Monthly Archives: November 2012

সিএসইর প্রস্তাব বিবেচনার আশ্বাস

এ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সঙ্গে গত বুধবারের বৈঠকে উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) অবহিত করেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। পুঁজিবাজারের বিদ্যমান বিরাজমান সমস্যার উত্তরণে সিএসই’র প্রস্তাবগুলো বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে এসইসি। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান সিএসই’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ সাজিদ হোসেন খান।
সাংবাদিকদের সাজিদ হোসেন বলেন, এবিবি’র সঙ্গে আলোচনায় বর্তমানে ব্যাংকগুলো ভাল অবস্থানে নেই বলে উঠে আসে। তারপরও তারা বাজারের স্বার্থে কিছু করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যাবে না বলে বৈঠকে ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর দাবি, তারা যদি এ মুহূর্তে বিনিয়োগ করে লোকসানের মুখে পড়ে তাহলে শেয়ারধারীদের ভাল লভ্যাংশ দিতে পারবে না। আর তার জন্য ক্রেডিট রেটিংয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। যা নিয়ে চিন্তিত ব্যাংক কর্মকর্তারা।
ব্যাংক কর্মকর্তাদের দাবি, বর্তমানে টিন নম্বর থাকলে ১০ শতাংশ আর না থাকলে ১৫ শতাংশ কর দেন আমানতকারীরা। সেক্ষেত্রে এই পদ্ধতিটি না রাখার জন্য এসইসির কাছে সিএসই প্রস্তাব রেখেছে। সিএসই জানায়, বুধবারের আলোচনায় ব্যাংক কর্মকর্তারা জানায়, এই পদ্ধতিটি রাখলে আঞ্চলিক পর্যায়ে ব্যয়ের ভয়ে অনেকে তাদের অলস অর্থ ব্যাংকে রাখবেন না। যা ব্যাংকগুলোর আয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ব্যাংক কর্মকর্তারা ক্রমাগত প্রভিশন রাখা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন বলে সিএসইকে জানানো হয়। এ বিষয়টিও এসইসিকে অবহিত করা হয়েছে। শেয়ার দর কমে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোর এক্সপোজার কমে গেছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক যে দরে শেয়ার কেনা হয়েছিল তার ভিত্তিতে এক্সপোজার ধরে চার্জ কাটে। আর তা না করে বর্তমান শেয়ার দরে চার্জ কাটার আহ্বান করেছে সিএসই। যোগ্যতাসম্পন্ন বিদেশী বিনিয়োগকারীদের দেশে আসার অনুমোদন দেয়ার জন্য এসইসিকে আহ্বান জানিয়েছে সিএসই। যা বাজারের এই ক্রান্তিকাল উত্তরণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করে সিএসই কর্তৃপক্ষ।
চাহিদা ও সরবরাহের ওপর নির্ভর করে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন দেয়ার জন্য এসইসিকে পরামর্শ প্রদান করেছে সিএসই। যাতে চাহিদা নেই এমন মার্কেটে ঘনঘন ও চাহিদা আছে কিন্তু আইপিও অনুমোদন নেই তা যেন না হয় সেদিকে নজর রাখতে সিএসই’র পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে। তাছাড়া বাজার ভাল থাকলে বেশি দরে আর খারাপ থাকলে কম দরে না করে একটি কোম্পানির যোগ্যতার ওপর নির্ভর করে আইপিও অনুমোদন দেয়ার আহ্বান করা হয়েছে সিএসই’র পক্ষ থেকে। নিজের গ্রাহককে জানো (কেওয়াইসি) বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে। এই আতঙ্ক দূর করতে সিএসই এসইসিকে নতুন করে কেওয়াইসি না করার সুপারিশ করে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ৩০ নভেম্বর, ২০১২

তারল্য সংকট থাকলে আইপিও-তে অধিক পরিমানে আবেদন পড়ত না

সাংবাদিকদের এবিবি সভাপতি
তারল্য সংকট নয়, আস্থা ও সমন্বয়হীনতাই দর পতনের প্রধান কারণ

