Monthly Archives: March 2012

দুই আইপিওর চাঁদা গ্রহণ শুরু আগামী মাসে

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির অপেক্ষায় থাকা নতুন দুই কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর চাঁদা সংগ্রহ শুরু হচ্ছে। কোম্পানি দুটি হলো ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট (ওয়েস্টিন) এবং আমরা টেকনোলজিস।
এর আগে কোম্পানি দুটি আইপিওতে শেয়ার ছাড়ার জন্য বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।
এর মধ্যে আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে আমরা টেকনোলজিসের আইপিওর টাকা গ্রহণ। চলবে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাবেন।
অন্যদিকে ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হবে ইউনিক হোটেলের আইপিওর চাঁদা সংগ্রহ কার্যক্রম। চলবে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত। অবশ্য প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাবেন। আইপিওতে আবেদনের জন্য প্রবাসীদেরকে কিছুটা বাড়তি সময় দেওয়া হয়।
১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৪ টাকা প্রিমিয়াম যোগ করে আমরা টেকনোলজিসের প্রতিটি শেয়ারের বিক্রয়মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২৪ টাকা।
প্রসপেক্টাস অনুসারে, কোম্পানিটির প্রতিটি বাজারগুচ্ছ বা মার্কেট লটে রয়েছে ২৫০টি শেয়ার। সেই হিসাবে কোম্পানিটির প্রতি লট শেয়ারের আবেদনের জন্য লাগবে ছয় হাজার টাকা।
জানা গেছে, কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে মোট দুই কোটি ১৫ লাখ ৭২ হাজার শেয়ার বাজারে ছাড়বে, যা ৮৬ হাজার ২৮৮টি লটের মাধ্যমে বিভাজিত।
একইভাবে ইউনিক হোটেলের প্রতিটি শেয়ারের বিক্রয়মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৭৫ টাকা। এর মধ্যে ১০ টাকা অভিহিত মূল্য আর ৬৫ টাকা প্রিমিয়াম।
কোম্পানিটির প্রতিটি বাজারগুচ্ছ বা মার্কেট লটে রয়েছে ১০০টি শেয়ার। সেই হিসাবে প্রতি লট শেয়ারের আবেদনের জন্য লাগবে সাড়ে সাত হাজার টাকা। কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে মোট দুই কোটি ৬০ লাখ শেয়ার বাজারে ছাড়বে, যা দুই লাখ ৬০ হাজার লটের মাধ্যমে বিভাজিত।
আইপিতে চাঁদা গ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর নিয়মমাফিক লটারি অনুষ্ঠিত হবে এবং সে অনুযায়ী শেয়ার বরাদ্দ করা হবে। এরপর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই দুই কোম্পানি বাজারে তালিকাভুক্ত হবে।

সূত্র: প্রথম আলো, মার্চ ২৭, ২০১২

পুঁজিবাজারে আসছে আমরা টেকনোলজিস

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে আইটি সলিউশন প্রতিষ্ঠান আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড। আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর আবেদন (সাবস্ক্রিপশন) গ্রহণ করা হবে। আর অনাবাসী বাংলাদেশিদের সাবস্ক্রিপশন চলবে ১ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রতিষ্ঠানটির প্রসপেক্টাস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রসপেক্টাস সূত্রে আরও জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির প্রি আইপিও পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি ৩৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। প্রতিষ্ঠানটি দুই কোটি ১৫ লাখ ৭২ হাজার শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ৫১ কোটি ৭৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা সংগ্রহ করবে। এ ক্ষেত্রে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ১৪ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ২০১১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য (এনএভি) ২৭ দশমিক ২৯ টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২.৬৩ টাকা।
প্রতিষ্ঠানটির ইস্যুব্যবস্থাপক লঙ্কা-বাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

সূত্র: প্রথম আলো, মার্চ ২৬, ২০১২

এনসিসিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আইপিও আবেদন শুরু ২৫ মার্চ

