Monthly Archives: May 2012

NBFIs must raise capital to Tk 1b

Central bank keeps deadline unchanged

Bangladesh Bank has not extended deadline for raising paid-up capital of Non-Banking Financial Institutions (NBFIs) to Tk 1 billion, hence they must fulfill the condition by June 30.

BB Deputy Governor SK Sur Chowdhury said it to the journalists after a meeting with Bangladesh Leasing and Finance Companies Association (BLFCA) yesterday in the city.

President of BLFCA Asad Khan, however, told the journalists that increasing paid-up capital to Tk 1 billion is quite impossible by June 30 as some of NBFIs even have not got SEC approval yet to release IPO.

Central bank Governor Dr. Atiur Rahman presided over the meeting held at the BB conference room.

BLFCA members and BB officials were also present at the meeting.

“We have not extended the deadline. Hence, the five NBFIs who are yet to increase their paid-up capital to Tk 1 billion must meet requirement by June 30 (today),” said SK Sur Chowdhury.

The NBFIs also need to start working on issuing IPO (Initial Public Offering) in the stock market, he added.

The central bank deputy governor warned of tougher action against those who would fail to meet the requirements.

Source: Daily Sun, May 30, 2012

নন-ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের মূলধন বৃদ্ধির সময় বাড়ছে না

ব্যর্থ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৩০ জুনের মধ্যে আইপিও ইস্যু করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ

বাধ্যতামূলকভাবে নন-ব্যাংকিং প্রত্যেক আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে তাদের পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। এ জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে এই পরিমাণ মূলধন সংগ্রহের জন্য আগামী ৩০ জুনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। এ সময়ের মধ্যে যদি কোন প্রতিষ্ঠান তাদের পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ওইসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর এসকে সুর চৌধুরী এ বিষয়ে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য দেন। গবর্নর ড. আতিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দেশের ৩১টি নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে পরিশোধিত মূলধনের বিষয় ছাড়াও প্রতিষ্ঠানগুলোর নিকটতম ভিন্ন স্থাপনায় শাখা সম্প্রসারণ, বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনর্অর্থায়ন স্কিমের আওতায় ‘হোম লোন উইনডো’ চালুকরণ এবং জিরো কুপন বন্ডের ওপর অর্পিত কর আগামী বাজেটে প্রত্যাহার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
ডেপুটি গবর্নর এসকে সুর চৌধুরী সাংবাদিকদের আরও জানান, ৩১টি নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৬টির পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটি সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ৫টি প্রতিষ্ঠান এখনও তাদের পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটিতে উন্নীত করতে পারেনি।
সুর চৌধুরী জানান, এসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সময়সীমা বৃদ্ধি করা হলে ব্যাসেল-২ এর রোডম্যাপ অনুযায়ী ‘ইন্টারনাল রেটিং বেজড এ্যাপ্রোচ’ গ্রহণ এবং সামনে ব্যাসেল-৩ নীতিমালা বাস্তবায়নে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া গত বছর ৩১ আগস্টের বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যেই ব্যাংকগুলো তাদের পরিশোধিত মূলধন ৪০০ কোটি উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছে। তাই নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মূলধন বৃদ্ধির সময় বাড়ানোর কোন সুযোগ নেই। এসব বিষয় বিবেচনা করেই একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মূলধন ১০০ কোটি টাকায় উন্নীতকরণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিশ্বাস করে যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটির নিচে রয়েছে তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা পূরণ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
তবে এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আসাদ খান এ সময় সাংবাদিকদের অবহিত করে বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের টাকা ১০০ কোটিতে উন্নীত করা সম্ভব নয়। কারণ অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইপিও ছাড়ার জন্য সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে আবেদন করে পরবর্তি প্রক্রিয়ার জন্য অপক্ষো করছে। কিন্তু কোনটিরই অনুমোদন দেয়া হচ্ছে না।
ওদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শাখা/বুথ সম্প্রসারণের বিষয়ে নির্দেশনা শিথিল করার বিএলএফসিএ’র দাবি প্রসঙ্গে বৈঠকে গবর্নর ড. আতিউর রহমান জানান, এ বিষয়টি নমনীয়ভাবে দেখা যেতে পারে। কেননা ব্যাংক শাখায় ক্যাশভল্ট থাকে এবং প্রতিদিন কাউন্টারে লেনদেন হয়। ব্যাংকের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিঘিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় একই স্থাপনায় শাখা/বুধ সম্প্রসারণের বিষয়ে বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু ব্যাংকের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ক্যাশভল্ট ও কাউন্টারে লেনদেন করার সুযোগ না থাকায় নিকটস্থ ভিন্ন স্থাপনায় শাখা/বুথ সম্প্রসারণ করা হলে তাদের নিরাপত্তা বিঘিœত হওয়ার আশঙ্কা নেই। এ বিবেচনায় নিকটস্থ ভিন্ন স্থাপনায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শাখা/বুথ সম্প্রসারণের বিষয়টি আমরা বিবেচনা করব।’
পুনর্অর্থায়ন স্কিম চালুকরণের দাবি প্রসঙ্গে বৈঠকে গবর্নর বলেন, মুদ্রানীতির উদ্দেশ্য পূরণকল্পে এ স্কিমের আওতায় পুনর্অর্থায়ন সুবিধা বন্ধ রাখা হয়েছে। তাই গৃহায়ন খাতে আপাতত নতুন করে পুনর্অর্থায়ন সুবিধা দেয়া সম্ভব নয়।’
বৈঠকে গবর্নর কৃষি ও এসএমই খাতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ সন্তোষজনক নয় বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি এসব উৎপাদনশীল খাতে ব্যাংকিং খাতের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধি করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
বৈঠকে বাংলাদেশ লিজিং ও ফাইন্যান্স কোম্পানি এ্যাসোসিয়েশনের নেতারা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত সচ্ছলতা বজায় রাখার জন্য জিরো কুপন বন্ডের ওপর থেকে কর প্রত্যাহারের দাবি জানান। এ প্রসঙ্গে এসকে সুর চৌধুরী জানান, বিষয়টি আলোচনাধীন। ইতোমধ্যে বিএলএফসিএ এ ব্যাপারে এনবিআরের সঙ্গে কথা বলেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ৩০ মে ২০১২

Regulator okays IPO prospectus of Argon Denims

The Securities and Exchange Commission yesterday approved initial public offering (IPO) prospectus of Argon Denims Ltd, which will raise Tk 132 crore from public.