পুঁজিবাজারে তারল্য সংকট নেই। যদি তাই থাকত তবে নতুন কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবগুলোতে অধিক পরিমানে আবেদন পড়ত না। বাজারে অন্য সমস্যা রয়েছে। আস্থা এবং সমন্বয়হীনতা দর পতনের প্রধান কারণ। আজ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সঙ্গে ১৯টি ব্যাংকের প্রতিনিধিদের বৈঠক শেষে এসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সভাপতি নূরুল আমিন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

সিএসই’র ঢাকা কার্যালয়ে আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থা এবং ব্যাংকের বিনিয়োগ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়।

এবিবি’র সভাপতি বলেন, ব্যাংকগুলোর পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। পুঁজিবাজার ধসের পর থেকে ব্যাংকগুলো ব্যাপক লোকসানে আছে। এছাড়া সম্প্রতি ব্যাংকগুলোকে বড় অংকের প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়েছে।

তবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারের সঙ্গে আছে জানিয়ে নূরুল আমিন বলেন, ব্যাংকগুলো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী নয়। ব্যাংক পরিচালিত হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আইন দ্বারা এসইসি’র আইন দ্বারা নয়। পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ করলে কিংবা তালিকাভুক্ত না হলে এসইসির কিছু করার নেই।

বৈঠক শেষে সিএসইর প্রেসিডেন্ট আল মারূফ খান বলেন, বৈঠকে কর্মাশিয়াল ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বিনিয়োগের ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। সামনে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের সময় এসেছে। আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের সময় বাজারে কি ধরণের প্রভাব পড়তে পারে তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান আল মারূফ খান জানান।

বিনিয়োগকারীদের কেওয়াইসি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সিএসই প্রেসিডেন্ট বলেন, কেওয়াইসির বিয়ষটি যাদের মুখ থেকে এসেছিল আমরা চাই তাদের মুখ থেকেই তা বাতিলের ঘোষণা আসুক।

জানা যায়, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেশের বাইরে থাকায় মোট ১৯টি ব্যাংক এবং আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং তাদের অনুপস্থিতিতে তাদের প্রতিনিধি হিসাবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে এবি ব্যাংক, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পুবালী ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, স্টান্ডার্ড ব্যাংক, ইউসিবিএল, ইসলামী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, এবং ব্যাংক এশিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আইসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান সভায় অংশ নেন।

সূত্র: শেয়ারনিউজ২৪.কম, নভেম্বর ২৮, ২০১২

১৪ কারণে সিএসই’র আইপিও বাতিলের প্রস্তাব

বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় ১৪ কারণে কোনো কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও বাতিল করতে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) বিধিমালা-২০০৬ সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)।

কোনো কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) জন্য দেয়া প্রস্তাবনায় ১৪টি নির্দিষ্ট কারণ থাকলে ওই আইপিও এক বছরের জন্য বাতিল করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের জন্যও এক বছরের শাস্তির বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

গত ১৯ নভেম্বর সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) এ প্রস্তাবনা জমা দেয় সিএসই।

সিএসই’র পক্ষ থেকে যেসব কারণের জন্য আইপিও বাতিলের বিধান চালু করার প্রস্তাব করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে- যে কোম্পানির আইপিও প্রস্তাবের মাধ্যমে অর্থের ব্যবহার সম্পর্কে বোঝা সম্ভব না, ঋণ পরিশোধের জন্য আইপিও হলেও ঋণ নেয়ার কারণ অনুপস্থিত, দৃশ্যমান সম্পদ অর্জনে অর্থের ব্যবহার না হলে, যে ব্যবসার জন্য অর্থ নেয়া হচ্ছে, ওই সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান থেকে অনুমোদন পাওয়ার পূর্বে আইপিও আবেদন করলে, যদি অর্থ উত্তোলন ও তা ব্যবহারের দীর্ঘ সময়ের ব্যবধান থাকে, ব্যবসার অধিকাংশই সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সঙ্গে হলে, অস্বাভাবিক আয়-ব্যয় হলে, অদৃশ্যমান সম্পদ বৃদ্ধি ইত্যাদি সম্পর্কে নিরীক্ষক সন্দেহ প্রকাশ করলে এবং যদি এসইসি মনে করে, বিনিয়োগকারীরা ব্যবসার ঝুঁকি নিরূপন করতে সম্ভব হবেন না এমন প্রতিষ্ঠানের আইপিও বাতিল করার প্রস্তাব দিয়েছে সিএসই।

