Monthly Archives: November 2012

SEC, DSE agree to avoid ‘misunderstanding’

The Securities and Exchange Commission (SEC) and the Dhaka Stock Exchange (DSE) Tuesday reached a consensus on resolving their recent ‘misunderstanding’ and working jointly to accelerate their mutual coordination for the sake of the capital market and the investors.
The decision was taken at a bilateral meeting at the SEC office, where, among others, SEC Chairman Professor M Khairul Hossain and DSE President Rakibur Rahman were present.
The row between the regulator and the prime bourse surfaced recently following a DSE investigation, which claimed that the earning per share (EPS) of United Airways will be -Tk 2.19, as the company did not show deferred tax in its revenues.
The SEC also formed a committee to look into the issue of United Airways Monday.
Besides, the DSE expert panel recently made observation on the prospectus of some companies, including Orion Pharma.
The DSE claimed that the SEC approved the IPO proposal of Orion Pharma without giving a chance to the prime bourse to make observation on the company prospectus.
Afterwards, the SEC sought clarification from the DSE to clarify why the board of the bourse discussed the issue of Orion Pharma even after the regulator’s approval. The regulator also made clarification on the approval of its IPO.
The SEC expressed its concern over public disclosure of the issues, which created distance between two organisations.
“The meeting to resolve misunderstandings is held in a cordial mood. Both the sides have reached a unanimous decision to work jointly,” an SEC member told the FE.
He said the SEC and the DSE have agreed to avoid such ‘misunderstanding’ in future for the sake of the capital market and the investors.
“We will try to reduce the gap that originated recently,” he added.
DSE President Rakibur Rahman said, “The SEC is the regulator of the capital market, and we should work under the leadership of the securities regulator.”
“The regulator can seek any clarification from the bourse. In the friendly discussion, we have agreed to work jointly in future,” he told the FE.

Source: The Financial Express, 21 November 2012

সানলাইফের আইপিওতে রেকর্ড ৬৩ গুণ আবেদন

সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) পুঁজিবাজারের ইতিহাসে রেকর্ড পরিমান অর্থাৎ ৬৩ গুণের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটি মোট ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এজন্য সর্বমোট ১০ লাখ ৯৩ হাজার ৪২৯টি আবেদনের বিপরীতে মোট ৭৬০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা জমা পড়েছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে এই পরিসংখ্যান দেয়া হয়েছে।

আগামী ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হবে।

পুঁজিবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়েছে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি আইপিওর বিপরতীতে কোনো প্রিমিয়াম নিচ্ছে না। প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ লাখ এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য ১২ লাখ শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হবে। এছাড়া পুঁজিবাজার বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত আছে ২৪ লাখ শেয়ার। বাকি ৭২ লাখ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বরাদ্দ দেয়া হবে। কোম্পানির ৫০০টি শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে মাত্র ২৪ হাজার আবেদনকারী এই কোম্পানির শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এর বিপরীতে মোট আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৯৩ হাজার ৪২৯টি। এরমধ্যে স্থানীয়ভাবে সাধারণ, ক্ষতিগ্রস্ত ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ক্যাটাগরি মিলিয়ে ১০ লাখ ৬০ হাজার ৪২৯টি আবেদনের সঙ্গে ৭৪৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা জমা পড়েছে। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা মোট ২৭ হাজার আবেদনের সঙ্গে ১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা জমা দিয়েছেন।

সূত্র: শেয়ারনিউজ২৪.কম, নভেম্বর ১৯

প্রিমিয়াম নিয়ে আইপিওতে আসার দরকার নেই: মিজান-উর-রশিদ

বর্তমানে পতনমুখী বাজারে প্রিমিয়াম নিয়ে কোম্পানিগুলোর বাজারে আসার কোনো দরকার নেই। আর কোম্পানিগুলো নিজেদের প্রয়োজনে বাজার থেকে টাকা তোলে, বিনিয়োগকারীদের প্রয়োজনে নয়। তাই এই বাজারে প্রিমিয়াম নিলে তা বাজারে আরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আমাদের দাবি, প্রিমিয়াম নেওয়া কোম্পানিগুলোর আইপিও বাতিল করতে হবে।

