Monthly Archives: January 2012

তিন মাসের মধ্যে আসছে সরকারী কোম্পানির শেয়ার

আগামী তিন মাসের মধ্যে সরকারী মালিকানাধীন ২৬টি কোম্পানির শেয়ার ছাড়া হচ্ছে। এর আগেও কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার বাজারে আসতে পারে। মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে সরকারী মালিকানাধীন কোম্পানিসমূহের শেয়ার অফলোড বাস্তবায়ন অগ্রগতি বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কোম্পানির প্রতিনিধিরা। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন এক কর্মকর্তা জনকণ্ঠকে এ তথ্য জানান।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ২৬টি সরকারী মালিকানাধীন কোম্পানির প্রতিনিধিরা পুঁজিবাজারে আসার সর্বশেষ অগ্রগতি তুলে ধরে। তারা বর্তমান বাজারের পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলে। তবে পুঁজিবাজারে আসার ব্যাপারে সরকারী মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোকে বার বার সময় বেঁধে দেয়ার পরও না আসার বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে এই প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে কেউ কেউ এক মাস, কেউ দুই মাস ও তিন মাস সময়েও নতুন করে চেয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে সকল প্রস্তুতি শেষ করে পুঁজিবাজারে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। জানা গেছে, বিগত বছরগুলোতে অর্থমন্ত্রীর একাধিকবার নির্দেশ ও তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও তেমন কোন অগ্রগতি হয়নি। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন ক্রমে পর পর দুইবার সময়সীমা বেধে দেয়া হয়। কিন্তু ওই সময়েসীমা পার হলেও কোম্পানিগুলো শেয়ার ছাড়তে পারেনি।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সদয় অনুমোদনক্রমে ২০১০ সালের ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে ডেসকো, পাওয়ারগ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের লিকু্যইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস লিমিটেড কোম্পানি, বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি, জালালাবাদ গ্যাস টিএ্যান্ডডি সিস্টেম লি., পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লি., সিলেট গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি, রূপানত্মরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, যমুনা ওয়েল কোম্পানি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম কোম্পানি, ইস্ট্রার্ন লুব্রিকেন্টস লি.।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লি., ন্যাশনাল টিউবস লি., বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের হোটেল ইন্টারন্যাশনাল (সোনারগাও হোটেল), বাংলাদেশ সার্ভিসেস লি., (শেরাটন হোটেল), বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের টেলিকম বাংলাদেশ লি., বিটিসিএল, বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প, টেলিফোন শিল্প সংস্থা, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এ্যাসেনয়িয়াল ড্রাগস কোম্পানি, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের রূপালী ব্যাংককে শেয়ার ছাড়ার সময় বেঁধে দেয়া হয়। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যে এসব কোম্পানি বাজারে আসতে পারেনি।
দ্বিতীয় দফায় ২০১১ সালের ১৪ আগস্ট সময় বেঁধে দেয়া হয় ডেসকো, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি এবং ৩০ আগস্টের মধ্যে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লি., ন্যাশনাল টিউবস লি., হোটেল ইন্টারন্যাশনা (সোনারগাও হোটেল), বাংলাদেশ সার্ভিসেস লি., (শেরাটন হোটেল), বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, এ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি ও বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলকে সময় বেঁধে দেয়া হয় এবং অন্য কোম্পানিগুলোকে দ্রম্নত সময়ের মধ্যে বাজারে শেয়ার ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে ওইসব কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে অগ্রগতির একটি পেপার উপস্থাপন করা হয়। অগ্রগতি হিসেবে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের নিকট অবস্থানপত্র চাওয়া হয়েছে। ব্র্যান্ডিং না হওয়া পর্যনত্ম বাংলাদেশ সার্ভিসেস লি. (শেরাটন হোটেল) শেয়ার স্থগিত রাখা হয়। বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, রূপালী ব্যাংক, ইস্ট্রার্ন লুব্রিকেন্টস লি., মেঘনা পেট্রোলিয়াম কোম্পানি ও যমুনা অয়েল কোম্পানি বাসত্মবায়ন করেছে।
মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অমলেন্দু মুখার্জীর সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তিনি জনকণ্ঠকে বলেন, বৈঠক হয়েছে। পুঁজিবাজারে আসার জন্য সরকারী মালিকানাধীন কোম্পানিগুলো কেউ কেউ এক মাস, কেউ দুই মাস, কেউ তিন মাস সময় চেয়েছে। তবে প্রত্যেক কোম্পানির আসার ইচ্ছা রয়েছে। তারা প্রস্তুতির বিষয়টি তুলে ধরেছে। তবে অবশ্যই পুঁজিবাজারে সরকারী মালিকানাধীন কোম্পানির শেয়ার আসবে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ১১ জানুয়ারী ২০১২

