Monthly Archives: June 2012

সরকারী কোম্পানিগুলোর শেয়ার ছাড়ার ঘোষণা কাজে আসছে না

দেশের পুঁজিবাজারে সরকারী কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তির কাজ চলছে ঢিমেতালে। জাতীয় সংসদসহ বিভিন্ন সভা-সেমিনারে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সরকারী শেয়ার ছাড়ার ঘোষণাও কোন কাজে আসছে না। বাজারের গভীরতা বাড়াতে সাধারণ বিনিয়োগকারী ও বাজার সংশ্লিষ্টদের দীর্ঘদিনের একটাই দাবি ছিল দ্রুত সরকারী কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্ত করা হোক। এই দাবির প্রেক্ষিতেই অর্থমন্ত্রী স্বয়ং ঘোষণা করেছিলেন গত বছরের জুনের মধ্যে ২৬টি সরকারী প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার ছাড়তে হবে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদও শেয়ার ছাড়ার প্রক্রিয়া শেষ হবে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব কোম্পানির শেয়ার ছাড়তে সরকারের উচ্চ মহলের নির্দেশনা থাকলেও কোম্পানিগুলোর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রিতাই এটিকে বাধাগ্রস্ত করছে। তাই দীর্ঘ এক বছর পেরিয়ে গেলেও কাজে অগ্রগতি নেই। শুধু তাই নয়, তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়াটি এতটাই ধীরগতিতে এগোচ্ছে যে, চলতি বছরেও এসব কোম্পানির শেয়ার পুঁজিবাজারে আসবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। ডিএসইর সভাপতি রকিবুর রহমান বলেন, সরকারী ও ভাল কোম্পানিগুলোকে জরুরী ভিত্তিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করতে হবে। এতে বাজারের গভীরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে।
তবে কোম্পানি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শ্রমিক অসন্তোষ, জ্বালানি সমস্যা, কোম্পানি পুনর্গঠিত না হওয়া, জমির মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা, অডিট ফার্ম নিয়োগে ব্যর্থতাসহ বিভিন্ন কারণে শেয়ার অফলোডের বিষয়টি ঝুলে রয়েছে।
গত ২০১০ সালের ১৩ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আগামী ৬ মাসের মধ্যে ২৬টি সরকারী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারবাজারে ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর মধ্যে কয়েকটি কোম্পানিকে গত বছরের মে মাসে এবং বাকিগুলোকে জুন মাসের মধ্যে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য সময় বেঁধে দেয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলো বাজারে আসতে ব্যর্থ হয়েছে। ২০১০ সালের ঘোষণা অনুযায়ী শেয়ার ছাড়তে ব্যর্থ হওয়ায় ২০১১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ২১টি সরকারী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়ার জন্য আবারও সময় বেঁধে দেয়া হয়। বৈঠক শেষে ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার সময় ঠিক করে দেয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুঁজিবাজারে আনতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে বলেও বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেয়নি তারা।
ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে সরকারী মালিকানাধীন কোম্পানির শেয়ার পুঁজিবাজারে আসার কোন সম্ভাবনা নেই। আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড সরকারী কোম্পানির শেয়ার পুঁজিবাজারে আনার জন্য দায়িত্ব পেলেও সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর অনাগ্রহের কারণে ঘোষিত সময়ে শেয়ার অফলোড করা যাবে না বলে জানা গেছে।
তবে শেয়ার ছাড়ার প্রক্রিয়া অগ্রসর করতে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান সংশ্লিষ্ট সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। প্রতিদিন একটি করে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে সর্বশেষ অবস্থা পর্যালোচনার মাধ্যমে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হচ্ছে।
ইতোমধ্যে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আপিও’র (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) মাধ্যমে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এদিকে আরপিও’র (পুনঃগণপ্রস্তাবের) মাধ্যমে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি) বাজারে শেয়ার ছেড়েছে।
জানা গেছে, নির্ধারিত সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার ২০১১ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে বাজারে আসার কথা ছিল। একই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেডের ২৫ শতাংশ শেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্র্যান্ডিং নিয়ে জটিলতার কারণে এ প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। টেলিফোন শিল্প সংস্থা টেশিস) গত বছরের এপ্রিলের মধ্যে শেয়ার ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। ৩০ মের মধ্যে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার ছাড়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। ৩০ জুনের মধ্যে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ, চিটাগাং ড্রাইডক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, বাংলাদেশ কেবল শিল্প লিমিটেড, এ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস এবং হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের (সোনারগাঁও হোটেল) তালিকাভুক্তির সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বাখরাবাদ গ্যাস ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এবং টেলিটক ও বিটিসিএল সেপ্টেম্বরের মধ্যে এবং কর্ণফুলী পেপার মিলকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাজারে শেয়ার ছাড়ার সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড এবং বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড লিমিটেডকে ৬ মাসের মধ্যে শেয়ারবাজারে বন্ড ইস্যু করে অর্থ সংগ্রহের জন্য বলা হয়েছে। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু সেতু ও পদ্মা সেতুর জন্য যৌথভাবে জুন বা জুলাই মাসের মধ্যে শেয়ার ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। পাঁচ তারকা হোটেলটি দীর্ঘদিন শেরাটন ব্র্যান্ডের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছিল। সম্প্রতি শেরাটন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থাপনা থেকে সরে যাওয়ায় হোটেলের নাম পরিবর্তন করে ‘রূপসী বাংলা’ রাখা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক কোন প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড নাম ব্যবহারের চেষ্টা করছে সরকার। এ বিষয়ে সরকারী আদেশের পর নতুন শেয়ার ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে এখন পর্যন্ত রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি, জালালাবাদ গ্যাস কোম্পানি, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল), টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস), চিটাগাং ড্রাইডক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, বাংলাদেশ কেবল শিল্প লিমিটেড, এ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস, বাখরাবাদ গ্যাস, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস, রুরাল পাওয়ার, হোয়েকস্ট বাংলাদেশ লিমিটেড, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন ডেভেলপমেন্ট, মিরপুর সিরামিকস এবং হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের (সোনারগাঁও হোটেল) শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে কোন অগ্রগতি নেই। অন্যদিকে লোকসান কাটিয়ে উঠতে না পারায় আপাতত শেয়ারবাজারে আসতে পারছে না ছাতক সিমেন্ট, কর্ণফুলী পেপার মিলস, জিএম কোম্পানি এবং বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরি লিমিটেড। সরকারী শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, অর্থমন্ত্রী বার বার ঘোষণা দিলেও সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ার বাজারে আসেনি। ডিসেম্বরের আগে শেয়ারগুলো আনা সম্ভব হলে বাজারে পতনটা এত তীব্র হতো না। বর্তমানে বাজারে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে তাতেও সরকারী কোম্পানির শেয়ার ছাড়ায় কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৪ জুন ২০১২