The approval came at a meeting of the stockmarket regulator with its Chairman M Khairul Hossain in the chair.

Using a fixed-price method, Argon Denims will float three crore ordinary shares of Tk 10 each at an offer price of Tk 44, including a premium of Tk 34, the SEC said in a statement.

The company will use the IPO proceeds to repay its bank loans and use in project expansion.

The company’s earnings per share is Tk 5.46, according to its 2011 financial statements.

LankaBangla Investments Ltd is the issue manager of Argon Denims’ IPO.

Argon Denims, a subsidiary of Evince Group, will be the 26th company in the textile sector to be listed on the bourse.

The market regulator also decided to instruct the institutions concerned to implement the recommendations made by a government committee on compensating the retail investors who lost money to last year’s downswings.

Earlier, the committee singled out 9.33 lakh small investors who will get 20 percent IPO quota under the stock compensation package.

At yesterday’s meeting the stockmarket watchdog also fined issue manager, auditor and valuer of Apollo Ispat Complex Ltd for providing incorrect information in the IPO prospectus.

The SEC imposed Tk 1 lakh fine each on ICB Capital Management Ltd, the issue manager, and Ms Zoha Zaman Kabir Rashid and Co Ltd, the auditor, and Tk 2 lakh fine on Ms Mosih Muhit and Co, the valuer.

Source: The Daily Star, May 30, 2012

আরগন ডেনিমসের আইপিও অনুমোদন

আরগন ডেনিমস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। মঙ্গলবার সংস্থাটির ৪৩৪তম কমিশন সভায় এই অনুমোদন দেয়া হয়। কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনের সভাপতিত্বে সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কমিশনের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আরগন ডেনিমস নামের কোম্পানি ১০ টাকা মূল্যে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১৩২ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। ১০ টাকা মূল্যের কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে ৩৪ টাকা করে। লঙ্কা বাংলা ইনভেস্টমেন্ট লি. ও আরগন ডেনিমস লিমিটেডের ইস্যু ব্যবস্থপনার দায়িত্ব পালন করবে। কোম্পানি উত্তোলকৃত টাকা ব্যাংক থেকে গৃহীত ঋণ পরিশোধ, প্রকল্প সম্প্রসারণ এবং আইপিও’র খরচ খাতে ব্যয় করবে। ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য কোম্পানির বেসিক শেয়ারপ্রতি আয় দেখানো হয়েছে ৫.৪৬ টাকা।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ৩০ মে, ২০১২

