Monthly Archives: December 2012

গ্লোবালের আইপিওতে ৪শ’ ৪৫ কোটি টাকার আবেদন

পুঁজিবাজারে মূলধন উত্তোলনে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) সাড়ে ১৮ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটির ২৪ কোটি টাকার আইপিওর বিপরীতে জমা পড়েছে ৪৪৪ কোটি ৮৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকার আবেদন। সোমবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জর (সিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
এর আগে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন পায় গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস লিমিটেড। বিএসইসির অনুমোদন অনুসারে, ৯ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে বসবাসরত বিনিয়োগকারীদের থেকে আইপিও আবেদন গ্রহণ করা হয়। আর অনিবাসী বাংলাদেশী (এনআরবি) বিনিয়োগকারীদের থেকে আবেদন নেয়া হয় ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালসের আইপিওতে মোট ৬ লাখ ৭৫ হাজার ৫২০টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে বাংলাদেশে বসবাসরত বিনিয়োগকারীদের থেকে মোট ৬ লাখ ৫৭ হাজার ২৩৩টি আবেদনের মাধ্যমে আবেদনের সঙ্গে ৪৩৫ কোটি ৭৪ লাখ ৪৯ হাজার ৪০০ টাকা জমা পড়ে। আর এনআরবি বিনিয়োগকারীদের ১৮ হাজার ২৮৭টি আবেদনের সঙ্গে জমা পড়ে ৯ কোটি ১৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
জানা গেছে, ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের ২০ টাকায় ইস্যু করার অনুমোদন দেয় বিএসইসি। এর মাধ্যমে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ১ কোটি ২০ লাখ সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ২৪ কোটি টাকা উত্তোলন করবে কোম্পানিটি। ২০১১ সালে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয় ৩ টাকা ৭১ পয়সা। এই কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড। এছাড়া গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালসের আইপিও পূর্ববর্তী পরিশোধিত মূলধন ছিল ৬০ কোটি টাকা। আইপিওতে আসার পরে পরিশোধিত মূলধন দাঁড়াবে ৭২ কোটি টাকা।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৭ ডিসেম্বর ২০১২

Argon Denims IPO lottery on December 30

Initial Public Offering (IPO) lottery of Argon Denims Ltd will be held on December 30 to allocate shares among the applicants.

The lottery will be held at Engineering Institute in the city run by Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET).

Using a fixed-price method, Argon Denims offloaded three crore ordinary shares of Tk 10 each at an offer price of Tk35, including a premium of Tk 25.

The company will use the IPO proceeds to repay its bank loan, expansion of the Project and estimated IPO expensesloans and use in project expansion.

The company’s earnings per share is Tk 5.46, according to its 2011 financial statements. Net asset value per share is Tk Tk. 20.71 including revaluation reserve as on December 31, 2011and Tk. 15.65 excluding revaluation reserve as on December 31, 2011.

LankaBangla Investments acted as the issue manager of Argon Denims’ IPO.

Source: sharemarket24, December 26, 2012

৩০ ডিসেম্বর আর্গন ডেনিমসের লটারির ড্র

আর্গন ডেনিমসের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব লটারির ড্র আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে সকাল ১১টায় স্টক এক্সচেঞ্জ, সিডিবিএল এবং ইস্যু ম্যানেজার এবং কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের উপস্থিতিতে ড্র সম্পন্ন হবে। কোম্পানি সচিব ইশরাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, এই কোম্পানির আইপিওতে ১.৭৯ শতাংশ বেশি আবেদন জমা পড়েছে। অর্থাৎ আইপিওতে ৩০ কোটি টাকার বিপরীতে মোট ১৮৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে।
স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে গত ২৬ নবেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং অনিবাসী বাংলাদেশীদের কাছ থেকে আবেদন জমা নেয়া হয় ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
জানা যায়, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ১৪৬ কোটি ৬৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকা, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা ২৪ কোটি ৭৯ লাখ ৫ হাজার টাকা, অনিবাসী বাংলাদেশীরা (এনআরবি) ১১ কোটি ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার টাকা ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকার আবেদন জমা দিয়েছে।
আইপিও পূর্ববর্তী আর্গন ডেনিমসের পরিশোধিত মূলধন ছিল ৩০ কোটি টাকা। আইপিও কার্যক্রম সমাপ্ত করার পর পরিশোধিত মূলধন দাঁড়াবে ৬০ কোটি টাকা। এ কোম্পানির আইপিওতে ফেস ভ্যালু ১০ টাকার সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম নেয়া হয়েছে। এছাড়া ২০০টি শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৭ ডিসেম্বর ২০১২