সায়হাম কটনের লেনদেন শুরু ২৪ জুন

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহের পরে বস্ত্র খাতের সায়হাম কটন মিলস আগামী ২৪ জুন রবিবার থেকে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু করবে। ঢাকা স্টক একচেঞ্জের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ ও প্রকাশনা) মো: শফিকুর রহমান এতথ্য জানিয়েছেন।
কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের জন্য ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২০ টাকা জমা দিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। ২৫০টি শেয়ারে মার্কেট লট হওয়ায় প্রতি আবেদনের জন্য বিনিয়োগকারীদের গুনতে হয়েছে ৫ হাজার টাকা। কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে প্রিমিয়ামসহ মোট ৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে ৪৭ কোটি ৫০ লাখ প্রিমিয়াম নিয়েছে কোম্পানি। বাকী ৪৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন হিসেবে আছে। কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ২১ জুন ২০১২

Summit Purbanchol Power IPO approved

The Summit Purbanchol Power Company Limited, a subsidiary of Summit Power, has received SEC’s consent for issuance of 3,00,00,000 number of ordinary shares of Tk 10.00 each through initial public offering (IPO) at Tk 45.00 each (with premium of Tk 35.00 each) under fixed price method.

Source: The Financial Express, June 14, 2012

সামিট পূর্বাচল পাওয়ারের আইপিওতে এসইসির সম্মতি

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত সামিট পাওয়ার লি. কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান সামিট পূর্বাচল পাওয়ার কোম্পানি লি.-এর আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে পুঁজি সংগ্রহের বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন- এসইসি।

বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ’র (ডিএসই) ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

জানা যায়, সামিট পূর্বাচল পাওয়ার কোম্পানি লি. বাজারে ৩ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে পুঁজি সংগ্রহ করবে। এ কোম্পানির ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর শেয়ারের প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে ৩৫ টাকা। ফিক্সড প্রাইজ মেথডের মাধ্যমে কোম্পানিটি বাজার থেকে পুঁজি সংগ্রহ করবে।

সূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, ১৩ জুন, ২০১২

অনুমোদনের অপেক্ষায় অবকাঠামো খাতের হাজার কোটি টাকার প্রথম ফান্ড

দেশের পুঁজিবাজারে প্রথমবারের মতো অবকাঠামো (ইনফ্রাস্ট্রাকচার) খাতের ১ হাজার কোটি টাকার মিউচ্যুয়াল ফান্ড তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে। অনুমোদনের জন্য আবেদন করা ফান্ডের নাম দেয়া হয়েছে আলিফ ইউসিবি ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ড।
সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ৪০৫তম নিয়মিত কমিশন সভায় এ ফান্ডের ট্রাস্ট ডিডের (চুক্তি) খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়। প্রসপেক্টাস অনুমোদন হলেই এটির কাজ শেষ হবে। এরপরে তালিকাভুক্ত হলেই এটি বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু করবে। ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে আলিফ এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড কাজ করবে।
ট্রাস্ট ডিডটি রেগুলেশন এ্যাক্ট ১৯০৮-এর অধীনে নিবন্ধন হওয়া সাপেক্ষে ইউসিবি ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ডের নিবন্ধন সনদ প্রদান করা হবে বলে কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
জানা গেছে, এখন পর্যন্ত মেয়াদী তহবিলের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বড় তহবিল। ১০ বছর মেয়াদী ইউসিবিএল অবকাঠামো তহবিলটির উদ্যোক্তারা জোগান দেবেন ১০০ কোটি টাকা। বাকি ৯০০ কোটি টাকার মধ্যে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ৩৫০ কোটি টাকা, প্রবাসী বাংলাদেশীদের (এনআরবি) কাছ থেকে ৩৪৫ কোটি টাকা, বাজারের অন্যান্য যৌথ তহবিল থেকে ৫৫ কোটি টাকা এবং প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে ১৫০ কোটি টাকা।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৮ জুন ২০১২

এক এ্যাকাউন্টে একাধিক আবেদনে ১৫ শতাংশ অর্থ বাজেয়াপ্ত

একটি বেনিফিসারি ওনার্স এ্যাকাউন্টের বিপরীতে একসঙ্গে একাধিক প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন করলে জমা দেয়া অর্থের ১৫ শতাংশ বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি’র আইন অনুসারে একজন বিনিয়োগকারী আইপিওতে ২টির বেশি আবেদন করতে পারবে না। যদি কোন বিনিয়োগকারী তা করে থাকলে তিনি আইন লঙ্ঘনের আওতায় পড়বেন।
জানা গেছে, সম্প্রতি আইপিওতে আসা সায়হাম কটন মিলস্ লিমিটেড ও আমরা টেকনলোজিস লিমিটেডের একাধিক আবেদন জমা পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এরই প্রেক্ষিতে কমিশন একাধিক আবেদনের বিপরীতে জমাকৃত অর্থের আংশিক কর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। এসইসি’র গত ৪৩৩তম নিয়মিত কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এর আগেও আইপিওতে আসা জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড ও পদ্মা ইসলামিক লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের একাধিক আবেদন জমা পরেছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। কমিশন সভায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, অর্থ বাজেয়াপ্ত করার পূর্বে ইস্যুয়ার বিষয়টি পুনর্পরীক্ষা করবে এবং বাজেয়াপ্তকৃত অর্থ কমিশনের কাছে জমা করবে। আর জমাকৃত অর্থের আংশিক বাজেয়াপ্ত করার পর অবশিষ্ট অর্থ সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে ফেরত প্রদান করা হবে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৭ জুন ২০১২

উচ্চহারে প্রিমিয়াম নিয়ে আইপিও

অনুমোদন না দিতে এসইসির প্রতি আহ্বান

এসইসির অনুমোদন নিয়ে বাজার থেকে অনেক কোম্পানি উচ্চহারে প্রিমিয়াম নিয়ে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ছেড়ে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলেছে।

ঢাকা স্টক একচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান বলেন, এর আগেও বাজারে উচ্চহারে প্রিমিয়াম নিয়ে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ছাড়ার অনুমোদন দিয়েছিল সিকিউরিটিজ এ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বাজারের স্ফীতিকে কাজে লাগিয়ে কোম্পানিগুলো বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করেছে। তাই এসইসির কাছে দাবি জানানো হয়েছে, উচ্চহারে প্রিমিয়াম নিয়ে আইপিও ছাড়ার অনুমোদন যেন আর না দেয়া হয়।
চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দীন আলী আহমদ জানান, উচ্চহারে প্রিমিয়াম নিয়ে আইপিওর অনুমোদন দেয়া উচিত নয়।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৪ জুন ২০১২

১৩ জুন থেকে জিবিবি পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে

বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতের জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

৩১ মার্চ সমাপ্ত প্রথম (জানু-মার্চ’১২) প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৫ টাকা। যা গত বছরের একই সময়ে ছিলো যথাক্রমে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ০.৪৯ টাকা।

উল্লেখ্য আগামীকাল ১৩ জুন বুধবার থেকে জিবিবি পাওয়রে শেয়ার লেনদেন শুরু হবে।

সূত্র: শেয়ারনিউজ২৪.কম, জুন ১২, ২০১২