মঙ্গলবার লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ভবনের সামনে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ প্রদর্শন শেষে বাংলানিউজকে এসব কথা বলেন বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজান-উর-রশিদ।

তিনি বলেন, “বর্তমান বাজারে যেসব কোম্পানি প্রিমিয়াম দাবি করছে তারা বিভিন্নভাবে তাদের আর্থিক প্রতিবেদনে কারসাজি করেছে। বাজার পর্যালোচনা করে তাদের শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। কিন্তু তারা কেন প্রিমিয়াম দাবি করবে? প্রথমবার বাজারে আসতে তারা এ ধরনের প্রিমিয়াম দাবি করতে পারে না।”

বাজারে আসার পর যখন তাদের সম্পদ বাড়বে, তাদের কোম্পানিগুলো বেশি মুনাফা করবে তখন অর্থাৎ ৪/৫ বছর পর তারা প্রিমিয়াম দাবি করতে পারে। কিন্তু প্রথমবার বাজারে আসতে তারা কোনো প্রিমিয়াম দাবি করতে পারে না বলেও তিনি জানান।

‘প্রিমিয়াম না দিলে ভালো কোম্পানিগুলো তো বাজারে আসতে চাইবে না। সেক্ষেত্রে তো বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে?’— এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা তো কোম্পানিগুলোকে বলিনি আপনারা বাজারে আসেন। তারা তাদের নিজেদের প্রয়োজনে আসছে। আর বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভালো কোম্পানিগুলো কিভাবে প্রিমিয়াম নিয়ে বাজার থেকে টাকা তুলতে চাইছে তা আমার বোধগম্য নয়। বাজার ভালো থাকলে তারা এটা করতে পারতো। এতে বিনিয়োগকারীরাও লাভবান হতো, আবার কোম্পানিগুলোও লাভবান হতো।”

মিজান-উর-রশিদ বলেন, “নিম্নমুখী বাজারে একসঙ্গে অনেক আইপিও আসায় তা বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সেকেন্ডারি মার্কেটের টাকা তুলে বিনিয়োগকারীরা এখন আইপিওতে বিনিয়োগ করছে। ফলে প্রতিদিনকার লেনদেন কমে গেছে। আমরা এসইসি’র কাছে সকল আইপিও বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।”

এছাড়া বিক্ষোভে বিনিয়োগকারীরা এসইসি’র চেয়ারম্যান ও ডিএসই প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করেন। তারা মার্চেন্ট ব্যাংকসহ সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

মিজান-উর-রশিদ বলেন, “দরপতনের প্রতিবাদে বুধবার আমরা ডিএসই ভবনের সামনে বিক্ষোভ করবো।

এসময় তিনি সকল বিনিয়োগকারীকে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ারও আহ্বান জানান।

সূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, নভেম্বর ২০, ২০১২

এনভয়ের আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত

এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারির ড্র সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন, রমনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। লটারির ফল বিডিআইপিও, ডিএসই, সিএসইসহ সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এবং ইস্যু ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
জানা গেছে, এই কোম্পানির আইপিওতে মোট ৩ লাখ ৪০ হাজার ৭৩টি আবেদন জমা পড়েছে। টাকার হিসাবে এর পরিমাণ ৩২৬ কোটি ১৩ লাখ ১৮ হাজার টাকা। যা আইপিও মূল্যের প্রায় ৩.৬৩ গুণ বেশি। কোম্পানি মোট ৩ কোটি শেয়ার সেকেন্ডারি মার্কেটে ছাড়ছে।
কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, ৯০ কোটি টাকার শেয়ারের বিপরীতে বিনিয়োগকারীরা মোট ৩২৬ কোটি ১৩ লাখ ১৮ হাজার টাকার আবেদন জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ২০ শতাংশ বা ৬০ লাখ শেয়ার বরাদ্দ থাকবে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য। টাকার হিসাবে যার পরিমাণ ১৮ কোটি টাকা।