ক্ষতিগ্রস্ত ৮ লাখ বিনিয়োগকারী পাচ্ছেন আইপিওতে বিশেষ কোটা

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ
পুঁজিবাজারে ভয়াবহ দরপতনে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যভুক্ত ৩০৭টি ব্রোকারেজ হাউসের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) বিশেষ কোটা সুবিধা দিচ্ছে সরকার। ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের বিশেষ প্রণোদনা দিতে স্কিম কমিটির প্রতিবেদনে তাঁদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে এই সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে ব্রোকারেজ হাউসের ৭ লাখ ৯৬ হাজার ১০৭ জন বিনিয়োগকারী রয়েছে।
স্কিম কমিটির আহ্বায়ক ও ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ ফায়েকুজ্জামান জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) জমা দেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের আমরা দুই ভাগে ভাগ করে সুপারিশ করেছি। বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং তাঁদের ধরে রাখতে সুদ মওকুফ ও কোটা সুবিধার কথা বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তদন্তে দেখা গেছে, মার্জিন ঋণ দেয়ার পরিমাণ মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বেশি। আর ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে অনেক কম। তাই ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে আইপিওতে কোটা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বেশি। আর মার্চেন্ট ব্যাংকের ক্ষেত্রে সুদ মওকুফের সুপারিশ করা হয়েছে।
সিকিউরিটিজ এ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশনের কাছে জমা দেয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিএসই’র ২০৪টি ব্রোকারেজ হাউসের মধ্যে এবি সিকিউরিটিজকে ৬২৬টি বিও হিসাবে ৫০ শতাংশ হিসেবে সুদ মওকুফ করতে হবে ৭৫ লাখ টাকা। এ প্রতিষ্ঠানের ঋণবহির্ভূত ৪০টি হিসাব আইপিওতে কোটা পাবে। এডি হোল্ডিংয়ে ১৯টি বিও হিসাবে সুদ মওকুফ করতে হবে ৪৪ হাজার টাকা ও ৫১টি বিও আইপিওতে কোটা পাবে। একইভাবে এআইবিএল ক্যাপিটেল মার্কেট সার্ভিসে ৮৫৪টি হিসাবে ১ কোটি ৪৬ লাখ ৪৪ হাজার টাকা ও ১ হাজার ৮৬৩ জন আইপিওতে কোটা। একে খান সিকিউরিটিজের ৩৩টি হিসাবে ৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকা ও ৪৪ জনের কোটা, আকিজ সিকিউরিটিজে ২৪৯টি হিসাবে ৬১ লাখ টাকা ও ২ হাজার ৬৬ জনের কোটা, এএল সিকিউরিটিজে ২৯টি হিসাবে ৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকা ও ৭ হাজার ২২৪ জনের কোটা, আলহাজ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড স্টকসের ৩৮টি হিসাবে ৬ লাখ ৩১ হাজার টাকা ও আইপিওতে কোটা ২ হাজার ৯৯৩ জন, এ্যালিয়েন্স সিকিউরিটিজে ২৬টি হিসাবে ৩ লাখ ২১ হাজার টাকা ও ১ হাজার ২৫১ জনের কোটা, এএনএফ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির ৫৭টি হিসাবে ৩৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ও ১ হাজার ৫১৩ জনের কোটা, এ্যাপেক্স ইনভেস্টমেন্টের ৫৬৬টি হিসাবে ২ কোটি ৬১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা ও ২৫ হাজার ৬৪৪ জনের কোটা, এ্যারেনা সিকিউরিটিজের ৩৭০টি হিসাবে ৫২ লাখ ৭৮ হাজার টাকা ও ১ হাজার ৮৪৫ জনের কোটা, ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজের ৩৪৬টি হিসাবে ১ কোটি ৪ লাখ টাকা ও ১ হাজার ৬৭৬ জনের কোটা, ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজে ৫১টি হিসাবে ৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকা ও ৭ হাজার ৬৯৬ জনের কোটা, বুলবুল সিকিউরিটিজের ৩২৪টি হিসাবে ১ কোটি ৩১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ৬২০ জনের কোটা, সিএমএমএআরটি সিকিউরিটিজে ৮টি হিসাবে ৩ লাখ টাকা ও ৩৯০ জনের কোটা, কোস্ট টু কোস্ট সিকিউরিটিজে ১০৯টি হিসাবে ১৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ও ৪২৯ জনের কোটা, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টে ১৫৭টি হিসাবে ৫০ লাখ ৪৮ হাজার টাকা ও ৩ হাজার ২২৮ জনের কোটা, ডিবিএল সিকিউরিটিজে ১৪০টি হিসাবে ৮৭ লাখ ৬১ হাজার টাকা, ডেল্টা ক্যাপিটেল লিমিটেডে ১৩টি হিসাবে ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ৯৬০ জনের কোটা, ডিএসএফএম সিকিউরিটিজে ২০টি হিসাবে ৮ লাখ ৮৯ হাজার টাকা ও ১ হাজার ১০০ জনের কোটা, ইবিএল সিকিউরিটিজে ৭০টি হিসাবে ১০ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ও ৬৪ জনের কোটা, এমিনেন্ট সিকিউরিটিজের ৫৩টি হিসাবে ১০ লাখ ৯৩ হাজার টাকা ও ১ হাজার ৭৪২ জনের কোটা, এক্সপো ট্রেডার্সের ৩টি হিসাবে ৯৫ হাজার টাকা ও ৩ হাজার ৭৬৫ জনের কোটা, ফারইস্ট স্টক এ্যান্ড বন্ডের ১ হাজার ৮১৫টি হিসাবে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮৩ হাজার টাকা ও ১২২ জনের কোটা, গ্লোব সিকিউরিটিজে ৭০৮টি হিসাবে ৫৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ও ১৪ হাজার ২০৩ জনের কোটা, জিএমএফ সিকিউরিটিজে ৩টি হিসাবে ৬১ হাজার টাকা ও ২ হাজার ৫৬৮ জনের কোটা, গ্রিন ডেল্টা সিকিউরিটিজের ৫৩টি হিসাবে ৪৬ লাখ ৫৮ হাজার টাকা ও ৩ হাজার ৯০২ জনের কোটা, গ্রিনল্যান্ড ইকুইটিজের ৪৮টি হিসাবে ১৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা ও ৩ হাজার ৭১৭ জনের কোটা, হ্যাক সিকিউরিটিজে ৩০৫টি হিসাবে ১ কোটি ২ লাখ ৬৬ হাজার টাকা ও ২৬ হাজার ১৬৫ জনের কোটা, হাজী আহমেদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজে ৪টি হিসাবে ১ লাখ টাকা ও ৩ হাজার ৪৫৪ জনের কোটা, হার্পুন সিকিউরিটিজে ৫ হাজার ৬১৫টি হিসাবে ১ কোটি ৯১ লাখ টাকা ও ৬ হাজার ৪৭০ জনের কোটা, আইসিবি সিকিউরিটিজের ২৭৯টি হিসাবে ১ কোটি ৯৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ও ৬ হাজার ৭৮৪ জনের কোটা, আইএফআইসি সিকিউরিটিজের ৪৬০টি হিসাবে ১ কোটি ১১ লাখ ৩১ হাজার টাকা ও ৭০৬ জনের কোটা, আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজের ১ হাজার ৩৩৩টি হিসাবে ২ কোটি ২০ লাখ ৭৪ হাজার টাকা, ইমতিয়াজ হুসাইন সিকিউরিটিজের ২৪৯টি হিসাবে ১৬ লাখ ২৪ হাজার টাকা ও ১ হাজার ৪৪৬ জনের কোটা, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজের ৯১৬টি হিসাবে ২ কোটি ২২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা ও ১ হাজার ৯৬৪ জনের কোটা, ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন সার্ভিসের ৬৬৪টি হিসাবে ৩২ লাখ ৫৪ হাজার টাকা ও ২ হাজার ৭৯১ জনের কোটা, আইল্যান্ড সিকিউরিটিজে ৪ হাজার ১৪৯টি হিসাবে ২৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ৬ হাজার ৭৫৫ জনের কোটা, জয়তুন সিকিউরিটিজে ৬৬টি হিসাবে ১৫ লাখ ১৯ হাজার টাকা ও ৫ হাজার ৯৮০ জনের কোটা, লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজে ১ হাজার ৭৭৪টি হিসাবে ৪৯ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ও ২ হাজার ১৪৩ জনের কোটা, এম জুবায়ের সিকিউরিটিজে ২৩টি হিসাবে ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৫ হাজার ১৫৭ জনের কোটা, মার্কেন্টাইল ব্যাংক সিকিউরিটিজে ১ হাজার ৯৯৫টি হিসাবে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৮৩ হাজার টাকা ও ৯১৯ জনের কোটা, মিডওয়ে সিকিউরিটিজে ২টি হিসাবে ২৭ হাজার টাকা ও ৫ হাজার ৩৪৮ জনের কোটা, মাইকা সিকিউরিটিজের ৮৭৬টি হিসাবে ৩৪ লাখ টাকা ও ৪ হাজার ৯২৮ জনের কোটা, মিরর ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্টের ৭৫৬টি হিসাবে ৭৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ও ৬১০ জনের কোটা, এমএল সিকিউরিটিজে ৫৪টি হিসাবে ১২ লাখ ৭৯ হাজার টাকা ও ৩ হাজার ২৯৪ জনের কোটা, এমটিবি সিকিউরিটিজের ২৯৩টি হিসাবে ৭৫ লাখ টাকা ও ১৫ হাজার ৯০ জনের কোটা, এনবিএল সিকিউরিটিজের ১ হাজার ১৪টি হিসাবে ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ও ৭৯২ জনের কোটা, এনসিসি সিকিউরিটিজের ২২১টি হিসাবে ১ কোটি ৬৮ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ও ৩ হাজার ৩৭৫ জনের কোটা, পার্কওয়ে সিকিউরিটিজের ৭টি হিসাবে ৯৪ হাজার টাকা ও ৮ হাজার ৪২৭ জনের কোটা, পিপলস ইকুইটির ১১টি হিসাবে ৮৮ হাজার টাকা ও ৪২২ জনের কোটা, পিএফআই সিকিউরিটিজে ২৬১টি হিসাবে ১ কোটি ৫ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ও ১০৫ জনের কোটা, ফিনিক্স সিকিউরিটিজে ৮২২টি হিসাবে ১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ও ২ হাজার ৬০৭ জনের কোটা, পিএইচপি স্টকসে ৮৮টি হিসাবে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৬০১ জনের কোটা, প্রাইম ব্যাংক সিকিউরিটিজে ৫১টি হিসাবে ২ লাখ টাকা ও ১৭ জনের কোটা, প্রাইম ইসলামী সকিউরিটিজে ৭৬টি হিসাবে ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ২৯ জনের কোটা, পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজে ৫১টি হিসাবে ১৮ লাখ ৩১ হাজার টাকা ও ৬০৬ জনের কোটা, রিলায়েন্স ব্রোকারেজ সার্ভিসে ১ হাজার ৭৪২টি হিসাবে ৪৩ লাখ ৯৬ হাজার টাকা ও ১ হাজার ৭৩৮ জনের কোটা, এসএআর সিকিউরিটিজে ৮০টি হিসাবে ৪ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ও ১ হাজার ৮৩৮ জনের কোটা, এসসিএল সিকিউরিটিজে ১৪৯টি হিসাবে ১ কোটি ৩১ লাখ ৪২ হাজার টাকা ও ২ হাজার ৪১৫ জনের কোটা, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজে ৯৭৬টি হিসাবে ১ কোটি ৪০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ও ৩ হাজার ৭৬৫ জনের কোটা, শাকিল রিজভী স্টকের ১৩টি হিসাবে ৪ লাখ ১২ হাজার টাকা ও ৯ হাজার ৩৯৯ জনের কোটা, শার্প সিকিউরিটিজে ৫৬টি হিসাবে ৭ লাখ ৯৯ হাজার টাকা ও ৩ হাজার ১৬৭ জনের কোটা, সিনহা সিকিউরিটিজে ২১টি হিসাবে ৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা ও ৭ হাজার ৭৮ জনের কোটা, স্কয়ার সিকিউরিটিজে ৭৯টি হিসাবে ২৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা ও ৬ হাজার ১৯৭ জনের কোটা, স্টক এ্যান্ড বন্ড লিমিটেডে ২ হাজার ৩৩টি হিসাবে ২০ লাখ টাকা ও ৯২৭ জনের কোটা, টাইমস সিকিউরিটিজের ১৫৬টি হিসাবে ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা ও ৭৩৬ জনের কোটা, ট্রান্সকন সিকিউরিটিজের ৩২টি হিসাবে ২১ লাখ ৮২ হাজার টাকা ও ১ হাজার ৪৯ জনের কোটা, ট্রাস্টি সিকিউরিটিজে ৫১টি হিসাবে ২৬ লাখ ৭৭ হাজার টাকা ও ৬৬৩ জনের কোটা, ইউজিসি সিকিউরিটিজে ৯টি হিসাবে ৩ লাখ ৮১ হাজার টাকা, ইউনিক শেয়ার ম্যানেজমেন্টে ১৯৭টি হিসাবে ২৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকা, ইউনিরয়েল সিকিউরিটিজে ৪৯৬টি হিসাবে ২ লাখ ৫৭ হাজার টাকা ও ১ হাজার ২১৮ জনের কোটা এবং সর্বশেষ ওয়াইফাং সিকিউরিটিজে ১৮টি হিসাবে সুদ মওকুফ করতে হবে ৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ও তাদের ৬ হাজার ৩১১ জন আইপিওতে কোটা পাবেন।
চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জের স্টক ব্রোকার ১০৩টি ব্রোকারেজ হাউসের মধ্যে এএ সিকিউরিটিজকে ১ হাজার ৩টি বিও হিসাবে সুদ মওকুফ করতে হবে ৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা ও আইপিওতে কোটা পাবেন ৮ হাজার ৪০৫ জন। একইভাবে একে খান সিকিউরিটিজে ১২টি হিসাবে ২৭ হাজার টাকা ও ২৭ জনের কোটা, আলফা সিকিউরিটিজে ২২৮টি হিসাবে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ও ১৮১ জনের কোটা, এ্যাসোসিয়েট ক্যাপিটেল সিকিউরিটিজে ২৫২টি হিসাবে ৩৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ৩ হাজার ৪৩৬ জনের কোটা, চিটাগাং ক্যাপিটেল লিমিটেডের ২ হাজার ২০২টি হিসাবে ৫৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকা ও ১৬ জনের কোটা, কর্ডিয়াল সিকিউরিটিজে ৪৭৩টি হিসাবে ৫ লাখ ৭৩ হাজার টাকা ও ৭৭৯ জনের কোটা, ইস্টার্ন শেয়ার্স এ্যান্ড সিকিউরিটিজে ৭৭৬টি হিসাবে ২৯ লাখ টাকা ও ৮ হাজার ৩৭৩ জনের কোটা, ফারইস্ট শেয়ার্স এ্যান্ড সিকিউরিটিজে ৭৫টি হিসাবে ২৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকা ও ২ হাজার ২৩৫ জনের কোটা, হলমার্ক সিকিউরিটিজে ১ হাজার ৫৪১টি হিসাবে ৩ লাখ ৩২ হাজার টাকা ও ১ হাজার ১১৬ জনের কোটা, হাসান শেয়ার্স এ্যান্ড সিকিউরিটিজের ৩৭টি হিসাবে ১০ লাখ ২১ হাজার টাকা ও ১ হাজার ২২১ জনের কোটা, আইএসপিআই সিকিউরিটিজের ৬৯টি হিসাবে ৪ লাখ টাকা, কবির সিকিউরিটিজে ২৯টি হিসাবে ৪ লাখ ৯১ হাজার টাকা ও ২৯ হাজার ৪৩৪ জনের কোটা, কিশোর সিকিউরিটি ইনভেস্টমেন্টে ২৩টি হিসাবে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ২২ জনের কোটা, লোটাস শেয়ার্স এ্যান্ড সিকিউরিটিজে ৪৮টি হিসাবে ৪৭ হাজার টাকা ও ১১৫ জনের কোটা, মুনতাহা শেয়ার্স এ্যান্ড ক্যাপিটেলের ১৩৫টি হিসাবে ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ১০৭ জনের কোটা, নর্থ ওয়েস্ট সিকিউরিটিজের ৪৯০টি হিসাবে ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ও ৩ হাজার ৫৫৫ জনের কোটা, প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজে ২৯৯টি হিসাবে ১৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ও ১৮৪ জনের কোটা, সালতা ক্যাপিটেলে ১৭টি হিসাবে ৯২ হাজার টাকা ও ১ হাজার ৩১৫ জনের কোটা, এসইএস কোম্পানির ২৭১টি হিসাবে ১৮ লাখ ৫২ হাজার টাকা ও ৩৮১ জনের কোটা, স্কিজ সিকিউরিটিজে ৩১১টি হিসাবে ৫১ লাখ ৭২ হাজার টাকা, সোহেল সিকিউরিটিজে ৪২৬টি হিসাবে ১ কোটি ৪১ হাজার টাকা ও ২ হাজার ১৪৮ জনের কোটা, সুপার শেয়ার্স এ্যান্ড সিকিউরিটিজে ২০টি হিসাবে ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ও ৭৭৩ জনের কোটা, টিকে শেয়ার্স এ্যান্ড সিকিউরিটিজের ২৩৬টি হিসাবে ৩৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ৫৭৪ জনের কোটা, ভ্যানগার্ড শেয়ার্স এ্যান্ড সিকিউরিটিজে ১ হাজার ৭৪৭টি হিসাবে ৪৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা এবং সর্বশেষ ভ্যানটেজ সিকিউরিটিজে ১৫টি হিসাবে সুদ মওকুফ করতে হবে ৪ লাখ ৭৯ হাজার টাকা ও আইপিওতে তাঁরা কোটা পাবেন ৩ হাজার ১৫৬ জন।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৭ মে ২০১২