পুঁজিবাজারে আসছে সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস

পুঁজিবাজারে ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছাড়বে বেসরকারী খাতের ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে কোম্পানি কোন রকম প্রিমিয়াম ছাড়াই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে মোট ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। আইপিও অনুমোদনের জন্য গত বুধবার কোম্পানির পৰ থেকে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন জমা দেয়া হয়েছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি জনতা ক্যাপিটাল এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।
জানা গেছে, সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৪৮ কোটি টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া শেষে এই কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৬২ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। সর্বশেষ ত্রৈমাসিক হিসাব অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৪৭ পয়সা_ বার্ষিক হিসাবে (এনুয়ালাইজড) যা ১ টাকা ১ টাকা ৮৮ পয়সায় দাঁড়ায়। কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১২ টাকা ৩৭ পয়সা। আইপিওতে কোম্পানির ১০টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে কোন প্রিমিয়াম গ্রহণ করা হবে না।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ৬ জানুয়ারী ২০১২

ACME Lab to float IPO

The ACME Laboratories Limited, one of the largest Pharmaceutical Companies of the country, will offload its share through Initial Public Offering (IPO) for expanding the operations. In this connection, an agreement was signed between ICB Capital Management Limited & The ACME Laboratories Limited Tuesday.

ICB Capital Management Limited (ICML), a subsidiary of Investment Corporation of Bangladesh (ICB) has been appointed as Manager to the Issue. Mr. Md. Fayekuzzaman (Managing Director), Mr. Nasir Uddin Ahmed (General Manager) of ICB, Mr. Md. Moshiur Rahman (Chief Executive Officer) of ICB Capital Management Limited and Mr. Nasir-ur-Rahman Sinha (Chaiman), Mr. Mizanur Rahman Sinha (Managing Director), Mr. Afjzalur Rahman Sinha (Deputy Managing Director), Mr. Md. Hasibur Rahman (Executive Director) of ACME and other high officials of both companies were present in the signing ceremony.

At present, a total of 20 companies are listed in pharmaceutical and chemical category on Dhaka Stock Exchange (DSE).

Source: The Financial Express, January 5 2012

পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়বে একমি ল্যাবরেটরিজ

পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়বে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি দি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকে (আইসিএমএল) ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার একমি ল্যাবরেটরিজের বোর্ডরুমে এ বিষয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাৰরিত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট একমি ল্যাবরেটরিজের প্রাথমিক শেয়ার ছাড়ার যাবতীয় ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে।
ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামানের উপস্থিতিতে একমি ল্যাবরেটরিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান সিনহা এবং আইসিএমএলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোঃ মশিউর রহমান নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় আইসিবির মহাব্যবস্থাপক নাসির উদ্দীন আহম্মদ, একমি ল্যাবরেটরিজের চেয়ারম্যান নাসির-উর-রহমান সিনহা, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফজালুর রহমান সিনহা, নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জিএসপি ফাইন্যান্সের আবেদন ৮ই জানুয়ারি

জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ৮ই জানুয়ারি থেকে। স্থানীয় অধিবাসীদের কাছ থেকে আগামী ৮ই জানুয়ারি থেকে এর আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হবে ১২ই জানুয়ারি এবং প্রবাসীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ওই দিন থেকে আগামী ২১শে জানুয়ারি পর্যন্ত। ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর এ কোম্পানির মার্কেট লট ৫০০টি শেয়ারে। কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা। কোম্পানিটির আইপিও পূর্ববর্তী পরিশোধিত মূলধন ছিল ২৭ কোটি ৬৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং আইপিও পরবর্তী পরিশোধিত মূলধন দাঁড়াবে ৪৭ কোটি ৬৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ ক্ষেত্রে ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের দর ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রতি লটের জন্য বিনিয়োগকারীদের ১২,৫০০ টাকা দিতে হবে। প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপক আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। এছাড়া কোম্পানিটি সর্বশেষ ৩১শে ডিসেম্বর ২০১০ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৭৫ টাকা এবং
শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে (এনএভি) ২৫.৬১ টাকা। কোম্পানিটি বাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে তারল্য বৃদ্ধি, ব্যবসা সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়ানো হবে। জানা যায়, কোম্পানিটির আবেদনের প্রেক্ষিতে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি গত ১লা নভেম্বর এর আইপিও’র অনুমোদন দেয়।