আজ রবিবার থেকে এনসিসিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ শুরু হচ্ছে। আগামী ১ এপ্রিল পর্যন্ত এ আবেদন চলবে। প্রবাসীরা ১০ এপ্রিল পর্যন্ত এ আবেদনের সুযোগ পাবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১০ বছর মেয়াদি এনসিসিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আকার ১০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ফান্ডটির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান এনসিসি ব্যাংক ১৫ কোটি টাকা জোগান দিয়েছে। প্রি-আইপিও প্লেসমেন্টের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা। বাকি ৫০ কোটি টাকা আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। ফান্ডের প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা এবং ৫০০টি ইউনিটে একটি লট ধরা হয়েছে। ফান্ডটির ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে এল আর গ্লোবাল।

সূত্র: কালের কণ্ঠ, ২৫ মার্চ, ২০১২

Kai Bangladesh Aluminium and Steeltech to enter stock market

Ebrahim D Mamoon, Chairman of Steeltech Industries Ltd and Managing Director of KAI Bangladesh Aluminium Ltd, Waqar A Choudhury, Managing Director & CEO of Green Delta LR Holdings Ltd and Director of Green Delta LR Financial Services Ltd attended at the signing ceremony of Issue Management Agreements in the city recently to act as Issue Manager and Corporate Adviser for the issuance of IPO of the two above mentioned companies. Syed Moinuddin Ahmed, Managing Director, Green Delta LR Financial Services Ltd was present.

Source: The Financial Express, March 20, 2012

পুঁজিবাজারে প্রবেশ করছে কাই বাংলাদেশ এ্যালুমিনিয়াম ও স্টিলটেক ইন্ডাস্ট্রিজ

দেশের প্রধান পুঁজিবাজারে প্রবেশ করতে যাচ্ছে কাই বাংলাদেশ এ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড ও স্টিলটেক ইন্ডাঃ লিমিটেড। এ্যালুমিনিয়াম প্রোফাইল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাই বাংলাদেশ এ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড এবং এসএস পাইপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্টিলটেক ইন্ডাঃ লিমিটেড দেশের অন্যতম। বর্তমান বাজার ব্যবস্থাপনায় এই দুটি প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্যের ব্যাপক চাহিদা থাকায় প্রতিষ্ঠান দুটি দেশের প্রধান পুঁজিবাজারে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য গ্রীন ডেল্টা এলআর ফিন্যান্সিয়াল সাভির্সেস লিমিটেডের সঙ্গে গত ১৩মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। আগামী ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু করবে এ দু’টি প্রতিষ্ঠান।
কাই এ্যালটেক গ্রুপের কর্পোরেট অফিস বারিধারায় কাই এ্যালটেক সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। গ্রীন ডেল্টা এলআর ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মঈনুদ্দিন আহমেদ এবং কাই বাংলাদেশ এ্যালুমিনিয়াম লিমিটেডের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও স্টিলটেক ইন্ডাঃ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ডি. মামুন। স্টিলটেক ইন্ডাঃ লিমিটেডের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্বাসী আদম আলী। এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রীন ডেল্টা এলআর হোল্ডিংস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ওয়াকার এ. চৌধুরী, গ্রীন ডেল্টা সিকিউরিটিজের সিইও ওয়াকি এসএম খান, কাই বাংলাদেশ এ্যানুমিনিয়াম লিমিটেডের পরিচালক আল-আমিন মোর্শেদসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ২০ মার্চ ২০১২

জিবিবি পাওয়ারের আইপিওতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ শতাংশ কম আবেদন

বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জিবিবি পাওয়ারের প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে (আইপিও) লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ শতাংশ কম আবেদন (আন্ডার সাবস্ক্রাইব) জমা পড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার অভাবের কারণেই লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও কম আবেদন জমা পড়েছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

প্রতিষ্ঠানটির ৮২ কোটি টাকার শেয়ারের বিপরীতে ৭২ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ শতাংশ কম। ইস্যু ব্যবস্থাপকের পরিসংখ্যানে অনুযায়ী এ তথ্য জানা গেছে।

পুঁজিবাজারে ২ কোটি ৫ লাখ শেয়ার ছেড়ে বা ১ লাখ ২ হাজার ৫০০ লট ছেড়ে ৮২ কোটি টাকা সংগ্রহের কথা ছিলো। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৪০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

জানা যায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছে থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয় এবং শেষ হয় ১ মার্চ। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের এ আবেদন ১০ মার্চ পর্যন্ত জমার সুযোগ ছিলো।