Golden Harvest IPO: Foreign Currency Conversion Rate

FC NAME

TT CLEAN RATE (BD TK.)

FC REQUIRED FOR 300 SHARES

US DOLLAR ($)

1$ =

80.4000

93.29

USD

POUND (₤)

1₤ =

129.6657

57.85

POUND

EURO (€)

1€ =

105.4534

71.13

EURO

Source: Website of Golden Harvest

গোল্ডেন হারভেস্টের আইপিওর চাঁদা গ্রহণ আজ শুরু

খাদ্য খাতের কোম্পানি গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর চাঁদা গ্রহণ আজ রোববার থেকে শুরু হচ্ছে। চাঁদা গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষে শেয়ারবাজারে কোম্পানিটির লেনদেন শুরু হবে। কোম্পানিটি আইপিওতে তিন কোটি শেয়ার ছেড়ে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।
১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা অধিমূল্য বা প্রিমিয়াম যোগ করে প্রতিটি শেয়ারের বিক্রয়মূল্য ঠিক করা হয়েছে ২৫ টাকা। এটির প্রতিটি মার্কেট লট বা বাজারগুচ্ছে রয়েছে ৩০০ শেয়ার। সেই হিসেবে প্রতি লট শেয়ারের জন্য আবেদনকারীদের জমা দিতে হবে সাড়ে সাত হাজার টাকা। আবেদনের শেষ সময় ৩০ ডিসেম্বর।
কোম্পানিটির শেয়ারের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে যথাক্রমে বেনকো ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং রয়েল গ্রিন ক্যাপিটাল মার্কেট।
আইপিওতে শেয়ার ছাড়ার আবেদনের সঙ্গে কোম্পানিটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) যে হিসাব জমা দিয়েছে, তাতে ২০১১ সালের জুন মাসের হিসাববছর শেষে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দেখানো হয়েছে চার টাকা ৭২ পয়সা। ২০১২ সালের জুন মাসে কোম্পানিটির আরও একটি হিসাব বছর শেষ হয়েছে। তবে ওই হিসাব বছর শেষে কোম্পানিটি এখনো তাদের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।
এদিকে সিমেন্ট খাতের অপর কোম্পানি প্রিমিয়ার সিমেন্টের আইপিও আবেদনের সময় আজ শেষ হয়ে যাচ্ছে। গত ১৭ ডিসেম্বর থেকে কোম্পানিটির আইপিওর চাঁদা গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়।

