Monthly Archives: April 2012

পুঁজিবাজার থেকে ১৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে ইউনিক হোটেল

ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেডের (ওয়েস্টিন হোটেল) প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। রবিবার থেকে শুরু হওয়া এ আবেদন ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। প্রবাসী বাংলাদেশি (এনআরবি) বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত কম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আবেদনপত্র পেঁৗছানোর সুযোগ থাকবে।
জানা গেছে, ইউনিক হোটেল আইপিওর মাধ্যমে দুই কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে সর্বমোট ১৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে ৬৫ টাকা। অর্থাৎ প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য হচ্ছে ৭৫ টাকা।

সূত্র: কালের কণ্ঠ, এপ্রিল ১৭, ২০১২

জিপিএইচ ইস্পাত ও পদ্মা ইসলামী বীমা কম্পানির লেনদেন শুরু ১৮ এপ্রিল

জিপিএইচ ইস্পাত ও পদ্মা ইসলামী জীবন বীমা কম্পানির লেনদেন শুরু হচ্ছে কাল থেকে। পদ্মা ইসলামী জীবন বীমা কম্পানি এক কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এই কম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য বা ন্যাভ ৩৬ দশমিক ২৬ টাকা। এই কম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেছে ইউনিয়ন ক্যাপিট্যাল।
এদিকে জিপিএইচ ইস্পাত ১০ টাকা প্রতিটি শেয়ারের জন্য ২০ টাকা প্রিমিয়াম নিয়েছে। এভাবে দুই কোটি শেয়ার ছেড়ে ৬০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে কম্পানিটি।

সূত্র: কালের কণ্ঠ, এপ্রিল ১৭, ২০১২

এ্যাপোলো ইস্পাতের আইপিও নাকচ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন জানানো এ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্সের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন নামঞ্জুর করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সম্প্রতি এসইসির ৪২৫তম নিয়মিত কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা যায়, এ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স আইপিও আবেদনে অসত্য তথ্য প্রদান করার জন্য সংশ্লিষ্ট অডিটর, মূল্য নিরূপক (ভ্যালুয়ার), ইস্যুয়ার ও ইস্যু ম্যানেজারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি নথি এসইসির এনফোর্সমেন্ট বিভাগে প্রেরণের লক্ষ্যে ক্যাপিটাল ইস্যু বিভাগকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
এসইসি কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে এ্যাপোলো ইস্পাতের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর গত ২৯ মার্চ একটি চিঠি পাঠায় এসইসি। এসইসির পরিচালক আবুল কালাম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে আইপিও আবেদন নামঞ্জুর করার কারণ সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে, এ্যাপোলো ইস্পাতের জমা দেয়া প্রসপেক্টাস অনুসারে পাবলিক ইস্যু রুলস ২০০৬-এর ১৮ এর ৫ ধারা বলে ১৪.৯১১৫ একর জমির কাগজপত্র দাখিল করেছেন। ওই জমির মধ্যে ০.১৮ একর জমি অগ্রিম ক্রয় করা হয়েছে এবং ১১.৩২ একর জমির ভাড়া কোম্পানি পাচ্ছে হিসেবে দেখানো হয়েছে। কিন্তু এ ছাড়াও যে অন্যান্য জমির পরিমাণ কত তা প্রসপেক্টাসে দেখানো হয়নি। তা ছাড়া ০.৯৯৪০ একর এবং ০.৫৪৭৫ একর মোট ১.৫৪১৫ একর জমির মালিক যথাক্রমে এ্যাপোলো পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি এবং আনসার আলী এ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স। এ জমি ১৪.৭৩১৫ একর (১৪.৯১১৫ একর থেকে ০.১৮ একর বাদ দিয়ে) এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অর্থাৎ অন্যের জমি যা প্রসপেক্টাসে এ্যাপোলো ইস্পাতের নামে দেখানো হয়েছে।
এছাড়া দাখিলকৃত প্রসপেক্টাস থেকে দেখা গেছে, ১৪.৭৩১৫ একর জমিকে পুনর্মূল্যায়ন করে ১৫৭ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা (প্রায়) ৩০ জুন ২০১১ সালের সমাপ্ত আর্থিক প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে। জমির মূল্যায়নকারী সংস্থার নাম মাশিস মুহিত হক এ্যান্ড কোম্পানি চার্টার্ড এ্যাকাউনটেন্ট।
দেখা যাচ্ছে, ওই জমি পুনর্মূল্যায়নের পর ১২৫ কোটি বেশি দেখানো হয়েছে এবং ৩০ জুন ২০১১ সালের সমাপ্ত আর্থিক প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হয়েছে। আর্থিক প্রতিবেদনটি অডিট করেছে জোহা জামান কবির রশিদ এ্যান্ড কোম্পানি চার্টার্ড এ্যাকাউন্টেন্ট। ১৪.৭৩৪৫ একর জমির পুনর্মূল্যায়নের বিষয়টি অডিটকৃত প্রতিষ্ঠান এ্যাপোলো ইস্পাতের আর্থিক প্রতিবেদনে ভূমি ও ভূমি উন্নয়নমূলক কাজ হিসেবে উল্লেখ করেছে। যদিও জমিটি এ্যাপোলো ইস্পাতের নয়।
যার প্রেক্ষিতে কোম্পানির সম্পদ অতিমূল্যায়িত করে দেখানো হয়েছে। ফলে আর্থিক প্রতিবেদনে কোম্পানিটির সত্য ও স্বচ্ছ অবস্থা তুলে ধরা হয়নি। একই সঙ্গে কোম্পানিটির সাধারণ কার্যপ্রণালী ও নগদ আয় অর্জন করার ক্ষমতাকে অতিমূল্যায়িত করে দেখানো হয়েছে। এমনকি বিষয়গুলো প্রসপেক্টাস ও আর্থিক প্রতিবেদনে গোপন রাখা হয়েছে।
যা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, এ্যাপোলো ইস্পাত ইচ্ছাকৃতভাবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার লক্ষ্যে ভুল তথ্য উপাত্ত দাখিল করেছে কমিশনের কাছে। ফলে এ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স আইপিও আবেদনে অসত্য তথ্য প্রদান করার জন্য সংশ্লিষ্ট অডিটর, মূল্য নিরূপক (ভ্যালুয়ার), ইস্যুয়ার ও ইস্যু ম্যানেজারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করছে কমিশন। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, এপ্রিল ১১, ২০১২