এছাড়া আইপিওতে আসতে ইচ্ছুক কোম্পানিগুলোর জন্য আলাদা নিরীক্ষক প্যানেল গঠনের প্রস্তাবও করা হয়েছে।

সিএসই’র প্রস্তাবনায় বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকে যেমন অডিটর প্যানেল রয়েছে, তেমনি এসইসি’র একটি আইপিও নিরীক্ষক প্যানেল তৈরি করার প্রয়োজন। আইপিও’র মাধ্যমে পুঁজিবাজার েেথকে যেসব প্রতিষ্ঠান অর্থ উত্তোলন করতে ইচ্ছুক, তাদের এসইসি’র ওই আইপিও অডিটর প্যানেলের মাধ্যমে আর্থিক প্রতিবেদন নিরীক্ষা করাতে হবে।
একই সঙ্গে ওই প্যানেলের অডিটরের মাধ্যমে যদি কোনো অনিয়ম হয়ে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে ওই অডিটরকে কালো তালিকাভুক্ত করারও প্রস্তাব করেছে সিএসই।

তবে প্রিমিয়ামের বিষয়ে প্রস্তাবনায় বলা হয়, প্রিমিয়ামের কোনো পূর্বনির্ধারিত কাঠামো না ঠিক করে যে প্রতিষ্ঠান যতটা প্রিমিয়াম পাওয়ার যোগ্য, ওই কোম্পানিকে ততটাই প্রিমিয়াম দেয়া উচিত।

যে কোনো প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর অন্তত দুই বছর ওই প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে যাবতীয় পর্যালোচনা পরিচালনা করবে সংশ্লিস্ট ইস্যু ব্যবস্থাপক (ইস্যু ম্যানেজার)। আইপিও’র মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের ব্যবহার, যেসব ক্ষেত্রে আইপিও’র অর্থ ব্যবহার হওয়ার কথা, তা সঠিকভাবে হচ্ছে কি-না এসব দিক দেখবে ইস্যু ব্যস্থাপক। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানটির জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে প্রস্তাবনায় মন্তব্য করা হয়।

এছাড়া কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার আগে ভালো লভ্যাংশ দিয়ে থাকলেও তালিকাভুক্ত হওয়ার পর সে ধারাবাহিকতা অব্যাহত না থাকার কারণে তালিকাভুক্ত হওয়ার আগেই কোম্পানির একটি লভ্যাংশ দেয়ার নীতি নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া আর্থিক প্রতিবেদনে দুর্নীতি প্রতিরোধে ৪টি সুপারিশ করেছে সিএসই। আর আইপিওতে আসার এক বছর আগে যে কোন্ োপ্রতিষ্ঠানের এসইসিতে রেজিস্ট্রেশন করার বিধান চালুর সুপারিশ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় উল্লিখিত বিধিমালাটি সংশোধনে ২ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে এসইসি।

সূত্র: শেয়ারনিউজ২৪, নভেম্বর ২৮, ২০১২

Argon Denims to pay off loans by its IPO proceeds

Subscription starts today (Nov 26)

Argon Denims will use the raised funds from public for improving its financial indicators, including profit.

The export-oriented company will get relief from interest burden by using the proceeds of initial public offering (IPO), through which the firm will raise Tk 105 crore.

Argon Denims will also repay Tk 84.80 crore that it took from One Bank as ‘bridge financing’ to set up a new unit to double its production capacity, a top official said.