Source: Prothom Alo

সানলাইফের রিফান্ড জটিলতা

জীবন বীমা কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের চাহিদা ও কোন প্রিমিয়াম না থাকায় সানলাইফের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আগ্রহী হয়েছিল। ফলে নির্ধারিত একটি লটের বিপরীতে আবেদন পড়েছিল প্রায় ৬৩ গুণ। লটারিতে বিজয়ীরা শেয়ার বরাদ্দ পেলেও অনেক আবেদনকারীই এখনও রিফান্ড পাননি। তাদের ভোগান্তির এখন শেষ নেই। অনেক বিনিয়োগকারীর মুখেই এখন হতাশার সুর। কোম্পানিতে যোগাযোগ ছাড়া এসব রিফান্ড পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে
বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, মূলধন সংগ্রহের সময় কোম্পানিগুলো বিভিন্ন মুখরোচক কথা বললেও টাকা সংগ্রহ শেষ হলে বিনিয়োগকারীদের দিকে তাকায় না। অনেক কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের টাকা অন্য খাতে খাটায়। একাধিক বিনিয়োগকারী জানান, রিফান্ড জটিলতার কারণে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগেরও কোন সুযোগ নেই। কারণ আইপিও ফরমে কোম্পানির যেসব ফোন নম্বর দেয়া হয়েছে সেগুলো সঠিক নয়। কোম্পানির অফিসে যাওয়া ছাড়া কোন বিকল্প নেই। এতে সময় এবং অর্থ দুয়েরই অপচয় হচ্ছে। তাই অনেক বিনিয়োগকারীই জানিয়েছেন, লাভের আশায় এই আইপিও আবেদন করে কিছুটা ভুলই করেছেন।
এদিকে রিফান্ড জটিলতা নিরসনে বিনিয়োগকারীরা এ ব্যাপারে একটি যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে।
এদিকে এনভয় টেক্সটাইল নামের আরও একটি কোম্পানি আইপিও’র লটারির পরে রিফান্ড জটিলতা দেখা দেয়। বিশেষ করে প্রাইম ব্যাংকে আবেদন করা বিনিয়োগকারীদের রিফান্ডে কিছুটা সমস্যা দেখা দেয়। পরে অবশ্য এটি নিরসন করা হয়।
প্রসঙ্গত, সানলাইফের আইপিও আবেদন শুরু হয় ৪ নবেম্বর এবং ৮ নবেম্বর শেষ হয়। আইপিও লটারির ড্র সম্পন্ন হয় গত ৬ ডিসেম্বর।

Source: The daily Janakantha

প্রিমিয়ার সিমেন্টের আইপিও আবেদন চলছে

সিমেন্ট খাতের প্রিমিয়ার সিমেন্টের আইপিও (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) আবেদন সোমবার থেকে শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সুযোগ রয়েছে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

এদিকে, ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানি হওয়ায় সোমবার সকাল থেকেই নির্ধারিত ব্যাংকগুলোর সামনে আইপিও আবেদনকারীদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে শেয়ারবাজার থেকে ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা উত্তোলন করবে। ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর সঙ্গে ১২ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ টাকা। মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০টি শেয়ারে।

৩০ জুন ২০১১ সমাপ্ত অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৪.০৫ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) ২৩.০৮ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।

সূত্র: বাংলানিউজ২৪.কম, ডিসেম্বর ১৭, ২০১২

রিফান্ড পেতে গচ্চা দিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা

সম্প্রতি তালিকাভুক্তির অনুমোদন পেয়ে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করা এনভয় টেক্সটাইলের আইপিওতে আবেদন করে ভোগান্তিতে পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা। যারা লটারিতে এলোটমেন্ট পাননি তাদের অনেকের টাকা কোম্পানি কর্তৃপক্ষ সময়মত ফেরৎ দেয়নি। রিফান্ডের টাকা না পেয়ে অনেকে কোম্পানিতে সরাসরি যোগাযোগ করেন। যেখানে তাদের অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হচ্ছে। অনেককে ৬ হাজার টাকা ফেরৎ পেতে ২ হাজার টাকাও খরচ করতে হয়েছে বলে জানা গেছে।

এনভয় টেক্সটাইলের আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৯ নভেম্বর। ইতিমধ্যে এ কোম্পানির লেনদেন শুরু হলেও এখনো রিফান্ড পাননি অনেক বিনিয়োগকারী। অপরদিকে কোম্পানির দাবি, রিফান্ড করতে যা প্রয়োজন তা তারা করছে এবং করেছে।

এদিকে বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, তাদের টাকা আটকে রেখে কর্তৃপক্ষ অন্য ব্যবসা করছে। প্রায় দিনই শেয়ারনিউজ২৪ডটকমের অফিসে একের পর এক বিনিয়োগকারী এ ব্যাপারে অভিযোগ করছেন।