সূত্র: শেয়ার নিউজ ২৪, ১৬ মার্চ, ২০১২

আইপিওতে কর রেয়াত সুবিধা

সমপ্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ ব্যাপারে একটি স্টাচুটরি রেগুলেটরি অর্ডার (এসআরও) জারি করেছে। এসআরওতে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি মাস থেকে প্রাইমারি মার্কেটের ক্ষেত্রে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও), মিউচুয়াল ফান্ড, ডিবেঞ্চার এবং সেকেন্ডারি মার্কেটের বিনিয়োগকারী করলে ১০ শতাংশ কর রেয়াত সুবিধা পাবেন। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের মধ্য থেকে যে কোন পরিমাণে বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও এ সুবিধা থাকছে।

সূত্র: মানবজমিন, ১৩ মার্চ ২০১২

IPO investors to get 10pc tax rebate

Share investors will enjoy 10 percent tax rebate on their investments from this month.

The National Board of Revenue (NBR), on Monday issued three separate Statutory Regulatory Orders (SROs) to reintroduce this investment allowance.

The SRO said the investors in both initial public offerings (IPOs) and in shares, mutual funds and debentures in the secondary market will enjoy the tax rebate facility.

In another SRO, the NBR also offered tax exemption for foreign investors for capital gains.

According to the SRO, foreign investors will get the tax exemption facility if they are enjoying a similar one in their respective countries.

Besides, an Alternative Dispute Resolution (ADR) rules will also be announced through a separate SRO for disposing off tax disputes.

Under the ADR rules, the NBR set 30 days time, on receipt of demand notice from the taxmen. The taxpayers will have to submit application for resolving the disputes through ADR process.

The rules also said that the facilitators will get 10 percent remuneration of the disputed tax amount but not below Tk 5,000 and above Tk 50,000.

Source: Daily Sun, March 13, 2012

Use of IPO-money in subsidiaries opposed

Experts and bourse leaders have opposed regulatory consent to initial public offering (IPO) proposal of companies willing to invest IPO funds in their subsidiaries.

A number of companies recently submitted draft prospectus to the Securities and Exchange Commission (SEC) for approval, seeking to invest the IPO-money in their subsidiary firms.

The SEC had expressed its regret to give its approval to such a proposal made by a private sector company – LSI Industries. However, other companies, including Fareast Knitting and Dyeing Industries, later submitted a similar proposal in their IPO prospectus.

In such a situation, the securities regulator formed a committee to make recommendation whether it should allow the companies to invest their IPO-money in subsidiary firms.

Former finance adviser to the caretaker government A B Mirza Azizul Islam expressed his inability to make specific comment on the issue, as he was yet to analyse the legal justification of the proposal.

But, as matter of principle, he said, he is opposed to the use of IPO-money in subsidiary firms of the companies.

“I think the companies should invest the IPO money only in their respective companies for ensuring their proper growth,” Mr. Islam, also a former chairman of the SEC, told the FE.

Another former SEC chairman Faruq Ahmad Siddiqi, however, said a company, willing to go public, may invest its IPO-money in a profitable subsidiary firm, fully owned by the company.

“But I think the regulator should not allow any such proposal, especially that of a private sector company, as the regulator will have no direct control over the subsidiary firms, in which the IPO-money will be invested,” Mr. Siddiqi told the FE.

The immediate past president of the Dhaka Stock Exchange (DSE) Shakil Rizvi said such proposals should not be entertained by the securities regulator.

“The proposals are not logical, as it is not possible for the regulator to oversee what is going on in a subsidiary firm,” Rizvi told the FE.

Besides, he said the shareholders of a listed company will remain in darkness about the balance sheet of its subsidiary firm.

“The subsidiary firms can go public, if they need fund for operational purposes,” Rizvi added.

Former president of the Chittagong Stock Exchange (CSE) Fakhor Uddin Ali Ahmed echoed the former DSE president, saying that the regulator should strictly prevent any possible malpractice.

“The sister concerns of the companies were made subsidiary to strengthen the corporate governance. So what was the necessity of a firm to be subsidiary, if its operation depends on the IPO-money of its main company?” Mr. Ahmed said.

He also said a subsidiary firm itself should go public, if it needs additional fund for operation.

However, the SEC officials have refused to make any comment on the issue.

Source: The Financial Express, March 13, 2012