ওরিয়ন ফার্মা নিয়ে ব্যাখ্যা দেবে ডিএসই

সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পক্ষ থেকে একটি কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদনের পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পর্ষদ সভায় ওই কোম্পানির আইপিওর বিষয়ে আলোচনা করার বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে কমিশন। গত বৃহস্পতিবার এসইসির পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ডিএসইতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে এসইসির চাহিদা অনুযায়ী ডিএসইর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা প্রদান করবে বলে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে।
এসইসির পক্ষ থেকে একটি চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএসইর সভাপতি রকিবুর রহমান। তিনি বলেন, ওরিয়ন ফার্মার বিষয়ে কিছু ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে এসইসির ওই চিঠিতে। এসইসির চাহিদা অনুযায়ী ডিএসইর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা যথাসময়ে প্রদান করা হবে বলেও জানান তিনি।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ এপ্রিল এসইসিতে আইপিওর অনুমোদনের জন্য ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড প্রসপেক্টাস জমা দেয়, যার কপি ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে প্রদান করা হয়। পরে কমিশন প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধানের পরিপালন নিশ্চিত করার জন্য ওই কোম্পানিকে একটি ডেফিসিয়েন্সি পত্র ইস্যু করে। ওরিয়ন ফার্মা আনুষঙ্গিক কাগজপত্র ও ডেফিসিয়েন্সি পত্রের জবাবসহ সংশোধিত প্রসপেক্টাস কমিশনে দাখিল করে।
কমিশন ডেফিসিয়েন্সি পত্রের জবাব ও দাখিলকৃত কাগজপত্র পরীক্ষার পর গত ১৬ অক্টোবর ওরিয়ন ফার্মার আইপিও অনুমোদন করে। এছাড়া ডিএসইর সার্ভিলেন্স কক্ষে বড় এক বিনিয়োগকারী নিয়ে প্রবেশেরও অভিযোগ আনা হয়ে সংস্থার সভাপতির বিরুদ্ধে। ডিএসইর সভাপতি রকিবুর রহমান সার্ভিলেন্স কক্ষে প্রবেশের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, সভাপতি বা কোন পরিচালকেরও এখানে প্রবেশের অনুমতি নেই। শুধু প্রশাসনিক কর্মকর্তারাই এখানে দেখভাল করে থাকেন। বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ কাজ করে যাচ্ছে।
এদিকে এসইসির ডেফিসিয়েন্সি পত্রের জবাবসহ সংশোধিত প্রসপেক্টাস আইপিওর অনুমোদনের মাত্র দুই দিন আগে অর্থাৎ ১৪ অক্টোবর জমা দেয়া হয় বলে ডিএসই সূত্রে জানা যায়। মাত্র দুই দিনে সংশোধিত ওই প্রসপেক্টাস পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই বিষয়টি নিয়ে ডিএসইর পর্ষদ সভায় আলোচনা হয় বলে জানা যায়। আর এ বিষয়েই ব্যাখ্যা চেয়েছে এসইসি। এছাড়া ওরিয়ন ফার্মার আইপিও অনুমোদন নিয়ে গণমাধ্যমে নানা প্রতিবেদন প্রচার ও প্রকাশিত হয়। এসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোঃ সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কোন কোম্পানির প্রসপেক্টাস পর্যালোচনার জন্য পাঁচ মাসের অধিক সময় যথেষ্ট।
এদিকে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ লিমিটেডের প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনের বিষয় নিয়ে ডিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোশাররফ এম হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয়া হয়েছে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে। তবে মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসইসির কোন চিঠি পাননি বলে জানান।
এদিকে এসইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোন কোন পত্রিকায় ওরিয়ন ফার্মার মোট সম্পদমূল্য এবং মোট ঋণ নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা মোটেই সঠিক নয়। কারণ ২০১১ সালের নিরীক্ষা অনুযায়ী কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের সম্পদমূল্য হচ্ছে ৭৬ দশমিক ৮৬ টাকা।
কমিশন আরও জানিয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, কোম্পানি সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে সম্পদের মূল্য বাড়িয়েছে। উল্লেখ্য, নিরীক্ষা মান ও আইপিও অনুমোদন নীতিমালা অনুযায়ী কোন কোম্পানি সম্পদ মূল্যায়ন করতেই পারে।
তবে তা নিরীক্ষক দ্বারা যথাযথভাবে অনুমোদিত হতে হবে। ওরিয়ন ফার্মাও অনুমোদিত নিরীক্ষক দিয়ে এটি করিয়েছে। আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে ডিউ ডিলিজেন্স সনদসহ এসইসিতে জমা দিয়েছে। তাই কমিশন মনে করে এই ব্যাপারে নিরীক্ষা মান, নিরীক্ষক কর্তৃক যথাযথ সনদ প্রদান এবং ইস্যু ম্যানেজার কর্তৃক ডিউ ডিজিলেন্স পরিপালন সাপেক্ষে কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১০০ টাকা হারে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করা হয়েছিল, প্রচলিত আইনের বিধি বিধান অনুযায়ী কমিশন ৬০ টাকা হারে জমা দেয়া প্রস্তাবকে যুক্তিযুক্ত মনে করে অনুমোদন দিয়েছে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৮ নভেম্বর ২০১২

