ে কোম্পানি এনওএফ নামের নতুন একটি প্লান্ট স্থাপন করবে এবং ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করা হবে। ২০১২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের হিসাবে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় দেখানো হয়েছে ২.৩৬ টাকা। এবং নেট এ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) দেখানো হয়েছে ১৪.৯৪ টাকা। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিট্যাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

ওরিয়ন ফার্মার আইপিও লটারির ফলাফলের সারসংক্ষেপ

আইপিওতে ক্ষতিগ্রস্ত কোটায় যারা আবেদন করেছেন তাদের জন্য লটারি হয়নি। তারা সবাই এলোটমেন্ট পাবেন। এদের তথ্য রেজাণ্টে থাকবে না। এছাড়া এনআরবি কোটায় যারা আবেদন করেছিলেন তারা সবাই এলোটমেন্ট পাবেন। অর্থাৎ তাদের ক্ষেত্রেও লটারি হয়নি। সুতরাং রেজাল্টে তাদের ব্যাপারে কোনো তথ্য থাকবে না।

একইভাবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যারা একাধিক আবেদন (মাল্টিপল) করেছেন তাদের জন্য লটারি করা হয়েছে। তবে যারা শুধুমাত্র একটি বিও দিয়ে এক লটের জন্য আবেদন করেছেন তারা এলোটমেন্ট (বরাদ্দপত্র) পাবেন। অর্থাৎ তাদের আবেদনের লটারি হয়নি। সুতরাং রেজাল্টে তাদের তথ্যও থাকবে না। যারা একটি বিও থেকে একাধিক লটের জন্য আবেদন করেছেন তাদের জন্য লটারি হয়েছে এবং রেজাল্ট প্রকাশিত হয়েছে কেবল তাদের জন্যই।

প্রতিষ্ঠানটির আইপিওতে ২৪০ কোটি টাকার বিপরীতে ২৫২ কোটি ৮৮ লাখ ৪৪ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়ে। যা মোট টাকার ১.০৫ গুন। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে থেকে ১৮৪ কোটি ৩৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২৭ কোটি ৭৭ লাখ ১০ হাজার টাকা, এনআরবিদের কাছ থেকে ৮ কোটি ৭২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের ৩২ কোটি ৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়ে।

IPO result of Orion Pharma

IPO result of Orion Pharma is published. You will get the result from http://www.bdipo.com/companies/53/results/search

To summarize the result:

1. All the affected applicants will get the allotment.

2. All the NRB applicants will get the allotment.

3. All the general applicants who applied for 1 lot will get allotment.

4. Lottery was conducted for those general investors who applied for multiple lot.

সিএপিএম ইউনিট ফান্ডের খসড়া অনুমোদন

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (বিএসইবি) সিএপিএম ইউনিট ফান্ড নামক একটি বে-মেয়াদী মিউচ্যুয়াল ফান্ডের খসড়া ট্রাস্ট ডীড এবং বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা চুক্তি অনুমোদন করেছে। বুধবার বিএসইসির ৪৬৭তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিএসইসি’র নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, অনুমোদন দেয়া মিউচ্যুয়াল ফান্ডটির আকার হচ্ছে ১০ কোটি টাকা এবং এর সম্পদ ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে ক্যাপিটাল অ্যান্ড অ্যাসেট পোর্টফলিও ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।

Textile firms line up to raise funds from public

Textile companies opt to raise funds from the capital market instead of the banking sources as banks have taken a cautious stance in disbursing industrial credits.

The recent loan scams, mounting classified loans in banks and the possible volatility centring the upcoming national election have made the banks more careful, bankers said.

Recently, around 50 companies from different sectors submitted prospectuses for initial public offerings to the Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC).

Of the companies, 15 from the textile sector want to raise Tk 1,670 crore, according to the BSEC.

Some of the companies asked for a premium of up to Tk 40 for each share of Tk 10.

Most of the IPO requests were from the textile sector, according to the regulator and the Dhaka Stock Exchange.

A DSE official said it is urgent to ensure proper enforcement of IPO rules and regulations, particularly about the uses of funds.

“The textile companies want to raise funds from the capital market due to low interest rates,” said Syed Mahbubur Rahman, managing director of BRAC Bank.

Cost of capital increased in the banking sector, which in turn hiked interest rates for lending to 15-16 percent, Rahman said, adding that bankers always prefer companies with good performances to disburse industrial credits, he said.

Some banks have adopted a go-slow policy in disbursing credits because of the upcoming national election, he said.

The textile companies now prefer the capital market, as they will not need to worry about high interest rates, said Md Fakhrul Alam, deputy managing director of Eastern Bank.

Textile firms were attracted to the stockmarket, as the market is getting stronger slowly, he said.

Among the 242 listed companies of 18 different sectors, 28 are from the textile sector, according to the DSE.

Banks eat up a significant portion of the profit of the textile companies in the form of interest, said Monsoor Ahmed, secretary of Bangladesh Textile Mills Association.

The companies can easily repay the bank loans by raising capital through IPOs or offloading shares, Ahmed said.

However, Ahasanul Islam, a director of the DSE, called for caution before giving approvals to the new IPOs, including those from the textile sector, to protect investor interest as many companies are coming to obtain easy funds.

Islam, also a vice president of Bangladesh Insurance Association, stressed transparency in the accounting process as some companies are revaluing assets to increase earnings for higher premium in IPOs.

“We are studying the IPO prospectuses,” an official of the BSEC said, asking not to be named as he is not the right person to talk to the media.

The regulator will give green light to the companies that will comply with the securities rules, he said, adding: “The BSEC will not give in to any political pressure while approving the IPOs.”

The companies awaiting the IPO approvals are: Far East Knitting and Dyeing, Keya Cotton Mills, Paramount Textiles, Hamid Fabrics, MP Spinning Mills, Matin Spinning Mills, Keya Spinning Mills, Dragon Sweater and Spinning, Mozaffar Hossain Spinning Mills, Tung Hai Knitting and Dyeing, Fiber Shine, Hwa Well Textiles (BD), Royal Denim, Shasha Denims, and Aman Cotton Fibrous.

The regulator on January 22 approved the IPO proposal of Familytexbd, a garment maker and exporter, who will offload 34 million ordinary shares at an offer price of Tk 10 to raise Tk 34 crore.

সামিট এ্যালায়েন্স পোর্টকে মূলধন উত্তোলনের অনুমোদন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সার্ভিস এ্যান্ড রিয়েল এস্টেট খাতের কোম্পানি সামিট এ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেডকে মূলধন উত্তোলনের অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, সার্ভিস এ্যান্ড রিয়েল এস্টেট খাতের আরেক কোম্পানি ওশান কনটেনারস লিমিটেডকে (ওসিএল) একীভূত করার লক্ষ্যে সামিট এ্যালায়েন্স পোর্টকে মূলধন উত্তোলনের এই অনুমোদন দেয়া হয়। এই অনুমোদনের ফলে ওসিএলের এক কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার ৫৩৮টি শেয়ার একীভূত করতে সামিট এ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড এক কোটি ৫৭ লাখ ৬১ হাজার ২৫টি সাধারণ শেয়ার ছাড়বে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি হাইকোর্টের দেয়া নির্দেশ অনুযায়ী এই দুটি প্রতিষ্ঠান একীভূত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ওসিএলের একটি শেয়ারের সমান হবে সামিট এ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেডের ১.০৭৩৬টি শেয়ার।