পুঁজিবাজার থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা তুলতে চায় ২৮ কোম্পানি

আবারও উচ্চহারে প্রিমিয়াম প্রস্তাব
উচ্চহারে প্রিমিয়াম নির্ধারণ করে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৪ হাজার ২৬ কোটি তুলতে চায় ২৮ কোম্পানি। এর আগেও বাজার থেকে অতি উচ্চহারে প্রিমিয়াম নিয়ে বিনিয়োগকারীর সবর্স্ব কেড়ে নিয়েছে বাজারে তালিকাভুক্ত বেশ কিছু কোম্পানি। বাজারে শেয়ার চাহিদাকে পুঁজি করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) উদাসীনতায় কোম্পানিগুলো এই সুবিধাকে কাজে লাগিয়েছে। বিনিয়োগকারীরাও ভাল-মন্দ বাছবিচার না করে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে শেয়ার কিনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এসব কোম্পানির শেয়ারের দর অভিহিত মূল্যের নিচে নেমে এসেছে।
আগের ধারাবাহিকতায় এবার উদ্যোক্তা পরিচালকদের শেয়ার ধারণ সংক্রান্ত এসইসির প্রজ্ঞাপন মেনে পরিচালকরা ২ শতাংশ শেয়ার ব্যক্তিগতভাবে সংরক্ষণ করলে বাজারে শেয়ার সঙ্কট বাড়তে পারে। সার্বিকভাবে কোম্পানিগুলোর প্রায় ৩০ শতাংশ শেয়ার ব্লক হয়ে যাবে। এর সুযোগ নিতে পারে কোম্পানিগুলো এবং উদ্যোক্তা পরিচালকরা। অতীতের মতো আবারও তাঁরা উচ্চহারে প্রিমিয়াম প্রস্তাব করে বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না।
সম্প্রতি নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউনিক হোটেল এ্যান্ড রিসোর্ট এবং আনন্দ শিপইয়ার্ডকে উচ্চ হারে প্রিমিয়াম ধরে বাজার থেকে টাকা উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছে। ইউনিক হোটেল এ্যান্ড রিসোর্টের প্রতিটি শেয়ারের প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫ টাকা এবং আনন্দ শিপইয়ার্ডের ক্ষেত্রে তা নির্ধারিত হয়েছে ৫৮ টাকা। এর আগেও গত কয়েক বছরে বাজারে শেয়ার সঙ্কটের সময়ে সরকারী ও বেসরকারী কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত প্রিমিয়াম ধরে বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নেয়। পরে বাজার ধসের সময়ে সাধারণ ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উচ্চহারে এমন প্রিমিয়াম ধরার ফলে আগামীতেও এমন সঙ্কট সৃষ্টির আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, পুনরায় আইপিও’র আবেদন করা ডেল্টা স্পিনার্স লিমিটেড নামের কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের প্রিমিয়াম প্রস্তাব করা হয়েছে ২০০ টাকা করে। এছাড়া কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ৩০ টাকা ধরা হয়েছে। কোম্পানি ৩০ লাখ শেয়ার ছেড়ে মোট ৯০ কোটি টাকা তুলতে চায়। আর এ ক্ষেত্রে ৬০ কোটি টাকার প্রিমিয়াম তুলতে চায়। এরপরে নাভানা রিয়েল এস্টেট নামের কোম্পানি ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে শুধু প্রিমিয়ামের মাধ্যমে ৩৩০ কোটি টাকা তুলতে চায়। কোম্পানির প্রিমিয়াম প্রস্তাব করা হয়েছে ১১০ টাকা। এনার্জি প্রিমা লিমিটেড নামের কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের প্রিমিয়াম ৫৬ টাকা। কোম্পানি বাজার থেকে ১৪৪ কোটি টাকা তুলবে। ঢাকা রিজেন্সি হোটেল এ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড নামের কোম্পানি ৪০ টাকা প্রিমিয়াম প্রস্তাব করে বাজার থেকে ৮০ কোটি টাকা তুলতে চায়। আরগো ডেনিমস লিমিটেড নামের কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের প্রিমিয়াম ৭০ টাকা। কোম্পানি বাজার থেকে ২১০ কোটি টাকা তুলতে চায়। শাহ্জীবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড নামের কোম্পানি ৬০ টাকা প্রিমিয়াম প্রস্তাবে বাজার থেকে ২২৫ কোটি টাকা তুলতে চায়। গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস লিমিটেড নামের কোম্পানি ২০ টাকা প্রিমিয়াম ধরে বাজার থেকে ২৪ কোটি টাকা তোলার আবেদন জানিয়েছে।
ফার ফাস্ট নিটিং এ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড নামের কোম্পানির প্রিমিয়াম ৪০ টাকা। কোম্পানি বাজার থেকে ১২০ কোটি টাকা তুলতে চায়। কেয়া কটন মিলস লিমিটেড নামের কোম্পানি বাজার থেকে ৩০ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ১৫০ কোটি টাকা তুলতে চায়। জেনারেল নেক্সট ফ্যাশন নামের কোম্পানি বাজার থেকে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ৭৫ কোটি টাকা তোলার আবেদন করেছে। মতিন স্পিন মিলস লিমিটেড ৫৫ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ১৫১ কোটি ২৫ লাখ টাকা তুলবে। এপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স ৬০ টাকা প্রিমিয়াম ধরে বাজার থেকে ৩৪২.৯০ কোটি টাকা তুলবে। কেয়া স্পিনিং মিলস লিমিটেড প্রতিটি শেয়ারের প্রিমিয়াম ৩০ টাকা। কোম্পানি বাজার থেকে প্রিমিয়াম বাবদ ১২০ কোটি টাকা তুলতে চায়। সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেড নামের কোম্পানি বাজার থেকে ২৫ টাকার প্রিমিয়াম ধরে ৩০ কোটি টাকা তুলতে চায়। ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড বাজার থেকে ৬০ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ২৭০ কোটি টাকা তুলতে চায়। ইফাদ অটোস লিমিটেড বাজার থেকে প্রিমিয়াম বাবদ ২৭০ কোটি টাকা তোলার আবেদন এসইসিতে জমা দিয়েছে। এছাড়া সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড বাজার থেকে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা তুলতে চায়। এমএল ডায়িং লিমিটেড নামের আরও একটি কোম্পানি বাজার থেকে ২০ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ৬০ কোটি টাকা তুলতে চায়। এ ড্রাগন সোয়েটার এ্যান্ড স্পিনিং লিমিটেড নামের কোম্পানি ২০ টাকা প্রিমিয়াম প্রস্তাব করেছে। কোম্পানি বাজার থেকে ৬০ কোটি টাকা তুলতে চায়। এছাড়া ওরিয়ন ফার্মা ৩৬০ কোটি, ইনাভো টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ১৩৩ কোটি টাকা, প্রিমিয়ার সিমেন্ট ৪৪ কোটি ৪ লাখ টাকা, হামিদ ফেব্রিক্স লিমিটেড ৭৮ কোটি, প্যারামাউন্ট সিমেন্ট ১০৫ কোটি, বেঙ্গল এন্ডোর থার্মো প্লাস্টিক লিমিটেড ৬০ কোটি, গোল্ডেন হারভেস্ট এ্যান্ড এগ্রোফার্মা লিমিটেড ১৫০ কোটি, এমপি স্পিনিং মিলস লিমিটেড ৯৮ কোটি এবং আনন্দ শিপ ইয়ার্ড এ্যান্ড শিপ ওয়েজড লিমিটেড ৬৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা প্রিমিয়াম প্রস্তাব করেছে।
এর আগে বাজারে ধসে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশে উচ্চহারে প্রিমিয়াম প্রস্তাব করে আইপিও’র মাধ্যমে শেয়ার ছাড়ার সমালোচনা করা হয়। এতে বলা হয়, কোন বাছবিচার না করেই ঢালাওভাবে উচ্চ প্রিমিয়াম প্রস্তাব করে কোম্পানিগুলোকে টাকা উত্তোলনের সুযোগ দেয়া উচিত হয়নি। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই বাজারের স্বার্থে এসব কোম্পানিকে কম প্রিমিয়াম প্রস্তাব করে শেয়ার ছাড়া উচিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বাজারে অতিমূল্যায়িত হয়ে শেয়ার তালিকাভুক্ত হলে বাজারে প্রভাব পড়ে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ সংশ্লিষ্টদের এই বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া উচিত।
ডিএসইর প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান বলেন, আইপিওতে আসার আগে কোম্পানিগুলো আর্থিক প্রতিবেদন জমা দেয়। মূলত সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোন কোম্পানি কিভাবে কত দরে আসবে তা নির্ধারণ করে। কিন্তু ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী এসইসির চেয়ারম্যান থাকাকালীন কোম্পানির আইপিও প্রতিবেদন নিয়ে ডিএসইর পর্যালোচনা ও সুপারিশ সংযুক্ত রাখার নির্দেশনা ছিল। তিনি আরও বলেন, আর্থিক প্রতিবেদনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দেশের শীর্ষস্থানীয় হিসাব নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে প্যানেল গঠন করা হয়েছে। প্যানেলের সঙ্গে ডিএসইর বোর্ডের কোন সংশ্লিষ্টতা থাকবে না। এর ফলে শেয়ারবাজারে কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তি এবং প্রিমিয়াম নিয়ে অভিযোগের অবসান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দিন আলী আহমদ বলেন, বাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। এজন্য রিপিট আইপিও, প্রেফারেন্স শেয়ার, বুকবিল্ডিং, ঋণকে ইক্যুইটিতে রূপান্তরের কার্যক্রমগুলো নিরুৎসাহিত করা হবে। তিনি আরও বলেন, আগে দেখতে হবে বাজারে তালিকাভুক্তির সময়েই শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয় কিনা। কারণ কোন শেয়ার বাজারে আসার আগেই অতিমূল্যায়িত হলে বাজারে প্রভাব পড়বেই। অতীতেও এটি ঘটেছে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৫ মে ২০১২