পদ্মা ইসলামী লাইফ ১ম মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রসপেক্টাস দাখিলের সময় বৃদ্ধি

প্রসপেক্টাস দাখিলের সময় আরও ৬ মাস বৃদ্ধি করা হয়েছে পাইপলাইনে থাকা পদ্মা ইসলামী লাইফ ১ম মিউচ্যুয়াল ফান্ডের। গতকাল সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি)। নিয়মিত ৪২৭তম কমিশন সভায় এই প্রসপেক্টাস দাখিলের সময় বৃদ্ধির অনুমোদন দেয়া হয়। এসইসি’র মুখপাত্র মোঃ সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
নতুন করে আবারও সময় বৃদ্ধির কারণে ফান্ডটির প্রসপেক্টাস দাখিলের সময় আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ল। মিউচ্যুয়াল ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপকের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রসপেক্টাস দাখিলের সময় ৬ মাস সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। গত মাসের ২৯ তারিখে ফান্ডটির প্রসপেক্টাস দাখিলের সময় শেষ হয়।
জানা গেছে, সেকেন্ডারি মার্কেটে অধিকাংশ ফান্ডের বর্তমান বাজার মূল্য তার অভিহিত মূল্যের চেয়ে নিচে রয়েছে। বাজারের এসব সার্বিক দিক বিবেচনা করে আরও ৬ মাস অর্থাৎ আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রসপেক্টাস দাখিলের সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানায় পদ্মা ইসলামী লাইফ ১ম মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক। উল্লেখ্য, সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচ্যুয়াল ফান্ড) বিধিমালা, ২০০১-এর বিধি ১০(৩) এ উল্লেখ রয়েছে, কোন মিউচ্যুয়াল ফান্ড নিবন্ধিত হবার অনধিক ৩ মাসের মধ্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের নিমিত্তে খসড়া প্রসপেক্টাস কমিশনে দাখিল করতে হবে। তবে শর্ত থাকে যে, কমিশন যৌক্তিক মনে করলে উক্ত সময়সীমা বর্ধিত করতে পারে। সে হিসেবে কমিশন সার্বিক দিক বিবেচনা করে পদ্মা ইসলামী লাইফ ১ম মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রসপেক্টাস দাখিলের সময় আরও ৬ মাস বৃদ্ধি করেছে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ৪ এপ্রিল ২০১২

সাবমেরিন কেবল কোম্পানির আইপিওতে আড়াই গুণ আবেদন জমা

সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আড়াই গুণ বেশি আবেদন জমা পরেছে। কোম্পানির শেয়ার বিভাগ থেকে জানানো হয়, কোম্পানির মোট ১০৮ কোটি ৫০ হাজার টাকার শেয়ারের বিপরীতে ২৫২ কোটি টাকার বেশি আবেদন পড়েছে।
আরও জানা যায়, সাবমেরিন কেবল কোম্পানির আইপিওতে মোট ২ লাখ ৪০ হাজার ৯১টি আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানি বাজারে ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১০৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এরমধ্যে কোম্পানির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ১০ লাখ শেয়ার সংরক্ষিত রয়েছে।
আইপিওর মাধ্যমে বাকি ৩ কোটি শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। এজন্য কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ১৮ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়েছে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ৫ এপ্রিল ২০১২

সায়হাম কটনের আইপিও ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে

বিডিআইপিও-তে সায়হাম কটনের আইপিও ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সহজে ও স্বল্প সময়ে ফলাফল জানবার জন্য ক্লিক করুন http://new.bdipo.com/companies/39/results/search

সূত্র: নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিআইপিও.কম