সামিট পূর্বাঞ্চলের সাবসক্রিপশন পূর্ণ

সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের অনুমোদন পাওয়া সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) সাবসক্রিপশন পূর্ণ হয়েছে। সামিট গ্রুপের মার্চেন্ট ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান কসমোপলিটন ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরিব জাহিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে খসড়া যে তথ্য পাওয়া গেছে তাতে আইপিও ওভার সাবসক্রাইব হয়েছে। তবে আইপিও আকারের তুলনায় কত বেশি আবেদন জমা পড়েছে সেই তথ্য এখনও ব্যাংক থেকে জানানো হয়নি বলে জানান তিনি।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, গত ১১ নবেম্বর থেকে কোম্পানির আইপিও আবেদন শুরু হয়ে ১৫ নবেম্বর পর্যন্ত চলে। আর প্রবাসী বাংলাদেশীরা (এনআরবি) আবেদন করতে পারবেন ২৪ নবেম্বর পর্যন্ত।
এর আগে ২৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নিয়মিত সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। এর মধ্যে কিছুদিনের জন্য কোম্পানির আইপিও’র অনুমোদন স্থগিত করলেও পরে তা তুলে নেয় এসইসি।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ২০ নভেম্বর ২০১২

৩০ কার্যদিবসে বিও বেড়েছে অর্ধলাখ

প্রতিদিন ১ হাজার ৭৮৩টি

অব্যাহত পতনের কবলে অনেকে বাজার থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিলেও আসন্ন বিভিন্ন কোম্পানির আইপিওকে কেন্দ্র করে নতুন বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। গত ৩৩ কার্যদিবসে প্রায় অর্ধলাখ বেনিফিশিয়ারি অ্যাকাউন্ট (আইপিও) খোলা হয়েছে।
যা গড়ে প্রতি কার্যদিবসে বেড়েছে ১ হাজার ৭৮৩টি করে। অক্টোবর মাসের ১ তারিখে বিও আ্যকাউন্ট ছিল ২৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৮টি। যা গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৫৩ হাজার ৫০২টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ লাখ ৪৬ হাজার ৫৮০টিতে। এর মধ্যে ১৮ লাখ ১৮ হাজার ১৭০টি পুরুষ,৬ লাখ ১৯ হাজার ৭০৯টি মহিলা এবং ৮ হাজার ৭০১টি কোম্পানি বিও অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এছাড়া প্রবাসীদের বিও আ্যকাউন্ট ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৯৬টি।

সার্বিক বাজার পরিস্থিতি মন্দা থাকায় কয়েক মাস আইপিও অনুমোদন বন্ধ থাকলেও আবার জোরেশোরে তা শুরু হয়ে গেছে। গত ২ মাসে প্রায় ১০টি কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। আর এই আইপিওকে কেন্দ্র করে বিও অ্যাকাউন্ট বাড়ছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