The company mainly produces medium and premium range denim fabrics, and after the project expansion its current production capacity is 1.70 crore yards of denim fabrics per year

Although the IPO was for setting up the new unit, the company was determined to complete the new project within September this year, said Anwar-ul Alam Chowdhury, managing director of Argon Denims.

The company went for the bridge financing, as the project could have been delayed had they waited for the IPO fund, he said.

“We have completed the expansion with the bridge financing and went for commercial production in September,” he said.

Argon Denims submitted its IPO proposal to the Securities and Exchange Commission in March and the regulator approved it in May with an offer price of Tk 44 per share.

Later in October, the SEC approved the IPO with an offer price of Tk 35 per share, after the company submitted a revised IPO plan in June.

Now the company will issue three crore ordinary shares of Tk 10 each at an offer price of Tk 35, including Tk 25 as premium.

Using a portion of the IPO proceedings, the company will also repay Tk 16.40 crore that it took from One Bank and Mercantile Bank as short-term loan.

“As we are going to be listed soon, the additional production from the new project will ultimately benefit the investors,” he said.

The IPO subscription of Argon Denims will start tomorrow and close on December 2.

After the completion of the IPO, the company’s paid-up capital will rise to Tk 60 crore, from Tk 30 crore now.

As per the latest financial statements of Argon Denims, its earnings-per share was Tk 5.46 and net asset value per share was Tk 20.71.

Source: The Daily Star, November 25, 2012

Argon Denims IPO: Public Notice

Re-opening of Subscription Period of Initial Public Offering (IPO) of Argon Denims Limited.

This is for information of all concerned that SEC has approved the re-opening of subscription of Argon Denims Limited at a discounted offer of issue price of Tk. 35 per share, including premium of Tk. 25 each in 449th Commission meeting held on 16.10.2012. The approved subscription date of “Argon Denims limited” is for General Public from 26.11.2012 to 02.12.2012 and for NRB from 26.11.2012 to 11.12.2012 respectively.

Source: Company website

আর্গন ডেনিমস: আজ (২৬ নভেম্বর) থেকে শুরু আইপিও আবেদন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাওয়া আর্গন ডেনিমস লিমিটেডের ইনিশিয়াল পাবলিক অফার (আইপিও) আবেদন ২৬ নভেম্বর, সোমবার থেকে শুরু হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, আবেদন গ্রহণ চলবে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য আবেদনের সুযোগ থাকছে ২৬ নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

প্রতিষ্ঠানটি ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে শেয়ারবাজার থেকে ১০৫ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ অফার প্রাইস ধরা হয়েছে ৩৫ টাকা এবং ২০০টি শেয়ারে মার্কেট লট।

আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত টাকা কোম্পানিটির ঋণ পরিশোধ এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের কাজে ব্যবহার করা হবে।

৩১ ডিসেম্বর ২০১১ সমাপ্ত অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৫.৪৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) ২০.৭১ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

Premier Cement forms available at bdipo.com

Anyone can download forms from www.bdipo.com/companies. Subscribed users can generate forms from www.bdipo.com/form_generators.

Premier Cement Mills will float 12 million ordinary shares of Tk 10 each at an offer price of Tk 22 including a premium of Tk 12. Premier Cement will raise Tk 264 million from the market through IPO.

According to its 2010-2011 financial statement, the earning per share of Premier Cement is Tk 4.05. Alliance Financial Services will be the issue manager for IPO process.

In going for IPO, Premier Cement Mills will be the seventh company in cement sector.

Global Heavy IPO forms available at bdipo.com

Anyone can download forms from www.bdipo.com/companies. Subscribed users can generate forms from www.bdipo.com/form_generators

Global Heavy Chemicals Ltd will raise Tk 24 crore from public.

The approval to the initial public offering (IPO) of the sister concern of Opsonin Group came at a meeting presided over by SEC Chairman M Khairul Hossain.

Global Heavy will float 1.2 crore ordinary shares of Tk 10 at an offer price of Tk 20 each, including Tk 10 as premium, the SEC said in a statement.

As per the latest financial report, earnings per share of the company are Tk 3.71. BMSL Investment Ltd and AFC Capital Ltd are the issue managers of the IPO.