এ ব্যাপারে কোম্পানিতে ফোন করা হলে রিসিপশন থেকে জানানো হচ্ছে, তারা ব্যাংকের মাধ্যমে অনলাইনে রিফান্ডের টাকা পাঠিয়ে দিয়েছেন। আর যারা পাননি তাদের টাকা কুরিয়ার করা হয়েছে। তবে যারা কুরিয়ার পাননি তাদেরকে অফিসে যোগাযোগ করতে হবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে।

এদিকে যেসব বিনিয়োগকারী ঢাকায় অবস্থান করেন তারা দীর্ঘ যানজট পেরিয়ে অনেক কষ্টে এ কোম্পানির অফিসে যোগাযোগ করে রিফান্ডের টাকা ফেরৎ নিতে পারলেও যারা ঢাকার বাইরে থাকেন তাদের অবস্থা আরো করুণ।

বিনিয়োগকারী সৌরভ চৌধুরী বলেন, তিনি চট্টগ্রামে বসবাস করেন। যার কারণে কোম্পানিতে এসে টাকা ফেরত নেয়া তার পক্ষে সম্ভব না। তাই তিনি তার ন্যায্য টাকা হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন। এমতাবস্থায় তিনি বলেন, এর আগে এ ধরনের ঘটনা আর দেখেননি তিনি। এদিকে এতো কিছু হওয়ার পরও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিতে না দেখে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।

অনেক বিনিয়োগকারী দাবি করেন, কোম্পানিটি ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামে মোট ৩০ টাকায় ২০০টি শেয়ারে লট আকারে ছেড়েছে। অর্থাৎ প্রতি লটে লেগেছে ৬০০০ টাকা। যারা ঢাকার বাইরে থাকেন এবং রিফান্ড পাননি তাদের কোম্পানিতে আসতে হলে প্রায় এক তৃতীয়াংশ অর্থ খরচ হয়। ঢাকায় আত্মীয়-স্বজন না থাকলে হোটেল ভাড়া করে থাকতে হয়। সবমিলিয়ে ৬ হাজার টাকা ফেরৎ নিতে এসে ২ হাজার টাকা গচ্চা যায়।

কোম্পানির চিফ ফাইন্যান্স অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ২২ নভেম্বর তারা রিফান্ড ব্যাংকসমুহকে বুঝিয়ে দিয়েছে। তবে ব্যাংকগুলো নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে ২-৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিলম্ব করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরো বলেন, যাদের ব্যাংক একাউন্টে অনলাইন সুবিধা নেই তাদের রিফান্ড কুরিয়ারে পাঠানো হয়েছে। এক্ষেত্রে যাদের ঠিকানা ভুল আছেন বা কোথাও গরমিল আছে তাদের টাকা পৌছায়নি।

সূত্র: শেয়ারনিউজ২৪.কম, ডিসেম্বর ১৮, ২০১২

IPO subscription of Premier Cement begins today (December 17)

Subscription to the initial public offering (IPO) of Premier Cement Mills Limited will kick off on Monday.

The IPO subscription will remain open until December 23 for resident Bangladeshis and January 1, 2013 for non-resident Bangladeshis.

Using fixed price method, the company will float 12 million ordinary shares of Tk 10 each at an offer price of Tk 22 including a premium of Tk 12 to raise Tk 264 million from public.

Earlier on November 13, the Securities and Exchange Commission (SEC) deferred the IPO subscription, scheduled for November 18.

As per the latest financial report, the earning per share of Premier Cement is Tk 4.05.

In the IPO prospectus, the company has reported Net Tangible Assets Value Per Share of Tk. 23.08 (considering revaluation reserve) and Tk. 18.88 (without revaluation reserve) as on June 30, 2011.

Premier Cement manufactures Portland cement and Portland composite cement under “PREMIER CEMENT” brand and marketing the same in local and abroad markets.

The IPO proceeds will be utilized for the implementation of the expansion plants.

Alliance Financial Services will act as the issue manager for the IPO.

Source: The Daily Sun, December 17, 2012