সিনথিয়া ব্রোকারেজ হাউজের কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, নতুন করে আইপিও অনুমোদন নিয়ে বিনিয়োগকারীরা বিও খুলতে শুরু করেছেন। এদের মধ্যে এমন বিনিয়োগকারী আছেন যারা ২ বছর আগে বাজার থেকে চলে গিয়েছিলেন আবার অনেক নতুন বিনিয়োগকারীও আসছেন বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি রকিবুর রহমানও বাজার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। তিনি জানান, বাজারে স্থিতিশীলতা আনয়ন করতে পারলে বিনিয়োগকারীর বিও আরো বাড়বে। তবে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও তিনি মনে করেন।

ভয়াবহ ধসের আগের দেশের পুঁজিবাজারে বিও ছিল প্রায় ৩৩ লাখ। সেখানে আজ তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ২৪ লাখে। এর মধ্যে নবায়ন করায় অনেক বিও ঝড়ে পড়েছে। যেটাকে স্বাভাবিক হিসাবে ধরে নেয়া হয়। বাজারে যদি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা যায় তাহলে বিও সংখ্যা আরো বাড়বে বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারীরা।

সূত্র: শেয়ারনিউজ২৪, ১৬ নভেম্বর ২০১২

আইন মোতাবেক ওরিয়ন ফার্মার আইপিও অনুমোদন- এসইসির প্রেসনোট

ওরিয়ন ফার্মার আইপিও অনুমোদন আইনের বিধান মতে দেয়া হয়েছে বলে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বৃহষ্পতিবার কমিশনের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো: সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ওরিয়ন ফার্মার আইপিও অনুমোদন নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে কমিশন ব্যখ্যা প্রদান করা জরুরী মনে করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, গত ২৯ মে ওরিয়ন ফার্মার আইপিও অনুমোদনের জন্য আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে এসইসিতে আবেদন করে। সে সময় দুই স্টক এক্সচেঞ্জে আবেদন কপি দেয়া হয়। পরবর্তীতে কমিশন প্রযোজ্য আইন ও বিধি বিধান পরিপালন নিশ্চিত করার জন্য কোম্পানিকে একটি ডিফেসেন্সি পত্র ইস্যু করলে কোম্পানি কাগজপত্রসহ তা প্রদান করে। কমিশন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস ২০০৬ এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিনেন্স ১৯৬৯ অনুসারে সমস্ত কাগজপত্র পরীক্ষা করে ১৬ অক্টোবর এর আইপিও অনুমোদন করে। ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে বিভিন্ন পত্রিকায় ওরিয়ন ফার্মার আইপিও শিরোনামে সংবাদ কমিশন লক্ষ্য করছে যে,ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ওরিয়ন ফার্মার আইপিও এর প্রস্তাব সম্বলিত প্রসপেক্টাস পর্যালোচনার জন্য পর্যপ্ত সময় পায়নি। কোন কোম্পানির প্রসপেক্টাস পর্যালোচনার জন্য ৫ মাসের অধিক সময় যথেষ্ট বলে কমিশন মনে করে।

এখানে উল্লেখ্য যে, বর্তমান কমিশন একইভাবে অন্যান্য আইপিও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন(পাবলিক ইস্যু) রুলস ২০০৬ এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিনেন্স ১৯৬৯ এর নিয়মনীতি অনুসরণ করে অনুমোদন দিয়েছে। আরো উল্লেখ্য যে, বর্তমান কমিশন যোগদানের পূর্বে বেশ কিছু কোম্পানিকে উচ্চমূল্যে প্রাইভেট প্লেসমেন্ট এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের জন্য অনুমতি দেয়া হয়েছিল। বর্তমানে কিছু কিছু ইস্যুয়ারকে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে প্রাইভেট প্লেসমেন্ট এর প্রদত্ত মূল্যের চেয়ে অনেক কম মূল্যে আইপিও এর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, কোন কোন পত্রিকায় ওরিয়ন ফার্মার মোট সম্পদের চেয়ে দায় বেশি বলে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে । যা মোটেই সত্য নয়। ২০১১ সালের নিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ রয়েছে ৭৬ টাকা ৮৬ পয়সা ।