ইউনিক হোটেলের আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব প্রক্রিয়া শেষে আজ মঙ্গলবার ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেডের (ওয়েস্টিন হোটেল) আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের জন্য আজ সকাল সাড়ে ১০টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। লটারির ফলাফল ডিএসই, সিএসই, সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এবং ইস্যু ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। তবে কোম্পানির সাধারণ বিনিয়োগকারী ও এনআরবি কোটায় আন্ডারসাবসক্রাইব হওয়ায় সকল আবেদনকারী শেয়ার পাবেন। শুধুমাত্র মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওভারসাবসক্রাইব হওয়ায় লটারী হয়েছে।

আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য স্থানীয় অধিবাসীদের কাছ থেকে গত ১৫ এপ্রিল থেকে ইউনিক হোটেলের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে চলে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত এবং প্রবাসীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রতিটি শেয়ারে ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর ৬৫ টাকা প্রিমিয়াম নেয়া হয়েছে। ফলে প্রতি লটের জন্য বিনিয়োগকারীদের দিতে হয়েছে ৭ হাজার ৫০০ টাকা। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে মোট ১৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে।

জানা যায়, ইউনিক হোটেলের আইপিওতে স্থানীয় কোটায় বরাদ্দের চেয়ে কম আবেদন (আন্ডার সাবস্ক্রাইব) জমা পড়ে। তবে মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোটায় বরাদ্দের চেয়ে দ্বিগুণ আবেদন জমা পড়ে। এ কোম্পানির আইপিও আবেদনে মোট ২ লাখ ৯ হাজার ৩৫০টি আবেদন জমা পড়ে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও সাধারণ বিনিয়োগকারী মিলিয়ে মোট আবেদন জমা পড়ে ২ লাখ ৫ হাজার ৩০৭টি। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা মোট ৪ হাজার ৪৩টি আবেদন জমা দিয়েছেন।
আইপিও পূর্ব এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ছিল ২৩০ কোটি টাকা এবং আইপিও পরবর্তী মূলধন হবে ২৫৬ কোটি টাকা। সর্বশেষ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ পর্যন্ত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে (ইপিএস) ৪.৩০ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে (এনএভি) ১০০.৩৮ টাকা। এর ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে ব্রাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং অডিটে রয়েছে এস এফ আহমেদ অ্যান্ড কোম্পানি।

সূত্র: শেয়ার নিউজ টুয়েন্টিফোর, ১৫ মে, ২০১২

আইপিওর সংগৃহীত অর্থ সহযোগীপ্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা যাবে