সূত্র: দৈনিক মানবজমিন, ০৪ জানুয়ারী ২০১২

উৎপাদনশীল খাতে আইপিও ও রাইট ইস্যুর যোগান ৩৫৭৩ কোটি টাকা

মন্দা সত্ত্বেও গত বছর আইপিও ও রাইট ইস্যুর মাধ্যমে এই অর্থ সংগ্রহ
ধারাবাহিক বিপর্যয় ও মন্দা পরিস্থিতি সত্ত্বেও ২০১১ সালে শিল্প ও সেবা খাত সম্প্রসারণে পুঁজিবাজার থেকে সর্বমোট ৩ হাজার ৫৭৩ কোটি ২ লাখ ৯৬ হাজার ১৩০ টাকা যোগান দেয়া হয়েছে। উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য ২৫টি কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রসত্মাব (আইপিও) এবং রাইট শেয়ারের মাধ্যমে এই অর্থ সংগ্রহ করে। ২০১০ সালে শিল্প ও সেবা খাতে পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৮২৭ কোটি ৫৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। এর আগে ২০০৯ সালে মাত্র ৭৪৭ কোটি ৮৬ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১১ সালে মোট ৮টি নতুন কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে মূলধন সংগ্রহ করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজার থেকে ১ হাজার ৩৬৩ কোটি ৯১ লাখ ৪০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে। এছাড়া আগে থেকেই তালিকাভুক্ত ১৭টি কোম্পানি তাদের উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য রাইট শেয়ার ইসু্যর মাধ্যমে ২ হাজার ২০৯ কোটি ১১ লাখ ৫৬ হাজার ১৩০ টাকা সংগ্রহ করেছে। ২০১০ সালে বিভিন্ন কোম্পানি রাইট শেয়ারের মাধ্যমে ২ হাজার ৪৭২ কোটি ৫ লাখ ২ হাজার ২২০ টাকা সংগ্রহ করেছিল।
গত বছর আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট ৪৬০ কোটি টাকা, এমআই সিমেন্ট ৩৩৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি) ৩১৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, সালভো কেমিক্যাল ২৬ কোটি টাকা, বরকতউলস্নাহ ইলেকট্রো ডায়নামিকস ১২০ কোটি টাকা, জাহিনটেঙ্ লিমিটেড ৫০ কোটি টাকা এবং রংপুর ডেইরি এ্যান্ড ফুড প্রডাক্টস লিমিটেড ২৯ কোটি ৪১ লাখ ৪০ হাজার টাকা সংগ্রহ করেছে। এছাড়া সাব অর্ডিনেট কনভার্টেবল বন্ড ইসু্য করে ব্র্যাক ব্যাংক সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৩০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।
এছাড়া বিদায়ী বছরে এসইসির অনুমোদন পাওয়ার পর জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি ৫০ কোটি টাকা, জিপিএইচ ইস্পাত ৬০ কোটি টাকা, পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সু্যরেন্স ১২ কোটি টাকা এবং সায়হাম কটন মিলস ৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহ প্রক্রিয়া শুরম্ন করেছে। এছাড়া জিবিবি পাওয়ার কোম্পানিকে ৮২ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমতি দেয়া হলেও আইনী জটিলতার কারণে এই কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে গেছে।
আইপিও অনুমোদনে কিছুটা শস্নথগতি দেখা গেলেও রাইট শেয়ার ইসু্যর ৰেত্রে গত বছরও ২০১০ সালের গতি অব্যাহত ছিল। সারা বছরে মোট ১৭টি কোম্পানি রাইট শেয়ারের মাধ্যমে ২ হাজার ২০৯ কোটি ১১ লাখ ৫৬ হাজার ১৩০ টাকা সংগ্রহ করেছে। এরমধ্যে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ২৩ কোটি ৩৮ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৮টি রাইট শেয়ার ছেড়ে ২৩৩ কোটি ৮৬ লাখ ৩৯ হাজার ৬৮০ টাকা, যমুনা ব্যাংক মোট ৭৪ লাখ ৩৩ হাজার ৬২৮টি রাইট শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৭৪ কোটি ৩৩ লাখ ৬২ হাজার ৮০০ টাকা, গোল্ডেনসন লিমিটেড ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৮ হাজার ৩৬০টি শেয়ার ছেড়ে ১৪৪ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার ৮০০ টাকা, প্রিমিয়ার লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড ৫২ লাখ ৯ হাজার ২৮২টি রাইট শেয়ার ছেড়ে ৫২ কোটি ৯ লাখ ২৮ হাজার ২০০ টাকা, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ৫ কোটি ৮০ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭৫টি রাইট শেয়ার ছেড়ে ৫৮০ কোটি ৬৮ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ টাকা, ব্যাংক এশিয়া ১ কোটি ৫ লাখ ৯ হাজার ৫৮১টি রাইট শেয়ার ছেড়ে ১০৫ কোটি ৯ লাখ ৫৮ হাজার ১০০ টাকা, সিএমসি কামাল ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৪০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬৬ কোটি ২২ লাখ টাকা, বিডি ওয়েল্ডিং ২ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ২৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা, ইউসিবিএল ২৯ কোটি ৯ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫০টি রাইট শেয়ার ইসু্য করে ৪৩৬ কোটি ৪৯ লাখ ৩০ হাজার ২৫০ টাকা, জনতা ইন্সু্যরেন্স ১৬ লাখ ২৬ হাজার ২৪০টি রাইট শেয়ার ছেড়ে ৩২ কোটি ৫২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা, সিনোবাংলা ৯৯ লাখ ৯৮ হাজার ৩০০ শেয়ার ছেড়ে ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ৬৬ হাজার টাকা, পাইওনিয়ার ইন্সু্যরেন্স ৩ লাখ ৭৫ হাজার রাইট শেয়ার ইসু্যর ১৫ কোটি টাকা, সিটি জেনারেল ইন্সু্যরেন্স ১ কোটি ৮১ লাখ ৫০ হাজার রাইট শেয়ার