বলা হয়েছে, ওরিয়ন ফার্মা প্রসঙ্গে ডিএসইর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, কোম্পানি পূর্ণমূল্যায়নের মাধ্যমে সম্পদের পরিমাণ বাড়িয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, অ্যাকাউন্টিং স্টান্ডার্ড অনুযায়ী এবং পাবলিক ইস্যু রুলস অনুযায়ী যে কোন কোম্পানি সম্পদ পূর্ণমূল্যায়ন করতে পারে। তবে তা নিরীক্ষক কর্তৃক যথাযথভাবে সার্টিফাইড হতে হবে। ওরিয়ন ফার্মার ক্ষেত্রেও তা যথাযথ অনুসরণ করার কপি আইসিবির মাধ্যমে দেয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। তাই সব নিয়মনীতি মেনে প্রচলিত বিধি বিধান অনুযায়ী ৬০ টাকা হারে আইপিও অনুমোদন যুক্তিযুক্ত বলে কমিশন মনে করে।

সূত্র: শেয়ারনিউজ ২৪, ১৬ নভেম্বর ২০১২

DSE to oppose approval of Orion Pharma’s IPO

Prospectus information misleading, Tk 60 offer price unreasonable

The Dhaka Stock Exchange has decided to oppose the initial public offering (IPO) of Orion Pharma that the Securities and Exchange Commission approved last month.
The DSE board in a meeting on Thursday made the decision after hearing the observations of an committee of experts.
The DSE panel pointed out a number of questionable features in the IPO prospectus of Orion Pharma including unjustified asset revaluation, slow growth in core business and misleading information in the financial statement.
The DSE panel said that the Tk 60 offer price of the Orion Pharma’s shares, including Tk 50 premium, was unreasonable, and also questioned SEC’s hurried move to approve the revised IPO proposal.
The SEC approved the revised IPO proposal of Orion Pharma on October 16 with offer price of Tk 60 within two days after the company submitted the proposal.
According to the panel’s observation, the company re-evaluated its fixed asset twice, in 2008 and 2011, where the value of Tk 59.09 crore worth assets stood at Tk 117.22 crore.
The panel said such re-evaluation of depreciable fixed assets was unjustified.
It also observed that the re-evaluation of Orion Pharmaceutical’s subsidiary companies, IEL Consortium and Associates and Dutch Bangla Power, was also unjustified.
The IEL Consortium re-evaluation surplus was shown at Tk 28.56 crore on December 2011 whereas the company started its commercial operation in May 2011.
The Dutch Bangla Power’s re-evaluation surplus was shown at Tk 41.54 crore on December 2011 whereas the company started commercial operation in July 2011.
‘The panel strongly believes that the re-evaluation of such a new company prior to commercial operation was unusual and motivated, meant to inflate the net asset value to achieve higher offer price,’ it said.
The panel also observed that among the Tk 702.63 crore consolidated revenue of the company in 2011, Orion Pharma contributed only 25 per cent whereas the subsidiary companies contributed 75 per cent.
The project life of both the subsidiaries is 15 years which will hamper the interest of the long-term investors, it said.
The financial statement of Orion Pharma in 2011 showed that the investment of the company in Orion Holding Ltd was Tk 9.96 crore whereas the financial statement of Orion Holding in the same period showed the same investment to be Tk 9.60 crore.
The panel also found Orion Pharma violating the Companies Act 1994 as the managing director of the company is also the managing director of the two other subsidiaries of the company.
Section 109 of the Companies Act 1994 bars any such practice unless the government’s permission was taken is this regard.
Orion Pharma is yet to receive any permission from the government to let its managing director run other subsidiary companies.
‘The SEC should reconsider the approval of Orion Pharma for the greater interest of the investors,’ the panel concluded.
‘We will submit the panel’s observations and board’s decision about Orion Pharma to the SEC this week,’ a senior DSE official told New Age.

Source: New Age, November 11, 2012