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত টাকা সহযোগী কোম্পানিতে বিনিয়োগের সুযোগ পুনর্বহাল করা হয়েছে।
সম্প্রতি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে গত বছর কমিশনের ৪০১তম সভায় এসইসি আইপিওর টাকা সহযোগী (সাবসিডিয়ারি) ও একই গ্রুপের স্বতন্ত্র অন্য কোম্পানিতে (সিস্টার কনসার্ন) বিনিয়োগ করতে পারবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থাৎ যে কোম্পানি বাজারে তালিকাভুক্ত হবে, আইপিওর অর্থ কেবল সেই কোম্পানিতেই বিনিয়োগ করতে হবে। এর ফলে বেশকিছু কোম্পানির আইপিও প্রস্তাব আটকে যায়।
এ প্রেক্ষিতে গত মার্চ মাসে এসইসি দুই সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। কমিটিকে আইপিওর টাকা কোন কোন খাতে ব্যবহার করা যাবে, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবসহ কমিশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।
এসইসির নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ এবং এ টি এম তারিকুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি সম্প্রতি কমিশনের কাছে তাদের প্রতিবেদন দাখিল করে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কমিশন এরই মধ্যে তাদের আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে আইপিওর টাকা সহযোগী বা একই গ্রুপের অন্য কোম্পানিতে বিনিয়োগের সুযোগ পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি আইপিওর টাকা সহযোগী বা একই গ্রুপের অপর প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে সেটি নতুন কোম্পানি বাজারে আসার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে। একই সঙ্গে তা তালিকাভুক্ত কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ বা প্রবৃদ্ধির পথেও বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
পাশাপাশি কমিটি আইপিওর টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে আরও কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরে। কমিটি বলেছে, যদি কোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানি আইপিওর টাকা তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে থাকে, তাহলে সহযোগী ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডও নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকির আওতায় থাকবে।
যদি সহযোগী প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত না থাকে, তার পরও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ন্ত্রণ থাকবে ওই প্রতিষ্ঠানের ওপর। একইভাবে যদি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কোনো ব্যবসায়িক সাফল্য, পরিকল্পনা বা পরিবর্তন, যা তালিকাভুক্ত মূল কোম্পানির শেয়ারের দামকে প্রভাবিত করবে, সেসব তথ্য বা পরিবর্তনকেও মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
এরই মধ্যে কমিশন সভায় এসব সুপারিশও নেওয়া হয়েছে। ফলে তালিকাভুক্ত নয়, এমন কোনো কোম্পানিতে যদি তালিকাভুক্ত কোম্পানির কোনো বিনিয়োগ থাকে, তাহলে ওই কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও এখন থেকে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে বিবেচনা হবে। সেই সঙ্গে সহযোগী কোম্পানির কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির তদারকির আওতায় থাকবে।
দীর্ঘদিনের প্রচলিত বিধান অনুযায়ী, আইপিও প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত টাকা অনেক সময় কোম্পানিগুলো তাদের সহযোগী ও একই গ্রুপভুক্ত স্বতন্ত্র অন্য কোম্পানিতে বিনিয়োগ করত।
প্রচলিত এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানি আইপিওর টাকা সহযোগী কোম্পানিতে (যেগুলো বাজারে তালিকাভুক্ত নয়) বিনিয়োগের নামে নানাভাবে অপব্যবহার করেছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
তালিকাভুক্ত কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ বা ব্যবসায়িক অগ্রগতির সুযোগ তৈরির জন্য মূলত সহযোগী কোম্পানিতে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়। বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই সুযোগের ব্যাপক অপব্যবহার হয়েছে ইতিপূর্বে। এ কারণে বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই অপব্যবহার রোধে আইপিওর টাকা সহযোগী কোম্পানিতে বিনিয়োগের সুযোগ না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

সূত্র: প্রথম আলো, ৭ মে, ২০১২

Regulator okays use of IPO proceeds in subsidiaries

Companies that will raise capital through initial public offerings (IPO) will be able to invest the proceeds in their subsidiaries and associated firms, in a move that the stockmarket regulator opposed before.

The Securities and Exchange Commission backtracked on its stance and approved the recommendations by a regulatory panel on the use of IPO proceeds.

IPO is a process to issue shares to the public to raise capital to expand and run business of a company more efficiently.

Earlier last year, the SEC decided not to allow companies to use IPO proceeds in their subsidiaries or sister concerns.

The market watchdog had taken the decision following allegations of misuse of IPO proceeds.

In February, the regulator formed a two-member panel to examine whether the companies should be allowed to use the IPO proceeds.

The committee, after analysing different rules and the practices in India, recommended that companies be allowed to use the IPO proceeds to invest in subsidiaries and associated firms.

The matter of using IPO funds in subsidiaries or associated companies or in other assets is the discretion of the company to maximise value of issuer company’s shares, the committee said.

Source: The Daily Star, May 7, 2012

ইউনিক হোটেলের আইপিওতে দ্বিগুণ আবেদন

ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেডের (ওয়েস্টিন হোটেল) প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) দুই লাখ ৯ হাজার ৩৫০টি আবেদন জমা পড়েছে। কম্পানির ১৯৫ কোটি টাকার শেয়ারের বিপরীতে আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা ৩৮৯ কোটি ৩১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫০ টাকার আবেদন জমা দিয়েছেন। কম্পানির পক্ষ থেকে আইপিও আবেদনের এই প্রাথমিক পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে। কম্পানির তথ্যানুযায়ী, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও সাধারণ বিনিয়োগকারী মিলিয়ে মোট আবেদন জমা পড়েছে দুই লাখ পাঁচ হাজার ৩০৭টি আবেদন। আর প্রবাসী বাংলাদেশিরা চার হাজার ৪৩টি আবেদন জমা দিয়েছেন।
তথ্যমতে, ১০০টি শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারিত হওয়ায় সর্বমোট দুই লাখ ৬০ হাজার লট শেয়ার সাধারণ আবেদনকারীদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হবে। সেই হিসাবে নির্ধারিত লটের তুলনায় ইউনিক হোটেলের আইপিওতে কম আবেদন জমা পড়েছে। তবে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো বড় অঙ্কের শেয়ার পাওয়ার জন্য আবেদন করায় আর্থিক হিসাবে প্রায় দ্বিগুণ আবেদন জমা হয়েছে। এ কারণে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোয় শেয়ার বরাদ্দের জন্য শিগ্গিরই লটারির আয়োজন করা হবে।
পুঁজিবাজারে দুই কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে কম্পানিটি বাজার থেকে মোট ১৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। আইপিওর মাধ্যমে বিক্রির জন্য কম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে শেয়ারের বিপরীতে ৬৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৭৫ টাকা মূল্য অনুমোদন করেছে এসইসি। কম্পানির ১০০টি শেয়ারে একটি মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে আইপিও আবেদনের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের সাড়ে সাত হাজার টাকা জমা দিতে হয়েছে।
আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ১৫ এপ্রিল থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেওয়া হয়।

সূত্র: কালের কণ্ঠ, ৭ মে ২০১২