ছেড়ে ২৭ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, মার্কেন্টাইল ইন্সু্যরেন্স ১৬ লাখ ৫০ হাজার রাইট শেয়ার ছেড়ে ২৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ৮১ লাখ ৪৬ হাজার ৬০০ শেয়ার ছেড়ে ৮১ কোটি ৪৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ফেডারেল ইন্সু্যরেন্স ২ কোটি ২৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৮০টি হাজার রাইট শেয়ার ছেড়ে ২২ কোটি ৪৩ লাখ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা এবং ইউনাইটেড এয়ার ২১ কোটি রাইট শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৩১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এছাড়া সায়হাম টেঙ্টাইল ৫ কোটি রাইট শেয়ার ছেড়ে ১২৫ কোটি টাকা এবং রূপালী ইন্সু্যরেন্স ১ কোটি ৭৯ লাখ ৪৪ হাজার ৮১২টি রাইট শেয়ার ছেড়ে ৩৯ কোটি ৪৮ লাখ ৯৬ হাজার ২৪০ টাকা সংগ্রহের জন্য এসইসির অনুমোদন পেয়েছে।
বিশেস্নষকদের মতে, পুঁজিবাজারের মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের কাছে সঞ্চিত পুঁজি একত্রিত করে উৎপাদনশীল খাতে সরবরাহ করা। পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে শিল্প ও সেবা খাতের কোম্পানির উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারিত হলে তা জাতীয় অর্থনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করতে পারে। গত বছর সেকেন্ডারি মার্কেটে চরম মন্দা সত্ত্বেও প্রাথমিক গণপ্রসত্মাব (আইপিও) এবং রাইট শেয়ারের মাধ্যমে উৎপাদনশীল খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ সরবরাহের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে যে, পুঁজিবাজারের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ অটুট রয়েছে।
তাদের মতে, পুঁজিবাজারকে দেশের উৎপাদনমুখী খাতসহ সামগ্রিক অর্থনীতির বিকাশে কিভাবে কাজে লাগানো যায়_ সরকারের দিক থেকে সে ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত। এজন্য বিদু্যত, গ্যাসসহ অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং শিল্প খাতকে শক্তিশালী করতে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সরবরাহের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারলে একদিকে যেমন জাতীয় অর্থনীতি গতিশীল হবে তেমনি পুঁজিবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অর্থের নিরাপত্তা বাড়বে।
বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের অনেক উন্নয়নশীল দেশ অবকাঠামো খাত উন্নয়নে পুঁজিবাজারকে কাজে লাগাচ্ছে। বাংলাদেশেও একই ধরনের উদ্যোগ নেয়া হলে অর্থনীতিতে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করা সম্ভব। বর্তমান সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে নানা ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। বিশেষ করে বিদু্যত ও জ্বালানি সঙ্কট সমাধানে সরকারের নানামুখী প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ খাতের বড় প্রকল্পকে লিমিটেড কোম্পানি বা কনসোর্টিয়াম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করে প্রয়োজনীয় অর্থের বড় অংশ সংগ্রহ করা সম্ভব। প্রকল্প বাসত্মবায়ন না হওয়া পর্যনত্ম বিনিয়োগকারীদের সামান্য সুদ বা মুনাফা প্রদান এবং বাসত্মবায়নের পর প্রতিবছর ওই প্রকল্প থেকে অর্জিত আয়ের একাংশ লভ্যাংশ হিসেবে প্রদানের ঘোষণা দেয়া হলে বিপুলসংখ্যক মানুষ এসব প্রকল্পের শেয়ার কিনতে আগ্রহী হবেন। এভাবে দেশের বিদু্যত ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে সরকার প্রয়োজনে প্রসত্মাবিত (গ্রিনফিল্ড) প্রকল্পের বিপরীতে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারে। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে বিদু্যত কেন্দ্র স্থাপন করেও পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করা যায়। এই প্রক্রিয়ায় অর্থ সংগ্রহ করা হলে একদিকে বিদু্যত ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হবে, অন্যদিকে শেয়ারবাজারে ভাল শেয়ারের ঘাটতি কমবে।

সূত্র:দৈনিক জনকণ্ঠ, ৩ জানুয়ারী, ২০১২

We changed for better

bdipo released a new version of it on Dec 31. The key improvements are:

  1. We added new flow of payment. From now on you don’t need to look for “Confirm Payment” link. Just click on upgrade menu item, any time you want to upgrade, and the system will guide you.
  2. We restricted generating multiple invoices by an user for a particular payment plan. You don’t have to worry about multiple amounts, you will always be asked to pay for one certain amount if you want to upgrade from trial to a paid account.
  3. We improved look of the site to make it more user friendly. We made it friendly for mobile devices.
  4. We improved performance at database and application level.

All the changes are made based on customers’ feedback.

Let us know how you like the new site. We would be happy to hear from you.